| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রণতি
I would like to work for my country. I believe every day we learn lot of thing.
তুমি হ্যাঁ, তোমাকেই আমি বলছি তুমি বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে রক্ষা কোর। তুমি ছাড়া আর তাদের রক্ষা করবে বল। তুমিই তো বিশ্বব্যাপী সকল শ্রমজীবীর আশ্রয়।
তুমি সে যেই হও- আল্লাহ, সৃষ্টিকর্তা, ঈশ্বর, রাম, ভগবান, যে যে নামেই তোমাকে ডাকুক। শ্রমজীবী মানুষের পাশে তুমি দাঁড়াও।
জানি তোমাকে অনেকে অনেক নামে ডাকে। কিন্তু তুমি তো সেই একজনই।
এই যে এই পৃথিবীর শ্রমজীবীরা ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের প্রতিষ্ঠানকে সময় দেয় কিন্তু তারা সবখানে সবসময় ভাল মর্যাদা পায় না। অনেক মালিকই এদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। আমার পরিচিত এক বন্ধূ আছে ওর কাজ শেষ হয়ে যায় প্রতিদিন দুই ঘন্টার মধ্যে। কিন্তু যেহেতু ওর কাজের সময় ৮ ঘন্টা। তাই ওকে পুরো আট ঘন্টাই অফিসে বসে থাকতে হয়। ওর অফিসটা আবার খুবই কড়াকড়ির মধ্যে। ওখানে সারাক্ষণ নিজ সিটে বসে থাকতে হয়। সহকর্মীদের সঙ্গে ফ্রি সময়ে আড্ডা দেয়া তো দূরে থাক। কোন ধরণের কথাই বলা যায় না। আবার টয়লেটে গেলেও দ্রুত ফিরে আসতে হয়। অফিসের কাজ যখন শুরু হয় কোন কোন সময় টানা সাপ্তাহিক থাকে না।
বেশির ভাগ অফিসেই নিজের পাওনা ছুটি চাইলে সিনিয়র বিরক্ত হয়।
তাই বলে সবাইকে যে কাজ করতে হয় তা নয়। কিন্তু মালিক ছুটি দেয় না। আমার ঐ বন্ধুটি ঐ সমস্যা এড়াতে অবশেষে চাকরিই ছেড়ে দিচ্ছে। ও এটা পারছে কারণ ওর কোন অসুবিধা নেই। ওর বাবা-মা, শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির উভয় পক্ষের আর্থিক অবস্থা খুবই ভাল। ওর যে করেই হোক চলে যাবে ।
কিন্তু এমন করে তো অনেকেরই যায় না। তারা অফিসের কড়া নিয়ম নিয়ে কি করবে? এদেশে এখনও শ্রমিকদের রক্ষার জন্য কোন নিয়ম-কানুন নেই। আমি চাই এদেশে শ্রমিকের কর্ম পরিবেশ হোক শ্রমিক বান্ধব। যে, শ্রমিক তার প্রতিষ্ঠানকে তার নিজের প্রতিষ্টান হিসেবে মনে করে এবং নিজের তাগিদেই তার কাজ চালিয়ে যায়। তাকে যেন জোর করে কোন চাপ প্রয়োগ করাই না লাগে। সে যেন নিজের তাগিদেই কাজ করে।
০৫।০৩।২০১৩
©somewhere in net ltd.