| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রণতি
I would like to work for my country. I believe every day we learn lot of thing.
আমরা এখন সবাই অস্থির। সবাই চাই দেশের প্রধান দুই দল সংলাপে বসুক। বসে একটা সমাধান ঠিক করুক। বন্ধ হোক হরতাল রক্ষা পাক দেশমা। কিন্তু আমাদের এই সংলাপ প্রলাপ হয়ে যাবে না তো!
আজ সকালে দেশের একটি বিরোধী দল বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাকি সংলাপ আমন্ত্রণের অপেক্ষায় আছেন বলে জানিয়েছেন।
আবার বিকেলে সংলাপের জন্য সরকার প্রস্তুত জানিয়ে বিরোধী দলকে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। দুজনের খবরই গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানলাম। কিন্তু সত্যি এরা কি আদৌ সংলাপে বসবে। আর বসলে কি এরা আদৌ কোন সমাধানে আসবে !
এর আগে ২০০৫ সালের পর তো আমরা দুই দলের অনেক সংলাপ নাটক দেখেছি। তখনকার আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল জলিল ও বিএনপি নেতা মান্নান ভুঁইয়া দুজনে সংলাপে বসেন। তখন গণমাধ্যমের কি অস্থিরতা। কিন্ত বের হয়ে তারা কোন আশাবাদ দেননি। এখণ তারা দুজনেই কালের গভীরে হারিয়ে গেছেন।
এরও আগে কমনওয়েলথের সদস্যপদ হারাতে পারে বাংলাদেশ এই ভয়ে দুই নেত্রীকে সংলাপে বসানোর চেষ্টায় ঢাকা আসেন স্যার নিনিয়ান স্টিফেন। কিন্তু তিনি দুনেত্রীর কাউকেই রাজি করাতে পারেননি!
এখন সবাই খুব অস্থির, সংলাপ চাই সংলাপ।
আমার মনে হয় না সংলাপে বসে আদৌ কিছু হবে।
আর এখন দু দলের সংলাপে বসা নয় তারা চায় এই সংলাপের কথা বলে দেশবাসীকে ধোকায় রাখতে। কারণ, দেশবাসী ভাববে আহা রে নেতারা আমাদেরকে না জানি কতই না ভালবাসেন!
কিন্তু উনারা মুখে যতই বলুন না কেন উনারা কিন্তু জনগণের ভোগান্তি. দেশের শান্তি রক্ষার্থে সেই অর্থে কোন কিছু করবেন না।
কেননা, সংলাপের কথা হচ্ছে কই বিএনপি তো বলেনি ঠিক আছে সংলাপের আগ পর্যন্ত আমরা আর কোন হরতাল ডাকবো না!
আওয়ামীলীগ সরকারি দল ওদের জনগণের জানমাল রক্ষার দায়িত্ব বেশি। ওরাও কোন অর্থে উদ্যোগী তা দেখা যায়না।
দুদেশের লেজে-গোবুরে অবস্থার মধ্যে আমরা আছি- সব্বাই শুধু ক্ষমতায় যেতে চায় - আমরা জনগণ যাব কোথায়!
প্রণতি প্রণয়
১৬.০৩.১৩
©somewhere in net ltd.