নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমাদের নিজস্ব ভাষায়

বাস্তবতায় খেলি

আমাদের নিজস্ব ভাষায়

বাস্তবতার কথা বলি

আমাদের নিজস্ব ভাষায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোগের নাম- নেগেটিসাভণ্ডইন। (কমন রোগ সম্পর্কে সকলের ধারনা থাকা ভালো)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৭

রোগের নাম- নেগেটিসাভণ্ডইন।

অবস্থান- মস্তিস্কে।

সময়কাল- পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি।

রোগী- পুরুষ/মহিলা।



নামকরন, লক্ষন, অপকারিতা সহ চিকিৎসা পদ্ধতি-

"নেগেটিসাভণ্ডইন" রোগটির নাম করন করা হয়েছে কয়েকটি ভিন্ন শব্দের সমন্বয়ে। নেগেটি অংশটি এসেছে ইংরেজি শব্দ negative থেকে। আর পরবর্তী সাভণ্ডইন অংশটি তৈরি করা হয়েছে সাইন শব্দের মাঝে খাঁটি বাংলা ভণ্ড শব্দ যোগে।



"নেগেটিসাভণ্ডইন" রোগটি ৯৮.৩৫% মানুষের মধ্যে দেখা যায়। রোগটির সৃষ্টি মস্তিস্ক থেকে। প্রাথমিক পর্যায় রোগীর বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে না বোধক ভাব প্রকাশ পায়। যা প্রথম অবস্থায় নিজের মধ্যে সুপ্ত থাকলেও পরবর্তীতে জনসম্মুখে প্রকাশ শুরু করে।

যেমন- আমি দেখতে ভালো না, পড়াশুনা একদম পারি না/ হয় না, তোমারটা সুন্দর আমারটা খারাপ, যাব না, ছি ছি কেমন, আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না থেকে শুরু করে সর্ব প্রকার না পর্যন্ত।



এই রোগে আক্রন্ত হবার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে যায়। প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক ও জোরাল চিকিৎসা না করলে পরবর্তীতে আরও জঠিল রুপে দেখা দেয়।



কয়েকটি পর্যায়ক্রমিক গবেশনায় দেখা গিয়েছে এই রোগে আক্রন্ত রোগীরা যেটা পারে না বলে বার বার প্রলাপ বকেন তারা ঐ ক্ষেত্রেই যথেষ্ট পারদর্শী। এই রোগীদের মধ্যে যারা- আমি সুন্দর না/পড়াশুনা হয়না টাইপ প্রলাপ বকেন তারা প্রকৃত অর্থে বেশি পড়েন/এক অর্থেই বেশি সুন্দরী।



এই রোগের ক্ষেত্রেও কিছুটা ভিন্নতা আছে। কেউ কেউ রোগটিকে নিজের ভাব বাড়ানর মাধ্যম হিসাবে কাজে লাগান। যা প্রকৃত অর্থেই ক্ষতিকারক।



এই রোগে আক্রন্ত রোগীদের মাঝে প্রাথমিক লক্ষ্য দেখা দেয়া মাত্র তাকে সরাসরি বুঝিয়ে বলা উচিৎ। তবে এতে তার রোগের মাত্রা (নেকামো) হটাত বেড়ে যেতে পারে। তৎক্ষণাৎ তাকে যথেষ্ট পরিমান এড়িয়ে চলতে হবে।



প্রাথমিক পর্যায় থেকে যদি রোগীর অবস্থা অবনতির দিকে যায় তখন তাকে সরাসরি থেরাপি দিতে হবে। থেরাপি রোগীর অবস্থা অনুযায়ী কয়েক ধাপে দেয়া যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে "কাচা কঞ্চি থেরাপি উপযুক্ত"। রোগীকে তার চরম পর্যায়ে রেখে হাতের নাগালে বা আশে পাশের কোথাও (বাঁশঝার) থেকে পরিমান মতো কঞ্চি এনে ঐ অবস্থায় থেরাপি শুরু করুন। ;)



থেরাপির শেষ পর্যায়ে এসে রোগীকে বলুন-

: তুই কি দেখতে সুন্দর না?

: তোর পড়াশুনা হয় না?

: তোর ভালো লাগে না দিনকাল?

: তোকে দিকে কিচ্ছু হয় না?

: তুই ছি ছি করিস কেন?



রোগীর এক উত্তর-

: :(( :(( না না ওমা! আর মারিস না। আর ভুল হবে না।



সব শেষে বলা যায়, "নেগেটিসাভণ্ডইন" একটি মানুষিক রোগ। যা অনেকে নিজে থেকে দিনের পর দিন পুষে রাখে। এরা মানুষিক রোগী থেকে ভিন্ন কিছু না। X((

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: কাজের তবে , সবচেয়ে সুন্দর থেরাপীটা

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৫

আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: ভাই আপনার জানা আরও কিছু থেরাপি থাকলে বলবেন। ;)

২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:২৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আসলেই এটি যেমনি কমন রোগ তেমনি তার যথাপোযুক্ত থেরাপী! আমি মুগ্ধ একদম ঠিক আছে!:)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৩৫

আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: তো আপু এমন রোগী সামনে পেলে আর হাত ছাড়া করবেন না! :D

৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:২৭

দিশার বলেছেন: কমন রোগ এর কারণ আছে, আমরা ৯৯% মানুষ সাধারণ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮

আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: জি ভাই!

৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৪৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া কঞ্চি কই পাবো?

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৫১

আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: আপু আপনি কি শহরে থাকেন? আশে পাশে বাঁশঝাড় নাই?

৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৬

অনিক্স বলেছেন: ami 100 konchi'r order dite chai. :P

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৩

আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: অর্ডারের পরিমান দেখে তো মনে হচ্ছে আপনার পাশে এমন রোগীর সংখ্যা ভালোই :P

৬| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ২:২১

অনিক্স বলেছেন: জ্বী না।
একজন আছে, সিরিয়াস অবস্থা। ওকেই থেরাপি দিবো ১০০টা দিয়ে একসাথে। :P

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:২৩

আমাদের নিজস্ব ভাষায় বলেছেন: ভাই আপনার রোগীর কি অবস্থা এখন :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.