নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

lets work for good changes

My work my life.

প্রণতি

I would like to work for my country. I believe every day we learn lot of thing.

প্রণতি › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেশে বহুবিবাহকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্টাবলিশ করতে কাজ করছে বাংলানিউ!!!

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৪





দেশে বহুবিবাহকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্টাবলিশ করতে কাজ করছে বাংলানিউজ। আর এলক্ষে এত জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যমটি ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবসে বেছে নিয়েছে আরেফিন রুমি ও তার দুই স্ত্রীকে। বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে এখন বহুবিবাহ বন্ধ না হলেও একই সঙ্গে দুই স্ত্রীর চিন্তা কোন সুস্থ মানুষ আর লালন করছে না। দেশে বহুবিবাহ বন্ধে সরকারিভাবে আইন ও আছে। কিন্তু অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা যাচ্ছে বাংলানিউজের মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম দেশে বহুবিবাহকে জনপ্রিয় করতে এক স্বামী ও দুই স্ত্রীর ভ্যালেন্টাইন আড্ডার ব্যবস্থা করেছে।



বাংলানিউজের এহেন আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করছে দেশের সমাজ সচেতন সুশীল সমাজ। কেননা, সংবাদমাধ্যমকে বলা হয় সমাজের দর্পন। তাদের দিক নির্দেশনা দেখে পথ চলে তরুণ প্রজন্ম। সেখানে ভালবাসা দিবসের দিনে এমন একজন জুটিকে বাংলানিউজ লাইভ আড্ডায় নিয়ে আসছে যারা শুধু তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটি বাজে চিন্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে, আর কিছু নয়।



একজন সমাজ বিশ্লেষক, লেখক ও বাংলানিউজের সচেতন পাঠক হিসেবে আমি বাংলনিউজের কলা-কুশলীদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাবো এদের তিনজনকে নয়, ভালবাসা দিবসে তুলে আনুন সত্যিকারের ভালবাসার জুটিকে। আপনাদের চারপাশে তাকালেই এমন অনেক পরিবার পাবেন টানা ৩০-৪০-৫০ বছর ধরে স্বামী স্ত্রী একসঙ্গে আছেন। কোনদিন ছেড়ে যাবার চিন্তাও করেন না। তাদের জীবনের আনন্দ-দু:খ, ভালবাসার কথা তুলে আনুন। যখন পৃথিবী ব্যাপী মানুষ এককেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে তখন ভালবাসার মানুষদের কি করে বাঁধনে বেঁধে রাখা যায়/ কিভাবে তারা বেঁধে রাখছে তাদের তুলে ধরুন, প্লিজ।



আপনারা নিছক আনন্দ পাবার উদ্দেশ্যে নিজের ও পরিবারের এমন ক্ষতি করতে পারেননা। যার প্রভাব সুদুরপ্রসারী ও সমাজ জীবনে মারাত্নক ভাবে পড়বে।



আচ্ছা যে ব্যক্তি তাদের তিনজনকে আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার কাছে আমার প্রশ্ন আপনার নিজের বোন যদি দুটো স্বামী নিয়ে একসঙ্গে সংসার করে আপনি তা মেনে নিতে পারবেন? আপনার নিজের মেয়ে যদি স্বামীর অন্য স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করে আপনি তা মেনে নেবেন? আপনার বাবা যদি আপনার মা আর সৎ মাকে একসঙ্গে রাখে আপনি কি বা আপনার মা কি মেনে নেবেন যদি না নেন, তাহলে এই নোংরা খেলা বন্ধ করুন, প্লিজ! আপনার ও আপনার ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা চিন্তা করে?



গণমাধ্যম সব সময় প্রগতিশীল, গণমাধ্যমের কাজই হচ্ছে প্রগতির সঙ্গে চলা। এক স্বামীর দুই স্ত্রী। নিশ্চয় প্রগতির কোন চিন্ঞ নয়। যদি তাই হতো তাহলে দেশে বহু বিবাহ বন্ধে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের আগে স্ত্রীর অনুমতি নেয়ার বিধান দিয়ে কোন আইন থাকতো না। আর প্রশ্ন যদি স্ত্রী স্বামী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করে তাহলে কি স্বামীর অনুমতি নিতে হবে? বাংলাদেশের নারীরা এখনও এমন ভয়ঙ্কর নোংরা চিন্তার মধ্যে যায়নি। আশা করা যায়, কোন দিনই এ বিপথে যাবে না। আর সামাজিক প্রথা-অবস্থান কেউই্ এমন উদ্ভট নিয়মের কথা চিন্তা করেনা।



আমি কোনভাবেই বাংলানিউজের মতো একটি জনপ্রিয় অনলাইন মাধ্যম বহুবিবাহকে উৎসাহিত করতে কাজ করুক তা চাই না। আমি চাইনা কালকের আড্ডায় এক স্বামীর দুই স্ত্রী আসুক। আমি চাই সত্যিকারের ভালবাসার জুটি আসুক। যাদের দেশে নতুন প্রজন্ম মডেল হিসেবে ভাবতে শেখে। এই আরেফিন রুমি বা তার দুই স্ত্রীকে যদি তরুণ প্রজন্ম মডেল হিসেবে ভাবতে শুরু করে দেশে পারিবারিক অবস্থার কি হবে ভাবুন তো? আপনাদের শাহবাগের জাগরণ দেখে তো মনে হয় আপনারা প্রগতির পক্ষে, তবে আবার অন্ধকার যুগে কেন চলে যেতে চান! কেন ? কেন? কেন?



ভালবাসার দিবসের আড্ডা করুন। তবে, অবশ্যই রুচিশীল কোন জুটিকে তুলে এনে অরুচিকর কোন কাজ করে নয়।



ভাল করুক বাংলা নিউজ।



প্রণতি প্রণয়, ১৩.০২.২০১৩

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৭

পুংটা বলেছেন: আহারে... দুইডা বউ যদি খাটের দুইপাশে লইয়া শুইতে পারতাম। B-))

তয় আমার কিন্তু খুব লজ্জা লাগবো :-P

২| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বলেন কি!

৩| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৮

সকাল-সারিকা বলেছেন: ইসলাম ধর্মে ছেলেদের ২ বিবাহে কোন বাধা নেই বলেই জানি। আপনি কি জানাতে চাইলেন বুঝলাম না? আর রুমির ১ম বউ তো তাকে অনুমতি দেবার পরেই সে বিয়ে করেছে, তাই না?

৪| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৭

দোদূল্যমান বলেছেন: প্রায় দশ বছর আগে এই দেশে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই ভ্যালেন্টাইন ডে আমাদের সংস্কৃতি নয়।

এই দিবস উদযাপন আমাদের সমাজে সমাজে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক স্থাপনে তরুন সমাজকে প্ররোচিত করছে।

এই দেশটাতে পরিবার প্রথা এখনো চালু আছে। এই পবিত্র প্রতিষ্ঠানটিকে তিলে তিলে ধংসের দিকে নিয়ে যাবে এইসব পাশ্চাত্য সংস্কৃতি।

প্রমথ চৌধুরীর '' ব্যধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়।" কথাটাকে আজও সত্য প্রমানিত করে আমরা পাশ্চাত্যের খারাপ জিনিসটাই তাড়াতাড়ি নেই; ভালটা না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.