নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লুৎফর রহমান রনো

লুৎফর রহমান রনো › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভাঙ্গা-গড়া

২৩ শে জুন, ২০১৪ রাত ১০:৩০

জগতের সবকিছুর মধ্যেই একরূপ ছন্দ বিদ্যমান।বিশ্বজগত সৃষ্টির সূচনা পর্বে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে যে মুহূর্তে বিন্যস্ত ও বিকশিত হতে শুরু হয় এই সীমান্তহীন স্বতশ্চল

বস্তুজগত,তখন থেকেই অন্তর্নিহিত এ ছন্দও ক্রিয়াশীল।কখনো আমরা তা বুঝি,দেখি

কিংবা উপলব্দি করতে পারি,কিন্তু অধিকাংশই অদৃশ্য ও উপলব্দির অতীত।আমাদের

সাহিত্য-শিল্পকলাতেও রয়েছে নানা রূপ-রঙ-সুর-শব্দের এক দৃশ্য-অদৃশ্য ছন্দজগত।

বলা যায়, যে কোনো ধরণের,মানের সৃষ্টির তাৎপর্যই হলো সংশ্লিষ্ট স্র্রষ্টা বা শিল্পীর নিজস্ব সৌন্দর্য-চেতনার প্রকাশ।স্র্রষ্টা-প্রকৃতি বা স্র্রষ্টা-শিল্পী মানুষের সকল সৃষ্টির ভেতরে সম্ভবত ছন্দ তাই অপরিহার্য। আর সৃষ্টি মানেই স্র্রষ্টার সৌন্দর্যবোধের বহিঃপ্রকাশ।আবার

শিল্পীস্বত্ত্বা স্বাধীন সত্বেও শিল্পের ছন্দের মধ্যে শৃঙখলা নিহিত থাকে।তবে মনে হয়, শৃঙ্খলা ততক্ষণ পর্যন্ত মান্য যতক্ষণ তা শৃঙ্খল হয়ে না ওঠে।

শিল্পী তার সৃষ্টির অন্তর্নিহিত শিল্প-সৌকর্যের মাধ্যমে মনের ভাব তথা চিন্তা-চেতনার বার্তাও পেশ করে থাকেন, আর সৃষ্টির মূখ্য উদ্দেশ্য হয়তো তাই।তা হলে ভাব বা বার্তা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে নানা প্রকার কলার আশ্রয়,আর কলা বা শিল্পকে নান্দনিক করার স্বার্থে ছন্দ। তো ছন্দ যদি কখনো শৃঙ্খল হয়ে ওঠে তা হলে স্র্রষ্টা বা শিল্পীর উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হতে বাধ্য।ভাব প্রকাশের জন্য শিল্প বা ছন্দ। তাই,যদি ভাব বা বার্তা

ব্যহত হয় ছন্দের শৃঙ্খলে তখন তা ভাঙ্গতেই হয়।আমরা জানি শিল্পের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে ভাব বা চিন্তার নতুনত্ব-বৈচিত্র-বিভিন্নতার প্রয়োজনে ছন্দ বা শিল্পশৃঙ্খলার শৃঙ্খল ভেঙ্গে নতুন রূপ দেয়া বা বিনির্মাণ করা হয়েছে। অতএব আমরা অস্বীকার করতে পারিনা যে সৃষ্টির সঙ্গে ভাঙ্গার সম্পর্কও সুদৃঢ়।এখন বলতে পারি,ছন্দের মূল সুর বা সূত্র হলো ভাঙ্গা-গড়া।ভাঙ্গা-গড়া-ভাঙ্গা-গড়া-ভাঙ্গা-গড়া।

প্রকৃতি-শিল্পীও সৃষ্টিকে ভাঙ্গতে দেখি।যখন তার স্বাভাবিক ছন্দকে আমরা বিপন্ন করে তুলি,আর তখন ’প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ নামে নেমে আসে ভয়ংকর ভাঙ্গার পালা।(অসমাপ্ত)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.