| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রণতি
I would like to work for my country. I believe every day we learn lot of thing.
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করবে না সরকার। আজ মহান জাতীয় সংসদে এমন কথায় জানিয়েছেন সংসদ সদস্য শেখ সেলিম। আর এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেল এই সরকার আর যাই করুক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে না। ফলে যেই লাউ সেই কদুই রয়ে গেল। জামায়াত নিষিদ্ধ করা না করায় এখন আর এদেশের মুসলমানদের কোন উন্নতিই হবে না। এক যদি সরকার এমন কোন আইন করত যে ধর্মকে ব্যবহার করে কোন রাজনৈতিক দল কোন রাজনীতি করতে পারবে না, তাহলে বিষয়টি একরকম হতো। মিথ্যে থেকে রক্ষা পেত এদেশের মানুষ। কিন্তু সরকার যদি ধর্মভিত্তিক রাজনিতিক দল নিষিদ্ধ না করে শুধু জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করে তাহলে আর কোন অসুবিধাই থাকবে না জামায়াতের জন্য তারা ইচ্ছেমতো রাজনীতি করতে পারবে।
এদেশে আর একাত্তরের চেতনায় একাত্ন হওয়ার সুযোগ থাকছে না। যে দেশটি একাত্তরে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল সেটিও পূরণ হবে না। কেননা, যে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান সেদেশে কোন ধর্মীয় মুসলিম দল থাকার দরকার নেই তো। এটা থাকার অর্থই তারা বিশেষ কোন সুবিধা ভোগ করবে যা অন্য ধর্মের মানুষ গুলো পেতে ব্যর্থ হবে।
এদেশের মুসলমানেরা কেন চিন্তা করছে না যদি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, শিখরা নিজ নিজ ধর্মের নামে দল তৈরি করে তখন ওদের কেমন লাগবে!
ওরা কি ওদের ধর্মভিত্তিক দল মেনে নেবে। নাকি বলবে, এদেশটি সকল ধর্ম বর্ণের, এখানে ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। তাহলে কেন তারা নিজেরা ধর্মভিত্তিক রাজনৈদতক দল করার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
এই দেশের মানুষ কেন বুঝতে পারছে না। এর ফলে মুসলিম বিশ্বের কাছে এদেশটার রুপ বদলে যাবে।
আমার মনে পড়ে মাত্র ১৫ বছর আগেও ছোট কোন শিশুকে দেখলে যদি জিজ্ঞেস করতাম বাবু তুমি কোথায় পড় সে বলতো অমুক প্রাইমারী স্কুলে। কিন্তু এখন প্রায়ই শোনা যায়, শিশুটি একটি মাদ্রাসায় পড়ে।
ধর্মভিত্তিক দলকে প্রশ্রয় দিয়ে এই দেশের সরকার, বিরোধীদল ও জনগণ নিজেদেরই ক্ষতি করছে। আর এটি হচ্ছে নিজেদের অতীত ইতিহাস না জানার কুফল। এদেশের বেশিরভাগ মানুষই ইতিহাস পড়ে না। যারা পড়ে তাদের মধ্যে জ্ঞান পাপীর সংখ্যা কম নয়।
তারা সত্যি টা জেনেও প্রকাশ করে না। আবার ইতিহাস বিদরাও ভীষণ একপেশে এ রা এমন ভাবে ইতিহাস লেখে পড়েই বোঝা যায় কে মুসলিম ইতিহাসবিদ আর কে হিন্দু ইতিহাস বিদ। যা, একটা জাতির জন্য ভীষণ দূর্ভাগ্যজনক।
আমার এখন খুব মনে পড়ছে ১৯৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধের কথা। যখন, বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ইংরেজদের সাথে যুদ্ধে জিতেই যাবে এমন সময় তার সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করে তার নিজের খালা ঘষেটি বেগম ও তার উজির মিরজাফর। যে বিশ্বাসঘাতকতার মূল্য দিয়েছে এদেশের মানুষ টানা ২শ বছর। বহু রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে এদেশ টা আজ বাংলাদেশ। কিন্তু আজ এই দেশ স্বাধীন হওয়ার ৪১ বছর পরও আবার এদেশের মানুষ সেই ঘষেটি আর মীরজাফরের ভূমিকায় অবর্তীর্ণ হতে যাচ্ছে।
সাদা চোখে দেখা যাচ্ছে না, তা অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। এদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এখন নিষিদ্ধ না হলে সেটি ডালপালা বিছিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে যাবে। আর এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। সব মানুষকে বিশেষ করে অন্য ধর্মের মানুষকে।
এখনও এদেশের মুসলমানেরা জানেনা, যে সিরাজ উদ্দৌলা হেরে যাবার পর হিন্দুরা ইংরেজদের বিজয়কে স্বাগত জানায়। তারা ইংরেজি শিখতে শুরু করে। তারা ইংরেজদের প্রতিষ্ঠানে চাকরি শুরু করে। মাত্র কয়েকজন প্রগতিশীল মুসলমান বিষয়টি বুঝতে পেরে মুসলমানদের ইংরেজি পড়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। কিন্তু আজ ১৯৪৭ এর পরে আবার যদি মুসলমানরা ফিরে যায় অতীতে। তারা আধুনিক জীবন-যাপন ছেড়ে ধর্মীয় জীবন-যাপনের দিকে ঝুঁকে পড়ে এর পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ!
আমি সব ধর্মকে সম্মান করি। আমি সব ধর্মের মানুষ তার নিজ অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকুক সেটা চাই। কিন্তু কেউ ধর্মের নামে ভোটের রাজনীতি করুক সেটা চাই না।
ভোটের রাজনীতি যে কত ভয়ঙ্কর তার প্রমান গত শুক্রবার থেকে দেখছি আমরা। কি ভয়ঙ্কর ভাবে এপর্যন্ত ৯ জন মানুষ প্রাণ হারালো। মানুষ কিভাবে ভুল তথ্য পেয়ে বিভ্রান্তিতে নিজেদের সম্পদ রক্ষা করছে। এখন সরকারের কোর্টে বল। একমাত্র সরকারই পারে এদেশটাকে রক্ষা করতে। এখন সরকারের হাতে। সরকারই ঠিক করুক আগামী একশ বছর পর এই বাংলাদেশকে তারা কেমন দেখতে চায়।
আমি অত্যন্ত ক্ষুদ্র মানুষ আমার কথায় কারো কিছু হবে না। কেউ আমার কথা শুনবেও না।বুঝবেও না।
তারপরও আমি সবার কাছে বিনীত অনুরোধ করতে চাই, ধর্ম নিজের কাছে রাখুন। আর মানুষকে মানুষের মর্যাদা নিয়ে বাঁচার সুযোগ দিন। এতে আমার আপনার সকলের লাভ।
আর কেউ কানে চিল নিয়েছে শোনা মাত্র চিলের পিছনে না ছুটে আগে কানে হাত দিয়ে দেখুন কান ঠিক আছে কিনা!
ধর্ম নিয়ে কেউ অবমাননা মুলক মন্তব্য যদি করে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করুন। তাকে নিজে মেরে ফেলে অপরাধী না হয়ে তার বিচার আদালতকে করার সুযোগ দিন। তাহলে আপনার-আমার সকলের মঙ্গল।
প্রণতি প্রণয়
২৪.০২.২০১৩
২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৫
মোমের মানুষ বলেছেন: পাকিস্তানে তালেবানদের সুস্থ ধারার রাজনিতিতে ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত সেখানে আত্মঘাতি হামলা চলতেই থাকবে। বাংলাদেশে শিবিরের কথাই ভাবুন! তাদের রাজনিতি নিষিদ্ধ করলে তারা কি বসে থাকবে? তারা কি উগ্র আত্মঘাতি হবে না? তার চেয়ে ভাল তাদের সুস্থধারার রাজনিতিতে ফিরিয়ে আনা
৩|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৪২
মুক্ত িবশ্বাস বলেছেন: আহাম্মকের রাজ্যে বসবাস করছি আমরা। শেখ সেলিম গং জানে, ধর্মীয় রাজনীতিতে হাত দিলে সে হাত জনগণ আস্ত রাখবে না। ৯৯, ০০ এর দিকে সরকার আলেম সমাজ, ধর্মীয় রাজনীতি, মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ছেলেমানুষী করে যে হোছট খেয়েছে, সেই একই পথে কিছু গণবিচ্ছিন্ন ছাগু সরকারকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে। লেখক আপনি এতই নাবালগ যে, যারা এ দেশের রাজনীতিতে অন্যতম প্রবিণ সংগঠক তাদেরকে আপনি ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা বলছেন? কয়দিন হলো আপনার মায়ের দুধ পান ত্যাগ করার? আপনার মত আবাল কি জানে?
মাদরাসা শিক্ষা এদেশের সর্বপ্রাচিন এবঙ সবচেয়ে খাটি শিক্ষা ব্যবস্থা। এ উপমহাদেশ এমনকি এদেশের স্বধীনতা সম্ভব হয়েছে মাদরাসা শিক্ষার কারণে।
মীর জাফর আর ঘসেটি বেগমের ভুমিকায় তো ছিল আপনাদের মত ছাগুর গোষ্ঠি। ইংরেজ শিক্ষিত হিন্দুরা কেমন ইংরেজদে পাচাটা গোলাম ছিল তার ইতিহাস পুনর্বার পড়ার নির্দেশ দিচ্ছি। পক্ষান্তরে কতজন মাদরাসা শিক্ষিত এই ভুখন্ডের স্বাধীনতার জন্য ইংরেজ বাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছে তার ফিরিস্তি পড়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছি, বাবা।
একশ বছর পর দেশ কোথায় গিয়ে দাড়াবে তাতো আপনাদের মত তরুণ প্রজন্মকে দেখে বোঝা যায়। বাল বয়সে নেট, অশ্লিলতায় আপনারা কতটি পটু তা কে না জানে?
আপনাগের মত ছাগুদের মতে দেশ চালালে দেশ আর কয় পা চলতে পারবে তা প্রশ্নবিদ্ধ।কেননা, জীবনের প্রারম্ভেই কতটা ভয়ংকর আপনারা, তা তো জাতী দেখতেই পাচ্ছে।
৪|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৭
মুক্ত িবশ্বাস বলেছেন: দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে এমনটা ভাবিনা। বরং, কেন এই মামা বাড়ীর আব্দার?
ধর্মীয় রাজনীতি মানে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান (যারা নামাজ রোজা সহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলামকে মেনে চলার চেষ্টা করেন) তাদের ইসলামের পক্ষে থাকার, ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড প্রতিরোধ করার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা। ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা মানে জ্ঞানপাপীদের জন্য এদেশকে লিজ দিয়ে দেয়া। ইসলাম একটি জীবন বিধান। এদেশে গণতন্ত্র চলতে পারলে, সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চলতে পারলে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন কেন চলতে পারবে না।
সোজাসুজি কথা, সরকার যদি বলে আমরা বাকশাল কায়েম করতে সকল রাজনৈতিক দলের মত ধর্মীয় সংগঠনগুলো নিষিদ্ধ করছি, তবে এটা তাদের জন্য যত সহজ হবে, এদেশে ডান, বামপণ্থি সংগঠন রেখেো যদি ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চায়। তবে তাদের জন্য কী অবস্থা অপেক্ষা করছে, তা তারা ভালভাবে জানে।
ইসলামী সংগঠন আছে, থাকবে। শুধু এদেশে থাকতে পারবে না, যারা ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধের জিগির তুলছে।
৫|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৯
সবুজ ভীমরুল বলেছেন: আমি একটা দল করতে চাই। যার গঠনতন্ত্র হবে কুরয়ান ও সুন্নাহ'র ভিত্তিতে।
এইখানে কি সমস্যা একটু বলবেন কি? নাকি ইসলাম নাম শুনলেই গা জ্বালা করে?
৬|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৪৯
েনাঙর বলেছেন: ইসলাম হচ্ছে একটা সাম্যের ধর্ম, এখানে সব ধর্মের লোক সুন্দর ভাবে তাদের জীবনাচরণ, ধর্ম-কর্ম পালন করতে পারবে। যে কোন ধর্মের লোকেরাই তাদের ধর্মীয় রাজনীতি করতে পারে। এতে ইসলাম ধর্মাবলী লোকের সমস্যা হওয়ার কথা নয় এবং আমি মনে করি তারা সানন্দে গ্রহন করবে। বর্তমানে হিন্দ, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নামে বিভিন্ন কার্য পরিচালনা করে আসছে। আমার জানামতে এতে কেউ কখনো আপত্তি তুলেনি বা তাদের কোন কর্মকান্ডে বাধা দান করেনি এবং তারা নির্ভিগ্নে তাদের কার্য পরিচালনা করছে। কিছু মানুষ আছে যারা কুরান এবং সুন্নাহ কে ভয় পায়। ইসলাম নামটি শুনলেই তাদের শরীর জ্বালা করে কিন্তু কেন তা আমি বুঝিনা?
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩০
মোমের মানুষ বলেছেন: ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতি বন্ধ করলে কি দেশ সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত হয়ে যাবে? ধোয়া তুলসি পাতা হয়ে যাবে?
মনে রাখতে হবে ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতি বন্ধ করলে এ দেশ পাকিস্তানের চেয়ে কোন অংশে কম হবে না।