| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রণতি
I would like to work for my country. I believe every day we learn lot of thing.
যে কারণে ইমরানদেরকে এত ভয়!
ঠিক যেসব কারণে এত ভয় সবার। টকশোতে, সংবাদ সম্মেলনে যে কারণে আমাদের পৌড়রা তাদের বিষোদগার করে যাচ্ছেন সেটা আমি বুঝতে পেরেছি।
এর আর কোন দোষ নেই। একটাই কারণ। তার এবং তাদের সাফল্যে তারা প্রচন্ড ঈর্ষাণ্বিত! নইলে তারা হঠাৎ করে এত ক্ষেতে উঠবে কেন? এর আর অন্য কোন কি কারণ থাকতে পারে? আমি আর অন্য কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি।
আর এ গণজাগরণ তো হবারই ছিল। এর আগে যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের পূর্ণ মর্যাদা দেবার জন্য তার নির্বাচণী ইশতেহারে লিখল তখন এদেশের নারীরা তাকে দলে দলে ভোট দিল। যখন সে বলল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে তখন দলে দলে তরুণ প্রজন্ম তাকে ভোট দিল। তাকে ভোট দিল ৩০ লক্ষ শহীদের পরিবার। কিন্তু বাস্তবে কি ঘটল। তিনি ক্ষমতায় এলেন বটে। কিন্তু নারীদের পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠায় সম্পত্তিতে পূর্ণ অধিকার দিলেননা। আর সামান্য যেটুকু দিলেন সেটার জন্য মাঠে নামল দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। হাসিনাকেও তার উপদেষ্টারা বোঝালেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীরা স্বামীরটাও পায়, বাপেরও পায়। ব্যস, প্রধানমন্ত্রী মাথায় ঢুকে গেল। হয়ে গেল নারীদের সব স্বপ্ন শেষ।
এবার যখন গণজাগরণ মঞ্চ এদেশের ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের ঋণের সামান্য শোধ দিতে রাস্তায় নামলেন আর যায় কোথায়! ধর্ম রসাতলে যাচ্ছে বলে চেঁচিয়ে উঠল তথাকথিত ধর্মবাদীদের দল। এরা কিন্তু ছেড়ে দিল না রাস্তায় নেমেই শুরু করল ধ্বংস যজ্ঞ। মারল মানুষ। পোড়াল মানুষের ঘরবাড়ি, আগুন দিল মন্দিরে। এইসব নরপশুরা শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের অহিংস আন্দোলনের ধার দিয়েও যেতে পারল না। কিন্তু তাতে কি? ধর্ম গেল গেল ধর্ম গেল এই রব তুলেই দেশের আস্তিক-নাস্তিকভাগে যোগ দিল দেশের তথাকথিত শিক্ষিত সমাজও।
আর যার পরিণতি সারাদেশ ভোগ করছে।
ন্যায়বিচারের আন্দোলন টা চলতেই থাকল। তার নামে শুরু হলো এককোটি গুজব। আর অহিংস আন্দোলনের বিপক্ষ শক্তি দেশজুড়ে শুরু করল তান্ডব। যা এখনও চলছে।
অন্যদিকে, ইমরানদের সহ্য করতে পারছে না। দেশের সেইসব তথাকথিত লেবাসধারী প্রগতিশীলরা। তারা যা মুখে আসছে এদের সম্পর্কে বলে যাচ্ছে।
তান্ডবকারীদের চেয়ে এই হিংসুটেরাই বেশি ভয়ঙ্কর।
আমিও ইমরানদের কিছু আচরণে বিরক্ত। কিন্তু ওদের সাদা-কালোর এই যুদ্ধে কালোরা হারুক তা মনে-প্রাণে চাই।
যদি এটা অরাজণৈতিক আন্দোলন হয় তাহলে কেন যুবলীগের নেতা বলে নাম ঘোষণা হচ্ছে?
ওরা যে বলল, গ্রামে ব্রিগেড গড়? কই সেই ব্রিগেড? আর সরকার কেন, জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে না!
খালি মানুষকে স্বপ্ন দেখালেই কি হবে, এর বাস্তবায়ণ করতে হবে না?
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪১
নায়করাজ বলেছেন: জামাত শিবিরের হালুয়া রুটি খাওয়া লোক কিন্তু কম না। নুন খেলে গুণ গাইতেই হয়।
তবে সুশীলীয় ঈর্ষা একটা আছে - স্বীকার করি।