নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...............

শ্রাবণধারা

" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

শ্রাবণধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর সমর্থকও লুমারের কাজে বিরক্তি অনুভব করেন। লুমার মার্কিন সমাজে অভিবাসনবিরোধী, ভারতবিরোধী ও মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যের কারণে যেমন পরিচিতি পেয়েছেন, তেমনি কুখ্যাতিও অর্জন করেছেন।

আমেরিকার গত নির্বাচনী প্রচারের সময়, লুমার লিখেছিলেন যে, কমলা হ্যারিস যদি প্রেসিডেন্ট হন তাহলে "হোয়াইট হাউস তরকারির গন্ধে ভরে যাবে" এবং "হ্যারিসের বক্তৃতাগুলো ভারতীয় কল সেন্টার থেকে প্রচারিত হবে"। সেসময় রিপাবলিকান প্রার্থী এবং তখন ট্রাম্পের অন্যতম সমর্থক মার্জরি টেইলর গ্রিন এটিকে ঘৃণ্য ও বর্ণবাদী বলে উল্লেখ করেছিলেন।

ভারতীয় পেশাজীবীদের লক্ষ্য করে লুমার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রচার করেছেন। বছরের পর বছর তিনি আমেরিকায় ভারতীয় কর্মীদের "তৃতীয় বিশ্বের অনুপ্রবেশকারী" হিসেবে চিত্রিত করেছেন এবং তাদের ওপর আমেরিকানদের চাকরি দখল করে নেওয়ার দায় চাপিয়েছেন।

ভারতীয় অভীবাসীদের সম্পর্কে তার পোস্টের কিছু নমুনা দেখা যাক। তিনি পোস্ট করেছেন "হাই স্কিলড ইমিগ্রান্ট! যাদের প্রবাহমান পানির লাইন ও টয়লেট পেপার নেই"। আবার লিখেছেন, "ঠিক আছে, আমি ভুল স্বীকার করছি। ভারতে আসলে প্রবাহমান পানির লাইন আছে। তবে সেটা মানুষের পিছন দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রবাহ।"

ভারতীয়দের সম্পর্কে তার মন্তব্যগুলো এতটাই আপত্তিকর যে, তা প্রকাশযোগ্য নয়। তিনি লেখেন, "ভারতীয়রা সেই একই পানি পান করে যাতে তারা স্নান করে ও মলত্যাগ করে।"

শ্বেতাঙ্গদের ভারতপ্রীতিতে লুমার বিক্ষুব্ধ হয়ে লিখেছেন "বোকা শ্বেতাঙ্গরা! 'বয় মিটস ওয়ার্ল্ড' দেখা বন্ধ করে বলিউডের সিনেমা দেখা শুরু কর, যাতে কীভাবে ধর্ষণ সংস্কৃতি তোমার চাকরি সংস্কৃতিকে গ্রাস করে নিচ্ছে সেটা দেখতে পার।" আমেরিকা কিভাবে নির্মিত হয়েছিল সেটা নিয়ে লুমার বলেন, "আসলে আমাদের দেশটা শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয়দের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। ভারত থেকে আসা তৃতীয় বিশ্বের অনুপ্রবেশকারীদের দ্বারা নয়।" ঘৃণার আগুন একটু নিভে এলে, আবার ফুঁ দিয়ে সেটিকে উসকে দিতে তার দেরি হয় না। তার প্রশ্ন "ভারতে মানুষ এখনও স্নান ও পানীয় জলে মলত্যাগ করে কেন?"

লুমার যখন প্রকাশ্যেই এমন ভারতবিরোধী বর্ণবাদী, তখন তাকে ভারতে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে সেটাই ঘটেছে। গত মাসে ভারতীয় গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপ, তাকে ভারতে আমন্ত্রণ জানায়। ভারতীয় উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের সাথে জায়নবাদী, ইসরায়েলপন্থী ও কট্টর ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর যে আতাত গড়ে উঠেছে, এই আমন্ত্রণ তারই প্রমাণ। এর সাথে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক ইসরায়েল সফরের সম্পর্ক আছে। এই সফরে মোদি ঘোষনা করেন, "ভারতের ১.৪ বিলিয়ন মানুষ ইসরায়েলের পাশে আছে।...ইসরায়েল হলো পিতৃভূমি এবং ভারত হলো মাতৃভূমি।"

এটি একটি নতুন সংঘবদ্ধ চক্র, যা ইসরায়েলের পৃষ্ঠপোষকতায় মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ ও প্রোপাগান্ডা বিস্তারের মাধ্যমে শুধু ভারতে নয়, বরং বৈশ্বিক মেরুকরণ এবং চরম ডানপন্থী রাজনৈতিক মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করছে।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া সেই গণমাধ্যম, যারা '২৪ সালের আগস্টে হাসিনার পতনের পরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তথ্যসন্ত্রাস ও প্রপাগাণ্ডা চালিয়েছে।

আমেরিকায় যখন লুমারের মতো বর্ণবাদীরা ক্রমে অগ্রহণযোগ্য হয়ে পড়ছেন, তখন তাকে প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য ভারতীয় গণমাধ্যমের একটি অংশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের "হাসবারা" নেটওয়ার্ক পশ্চিমা গণমাধ্যম ছাড়িয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের গভীরে প্রোথিত হচ্ছে।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতো পত্রিকাগুলি জায়নবাদীদের আর্থিক ও মতাদর্শগত প্রভাবের আওতায় চলে গেছে। এরা এমন এক বয়ানকে শক্তিশালী করছে, যা পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতিকে উসকে দেয়। এই প্রক্রিয়ায়, কিছু ভারতীয় সুবিধাবাদী, বর্ণপ্রথাবাদী ও হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী বৃহত্তর আধিপত্যবাদী এজেন্ডার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী উপনিবেশবাদ, দখলদারিত্ব, যুদ্ধ ও গণহত্যাকে টিকিয়ে রাখা।

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী ও কট্টর ডানপন্থী
রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন।

...........................................................................................
আমাদের প্রয়োজন সাম্যবাদী ও মহান ব্যক্তিত্বর আগমন বা তাহার
গল্প গাঁথা । যা দিয়ে আমাদের চেতনায় সত্যবাদিতা ফুটে উঠে ।
সুবিধাবাদী ও বর্ণপ্রথাবাদীরা অর্থর জোরে সবস্হানে নানা ভাবে প্রবেশ করে
তাই তাদের প্রচার না করাই ভালো ।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৫৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ। আমার এই লেখাটার উদ্দেশ্য লরা লুমারের প্রচার নয়। প্রচণ্ড ভারতবিরোধী হওয়া সত্ত্বেও এই ঘৃণ্য মহিলা কিভাবে ভারতীয়- ইসরায়েলি নতুন উগ্র ডানপন্থী নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে গেল, এটাকে সামনে নিয়ে আসা আমার এই পোস্টের মূল আলোচনা।

ভারতীয় গণমাধ্যম এবং ইসরায়েলের টাকা মিলে এটা খুবই শক্তিশালী একটা নেটওয়ার্ক। এটার লক্ষ্য ভারতবিরোধীতা নয় যেটা অতীতে লরা লুমার ছিলেন। এর লক্ষ্য এখন ইসলাম-বিদ্বেষ, গাজা বিদ্বেষ, ইরান বিদ্বেষ এবং মুসলিম বিদ্বেষের মাধ্যমে ইসরেয়েলের প্রপাগাণ্ডাকে শক্তিশালী করা।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: এই পোস্টের বিষয়বস্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি পোস্টে উল্লেখ করেছি যে, ভারতীয় এই পত্রিকা হাসিনার পলায়নের পরে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রচুর গুজব ও তথ্যসন্ত্রাস চালিয়েছে। এটা নিয়ে আমি তখন “ভারতের গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যসন্ত্রাস” শিরোনামে একটি পোস্টও দিয়েছিলাম।

ভেবে দেখুন যে, ভারতীয় এই পত্রিকাগুলোই বাংলাদেশে মৌলবাদী ও জঙ্গি রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করে। আপনার মতো একজন সিনিয়র ব্লগার যদি এই পোস্টের গুরুত্ব না বোঝেন, তাহলে সেটা খুবই লজ্জার ও হতাশার কথা।

২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আসলে পৃথিবীতে এই ধরনের মানুষের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে । :-B

০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৩২

শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, কিন্তু তার চেয়েও হতাশার বিষয় হলো যে এই ধরনের মানুষকে রাষ্ট্রীয় এবং ব্যবসায়ীক পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হচ্ছে।

আপনাকেও বলি, ভেবে দেখেছেন কি, ভারতীয় এই পত্রিকাগুলো বাংলাদেশে মৌলবাদী ও জঙ্গি রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করছে? দৃষ্টিটা একটু চোখা করলেই বিষয়টা আপনি ধরতে পারবেন বলে আশা করি!

৩| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারতীয় এই পত্রিকাগুলোই বাংলাদেশে মৌলবাদী
ও জঙ্গি রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করে।

....................................................................................
এক সময়ে আমি বন্ধু মহলে বলতাম ভারত হলো আমার ২য় হোম ।
অনেক বন্ধু, প্রতি বৎসর ৪/৫ বার ভিজিট, ভারতের কলকাতায়
স্হানীয় বন্ধুদের রাত ১২/২/৩ পর্যন্ত আড্ডা চলত ।
ধীরে ধীরে আমার অর্ন্তনি হীত চোখ খুলে গেলো,
তাদের প্রচার প্রচারনা, হৈ চৈ গান বাজনা সব কিছুই অসহ্য লাগতে লাগল;
এখন ভারত যেতে চাইনা ,তাই ভিসাও করিনা ।

..............................................................................................
তাদের গোপন সন্ধি আর মুসলিম বিদ্বেসী আচরন অসহ্য লাগে ।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ, স্বপ্নের শঙ্খচিল। আপনার এই মন্তব্যটি আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। আপনি যে একজন অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ, সৎ ও সাহসী মানুষ, আপনার এই মন্তব্যটি তারই প্রমাণ।

আমি মোদি ও উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের থেকে ভারতকে আলাদা করে দেখি। আমার শ্রদ্ধার তালিকায় বহু ভারতীয় আছেন।

আপনার জন্য অনেক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।

৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমাদের দেশে একজন ছিলেন তসলিমা নাসরিন। পড়ালেখা করেছিলেন মেডিক্যালে তারপর মেডিক্যাল প্রফেশনে ডাব্বা মেরে হয়ে গেলেন লেখক, নারীবাদী, এক্টিভিস্ট।

আমি ব্যক্তিগতভাবে ধর্ম নিয়ে মহা আলোচনা পছন্দ করি না। ধর্ম নিয়ে বিবাদ কলহও পছন্দ করি না। আমার মতামত - যেই ব্যাক্তি জীবনে কিছু করতে পারে না বা শর্টকাট উপয় খোঁজে সে হয় এক্টিভিস্ট, নারীবাদী, পুরুষবাদী, ধর্মবিদ্বেষী।

লোরা লুমারও একজন ব্যর্থ মানুষ। সে জানে তার দ্বারা কিছুই সম্ভব না। তাই ধর্মবিদ্বেষ বর্ণবাদকে অস্ত্র করে নিজেবে লেখক এক্টিভিস্ট হিসেবে পরিচিত করেছে ও রাজনীতিতে স্থান পেয়েছে।

লোরা লুমারের ভবিষ্যত - সে একজন আমেরিকান তসলিমা নাসরিন হবে।

০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ ঠাকুরমাহমুদ ভাই।

লুমারের সাথে তুলনায় তসলিমা নাসরিনের উল্লেখ বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। আমি একসময় তসলিমা নাসরিনের বেশ কিছু বই পড়েছি। আমার মতে, তার লেখা "নির্বাচিত কলাম" মোটামুটি ভালো বই। তার সঙ্গে ভারতীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আনন্দ গ্রুপের যে সম্পর্ক, সেটি মূলত ব্যবসায়িক। আনন্দ গ্রুপ প্রগতিশীল ও বিপণনকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী। তসলিমার প্রচার ও প্রসারে তাদের ভুমিকা আছে, তবে এটি তাদের ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ, ডিপস্টেট-চালিত শয়তানি চক্র নয়।

আমার আগের একটি পোস্ট "এপস্টেইনের এলিট: ইসরায়েলের মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং প্রপাগান্ডা" এখানে জায়নবাদী মিডিয়ার কিছু উদাহরণ দিয়েছিলাম। যেমন, ওরাকল কোম্পানির মালিক এবং ইসরায়েলের আইডিএফ-ডোনার ধনকুবের ল্যারি এলিসনের সিবিএস নেটওয়ার্ক ও টিকটকে বিনিয়োগ, এবং সিবিএসে সম্পাদক হিসেবে বারি ওয়েইস নামের একজন উগ্র জায়নবাদীর নিয়োগ। এই পোস্টটি সেই পোস্টের সাথে একত্রে পড়লে বিষয়টি কিছুটা পরিষ্কার হবে বলে মনে করি।

আপনাকে আরেকটা মজার কথা বলি। এই যে এপস্টেইন নামক শিশুকামী দানব, সে তার ব্যক্তিগত দ্বীপে "মাধ্যাকর্ষণ" নিয়ে এক বিশাল সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। সেখানে পৃথিবীর বহু খ্যাতনামা বিজ্ঞানীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এমনকি সেখানে স্টিফেন হকিংও গিয়েছিলেন। অতএব, এই চক্রটির স্বরূপ উন্মোচন করা সহজ বিষয় নয়! এখন সেখানের "মিডিয়া" বিভাগে ভারতীয় একটা চক্র যুক্ত হয়েছে - এই আমার পর্যবেক্ষণ।

৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: লোরা লুমার তার পতিত ক্যারিয়ার চাঙ্গা করার মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে বর্ণবাদী চক্রে জড়িয়ে পড়েছে বলেই আমার মনে হয় সেই সুয়োগ ইসরাইল ও ভারত কাজে লাগাচ্ছে যেহেতু ইসরাইল ও ভারতের দৃষ্টি একই বিন্দুতে নিবদ্ধ।

০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৫২

শ্রাবণধারা বলেছেন: সত্যিই তাই। ইসরাইল তার ক্যারিয়ার তৈরিতে সাহায্য করছে। এর সাথে ভারতীয় উগ্রপন্থীরা যুক্ত হয়েছে।

৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: লরা ট্রাম্পের সক্রিয় সমর্থক। এবং তিনি মোটেও ধার্মিক নন।
লরা একজন মানবিক নারী।

০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০০

শ্রাবণধারা বলেছেন: বাংলাদেশে যেমন জামাত উগ্রপন্থী, ভারতে যেমন আরএসএস, বিজেপি উগ্রপন্থী, তেমনি আমেরিকায় হোয়াইট সুপ্রিমিস্ট বা শেতাঙ্গ বর্ণবাদীরা উগ্রপন্থী। লরা লুমার তাদেরই একজন। শেতাঙ্গ বর্ণবাদীরা ধর্মান্ধ হতেও পারে, নাও হতে পারে।

আপনি কি কু ক্লাক্স ক্লানের নাম শুনেছেন? শার্লক হোমসের একটা গল্প আছে "পাঁচটি কমলার বীজ" এই নামে,কু ক্লাক্স ক্লান কে নিয়ে। এরা কাউকে খুন করার আগে ডাকে কমলার বীজ পাঠাতো এই নিয়ে হোমসের গল্প।

৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: এটা দিয়ে ভারত প্রমাণ করিল তারা সাদা প্রভুদের এখন গোলাম। এসব বর্ণবাদী মানুষ সমাজের জন্য ভয়ানক। ইহারা দ্রুত নির্মূল হোক।

০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, বিষয়টা সেরকমই। তারপরও আমি ভারতকে "বেনিফিট অব ডাউট" বা "সন্দেহের সুবিধা" দেব। আমি বলবো যে, এদের একটা অংশই কেবল এই গণহত্যাকারীদের দোসর।

৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১৭

করুণাধারা বলেছেন: লরা লুমার নামের এই মহিলা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না, আপনার পোস্ট পড়ে জানা হলো।

ধর্মবিদ্বেষী বর্ণবাদী কিছু মানুষদের কথা জানি, কিন্তু এই মানুষটির (?) করা উক্তি গুলো এতটাই বিদ্বেষপূর্ণ এবং নীচ মানসিকতার যে পড়ে শুধু স্তম্ভিত হয়ে যেতে হলো। ভারতীয়দের সম্পর্কে এইরকম উক্তি করবার পরও তাকে দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া দাওয়াত দিয়ে ভারতে আনছে?!

অবশ্য দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এই কাজের ফলে জানা গেল, বর্ণবিদ্বেষ ও ধর্মবিদ্বেষের মাধ্যমে বিশ্বে হানাহানি ও দখলদারিত্ব কায়েমের জন্য মিডিয়া কিভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে!

০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:৩২

শ্রাবণধারা বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখে আনন্দিত হলাম।

এই মহিলাকে ট্রাম্প সম্প্রতি খুবই হাইলাইট করছে। সম্প্রতি মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের সোমালি বংশোদ্ভূত মুসলিম আইনপ্রণেতা ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে একটি ইনকোয়ারি শুরু হয়েছে, যেটা এই লরা লুমারের অপপ্রচারের ফল। এর অভিযোগ যে, ইলহান ওমর নাকি তার নাগরিকত্বের আবেদনে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করেছে।

এই জঘন্য মহিলার বিদ্বেষপূর্ণ এবং ঘৃণ্য মানসিকতা আগে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতো। এখন সেটা মুসলিম ও পাশ্চাত্যের প্রগতিশীল যারা মুসলিম ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে। এটাই ইসরায়েল ও ভারতের যৌথ প্রকল্প।

৯| ০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.