নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আহ ! বর্ষা .......

ওরাকল

দেশে কম্পিউটার ইন্জিনিয়ারিং -এ স্নাতক ও বিলেতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর পাঠ চুকিয়ে বর্তমানে একটি সনামধন্য মাল্টিনেশনাল আইটি ফার্মে কাজ করছি। পাশ্চাত্য শিক্ষার্জিত ধ্যান-ধারনা, ধর্মীয় ও দেশী মূল্যবোধ সবমিলিয়ে বেশ ইতিবাচক কিন্তু জটিল মননশীলতা আমাকে প্রায়ই বিপদে ফেলে। অবশ্য নিজেকে ব্যাতিক্রমধর্মী ভাবতে আমার বেশ ভালই লাগে, সাধারনের মাঝে অসাধারন হয়ে থাকার ভাল-মন্দ দুটোই ভোগ করতে হয় অনবরত .....

ওরাকল › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল-কুরআনের গল্প -১ : গরুর খোঁজে

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৬

বেশ ছোট বেলায়ই পরিচয় ঘটে ঈশপের গল্পের সাথে। এর পর রাশিয়া , চীন, জাপানের উপকথা; নাসিরুদ্দিন হোজ্জা আর চানক্যের গল্প। ১২-১৩ বছর বয়সে ইংরেজী পাঠ্য বইয়ে আবার ফিরে এল ঈশপের গল্প। এই গল্পগুল যেমন আমাকে চরম আনন্দ দিত ঠিক একই ভাবে এর শিক্ষাগুল নিজেকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে ও নিজস্ব চিন্তা ধারা তৈরী করতে সাহায্য করত।



পড়াশোনার প্রয়োজনে এখন আছি ইংল্যান্ডের এক ছোট্ট শহর স্টেফোর্ডে। পুরো ইংলিশ শহর, গুটি কয় ভিনদেশী চোখে পড়ে। আর এর মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা ত হাতে গোনা যায়; আজ জুম্মায় সম্ভবত ২৫-৩০ জন ছিল। আমরা আজ জুম্মার নামাজ পড়লাম এখানকার স্থানিয় ইনডোর স্পোর্স সেন্টারে। মিশরিয় এক পিএইডি স্টুডেন্ট ( মাস খনেক আগে পিএইডি শেষ হয়েছে) আমাদের ইমাম, উনি খুতবায় মূলত আল-কুরআনের সূরাগুল নিয়েই আলোচনা করেন। আর বোঝার সুবিধার্থে আমি বাংলা অনুবাদটা আগের পড়ে ফেলছি। এখান থেকেই মাথায় আইডিয়াটা এল - আল-কুরআনে বর্নিত সত্য ঘটনাগুলকে ইশপের গল্পের মত করে লিখলে কেমন হয়? শিক্ষা গ্রহনের উৎস হিসেবে আল-কুরআনের চেয়ে ভাল আর কি হতে পারে!



আল্লাহ এরকম বেশ কিছু ঘটানা পবিত্র কুরআনে আমাদের জন্য বর্ননা করেছেন যেন আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদের কৃত কর্ম থেকে শিক্ষা নিতে পারি।







গল্প -১ : গরুর খোঁজে (গল্পটি সূরা: আল-বাকারাহ্ এর অংশ )



মূসা (আঃ) এর সময়কালে বনি-ইসরাইলীদের আল্লাহ আদেশে করলেন যেন তারা আল্লার রাহে একটা গরু কুরবানি করে। (মানব সপ্রদয়ের মধ্যে বনি-ইসরাইল ই আল্লাহর নিকট থেকে সবচেয়ে বেশি করুনা পেয়েছে। এমন কি তাদের জন্য আল্লাহ বেহেশত থেকে খাবার ও পাঠাতেন। আদের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ সব চেয়ে বেশী নবী-রাসুল ও প্রেরন করেছেন কিন্তু বরাবরই অল্প কিছু লোক ছাড়া সবাই মুখে-মুখে আল্লহর গুলগান গাইলেও প্রকৃতপক্ষে অবিশ্বাসী ছিল। আর এ কারনেই তারা আল্লাহ কর্তিক অভিশপ্ত হয়েছে। এখনকার ইহুদি সম্প্রদায় মূলত বনি-ইসরাইলিদের বর্তমান প্রজন্ম)। এই কুরবানীর আদেশ ছিল মূলত আদের আনুগত্যের পরীক্ষা। সমুদয় বেহেশতি ভোগ-বিলাশের বিপরীতে আল্লাহ তাদেরকে শুধু একটি গরু কুরবানী করতে বলেছিলেন, কিন্তু বনি-ইসরাইল এই আদেশ মানতে নারাজ ;)। মুখে 'না' না বললেও ওরা বাহানার আশ্রয় নিল যে এই আদেশ পালন না করতে হয়, তারা একের পড় এক প্রশ্ন তুলতে লাগল যেন কুরবানীর জন্য গরু খুজে পাওয়া না যায়:D



আল্লাহ : আল্লাহ তোমাদের হুকুম করছেন যেন তোমরা একটি গরু কুরবানী কর।



বনি-ইসরাইল: কেমন গরু আল্লার পছন্দ?



আল্লাহ: এটি অবশ্যই একটি ষাড় যা বুড়ো ও নয় আবার বাচ্চা ও নয়, মধ্য বয়সি। আর পালন কর যা তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।



বনি-ইসরাইল: আল্লাহ যেন খোলা-খুলি ভাবে বলে এই গরুর রং কেমন?



আল্লাহ: এর রং হবে হলুদাভাব উজ্জ্বল, সকলের নিকট পছন্দনীয়।



বনি-ইসরাইল: আল্লাহ যেন আরও খোলা-খুলি ভাবে বলে এই গরুর কেমন? কারন সব গরুই আমাদের কাছে একই করম লাগে।



আল্লহ : এটি এমন গরু যা কখনও কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয় নি, রোগমূক্ত খুঁতহীন।



হাড় ভাঙ্গা খাটুনি খেটে পছন্দনিয় গরু খুঁজে বের করল বনি-ইসরাইলের লোক জন, যদি ও প্রথমে তারা যে কোন প্রকারের একটি গরু কুরবানীর জন্য আদিষ্ট হয়েছিল; অবশেষে তারা এই রকম একটা গরু কুরবানী (আদেশ পালন )করল যা তারা মন থেকে চায় নি।



শিক্ষা: প্রশ্ন করে জানতে চাওয়া ভাল লক্ষন। কিন্তু প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে যারা দায়িত্ব এড়াতে চায়, তাদের সামনে এই কাজ আরো কঠিন রুপে আবির্ভূত হয় এবাং তখন তারা তা এড়িয়ে ও যেতে পারে না। মন থেকে বিশ্বাস না করলে কারন দেখিয়ে নিজের অবিশ্বাসকে লুকিয়ে রাখা যায় না।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৩৫

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কন্টীনিউ করতে পারলে ভাল.........

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪১

ওরাকল বলেছেন: আশা করছি পাড়ব। আপনার শুরু করা সিরিজটাও চালিয়ে যাবেন।

২| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪৩

রাজসোহান বলেছেন: দারুন কিন্তু আরও বিস্তারিত লিখলে ভালো হত,কারন গল্পটা একটু অসম্পূর্ণ রয়েছে......তবুও আপনি মূল বিষয়টা তুলে ধরেছেন......ধন্যবাদ :) :)

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৩

ওরাকল বলেছেন: আরবীর দখল নাই :( বাংলা অনুবাদ আর এখানকার ইমামের বিশ্লেষনই ভরসা :( এটা আবার রুপান্তরিত করছি গল্পে আর নিগের লেখার সীমাবদ্ধতা ত রয়েছেই....... চেষ্টা করছি মূল বক্তব্যটা উপস্থাপন করতে........।


অসম্পূর্ণতাটুকু সম্পূর্ণ করতে সহায়তা কামনা করছি।

৩| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৮

তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: ভাল লাগল আপনি এমন দেশে থেকেত্ত এভাবে চিন্তা করেন আর আমরা কত অধম যে দেশে নামাজ পড়ার জন্য অপিস আদালত দোকান সব বন্ধ থাকে তবুত্ত আমরা আপনার মত করে ভাবতে পাড়ি না। আশা করি রিগুলার লিখবেন।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:২০

ওরাকল বলেছেন: না ভাই আমিও আপনার মতই :) খোড়া কারনে ও গত জুম্মা মিস করছি।

তবে নিজেকে বদলাবার ইচ্ছা পোষন করি........প্রতি দিন সকালেই মানুষ চাইলে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে।



হ্যা এটা কমপক্ষে ১০-১৫ পর্ব পর্যন্ত লিখার ইচ্ছা আছে।

৪| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:২৭

রাজসোহান বলেছেন: গল্পটা হচ্ছে এরকম,

আল্লাহ একবার মুসা(আ) এর বলেন"আমাকে খুশী করার জন্য তাদের বল একটা গরু কুরবানী দিতে।

তখন মুসা(আ) তাঁর গোত্রের লোকদের ডেকে আল্লাহ এর হুকুমের কথা বল্লেন।তারা তখন মুসাকে একের পর এক জিজ্ঞেস করতে লাগল, "কেমন গরু আল্লার পছন্দ? "আল্লাহ যেন খোলা-খুলি ভাবে বলে এই গরুর রং কেমন? "আল্লাহ যেন আরও খোলা-খুলি ভাবে বলে এই গরুর কেমন? কারন সব গরুই আমাদের কাছে একই রকম লাগে"


এরপর বনী ইস্রায়েলের লোকেরা এই রকম গরু খুঁজঁতে লাগলো,কিন্তু এটা তো আর সহজে পাওয়া যায় না।হলুদ রঙের গরু আবার নিখুঁত ভীষণ ঝক্কি পোহাতে হল।শেষমেশ পাওয়া গেলো,এক রাখালের বাড়ীতে।কিন্তু রাখাল সেই গরু দিতে রাজী না,তার কারন সেই গরুর দুধ বিক্রী করে তাঁর সংসার চলে।তারপর বহু কষ্টে সে রাজী হল,কিন্তু এক শর্তে তা হল এটার উপযুক্ত দাম দিতে হবে যাতে তাদের সারা জীবন কোন অর্থকষ্টে না ভুগতে হয়।

কি আর করা??বনী ইস্রায়েলীরা তখন উপযুক্ত দাম দিয়েই তা করলো,কিন্তু পরে মুসা(আ) বলেছেন,"তোমরা যদি একবাক্যে মেনে নিতে তাহলে এই কষ্ট করতে হত না"


ভাই হাত ব্যাথা হয়ে গেছে।এই পুত্তুম আমি এত বড় কমেন্ট করলাম :-/ :-/ :-/

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫৬

ওরাকল বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৪৩

মনিরুল হাসান বলেছেন: আমি যতটুকু জানি "বাকারাহ" শব্দের অর্থ হচ্ছে গাভী (কুরআন শরীফের অনুবাদে দেয়া)। সুতরাং, গল্পের শিরোনাম 'বনি ইসরাইলের গরু'-র বদলে 'বনি ইসরাইলের গাভী' দিলে মনে হয় ভালো হতো।

আশা করি কন্টিনিউ করবেন।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৪১

ওরাকল বলেছেন: :( আর আমার অনুবাদে বলা হচ্ছে বকনা গরু ........আর আমাদের সেই মিশরিয় ইমাম বলছেন 'কাউ' .......




নিশ্চিত হতে হবে।

৬| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:০৮

গরীবের কথা বলেছেন: Fully off-topic, but as you mentioned about PhD student deliverying khutba, I thought the followings could be handy for him (or even you :), in fact, it is not that much difficult to be a makeshift imam... )

http://alminbar.com/default.asp -- It contains different khutbas delivered by different sheikhs. Both arabic and english versions are available here. Also you can use the search tool to find out khutba on a particular subject.

Click This Link. The Second Part of the Khutba: -- Explains the anatomy of a juma khutba, and essential parts that make a juma khutba.

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫০

ওরাকল বলেছেন: সমস্যা হচ্ছে আমরা বাংলাদেশে যে স্টাইলের খুতবা শুনি মধ্য-প্রাচ্যের দেশ গুলতে তা ব্যাতিক্রম আর ইংল্যান্ডে খুতবা একই সাথে ইংরেজী আরবী মিশিয়ে দেয়া হয়। আজকের খুতবা ছিল সুরা বাকারা কেন্দ্রিক ---পুরটা নিয়েই কথা হলেছেন ইমাম।

আর আমরা লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলা অনুবাদ পড়ে যা জানব সেই পূর্ববর্তি ঘটনাগুল 'ঈশপের গল্পের' স্টাইলে পরিবেশন করা। আশা করি বুঝতে পরেছেন।

৭| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৪৫

শেলী বলেছেন: রাজসোহান,

আপনার গল্পটা কিন্তু কোরানে নাই। রাখালের কথা বলা হয়নি।Important হলে বলা হত।এগুলো ইসরাইলের বানানো কাহিনি।আসলে আল্লাহ ওদের আচরণ বুঝাতে এই ঘটনা বলেছেন। আমি যতদুর জানি আমাদের ইসলামে গল্প বানানো পছন্দ করা হয়নি,যাতে কোরানে কোনো কিছু ঢুকে না পড়ে।বাকিটা আল্লাহ জানেন।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫৫

ওরাকল বলেছেন: হ্যা আমি অনুবাদে পাইনি আর প্রায় আমাদের আরব্য ইমাম ও কিছু বলেন নি এ সম্পর্কে (ওনি প্রায় আক্ষরিক ভাবেই কুরআনকে ইংরেজীতে বর্ননা করেন।)


আর আমিও সেই চেস্টাই করব যেন অনুবাদের বাইরের কিছু আমার মূল লেখায় প্রবেশ না করে।

৮| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫২

রাজসোহান বলেছেন: রাখাল বলা না হলেও হলুদ গরুটা এমন একজনের কাছে পাওয়া গিয়েছিল যে সেই গরু দিয়ে তাঁর সংসার চলত.....রাখাল আমি ব্যাবহার করেছি কারন আমি এরকমই পড়েছিলাম তাই......কিন্তু তাতে গল্পের মূল কথা তো সরে আসেনি কি বলেন??

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০০

ওরাকল বলেছেন: কিন্তু আপনার বর্নিত এস্কটেনশন কুরআনে নাই। সুতরাং এটা মূল পোস্টে এড করা সম্ভব নয়।

কুরআনে যা আছে আমাকে তা ই লিখতে হবে........।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৭

ওরাকল বলেছেন: হ্যা গল্পের মূল কথা ঠিক আছে কিন্তু তবও তা সংযোজন কারা সম্ভব নয়, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

৯| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৪৫

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আপনার ভাল নিয়তের জন্যে ধন্যবাদ। তবে অনুরুধ রাখবো গল্প সুনদর করার জন্যে নিজ থেকে জেন কিছু না এসে যায়, সেদিকটায় খেয়াল রাখবেন।
প্লাস।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৮

ওরাকল বলেছেন: আমি সচেষ্ট থাকব, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। ইশচই তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।

১০| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১১

চাঁপাবাজ বলেছেন: ভাল লাগল।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

ওরাকল বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১| ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: খুবই ভাল উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। মহান আল্লাহ আপনার কাজ সহজ করে দিন, আমিন। অনেক ধন্যবাদ!

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪৭

ওরাকল বলেছেন: দোয়া করবেন।

১২| ০৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৭

প্রবাসী রনি বলেছেন: খুব ভালো উদ্যেগ চালিয়ে যান আপনার সফলতা কামনা করছি...

০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২০

ওরাকল বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩| ০৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:২৫

নীজর্ন বলেছেন: ভাই ই-মেইল আইডি টা ডিয়েন কথা আছে।

০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১৯

ওরাকল বলেছেন: [email protected]

১৪| ০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫

ট্রয়লাস অফ দ্য সী বলেছেন: আজকের গরম খবর। না পড়লে পস্তাইবেন। বলেন তো এই লোকটা কে? ++

০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪

ওরাকল বলেছেন: পোস্ট ত হাওয়া :(

১৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৮

শিকদার মুহাম্মদ ইউসুফ বলেছেন: আপনার উদ্দেশ্য ভাল। কিন্তু কুরআনের আয়াতকে আপনি গল্প বলতে পারেন না। গল্প বলতে বুঝায়, যা কাল্পনিক। কিছু

বুঝানোর জন্য উদাহরণ হিসাবে গল্প বলে থাকে মানুষ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্‌ পাক যে ঘটনা বর্ণনা করেছেন, তা সত্যি

ঘটনা। মানুষ যেন শিক্ষা গ্রহন করতে পারে। নাস্তিকরা এই সমস্ত ঘটনাকে গল্প বলে থাকে। আল-কুরআনে বর্নিত সত্য

ঘটনাগুলকে আলাদা ভাবে ইশপের গল্পের মত করে লিখার তো আমি কোন প্রয়োজন দেখছিনা। আর আপনি যেটা

লিখেছেন, তার থেকেও অনেক অনেক সুন্দর ও গুছিয়ে এই ঘটনা গুলো বিভিন্ন বইয়ে লেখা আছে। যা আমরা দুনিয়ার

ধোঁকায় পরে ঐ সমস্ত বই পড়তে সময় পাইনা। বহু জ্ঞানী ব্যক্তি পবিত্র কুরআনের ঘটনাগুলো যেনো সাধারণ লোকও

বুঝতে পারে সেভাবে লিখেছে। ইশপের ঘটনা গুলো শিক্ষণীয়, কিন্তু পুরটাই কাল্পনিক। আপনি সরাসরি ঘটনা কপি

করলেই তো হয়। আর আপনার হয়ত জানা নেই যে, পবিত্র কুরআনের শত শত বিভিন্ন ব্যাখ্যার বই আছে। আর পবিত্র

কুরআনের ঘটনা গুলোর জন্য প্রচুর বই আছে। আপনি চাইলে নির্ভরযোগ্য কোন বই থেকে কপি পেস্ট করতে পারেন,

এতে করে মানুষ সঠিক দ্বীন ইসলাম শিখতে পারবে। নয়তো মানুষ এগুলো গল্পই ভাববে। আশা করি আমার কথা বুঝতে

পেরেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌, আপনার মহৎ উদ্দেশ্যর জন্য ধন্যবাদ। চালিয়ে যান, তবে ইশপের মত নয়। বরং ইশপের মত করলে,

পবিত্র কুরআনের ঘটনা গুলো বিকৃতি হবে। লক্ষ্য করুন, ইশপের একটি ঘটনা থেকে দুই একটি শিক্ষা পাওয়া যায়।

পক্ষান্তরে, পবিত্র কুরআনের ঘটনা গুলো বহু হেকমত পূর্ণ। একটি ঘটনা থেকে হাজার হাজার শিক্ষা নেয়া যায় এবং

কেয়ামত পর্যন্ত মানুষের সমস্ত সমস্যার সমাধান নিহিত আছে। যা কেবল মাত্র চিন্তাশীলরাই বুঝতে পারে। আর গল্প

বললে গুনাহ্‌ হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.