| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাত ৩ টা বেজে ৩৭ মিনিট। কিছুক্ষন আগেই তুমুল ঝড়টা মাথা নোয়াল। এখনো তার রেশ পুরোপুরি থামেনি। বাহিরে হালকা বাতাস বইছে। বেলকনির দরজায় ঝুলানো অদ্ভুদ জিনিসটা বাতাসে অসহ্য এক রিনিঝিনি শব্দ করেই চলছে।
মোহন্ত বাবুর মেজাজটা আজ ভালো নেই সে রুমের ভিতরে পায়চারী করছে আর একের পর এক সিগারেট টেনে যাচ্ছে। কখনো আগুনের ফুলকিতে জ্বলন্ত অর্ধেক সিগারেট আস্ট্রেতে চাপা দিচ্ছে। কখনো বা মনের খেয়ালে আগুনের আঁচ হাতে এসে লাগছে।
মেজাজটা কি করেই বা ভালো থাকে। আজ মাস খানেক ধরে অবন্তি যা শুরু করেছে তাতে সংসারটা আর বেশি দিন নেই। ১৮ মাসের বাচ্চাটাকেও নির্যাতন করতে ছাড়েনি ও। সব সমস্যার মুলে রয়েছে অবন্তির পুরনো বন্ধু। এই লোকটা কোথা থেকে হটাৎ উড়ে আসল কে জানে!
আজ থেকে ৬ বছর আগে অবন্তিকে ফেলে গিয়েছে কোন এক অজানা কারনে। এই অজানা কারনটা মোহন্ত বাবু কখনো জানার চেষ্টা করেনি। সব সময় চেয়েছে অবন্তিকে আগের সব স্মৃতি থেকে দূরে রাখতে, চেয়েছে ছোট্ট মেয়ে আর বউ নিয়ে সুখে থাকতে।
যদিও মোহন্ত বাবু বিয়ের আগেই সব শুনেছে কিন্তু এমন ভবিষ্যতের কথা তখন ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি। তবে আজ এক অসহ্য সময় কাটাচ্ছে সে। এক দিকে তার ১৮ মাসের মেয়ে অন্যদিকে অবন্তির সিদ্ধান্ত! অবন্তি চায় তার পুরনো বন্ধুর সাথে চলে যেতে, রেখে যেতে চায় তার মেয়েকে। নির্দয় এই মায়ের বাচ্চার জন্যও এতটুকু ভালোবাসা নেই ভাবলেই মোহন্ত বাবুর গা ঘিনঘিন করে উঠে।
আজ ভাবছে হটাৎ এতদিন পরই-বা ওই লোকটার ফিরে আসার কি দরকার ছিল? কি দরকার ছিল এতদিন বিয়ে না করে থাকার? সব কিছুর যদি এত দরকারই ছিল তাহলে কেন তখন ফেলে গেল অবন্তিকে?
এখন আর অবন্তিকে প্রশ্ন করে সেসব জানা যায় না। সব মিলিয়ে পরিস্থিতিটা প্রতিনিয়ত কেমন যেন তিক্ত হয়ে উঠছে ।
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:০৩
আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: "প্রশ্নই" থেকে গেল
২|
২৪ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২৮
ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: চলুক ......
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:১১
আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: দেখি না কি হয়!
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪৯
ডরোথী সুমী বলেছেন: কী ভয়ঙ্কর! নিশ্চয় এখনেই গল্পের শেষ নয়। চলবে?