নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয়

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

বৈশ্বিক দুর্নীতি ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭ তম

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৩


ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) পোর্টালে এবছরের গত ২১শে ফেব্রুয়ারি CORRUPTION PERCEPTIONS INDEX 2017 জরিপ প্রকাশ করেছে। সেখানে বৈশ্বিক দুর্নীতি ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্নীতি প্রবণ দেশ গুলোর মধ্যে ১৭ তম।

গত বছর যার অবস্থান ছিল ১৫ তম। একটু উন্নতি হয়েছেতো বটেই। তবে বৈশ্বিক ভাবনায় তা নিতান্তই নগণ্য এবং নিন্দনীয়। বিশ্বের সবচেয়ে কম অপরাধ প্রবণ দেশ গুলোর মধ্যে যেসব রাষ্ট্র প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখল করে রেখেছে, তারা হলো;

সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান সত্যিই দুঃখ জনক। বাংলাদেশের তথ্য তুলে ধরা যাক একটু।

স্যালুকাস, আরেকটা মজার বিষয় হচ্ছে এই যে, লিস্টে টপ করা র‍্যাঙ্কের প্রথম পাঁচটা রাষ্ট্রের মধ্যে জনগণের মাঝে নাস্তিকতার হার যথাক্রমে
New Zealand 40% (এটা ২০১২ সালের তথ্য। বর্তমানে আরও অনেক বেশি। প্রায় ৬৫%)
Denmark 80%
Finland 60%
Norway 72%
Switzerland এখানে ৯৫% লোক সেকুলার। সুইজারল্যান্ড উইকিপিডিয়া’র তথ্যানুসারে সুইজারল্যান্ডের বেশীরভাগ লোক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী (৯৫%), যাদের অর্ধেক প্রোটেস্ট্যান্ট এবং অর্ধেক ক্যাথলিক। এছাড়া এখানে বেশ কিছু ইহুদি ও মুসলিম (প্রায় ৫%) রয়েছেন। তবে এখানে ধর্ম পালনকারীর সংখ্যা অনেক কম। ঘন্টায় ঘন্টায় গীর্জার ঘন্টাধ্বনি ছাড়া ধর্ম পালনের আর তেমন কোন উদাহরণ এখানে তেমন দেখা যায় না। তার পরও ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় এদেশটিকে ধর্মীয়ভাবে অনেক বেশি রক্ষণশীল মনে করা হয়।
Sweden 85% (এই রাষ্ট্রের র‍্যাঙ্ক গতবছর 4 ছিল।)

দারুণ মজার বিষয়। ধর্ম প্রধান রাষ্ট্র গুলোই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দুর্নীতির শীর্ষে অবস্থান করছে। উল্টো জঙ্গিবাদ, নাসকতা এবং দুর্নীতির কারণে তারাই টপ। অন্য দিকে এথেইস্ট এবং সেকুলারিস্ট রাষ্ট্র গুলো বিশ্ব সূচকে সবচেয়ে কম অপরাধ প্রবণ।

Moral of the story এই যে, ধর্মের চর্চা মুখ্য বিষয় নয়। নাস্তিকতা, সেকুলারিজম বা ধর্মের চর্চা কোন দম্ভের বিষয় নয়। আদর্শ, মূল্যবোধ, ন্যায়-নীতির চর্চা আবশ্যক। নাস্তিকতা আর সেকুলারিজম ফ্যাশনের জন্য নয়। যদিও আমাদের সমাজে এখন নাস্তিকতা একটা ফ্যাশনের রূপ ধারণ করেছে। তবে আত্ম অহমিকাই যদি মঙ্গলময় হয়, তাতেই দোষের কি আছে? তবে ধর্মের মধ্যে থেকেও যদি ন্যায়ের চর্চা থাকে, তাতে ভুল কিছু নেই। তবে ধর্ম প্রধান রাষ্ট্র গুলোর কেউই এই র‍্যাঙ্ক ছুঁয়ে আসতে পারেনি। কোন ধর্ম মানুষের এতটা হতে পারেনি। এর কারণ একটাই, আদর্শ, মূল্যবোধ, ন্যায়-নীতির চর্চা না থাকা।

সুভ হোক আগামীর দিন গুলো, শুভ হোক আগামীর পথ চলা। শুভকামনা অহর্নিশ।

তথ্যসূত্র-1 Transparency International
তথ্যসূত্র-2; Nastikya.com

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:২৩

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: যাক্, তাও একটা ভাল সংবাদ।:)

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

রাফিন জয় বলেছেন: ;)

২| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: সতেরো কিন্তু খারাপ না। চাইলে প্রথম তিনে আসা সম্ভব।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫১

রাফিন জয় বলেছেন: সতেরো খারাপ কি করে নয় সেটা বুঝতে পারছি না। তবে বাকি ষোলটা অবস্থানের চাইতে ভালো। আর অবশ্যই একমত পোষণ করি যে প্রথম তিনে আসা সম্ভব। ধন্যবাদ দাদা।

৩| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

রাফিন জয় বলেছেন: ধন্যযোগ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.