নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিনা পরিশ্রমে যা অর্জন করা যায় তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না | ___ইমা রসন

ব্যাঙের সর্দি

সাদাসিদে

ব্যাঙের সর্দি › বিস্তারিত পোস্টঃ

চাঁদের তিরোধানে চাঁদের কান্না!

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:১৩

পাঁকগুলো কখনো চমৎকারভাবে ঘুরতে ঘুরতে ভিতরে ঢুকছে।কোনটা আবার ঢেউয়ের তোরে পূর্ণতা পাবার আগেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে । মুদির দোকানের তেল ঢালার ফানেলের মত মনে হয় পাঁকগুলোকে।মাঝখানের ফাঁপামত জায়গাটার গভীরতা কোনটার এক হাত,কোনটার বা তারোও বেশী। দেখতে সুন্দর,তবে তা সিঁদুরের টিপ পড়া মায়ের মুখের মত বা সকালের অরুন রাঙা সূর্যটার মত মমতা মাখানো নয়। ভয়াল সুন্দর।আর এই পাঁকের মধ্যে পড়লে সলিল সমাধি হতে বেশি সময় লাগবে না।





উর্মির রাজ্যের ভয় এই ঢেউগুলিকে।তবু ঘূর্ণিগুলোকে দেখতে ভালোই লাগে তার।সে যে ঘরটায় থাকে সেখান থেকে মোটে দশ-বারো পা ফেললে বাঁধটার উপরে আসা যায়।আর চাঁদনি রাতে দক্ষিনমুখো জালানাটা দিয়ে এককালের প্রমত্তা পদ্মাকে দেখা যায়।বর্ষাকালে অবশ্য পদ্মা তার চিরযৌবনা রূপ ফিরে পায়।পাশাপাশি এই ভয়াবহ ঘূর্ণিসহ ভয়াবহ ঢেউগুলোকে। উর্মি, উর্মিসাহার বাড়ী পদ্মার পাড়ে।মুঠোফোন কোম্পানি গ্রামীনফোনের অফিস কাম সার্ভিস সেন্টারটাকে বাঁয়ে ফেলে দক্ষিণে আধা কিলোমিটার মীর্জা জাকারিয়া সড়কটা ধরে এগুলেই উর্মিদের বাড়ি ।বাড়ি বলতে যে এক চিলতে ঝকঝকে সুন্দর অবকাঠামোর ছবি আমাদের মনের মনিকোঠায় ভেসে ওঠে তার লেশ মাত্র এখানে নেই অবশ্য।তিনটি ছোট ছোট অনেক পুরোনো ঘুপছি।মাঝখানেরটিতে থাকে উর্মি,একটিতে তার বাবা-মা অজিত ও হেমলতা,অন্যটি রসুই ঘর।

তবু যেন সুখে ভরা একটি নীড়।অজিত গ্রামীনফোন অফিসটার একপাশের দোকানের চা বিক্রেতা।মা হেমলতা টুকটাক শেলাইয়ের কাজ করে।এভাবেই উর্মিদের সংসারে অর্থের সমাগম ঘটে। আনন্দের সাথেই কাজ করে উর্মির বাবা-মা,আশ্চর্য! করবেন না? তাদের একমাত্র মেয়ে এখন যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। তাকে তো দুটো ভাল খেতে পড়তে দিতে হবে।তা না হলে যে পড়াশোনা মাথায় ঢুকবে না মেয়েটার।স্বপ্নে অজিত প্রতিবেশী প্রদীপ সাহার বিশ্ববিদ্যালের শিক্ষিকা মেয়েটার স্থলে উর্মিকে দেখে।

উর্মির দিনগুলি আজকাল সোনালি রৌদ্রে ভরা।ছোটবেলায় সে যোগ-বিয়োগের খেলা বা অনু-পরমাণুর গঠন নিয়ে ভাবার চেয়ে কবিগুরু রবির ফটিক-মাখন বা বিভূতিভূষণের অপু-দূর্গার কথা চিন্তা করতেই বেশী ভালোবাসত।বাংলা বিভাগে ভর্তি হবার পর তার চাওয়া-পাওয়ার ষোলোকলা পূর্ণ হয়েছে।সিলেবাসের চর্যাপদ,শ্রীকৃষ্নকীর্তন বা মনসামঙ্গলের মত ভারি বইয়ের পাশপাশি কবিগুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর,নজরুল ইসলাম,মানিক বন্দ্যেপাধ্যায়সহ অনেকের রচনা তার সবসময়ের সঙ্গী।আর ছেলে বন্ধুর ব্যাপারে সে উদাসীন।

তাই উর্মির ঘনিষ্ট বান্ধবী রীতা উর্মিকে টিপ্পুনি কেটে ‘‘কালপুরুষ’’এর নায়িকা মাধবীলতা নামে ডেকে উর্মিকে বলে,‘‘হ্যাঁ রে উর্মি তোর জীবনে বুঝি অনিমেষ আসবে না ।”

উর্মি,‘‘নারে রীতা,আমি মাধবীলতাও নই বা তোর মত ধনীর দুলালিও নই।অনিমেষরা আসেনা আমাদের জীবনে।”

রীতা,‘‘কিন্তু দেখ কত সুন্দর ছেলে তোর জন্য পাগল অথচ তুই কোন পাত্তা দিশ না।’’

উর্মি,‘‘ ব্যাপারটা আসলে তা নয় রীতা।আসলে যাদেরকে আজ পাগল মনে হচ্ছে তারা আমার চেয়ে আমার রূপকে বেশী ভালবাসে।ভগবান যদি এই পোড়া চেহারা না দিতো তা হলে হয়ত এই দ্বিধা-দ্বন্দে পড়তে হত না।”রীতা,‘‘আমি এত সব বুঝি না,ওদিকে যে কোঁকড়া চুলওয়ালা ছেলেটা তোর দিকে ত্যাঁড়া চোখে তাকিয়ে আছে, সে যদি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকত তা হলে নতুনএকটা প্রেম কাহিনী এখনি শুরু হতে পারত।”

উর্মি,‘‘তাই বুঝি।তা হলে যা না ।খামকা আমাকে নিয়ে টানাটানি কেন?”

হ্যাঁ,সুন্দর বটে উর্মি ।আলতা রাঙা গায়ের রং,ছিপছিপে একহারা চেহারা,মাথায় ঢেউ খেলানো কালো চুলের উর্মি পথ চললেই পথের দুপাশের হাজারো রোমির চোখে ধাঁধাঁ লাগে যেন।এই তো সেদিন এলাকার গনি শেখের ছেলে মোয়াজ্জেম শেখ বাড়ী ফেরার পথে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফেলল। উর্মি কিছু না বলে চুপচাপ বাড়ি চলে এসেছে । এসব ছেলেকে প্রত্যাখান করাও মুশকিল,তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।আর প্রস্তাবে রাজী হওয়ার পরিণতি তো জানা আছে।দু’চারদিন বাইকের পেছনে ঘোরো,ইচ্ছা হলে চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে লাঞ্চ,দু’একটা মাসাকাল্লি বা এজাতীয় কিছু মেকী আধুনিক পোশাক উপহার, তারপরে রাস্তা গুনো।তাই চুপচাপ থাকাই ভালো, মেয়েদের এত বোকা হলে চলে না।

ডুববে না মনে হলেও অতিকায়ো টাইটানিকও ডুবে যায়, প্রমত্তা পদ্মাও মাতাল গতি হারিয়ে ফেলে।উর্মিতো সাধারণ মানুষ।তাই প্রেমের দেবতা মদনের নির্ভুল পুষ্পবাণে উর্মির স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন ঘটে।চতুর্থ বর্ষের শেষের দিকে উর্মির জীবনে বসন্তও আসে,কোকিলও ডেকে উঠে।

উর্মির ক্লাশ প্রায়ই শেষ হয় দুপুর ২টার দিকে,তারপর সে সোজা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীটার মধ্যে ঢুকে।আজকাল বইয়ের যা দাম,যতদূর সম্ভব লাইব্রেরীর পুরাতন,শতছিন্ন বইগুলো নিয়েই কাজ চালায় উর্মি।

তবে পুরাতন বইগুলো পড়ার মধ্যে এক ধরনের মজা আছে।কেমন জানি একটা গন্ধ। বই পড়ার ফাঁকে ফাঁকে তার চোখ চলে যায় দক্ষিন দিকটায় বসা একটি ছেলের দিকে।ভ্রমর কালো দুটি চোখ,কানের লতি পর্যন্ত জুলফি তোলা ছেলেটাকে তার যেন অনেক দিনের পরিচিত মনে হয়।পরীক্ষা সামনে উর্মি ফর্ম পূরণ করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে,স্লিপটা ভ্যানেটি ব্যাগের মধ্যে রেখে দ্বিতীয় প্রশাসন ভবনের সামনে বান্ধবীদের সঙ্গে ছোট একটা আড্ডা দিয়ে আলুপট্টি গামী বাসটিতে চড়ে বসে।গ্রামীন ফোন অফিসটার সামনে সে নেমে পড়ে।কিন্তু নেমেই তার বুকটা ছ্যাৎ করে উঠে,আরে ভ্যানেটি ব্যাগটা কোথায়?বাসে হাতে ধরা ছিল বলে তো মনে পড়ে না।তাহলে নিশ্চয় বাস স্ট্যান্ডটার আশেপাশে কোথাও বা আড্ডার জায়গটায় ফেলে এসেছে।দেরী না করে সে রিক্সা নিয়ে সে ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওনা দেয়।স্লিপটা না হলে তো পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়া যাবে না।একটা যদি মোবাইল থাকত,তাহলে সেটার নাম্বারটা ভ্যানিটি ব্যাগে কাগজে করে লিখে রাখলে হয়ত কেউ তাকে বলে দিত,ব্যাগটা পাওয়ার কথা,আগামী কালকে হারানো সংবাদ নামে একটা বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে বাস রাখার টিন সেটের বীম গুলোর মধ্যে এসব কথা ভাবতে ভাবতে সে বাসস্ট্যান্ডটার আশেপাশে ব্যাগটা খূঁজে।

“এই যে শুনছেন”হঠাৎ ক্ষীণ একটা আওয়াজ তার কানে এসে ধাক্কা লাগে।উর্মি পেছনে ঘুরে তাকায়,আরে এটা তো সেই ছেলেটা যাকে লাইব্রেরীতে আড় চোখে সে প্রায়ই দেখতো।কেন ডাকছে আবার?না হয় দুদিন ভুল করে তাকিয়েছে,তাই বুঝি প্রেমলাপ করতে এসেছে।ভারি বেয়াক্কেল তো।উর্মি আস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়ে বলে,‘‘আমাকে কিছু বলছেন কি?”ছেলেটি,‘‘আপনি বোধ হয় কিছু খুঁজছিলেন।দেখুন তো ব্যাগটি আপনার কি না?” উর্মির ধরে যেন প্রাণ ফিরে আসে।মুহূর্তেই জমা হওয়া সমস্ত বিরুপ মনোভাব দূর হয়ে যায়।সৌজণ্যতা প্রকাশের ভাষা খুঁজে পায় না সে।একটূ থেমে বলে,‘‘কী বলে যে আপনাকে ধণ্যবাদ দেব?”

ছেলেটি,‘‘সমস্যা নেই।”

উর্মি,‘‘ও আপনার সঙ্গে তো পরিচয় হওয়া হলো না,আমি উর্মি,বাংলায় চতুর্থ বর্ষে পড়ি।”

ছেলেটি,‘‘আমি সুশান্ত রায়,এম.বি.এ তে পড়ছি।”

আক্ষরিক অর্থেই সে সুশান্ত।আচার-ব্যবহারে যতটা শান্তভাব তার চেয়ে বেশী শান্তভাব ফুটে উঠে তার কথা-বার্তার মধ্যে।তাই তো উর্মির ধন্যবাদ জ্ঞাপনে সে ‘‘সমস্যা নেই’’এর মত খাপ ছাড়া একটা উত্তর দিতে পারল।তবে শান্ত হলেও সুশান্তর যে একটা মননশীল একটা মন আছে সেটা কয়েক দিনের মধ্যে বুঝতে পারে উর্মি।কথায় কথায় সে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা শোনায় বা তার প্রিয় উপন্যাস‘‘পথের পাঁচালী” এর কথা শোনায় উর্মিকে। উর্মি ও সুশান্ত নিজের অজান্তেই ভালোবেসে ফেলে একে অপরকে।

উর্মির জীবনের অমূল পরিবর্তন আসে এরপর।যে উর্মি চিনত শুধু তার প্রিয় বাংলা বিভাগকে আর পদ্মার পাড়ের ছাপোষা বাড়ীকে প্রেমের কল্যাণে প্রেমিক জুটিদের স্বর্গ তুতঁ বাগান,আনন্দ সাগর কিংবা সিনেট ভবনের পশ্চিম পাড়টা তার এখন ডালভাত।কবিতার বইগুলোকে সে আরো আপন করে নিয়েছে।আনমনে সে ‘‘শেষের কবিতার”দু’একটি ছন্দও আওড়ায় সে,

“সুন্দর তুমি চক্ষু ভড়িয়া

এনেছো অশ্রুজল,

এনেছো তোমার বক্ষে ধরিয়া

দুঃসহ হোমানল।”

সুশান্ত-উর্মির গদ্য-পদ্যময় প্রেমের ভুবনে একসময় আসে বিপত্তি।সুশান্তের এম.বি.এ শেষ হয়েছে,চা্কুরি খুঁজতে তাকে যেতে হবে ঢাকা। উর্মিকে বিদায় দিয়ে সুশান্ত একরাতে ঢাকা গামী একটি লোকাল বাসে চড়ে বসে।যাতে খরচটা কম হয়।বাসে বেশ কয়েকজন তরুণকে দেখতে পায় সে।হয়ত তারই মত জীবিকার সন্ধানে তারাও ঢাকাগামী।বাসটি রাত ২টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে সামনে এগোয়।হঠাৎ একটা তরূণকে সামনে এগুতে দেখে সে।তরুণটি পিস্তল বের করে তা তাক করে গাড়ী চালকের দিকে,হেড়ে গলায় বলে,‘‘ব্যাটা গাড়ি থামা না হলে মাথার খুলি উড়িয়ে দিমু।”কিন্তু সুশান্ত বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে,তরুণটি বেপরোওয়া হয়ে উঠে গুলি চালায় সুশান্তের দু’চোখের মাঝখানে।অকু স্থলেই মূত্যু হয় সুশান্তের।

সুশান্ত মারা যাওয়ার ১০মাস হয়ে গেল।উর্মি কোন খবর পায় না সুশান্তের।সেল ফোনেও কল ডুকে না।কথা দিয়েছিলো চাকরি পেলেই বিয়ে।এখন কি ভুলে গেলো তাকে?বিষন্নতা কুরে খায় উর্মিকে। তার মনে পড়ে কোন এক সন্ধ্যায়

সুশান্তের দু;সাহসী হয়ে উঠার কথা।তার ফল সরূপ নিজের মধ্যে আরেকটা প্রাণের অস্তিত্ব অনুভব করে উর্মি।ব্যাপারটা শান্তভাবেই বাবা-মাকে জানায় সে।তারা ঘটনাটাকে কোনভাবেই মানে নিতে পারে না।তাদের সমস্ত আশা-ভরসাকে এভাবে বিসর্জন দিলো উর্মি।দুই প্রহরের হতাশার পর হেমলতা উর্মিকে লোক সমালোচনার হাত হতে রক্ষার জন্য এ্যাবোসনের কথা বলে।রাজী হয় না উর্মি বলে,‘‘সে যদি বাঁচে তাহলে সে তার আনাগত সন্তানের জন্যেই বাঁচবে।”

তারপর এক ঝড়ের রাতে নতুন অতিথী আসার সমস্ত লক্ষণ স্পষ্ট বুঝতে পারা যায় উর্মির শরীরে।তার দেহের সকল অংশ হতে মাংস নিয়ে কে যেন ধরা ধামের আলো দেখতে চাইছে।বেদনায় নীল হয়ে যায় সে।অজিত সাহা লোকজ্জার ভয়ে এ্যাম্বুলেন্স ডাকতে বা উর্মিকে হসপিটালে নিতে সাহস পায় না।অবশেষে পাড়ার দাই নিতুরবুড়ির শরানাপন্ন হয় অজিত সাহা।মূত একটা সন্তান জন্মদান করে উর্মি।

পরপর দু’জন কাছের মানুষ একজন প্রেমিক,অন্যজন নাঁড়ি ছেড়া ধনকে হারিয়ে উর্মি পাগল প্রায়।দু’দিন পরে তার যখন হাঁটার মত অবস্থা হয়,রাত্রির এক দ্বি-প্রহরে বর্ষার প্রমত্তা পদ্মার দিকে এগিয়ে যায় ।পাড় থেকে একটু দূরে থাকতেই পদ্মার পাঁকগুলোর হ্রদ্য় হিম হওয়া শব্দ শোনা যায়।কিন্তু উর্মি আজ মোটেই ভয় পায় না পাঁকগুলোকে,আস্তে আস্তে সে পানিতে নেমে পড়ে।মনে হয় তার গন্তব্য বুঝি পাঁকগুলোই।বেশ কিছুটা দূরে বসেছে পদ্মা পাড়ের গানের আসর,টিমটিম করে বাতি জ্বলছে আসরের টিনঘেরা ছাউনিটার মধ্যে। আবছা শব্দে শনা যায়-

“প্রেম জ্বলায় জ্বলছে রে আমার মন

ও অঙ্গ জ্বইলা যায়…।”

উপরে পূর্ণাকার শশী উঠেছে,কিন্তু হালকা বৃষ্টিতে তাকে বড় বেশী ম্লান দেখাচ্ছে।কুয়াশার মত বৃষ্টিগুলোকে আসলে মনে হচ্ছে চাঁদের কান্না।মনে হচ্ছে,চাঁদটা বুঝি কাঁদছে তারই মত কোন কলঙ্কীনির আশু প্রাণ বিয়োগের আশঙ্কায়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.