নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বর্তমান

প্রভাত ঘোষ

আমি অতি সাধারণ বালক

প্রভাত ঘোষ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন বন্ধে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠার দাবী জানাই

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:০৭

বাংলাদেশে আজকাল সবশ্রেণীর মেয়েরা কর্মক্ষেত্রে আসছে। এটা বড় আশার কথা। সেসাথে নারীর উপযোগী কর্মক্ষেত্র তৈরী করা প্রয়োজন, জাতির উন্নতি ও দারিদ্র মোচনের স্বার্থে। কত প্রতিকূল পরিবেশে যে বাংলাদেশের মেয়েদের কাজ করতে হয়, মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করার সুবাদে তা দেখার দুর্ভাগ্য আমার হয়েছে। সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও নারীর উপযোগী কর্মক্ষেত্র গড়ে তোলা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি।



ন্যায়পাল শব্দটার সাথে আমরা পরিচিত। তবে তা কতখানি কাজের তা জানা ছিল না। উন্নত বিশ্বে এসে জানলাম, ন্যায়পাল অসহায়ের সহায়। আমাদের দেশের কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত হাজারো অসহায় নারীদের জন্য একজন ক্ষমতাবান, হৃদয়বান ন্যায়পাল দরকার। কর্মজীবী নারীদের চোখের জল ফেলার জায়গাও বাংলাদেশে নেই।



আমার বাংলাদেশী কর্মক্ষেত্রে একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা প্রতিনিয়ত কর্মজীবী মেয়েদের শারিরিক ও মানসিক যৌন নির্যাতন করতো। বেশিরভাগেরই বয়স তার মেয়ের বয়সেরও কম ছিল। মাঝে মাঝে ভাবতাম তার যৌন কামনার কাছে তার আপন সন্তানরা নিরাপদ ছিল কিনা? সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় ছিল, এসব যৌন নিপীড়নকারীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানিক সমর্থন। এতে প্রতিষ্ঠানে শুরু হয় অসুস্থ প্রতিযোগিতা। নারীদের যৌন স্বার্থে ব্যবহারের অসুস্থ প্রতিযোগিতা। তবে একথা স্বীকার করতে হয়, এর মাঝেও কিছু ভাল মানুষ কাজ করছেন, যারা তাদের স্ত্রী সন্তানদের কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে রেখেছেন, কোন সামাজিক অনুষ্ঠানেও আনেন নি।



আমি এ লেখাটা একটা দায়বদ্ধতা থেকে লেখলাম। আমার সহকর্মীরা যারা আমার কাছে এসে চোখের জল ফেলেছে তাদের দৈনন্দিন যৌন নিপীড়ন থেকে প্রতিকারের আশায়, তাদের বলি, ভাই আমার অতীত অক্ষমতার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। তবে একথা বলতে চাই, আমি সাধ্য মত চেষ্টা করছিলাম। প্রচুর মানসিক নির্যাতন সয়েছি, প্রতিনিয়ত সে অসুস্থ সমাজ থেকে বেরোতে চেষ্টা করেছি।



আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে একথা বলতে কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন বেড়েছে, শুধু বাড়েনি প্রতিকার। কর্মক্ষেত্রে নারী নির্যাতন বন্ধে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠার দাবী জানাই। আমার বন্ধুরা যারা এ দাবির প্রতি একাত্ম, দয়া করে আমার আবেদনটি শেয়ার করুন, দাবি আকার তুলে ধরুন সরকারের কাছে। নারীর সুস্থ কর্মক্ষেত্র গড়ার প্রত্যয়ে ভবিষ্যতে কিছু করার সদিচ্ছা আজীবন থাকবে। কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহন ছাড়া দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব নয়। সম্ভব নয় সুস্থ জাতি বিনির্মাণ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.