নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয়

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

রেস্ট্রিকশন

১৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:২২

ইংরেজিতে একটা শব্দ রেস্ট্রিকশন। হুম, অর্থ সীমাবদ্ধতা। মানসিকতার সীমাবদ্ধতা, সঙ্কীর্ণতা। এই সীমাবদ্ধতা একদিনেই হয়ে ওঠেনি। বৃত্তের বাইরে কারো যাওয়ার মানসিকতা নেই। সে কসরত নেই। একটা মানব শিশুর জন্মের পর প্রথমেই ওর লিঙ্গ পরীক্ষা করা হয়। তার পরে ওর বিশেষণ। ও পুরুষ নাকি নারী। শুরু হয় চর্চা, ও ছেলে হলে ওর জন্য আনা হবে ঘোড়া, গাড়ি, উরুজাহাজের খেলনা। আর মেয়ে হলে ওর জন্য এনে দেয়া হবে শখের হাড়ি, খেলার পুতুল, বার্বি ডল। একেবারেই স্বাভাবিক একটা বিষয়।
আসলে এখানেও ওই রেস্ট্রিকশন। এখানেই শেখানো হচ্ছে, তুমি পুরুষ, তুমি বিশ্ব জয় করবে। তুমি নারী, তোমার স্থান ঘর সামলানো। তোমার কাজ ঘর সংসার। তুমি হিন্দু নাকি মুসলিম? তোমার জন্মের পরে গঙ্গা জলের স্নান হবে নাকি পাশে দাঁড়িয়ে কেউ আজান দিবে? এভাবেই গড়ে তলা হয় ইস্পাত শৃঙ্খল। রেস্ট্রিশন!
আজ যদি কারো মনে জেরুজালেম, মসজিদুল আকশা সম্পর্কে কোন স্পর্শ কাতর স্থান না থাকতো, তবে কি আদৌ এতো গুলো নিষ্পাপ প্রাণ মারা পড়তো? যদি আদৌ মনে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প না থাকতো, তবে কি আদৌ ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরাইলের রাজধানী ঘোষণা করতো? কেউ কি তখন আদৌ ক্ষমতা প্রদর্শন করে জেরুজালেমকে নিজেদের দখলে আনতে চাইতো? তো কেন হচ্ছে? কেন এমন মানসিকতা? মানুষের প্রাণের চাইতে কি ধর্ম বড়? তবে ধর্ম গ্রন্থে কেন লেখা থাকে মানুষের মঙ্গলের জন্য ধর্ম? ধর্ম যদি সেই মানুষের জন্যই না হল, তবে কেন সেই ধর্ম? ধর্ম যদি সমতাই দিতে না পারে, তবে কেন সেই ধর্ম? ধর্ম যদি অধর্মের মূল হয়ে মানুষ খুন করে, তবে কেন সেই ধর্ম?
ঐযে রেস্ট্রিকশন! সীমাবদ্ধতা! বৃত্তের মধ্যেই থাকার মানসিকতা!
বুলশিট রেস্ট্রিকশন!

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:০১

এস এম আহসানউল্লাহ বলেছেন: তথাকথিত ধার্মিকরাই আজ ধর্মকে এই অবস্থানে এনেছে। পৃথিবীতে ধর্মের সৃষ্টি হয়েছিল মানুষের শান্তির জন্য। কিন্তু মানুষ এখন অশান্তি, বিশৃংখলা ঘটানোর জন্য ধর্মকেই ব্যবহার করছে!

১৯ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

রাফিন জয় বলেছেন: **ভদ্র পল্লীতে ঈশ্বর**

মসজিদ-মন্দির ছাই,
ক্ষুধার জ্বালায় চোখে খোদা চিনিনা,
এটুকু বলতে চাই!
ছোট জাতপাত যাই বল তুমি চুপ
করে বসে সবো,
ক্ষুধার অন্ন সময় হলে দাও, না হয়
কিন্তু ধর্ম চিবিয়ে খাবো!

চণ্ডাল আমি একদম ছোট জাত জানি,
যা ইচ্ছে চাই বল,
সময় এবার অন্নাহারের, ক্ষুধায় অনল
জ্বলতে তো শুরু হল!
ওহ, ধর্মের দোহাই?! শালা জাত চোর,
শোন তবে বলি,
''ভাত দিবিনা তো ছাই, শূদ্র আমি তো তাই,
তোর ঈশ্বর আর তার ধর্মের হয়েছে তো ঐ
ভদ্র পল্লীতে ঠাই?!''

মানুষের লাগি আনিল ধর্ম সকল যুগাবতার,
'মানব কল্যাণ' গ্রন্থ মাঝেই, বিধি চলে সমাজ
হোতার!
ভাত দিবি না জাত চোর শালা, লুটে খাবি সব
সাথে চালাবি ত্রিশূল-মেশিনগান,
ধর্ম এনেছে যে মানুষ তাদের মেরে গাবি তোরা
সেই ধর্মের জয়গান!

পতিতা নারী পতিতালয়ে, জাত গেছে
তার কবে,
অন্নহীনা ছিল সে যেদিন, দেখিসনি কেন
তোরা তবে?
ওহো, তোদের তো সেই ধর্মের জয়গান,
তার আড়ালেই লুকিয়ে যে চলে
স্বার্থের জয়গান!

অনাহারী আমি, ভাত দে এবার মুখে,
নাহয় দিবো ধর্মে আগুন উনুনের
মাঝে রেখে!

২| ১৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

কাইকর বলেছেন: ঠিক বলেছেন। যথার্থ ফুটিয়ে তুলেছেন আপনার কথার মাধ্যমে। আপনার শব্দ চয়ন খুব ভালো লাগলো।

১৯ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

রাফিন জয় বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ১৯ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: যার যার ধর্ম তার তার কাছে। তবে চরমপন্থা অবশ্যই কাম্য নয়...

১৯ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

রাফিন জয় বলেছেন: সহমত

৪| ১৯ শে মে, ২০১৮ রাত ১১:৪৫

বোববুরগের বলেছেন: Dada well said.

২০ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

রাফিন জয় বলেছেন: thanks a lot brother

৫| ২০ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি টিভি নাটকের প্রায় সব শিল্পীকে চেনেন.. কারণ ঘরে বসে টিভিতে তাদের দেখতে পান.. আপনি কী মঞ্চের কোনো অভিনেতা অভিনেত্রীকে চেনেন?

২০ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

রাফিন জয় বলেছেন: এই প্রশ্নের অর্থই ঠিক বুঝতে পারছি না। তবে আমার অনেক বন্ধু থিয়েটার করে। সুরের ধারা, বাফা, রংধনু, পালাকর এইসব সংগঠনের সাথে। ওরা মাঝে মাঝেই আমাকে ইনভাইট করে নাটক দেখার জন্য। ফ্রি টিকেট পেলে কে ছাড়ে? তাই মঞ্চনাটকের অনেককেই আমি দেখেছি, মোটামোটি জানিও তাদের। তবে প্রশ্নের যৌক্তিকতা বুঝলাম না!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.