নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যা কিছু ভাল

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ

দেশকে নিয়ে আমি প্রচন্ড রকম আশাবাদী।

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশে শিলপ বিপ্লবের নতুন দ্বার---সবাই একটু এগিয়ে আসুন

১৪ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৩

কাসাভার উৎপত্তি দক্ষিণ আমেরিকায়। সেখান থেকে এই ফসলটিকে সপ্তদশ শতাব্দীতে আফ্রিকায় নিয়ে আসে পর্তুগীজরা। প্রথমে আফ্রিকার সন্নিহিত অঞ্চলে আবাদ করা হয়। ক্রমান্বয়ে তা গোটা মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। আফ্রিকা মহাদেশে কার্বোহাইড্রেটের দ্বিতীয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো কাসাভা। সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি মানুষ কাসাভা খেয়ে থাকে।কাসাভা বা শিমুল আলু এমন এক উদ্ভিদ যা সব ধরনের মাটিতে জন্মায়, বলা হয়ে থাকে যে পৃথিবীর যে মাটিতে আর কোন গাছ জন্মানো সম্ভব না সেই মাটিতেও কাসাভা খুব ভাল ভাবে জন্মায়। নাইজেরিয়া সহ পৃথিবীর ৩ টি দেশের প্রধান ও ৩৯ টি আফ্রিকান দেশের ২য় প্রধান খাদ্য হল কাসাভা।

অতি সহজ চাষাবাদ পদ্ধতি শুধু মাত্র কাসাভা ঢাল কে ০৫ ইঞ্চি করে কেটে প্রতি টুকরা কে মাটিকে স্লপ আকারে রেডি করে পুঁতে দিলেই ৬ থেকে ৭ মাস পর প্রতিটি কাসাভা গাছ থেকে গড়ে ৭ থেকে ৮ কেজি কাসাভা আলু পাওয়া যায়। এক কাঠা জমিতে যদি ৫০ টা কাসাভা গাছ জন্মায় সেই এক কাঠা জমি থেকে প্রায় ৪০০ কেজি কাসাভা উৎপন্ন হয়। এই ৪০০ কেজি থেকে ২০০ কেজির মত আটা পাওয়া যায়।

কাসাভা গাছের রুট (যা মাটির নিচে থাকে) হচ্ছে কাসাভা আলু, এই রুট কে তুলে পানিতে ধুয়ে ছাল ছাড়িয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে রোদে শুকিয়ে গমের মতো ভাংগিয়ে এটা তৈরি করা হয় কাসাভা আটা। গবেষনাগারে পরীক্ষা করে দেখা গেছে কাসাভা আটার পুষ্টিমান গমের আটার চেয়ে অনেক বেশি এবং এই আটা থেকে রুটি ছাড়াও অনেক প্রকার সুস্বাদু খাবার তৈরি করা যায় । কাসাভা ভিটামিনের দিক দিয়েও শীর্ষে। কাসাভার খাদ্যমানের মধ্যে প্রেটিন আছে ১০ শতাংশেরও বেশি। এ্যমাইনো আসিড ও কার্বোহাইড্রোট আছে যথাক্রমে ১০ ও ৩০ শতাংশ। আরো আছে ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজ। এগুলো মিলে সেলুলোজের সঙ্গে পাওয়া যাবে মিনারেল ও ফাইবার গ্লুটামিন বা এর আঠালো অংশ ডায়াবেটিস ও হৃদ রোগীদের অসুখ উপশমের ক্ষেত্রে বন্ধুর মতো কাজ করে। কাসাভা ফাইবার বাড়তি কোলেস্টরলের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করে। এমনকি এটি ক্যান্সার প্রতিরোধেও ভুমিকা রাখে। প্রতি কেজি আটার দাম ৩০-৩৫ টাকা হলেও এক কেজি কাসাভর দাম পড়ে মাত্র ২ থেকে ৩ টাকা।

বর্তমানে আমরা বাজার হতে যে ডেক্সটোজ খাই তা কাসাভা থেকেই উৎপাদন করা হয়। এই ছাড়াও কাসাভা থেকে আমরা স্টার্চ, লেকটিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, বিউটেন, মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট, গ্লুকোজ সিরাপ, বায়ো-ফুয়েল ইত্যাদি প্রস্তুত করতে পারি।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ এই পর্যন্ত কাসাভা থেকে আটা, স্টার্চ, গ্লুকোজ সিরাপ, পেপার গাম, চিপস উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। কাসাভা হতে লেকটিক এসিড উৎপাদনের জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে গবেষণা চলছে।

কাসভা চাষাবাদ যদি আমরা আমাদের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সহযোগিতায় আমাদের দেশে জনপ্রিয় করে তুলতে পারি তাহলে সত্যিকার অর্থে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটা নতুন খাদ্য বিপ্লব ঘটবে ইনশা-আল্লাহ।

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৮

গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: অবশ্যই প্লাস অবশ্যই প্রিয়তে।

এই ধরনের লেখা আরো চাই। সত্যিকার কার্যকর কৃষিতথ্য চাই।
শিমুল আলু দিয়ে আমরা ভাসিয়ে দিতে পারি দেশ।
ধন্যবাদ।

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:০৯

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: দেশের সম্ভবনার অনেক দ্বার উন্মোচিত করার চেস্ট্রা করবো ইনশা-আল্লাহ

২| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫০

গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ও, ভাল কথা, আপনার লেখা প্রথম পাতায় যাচ্ছে।

জেনারেল সামুবারক! !:#P !:#P !:#P !:#P !:#P

৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৪

আধারের কবি বলেছেন: প্রতি কেজি আটার দাম ৩০-৩৫ টাকা হলেও এক কেজি কাসাভর দাম পড়ে মাত্র ২ থেকে ৩ টাকা।

+++++++++

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:০৯

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: দেশের সম্ভবনার অনেক দ্বার উন্মোচিত করার চেস্ট্রা করবো ইনশা-আল্লাহ

৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০৪

ইমরান হক সজীব বলেছেন: পত্র পত্রিকাই দেখে ছিলাম অনেকদিন আগেই, কিন্তু এরকম একটা সম্ভাবনাময় ফসল এখনো কেও চাষ করছে না কেন, বাজারেও তো এখনো কাসাভা দেখছি না ।

৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১২

আজিমুল হক খান বলেছেন: ধন্যবাদ, এ ধরনের লেখা আরও চাই।

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১০

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: দেশের সম্ভবনার অনেক দ্বার উন্মোচিত করার চেস্ট্রা করবো ইনশা-আল্লাহ

৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১৩

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: চমৎকার। এটার চাষ শুরু করে দেয়া দরকার। কাসভা রুটি এখুনি খেতে মন চাইছে।

আরো কিছু ছবি এড করে দিন।

৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১৯

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয়তে নেওয়ার জন্য!!

আমাদের দেশের কম্পানি গুলো প্রতিনিয়ত স্টার্চ, লেকটিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, বিউটেন, মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট, গ্লুকোজ সিরাপ এইগুলা আমদানি করে থাকে। আমরা যদি আমাদের দেশে এই প্রোডাক্ট গুলা উৎপাদন করতে পারি,তাহলে কর্ম সংস্থানের পাশাপাশি ওই ফরেন কারেন্সি গুলো ও রিসার্ভ করতে পারি। এমন কি উৎপাদন খরচ কম হওয়ার কারনে আমরা নিজেরাই রপ্তানি করে অনেক লাভবান হতে পারি।

৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২২

দাইমারু বলেছেন: ভাই কিভাবে শুরু করা যেতে পারে নিয়মিত আপডেত দেন প্লিজ



দেশ কে নিয়ে আমরাও ভালোর দিকে যাবার প্রচন্ড আশাবাদি ও কাজ করে প্রতিফলন দেখাতে চাই।

৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২৫

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: আমার নিজের দুইটা কাসাভা বাগান আছে, ছবি তুলে এড করে দিব। আমার নিজের তৈরি করা কাসাভা স্টার্চ ও আটার ছবি ও দিব। ইমরান হক সজীব ভাই আমার মনে হয় না জানার কারনেই সম্ভাবনাময় এই ফসল এখনো কেউ চাষ করছে না। আমাদের কে মানুষ জন কে জানাতে সাহায্য করতে হবে।

১০| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২৫

প্রদীপ মিত্র বলেছেন: 1700 সালে স্পানিস রা এদেশে আসার আগে আলু কেউ কোনদিন খায় নাই। তাহলে আজ এই কাসাভাকেও একভাবে গ্রহন করা হোক

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১১

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: দেশের সম্ভবনার অনেক দ্বার উন্মোচিত করার চেস্ট্রা করবো ইনশা-আল্লাহ

১১| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪২

আবুল হাসান নূরী বলেছেন: ঢাকায় এই গাছের চারা কোথায় পাওয়া যায়?

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৬

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: ভাইজান ঢাকায় এই গাছের চারা পাবেন না। কাসাভা গাছের চারা লাগেনা, এর কান্ড কে পাঁচ ইঞ্চি করে কেটে মাটি কে একটু স্লপ করে জাস্ট পাঁচ ইঞ্চি করে কাটা কান্ড গুলা পুঁতে দিলেই হয়। আমার দুইটা বাগান আছে, আপনি ইন্টারেস্টেড হলে রাজশাহী ও চট্রগ্রাম বিসিএস আই আর এ যোগাযোগ করলে কাসাভার কান্ড পাবেন।

১২| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪৫

ধৈঞ্চা বলেছেন: @ লেখক, আপনি যা বলেছেন তার সবই ঠিক আছে, আমি শুধু ২/১টা পয়েন্ট এড করতে চাই।
(৪০০ কেজি কাসাবা থেকে ২০০ কেজির মত আটা পাওয়া যায়) তথ্যটি মোটেও সত্য নয়। কাসাভাতে যে পরিমান পানি থাকে তাকে ড্রাই করলে সলিড হিসাবে তেমন কিছুই থাকে না।
(কাসাভাতে ৬০% পানি থাকে যেখানে গমে ১১% এবং চালে ১২% পানি, প্রোটিন কাসাভাতে ১.৪%, গমে ১৩.৭% এবং চালে ৭.১%)
সম পরিমান গম বা ভূট্টা থেকে যে পরিমান আটা পাওয়া যায় সেখানে সম পরিমান কাসাভা থেকে আটা পাওয়া যায় অনেক অনেক কম। এটাকে ফ্রেশ অবস্থায় খাওয়া হলে কোন টেষ্টই পাওয়া যায় না। (পোষ্টদাতা কাসাভা খেয়েছেন মনে হয় না)

আমাদের মাটিতে অনেক মজার মজার সবজি চাষ সম্ভব যা সাধ ও পুষ্টির দিক থেকে অদ্বিতীয়। আমরা কেন সেগুলো ফেলে কাসাভার মত সাধহীন গরুর উপযোগী ফসল আমাদের সুন্দর মাটিতে চাষ করব?

১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২১

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: কাসাভা থেকে ওরস্যালাইন ও আটা তৈরি এবং বাজারজাতকরণের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা জমা দিয়ে এইচএসবিসি তরুণ উদ্যোক্তা পুরস্কারের রৌপ্য পুরস্কার জিতে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর সিএমপিআই দল। সুত্রঃ agrobangla.com/index.php?option=com_content&view=article&id=56&Itemid=28
৫০% আটা অনিচ্ছাকৃত ভুল কিন্তু ৪০% পাওয়া যায়।এক কেজি কাঁচা কাসাভা থেকে ৩০০ - ৪০০ গ্রাম শুকনা আটা পাওয়া যায়, সুত্র-বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০০৮, নিউজ বাংলা। ফাও এর ফুড আউট লুক ২০১১ এ কাসাভা উপর গবেষণা কে জোর দেওয়া হয়েছে বর্তমান বিশ্বের খাদ্য ঘাটতি মিটানোর জন্য।
কাসাভা হতে প্রস্তুতকৃত স্টার্চ অতি উচ্চ মানের। যেই টা দিয়ে উন্নত মানের গাম তৈরির পাশা পাশি ওষধ শিল্পে ওষদের এক্সিপিয়েন্ট হিসাবে ব্যাবহার করা যায়। আমি নিজে কাসাভা আটা তৈরি করে খেয়েছি-এইটা মোটেই স্বাদহীন নয়, বরং এর একটা সুন্দর ফ্লেভার আছে। তবে গ্লুতিনিন কম থাকার কারনে কাসাভা আটার রুটি গোল কম হয়, এই জন্য সাধারন আটার সাথে মিশিয়ে মিক্সড করে খেলে ভাল। আপনার মন্তব্বএর জন্য শুকরিয়া

১৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪৭

েমাঃ আবু বকর বলেছেন: এটা স্টিকি করা হউক।

১৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:০৮

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: মিঃ ধৈঞ্চা ৫০% আটা অনিচ্ছাকৃত ভুল কিন্তু ৪০% পাওয়া যায়।এক কেজি কাঁচা কাসাভা থেকে ৩০০ - ৪০০ গ্রাম শুকনা আটা পাওয়া যায়, সুত্র-বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০০৮, নিউজ বাংলা। ফাও এর ফুড আউট লুক ২০১১ এ কাসাভা উপর গবেষণা কে জোর দেওয়া হয়েছে বর্তমান বিশ্বের খাদ্য ঘাটতি মিটানোর জন্য।
কাসাভা হতে প্রস্তুতকৃত স্টার্চ অতি উচ্চ মানের। যেই টা দিয়ে উন্নত মানের গাম তৈরির পাশা পাশি ওষধ শিল্পে ওষদের এক্সিপিয়েন্ট হিসাবে ব্যাবহার করা যায়। আমি নিজে কাসাভা আটা তৈরি করে খেয়েছি-এইটা মোটেই স্বাদহীন নয়, বরং এর একটা সুন্দর ফ্লেভার আছে। তবে গ্লুতিনিন কম থাকার কারনে কাসাভা আটার রুটি গোল কম হয়, এই জন্য সাধারন আটার সাথে মিশিয়ে মিক্সড করে খেলে ভাল। আপনার মন্তব্বএর জন্য শুকরিয়া

১৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১১

পদ্যবিতা বলেছেন: স্টিকি করা আবশ্যক!

১৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১৬

ধৈঞ্চা বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে মেজাজ ঠিক রাখতে পারছি না, এত ভুল তথ্য দিয়ে পোষ্ট না দিলেই ভাল হয়।
(গবেষনাগারে পরীক্ষা করে দেখা গেছে কাসাভা আটার পুষ্টিমান গমের আটার চেয়ে অনেক বেশি এবং এই আটা থেকে রুটি ছাড়াও অনেক প্রকার সুস্বাদু খাবার তৈরি করা যায় । কাসাভা ভিটামিনের দিক দিয়েও শীর্ষে। কাসাভার খাদ্যমানের মধ্যে প্রেটিন আছে ১০ শতাংশেরও বেশি। এ্যমাইনো আসিড ও কার্বোহাইড্রোট আছে যথাক্রমে ১০ ও ৩০ শতাংশ। আরো আছে ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজ। )
এগুলো কোত্থেকে কপি করেছেন? , কাসাভাতে বিশেষ ধরনের তেমন কিছুই নাই যা দিয়ে অন্যকে উৎসাহিত করা যেতে পারে। পোষ্ট দিতে এত কিছু স্টাডি করে নেওয়া ভাল। অন্তত পাঠক বিভ্রান্ত হবে না।
ভুলকে কিছুটা সংশোধনের জন্যই দ্বিতীয় বার মন্তব্য করতে হলো, নীচের টেবিলটা উইকি থেকে নেওয়া, একটু খেয়াল করে দেখুন আপনার ভুলগুলো;

১৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৪

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: একটু মিলিয়ে নিন আপনার দেওয়া তথ্যের আলকে লিখলাম, দামের তুলনা
করলে আমার কোন ডাটা টি ভুল?
ভিটামিন কে এবং সি কাসাভা তে বেশি পরিমানে থাকে।
১। কাসাভা থেকে ভাল মানের স্টার্চ তৈরি করা যায়, এই স্টার্চ দিয়ে বিভিন্ন রকমের গাম তৈরি করা হয়।
২। কাসাভা চর্ম থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় বায়োফুয়েল তৈরি করা যায়
৩। বাজারের যে ডেক্সট্রোজ আপনি খাচ্ছেন তা ও কাসাভা থেকে তৈরি হয়, এটা প্রস্তুত করে বাংলাদেশে রহমান কেমিক্যাল। Glaxo Smith kline শুধু প্যাকেট করে বাজারজাত করে।
৪। কাসাভা হতে লেক্টিক এসিড পাওয়া যায়। এই লেকটিক এসিড ফার্মা তে ওষদের এক্সিপিয়েন্ট হিসাবে ইউজ হয়। যেকোনো প্রসাধনী সামগ্রী তৈরিতে লেকটিক এসিড ইউজ হয়।
৫। কাসাভার উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি তে ২ থেকে ৩ টাকা পড়ে। আপনাক বিস্তারিত পরে দিব, এখন একটু ঝামেলায় আছি।

১৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫১

মহাসাধক বলেছেন: দেশের স্বার্থে এটী অত্যন্ত গুরুত্ত পূর্ণ পোস্ট। সামু মডারেটর কে অনুরোধ এটিকে সটীকই করুন।

১৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:৫০

ধৈঞ্চা বলেছেন: আপনার পোষ্ট আরো একটা মন্তব্য করতে হলো তবে আপনার সাথে আমি কোন কন্ট্রিডিকশনে যাব না।
একটু খেয়াল করুন, আপনি বলেছেন "কাসাভা আটার পুষ্টিমান গমের আটার চেয়ে অনেক বেশি" কোন পুষ্টি উপাদানের কারনে বেশী? আমি তো এমন কিছু দেখলামনা যাতে গমের চেয়ে বেশী পুষ্টকর মনে হয়।

আপনি পুষ্টিগত তথ্য বাদ দিয়ে বানিজ্যিক ব্যবহারের দিকে চলে গেছেন। আমি আপনাকে সেই ব্যাখ্যা দিচ্ছি:

১. যে কোন প্রকৃতিক সজিব খাদ্যেই প্রচুর ভিটামান সি আছে তবে শর্ত হলো ফ্রেশ অবস্থায় খেতে হবে। কাসাভা ফ্রেশ অবস্থায় খাওয়া মোটেও নিরাপদ নয় কারন তাতে যে এন্টি নিউট্রিশনাল ফ্যাক্টর থাকে তা খুবই বিষাক্ত। নাম তার "সায়ানোজেনিক গ্লুকোসাইড" ফ্রেশ প্রতি কেজি কাসাভাতে ২০মিগ্রা থেকে ১ গ্রাম পর্যন্ত থাকতে পারে। এই বিষ সরাসরি ৪০ মিগ্রা গ্রহন করলে একটা গরুর মৃত্যু হতে পারে।
ভিটামির কে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় কারন আমরা সচরাচর যা খাই তাতেই চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। এটা ফ্যাট সলিউবুল হওয়ায় অভাবজনিত লক্ষন খুব একটা পরিলক্ষিত হয় না।

২. ভাল মানের স্টার্চ নির্ভর করে ষ্টার্চ কম্পোজিশনের উপর। এমাইল্যাজ-এমাইলোপ‌্যাকটিন, রিডিউসিং-ননরিডিউসিং সুগার এবং অন্যান্য পলিস্যাকারাইডের পরিমান ও অনুপাতের উপর। কাসাভা স্টার্চেকে "ভাল মানের স্টর্চ" বলার জন্য বিশেষ কিছু দেখলাম নাতো।

৩. ইয়েস, বায়ো ফুয়েল তৈরীতে আজকাল কাসাভা ব্যবহার হচ্ছে তবে এই ধরনের বায়ো ফুয়েলের উৎপাদন খরচ আখ, ভূট্টা বা জত্রফা থেকে ফুয়েল উৎপাদনের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

৪. কাসাভার উৎপদন খরচ অন্যান্য যে কোন প্লান্ট থেকে কম কারণ কম বৃষ্টিপাত ও দুর্বল মাটিতে কাসাভা ভাল জন্মে, বিশেষ কোন যত্নের প্রয়োজন হয় না। কেমিক্যাল কোম্পানি গুলো সেখান থেকেই কাচামাল ক্রয় করে যেখানে দাম সবচেয়ে কম দিতে হয়। ডেক্সট্রোজ যা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে তা কাচামালের দাম কম দেখেই কাসাভা দিয়ে তৈরী হচ্ছে, কাসাভার বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্যের কারণ নয়।

৫. ল্যাকটিক এসিডের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ফার্মেন্টেশন করে প্রায় সকল জৈব থেকেই ল্যাকটিক এসিড তৈরী করা যায় তবে কাচামালের দাম কম হওয়ায় উৎপাদনকারীরা কাসাভা পছন্দ করে।

বাংলাদেশের যে কোন নতুন কিছুকে সবাই এনকারেজ করে এই সুবিধা নিয়ে এমন কিছু ইন্ট্রডিউজ করা হয় যার মূল উদ্দেশ্যই হলো মুনাফা। তা নতুন কোন প্রজেক্ট পাওয়ার ক্ষেত্রেই বলেন আর বিপননের ক্ষেত্রেই বলেন উদ্দেশ্য একই। কিন্তু দেশের সত্যিকার কৃষি উন্নয়নের জন্য এগুলো সাসটেইন্যাবল কি না সে চিন্তা কেউ করে না। এগুলো অনেকটা চমক দেখানোর মত, ঝড়ের মত আসে আবার চলে যায় কিন্তু টিকতে পারে না কারন উদ্দেশ্যই থাকে ভিন্ন।

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:০৩

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: মিঃ ধৈঞ্চা কাসাভার যেহেতু উৎপাদন খরচ কম আমরা কাসাভা আটা কে আমরা সাধারণ আটার সাথে মিক্সড করে খেতে পারি, আমি এই বিষয়টা বার বার জোর দিচ্ছি কারন এতে দাম অনেক কম পড়বে।
আপনি যে "সায়ানোজেনিক গ্লুকোসাইড" এর কথা বলছেন এটা কাসাভা কে যখন পানিতে রাখবো তখন পানির সাথে দূরীভূত হয়ে যায়। তাছাড়া কাসাভা দুই ধরনের হতে পারে সুইট কাসাভা তে "সায়ানোজেনিক গ্লুকোসাইড" এর পরিমাণ কম থাকে।
কাসাভা বাংলাদেশের ইন্ডিজেনাস ফসল, কারন টাঙ্গাইল এর মধুপুর এ কাসাভা অটোমেটিকালি জন্মায়, এছাড়া ও খাগড়াছড়ি তে ও জন্মায়।

বায়োফুয়েল কাসাভার চামড়া থেকে তৈরি হয় বিধায় এর দাম সবচেয়ে কম পড়ে।

আমি কাসাভা নির্ভর শিল্প বিপ্লবের কথা বলছি এই কারনেই যে কারন কাসাভা থেকে আমরা লাক্টিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, ফিঊমারিক এসিড, এন বিউটেন, গ্লুকোজ সিরাপ, বায়োফুয়েল,সায়ানোকবালমিন সহ আরো অনেক পণ্য তৈরি করা যায়। আপনি ফাও এর ২০১১ ফুড আউট লুক পড়লে ভাল হয়। এখানে কাসাভার উপর গবেষণা করার জোর দেওয়া হয়েছে।

উপরে বর্ণিত পণ্য গুলা আমাদের দেশে আমরা তৈরি করতে পারি, অথবা কাসাভা চাষ করে শুধু কাঁচামাল হিসাবে বাহিরে রপ্তানি করতে পারি।

মধুপুরে যেহেতু এইটা ইন্ডিজেনাস সেহেতু ওই অঞ্চলে কাসাভাকে আমরা বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করতে পারি, এই ছাড়াও কাসাভা কে আমরা পাহাড়ি অঞ্চলে চাষাবাদ করে উপকৃত হতে পারি।

ভাল কথা ফার্মা গুলা বিভিন্ন ধরনের স্টার্চ বিদেশ থেকে আনে ড্রাগস এর কাঁচামাল হিসাবে ব্যাবহার করার জন্য, কম্পানি গুলা ওই স্টার্চ এর মাইক্রো স্কপিক টেস্ট করে হেক্সা গোনাল সেল স্ট্রাকচার ঠিক আছে কিনা? এই ক্ষেত্রে মেইজ স্টার্চ এর চেয়েও কাসাভা স্টার্চ অনেক বেশি হোমোজেনাস।

আমি এক জন মাইক্রো বায়োলজিস্ট, পেশায় একজন বিজ্ঞানী হিসাবে বাংলাদেশের একটা সরকারি গবেষণা প্রতিস্টানে কর্মরত হিসাবে কাসাভা চামড়া থেকে লেক্টিক এসিড উৎপাদন নিয়ে কাজ করতেছি। আমি যা লিখছি দেশের ভালোর কথা ভেবেই বলছি।

২০| ১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধৈঞ্চা ভাইকে ধন্যবাদ, আমি ব্যাক্তিগতভাবে নতুন কোন বিদেশী গাছ আমদানীর বিরোধী বিশেষ করে তুলনামুলক ননপ্রোডাক্টিভ রুক্ষ মাটির গাছ। উপযোগীতা দেখতে গেলে কাসাভার থেকে অনেক উন্নতমানের দেশী ফসল আমাদের এখানে সহজে উতপাদন সম্ভব। তাহলে কেন আমাদেরকে ঐসব বিদেশী গাছ এদেশে আনতে হবে? বাংলাদেশে বিদেশী গাছ আমদানী একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। যেমন এসেছে আকাশমনি, মেহগনি, রাবার গাছ, ইউক্যালিপটাসের মতো ভায়াবহ ক্ষতিকর গাছ খালি বিদেশী বলে। যেসবের কারণে আমাদের প্রাক্রিতিক চেইন নষ্ট হচ্ছে। অনেক অনেক পাখী থেকে কীট পতঙ্গ বিনাশ হয়ে যাচ্ছে। তাই একটা গাছ দেশে আনার আগে ভাবা উচিত এটা আমাদের দেশের প্রাক্রিতিক চেইনের জন্য কতটা উপযোগী বা এর মতো বা এর চাইতে ভালো মানের কোন দেশী গাছ আমাদের রয়েছে কিনা। একটা বিদেশী নতুন জিনিষ দেখেই হুট করে সেটা আমদানী খুবই ক্ষতিকর।

যেমন আমার মনেহয়, বাংলাদেশে রাবার গাছের জন্য রাবার বাগান বা তার আশেপাশের পাখী কীটপতঙ্গ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এখন ঐ সব রাবার গাছ না লাগিয়ে যদি আম গাছও লাগানো হত তাহলে সেই আম বেচে বা বিদেশে রপ্তানী করে অনেক বেশী আয় হত সাথে প্রাক্রিতিক ভারসাম্যও ঠিক থাকত।

১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:০৪

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: কাসাভার যেহেতু উৎপাদন খরচ কম আমরা কাসাভা আটা কে আমরা সাধারণ আটার সাথে মিক্সড করে খেতে পারি, আমি এই বিষয়টা বার বার জোর দিচ্ছি কারন এতে দাম অনেক কম পড়বে।
আপনি যে "সায়ানোজেনিক গ্লুকোসাইড" এর কথা বলছেন এটা কাসাভা কে যখন পানিতে রাখবো তখন পানির সাথে দূরীভূত হয়ে যায়। তাছাড়া কাসাভা দুই ধরনের হতে পারে সুইট কাসাভা তে "সায়ানোজেনিক গ্লুকোসাইড" এর পরিমাণ কম থাকে।
কাসাভা বাংলাদেশের ইন্ডিজেনাস ফসল, কারন টাঙ্গাইল এর মধুপুর এ কাসাভা অটোমেটিকালি জন্মায়, এছাড়া ও খাগড়াছড়ি তে ও জন্মায়।

বায়োফুয়েল কাসাভার চামড়া থেকে তৈরি হয় বিধায় এর দাম সবচেয়ে কম পড়ে।

আমি কাসাভা নির্ভর শিল্প বিপ্লবের কথা বলছি এই কারনেই যে কারন কাসাভা থেকে আমরা লাক্টিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, ফিঊমারিক এসিড, এন বিউটেন, গ্লুকোজ সিরাপ, বায়োফুয়েল,সায়ানোকবালমিন সহ আরো অনেক পণ্য তৈরি করা যায়। আপনি ফাও এর ২০১১ ফুড আউট লুক পড়লে ভাল হয়। এখানে কাসাভার উপর গবেষণা করার জোর দেওয়া হয়েছে।

উপরে বর্ণিত পণ্য গুলা আমাদের দেশে আমরা তৈরি করতে পারি, অথবা কাসাভা চাষ করে শুধু কাঁচামাল হিসাবে বাহিরে রপ্তানি করতে পারি।

মধুপুরে যেহেতু এইটা ইন্ডিজেনাস সেহেতু ওই অঞ্চলে কাসাভাকে আমরা বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করতে পারি, এই ছাড়াও কাসাভা কে আমরা পাহাড়ি অঞ্চলে চাষাবাদ করে উপকৃত হতে পারি।

ভাল কথা ফার্মা গুলা বিভিন্ন ধরনের স্টার্চ বিদেশ থেকে আনে ড্রাগস এর কাঁচামাল হিসাবে ব্যাবহার করার জন্য, কম্পানি গুলা ওই স্টার্চ এর মাইক্রো স্কপিক টেস্ট করে হেক্সা গোনাল সেল স্ট্রাকচার ঠিক আছে কিনা? এই ক্ষেত্রে মেইজ স্টার্চ এর চেয়েও কাসাভা স্টার্চ অনেক বেশি হোমোজেনাস।

আমি এক জন মাইক্রো বায়োলজিস্ট, পেশায় একজন বিজ্ঞানী হিসাবে বাংলাদেশের একটা সরকারি গবেষণা প্রতিস্টানে কর্মরত হিসাবে কাসাভা চামড়া থেকে লেক্টিক এসিড উৎপাদন নিয়ে কাজ করতেছি। আমি যা লিখছি দেশের ভালোর কথা ভেবেই বলছি।

২১| ১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:২৩

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: মধুপুর অঞ্চলে ভালো আনারস হয়! কাসাভা উতপাদন না করে আনারস উতপাদন করলে মনেহয় রপ্তানী আয়ের সম্ভাবনা বেশী। তাছড়া কালাই চাষও করা যেতে পারে, এবং কালাইয়ের আটা জনপ্রিয় করা যেতে পারে। তাছাড়া গমের থেকে কালাইয়ে উতপাদন খরচ মনেহয় অনেক কম এবং কাসাভার থেকে খাদ্যগুন অনেক বেশী। রাজশাহী অঞ্চলে ট্র্যাডিশনালি কালাইয়ের রুটির একটা বহুল প্রচলন রয়েছে। এতে মনেহয় কাসাভার থেকে সবদিক থেকেই লাভবান হওয়া যাবে সেইসাথে রপ্তানী আয়ের একাংশ দিয়ে লেক্টিক এসিড আমদানীও করা যাবে।

তবে মধুপুরের রাবার আর আকাশমনির বাগান ধ্বংস করে যদি কাসাভার চাষ হয় তাহলে হয়তো মন্দের ভালো কিছু একটা হলেও হতে পারে।

২২| ১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৩৩

ধৈঞ্চা বলেছেন: মন্তব্যের জবাবের জন্য ধন্যবাদ, আপনি অন্তত আমার পয়েন্টগুলোর একটা যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করেছেন। অনেক পোষ্টদাতা বিরুদ্ধ মন্তব্য সহ্য করতে পারে না, মন্তব্যকারীকে গালিগালাজ করে, বাড়তি জ্ঞান দিতে আসে অথবা মন্তব্য মুছে দেয় কিন্তু আপনি সে ক্যাটাগরির না।
কাসাভা নিয়ে আপাতত আর কিছু বলতে চাচ্ছি না কারণ আপনি ইতিমধ্যেই কাসাভার একটা প্রজেক্টে কাজ করছেন। ফলে আপনাকে কাসাভার কাছ থেকে দূরে সরানো যাবে না। যেহেতু সরকারী প্রতিষ্ঠান প্রজেক্ট যতদিন আছে কাজ চলবে আর প্রজেক্ট শেষ হয়ে গেলে কাজও শেষ। কাসাভা যেখানে ছিল সেখানেই থাকবে। আমার তৃতীয় মন্তব্যের শেষ প‌্যারাটা আবার পড়ে দেখতে অনুরোধ করছি।

আলু বা মিষ্টি আলু আমাদের দেশে ব্যাপক ফলন হয় এবং পুষ্টিগুন কাসাভার তুলনায় অনেক অনেক বেশী (উপরের টেবিল থেকে জানা যায়)জাপান-কোরিয়ার মিষ্টি আলু বেশ জনপ্রিয় এবং দাম বাংলাদেশের তুলনায় ৫০ গুণ বেশী। কাসাভায় যা যা হয় তার চেয়ে অনেক অনেক বেশী গুণগত মানের পন্য তৈরী করা যায় এই দুধরনের আলু দিয়ে। বাংলাদেশে এর কদর নাই কারণ এর মাঝে নতুনত্ব নাই, তাই মিষ্টি আলু দিয়ে ভাল কোন প্রজেক্ট দিলে না পাওয়ার সম্ভাবনাই ১০০% অথচ এই দুধরনের আলুই পারে খাদ্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে। আলুর মত অনেক ভাল ভাল লোকাল ফসল আছে আমাদের দেশে যা দিন দিন অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে।

আমার রিসার্স এক্সিটিং (ইণ্ডিজেনাস) প্লান্ট ও পোল্ট্রি বিষয়ক। আমরা সার্ভে করে দেখেছি বাংলাদেশে সরকারী রিসার্স ষ্টেশন ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে রিসার্সের নামে যা চলছে তার ৯০%-ই লোক দেখানো, ভোগাস ও সরকারী টাকা হরিলুটের মহোৎসব।
ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

২১ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৩৬

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: পুস্টি বলতে আপনি কি বুঝেন আমি জানিনা যদিও আমার মূল বক্তব্য হলো শিল্প বিপ্লব নিয়ে তার পরেও বলতেছি কাসাভা তে linamarase gene থাকে এইটা থেকে পাও্য়া যায় লিমারিন নামক প্রোটিন যা এন্টিক্যানসারাস হিসাবে প্রমান পেয়েছে স্পেইনের সাইনটিস্ট রা।

সরকারী প্রতিস্ঠানের ব্যাপারে আপনাদের পরিসংখ্যানের ভেলিডিটি নিয়ে আমি প্রশ্ন করতে চাইনা।শুধু এই টুকু আপনাকে বলতে চাই আমি নিজেই তিনটি প্রজেক্টে কাজ করতেছি। আমাদের ল্যাবে এই পর্যন্ত কোন টাকা অপচয় কিংবা হরিলুট হতে দেখি নাই। আমি মনে করি আমরা যারা ভার্সিটি তে না জয়েন করে গবেষণা প্রতিস্ঠানে এসেছি তাদের প্রায় সবাই গবেষণা কে অনেক বেশি ভালোবাসি।

ফলিত গবেষণা চোখে বেশি পড়ে বিধায় হয়ত আমাদের অর্জন গুলা মূল্যায়িত কম হচেছ। উদাহরণ স্বরুপ আমরা এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট E.coli ব্যাক্টেরিয়ার প্রোফাইলিং নি্য়ে যে কাজটা করতেছি এইটা পুরোপুরি বেসিক কাজ আমাদের দেশের জন্য।

আমি আমার লিখায় কাসাভা নির্ভর শিল্প বিপ্লবের কথা বুঝাতে চেয়েছিলাম, কারন আমরা ঔ পণ্য গুলা আমাদের ঔষধ/কসমেটিকস শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যাবহার করার জন্য বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ডলার ব্যায় করে অলরেডি আনতেছি।

কাসভা চাষের জন্য যেহেতু আমাদের দেশের পতিত জমি গুলাই যথেস্ঠ তাই সব দিক বিবেচনা কাসাভা দিয়ে আমরা অন্তত দশ টা লাভজনক শিল্প প্রতিস্ঠান গড়ে তুলতে পারি।

২৩| ১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০

গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: কাজের পোস্ট আর কোথায়?

আরো চাই।

২৪| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:৫৮

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: ধৈঞ্চা বলেছেন :" বাংলাদেশে সরকারী রিসার্স ষ্টেশন ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে রিসার্সের নামে যা চলছে তার ৯০%-ই লোক দেখানো, ভোগাস ও সরকারী টাকা হরিলুটের মহোৎসব।"
সহমত,
আমাদের একদল বালের পলিসি মেকার আছে এই সব বিষয়ে, এদের কথা হোলো প্রায়োগিক গবেষণার জন্য ফান্ড দেয়া হবে, কিন্তু এই বলদগুলার মাথায় এইটা ঢোকে না যে বেসিক রিসার্সের স্কোপ/ ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ না বাড়ালে প্রায়োগিক গবেষণার ফলাফল কোনো দিন ভালো কিছু হবে না।

২১ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪১

আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: আমরা বর্তমানে ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ গুলা ধীরে ধীরে পাচ্ছি, তবে হয়ত প্রয়জনের তুলনায় অপ্রতূল। ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা টা কি ঠিক?

২৫| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৯

অনির্বাণ তন্ময় বলেছেন: এটা একটু দেখেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.