নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কবি, কথাসাহিত্যিক, আর্টিস্ট, বুদ্ধিজীবী বা ভাঁড়। উদ্যোক্তা, পরামর্শদাতা, অনলাইন বিক্রেতা ও প্রকাশক।

ব্রাত্য রাইসু

কবি, কথাসাহিত্যিক, আর্টিস্ট, বুদ্ধিজীবী বা ভাঁড়। উদ্যোক্তা, পরামর্শদাতা, অনলাইন বিক্রেতা ও প্রকাশক।

ব্রাত্য রাইসু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছোট গণতন্ত্র

২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:০৬

সিকদার ভ্রাতৃদ্বয়কে যে ব্যাংককে পলাইতে হইল, এই জিনিসরে 'শাস্তি' বা 'আইনের শাসন' ভাবতে কেন অপারগতা?

তারা তো চাইলে এই দেশেই বহাল থাইকা বহাল থাকতে চাইতে পারতেন, তাই না?

তা যে তারা চাইলেন না, বা চাইতে পারলেন না—এইটারেই আমি গণতন্ত্রের পাওয়ার বলবো।

এরই নাম পাবলিক সেন্টিমেন্টকে মূল্য দেওয়া। গণতন্ত্রের বিউটি।

ন্যূনতম পাবলিক কী পাইল, তা কেন পাইল তা খুঁজতে থাকলে পরিণামে পাবলিকের পাওয়ার আরো বাড়বে।

তখন পাবলিক সবই পাবে।

কেন পাবলিকের বিরুদ্ধে গিয়া অমিত শক্তিধরদের দেশে থাকা সম্ভব হইতেছে না, এরও নাম গণতন্ত্র। ছোট, তবে গণতন্ত্র।

পাবলিক কেন নিজেদের শক্তি আরো বাড়ায় না তা পাবলিকেরই সমস্যা, সরকার বা সরকারের বন্ধুবান্ধবদের সমস্যা এগুলি না।

২৯/৫/২০২০

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:১০

গুরুভাঈ বলেছেন: মার্ডার না। এটেম্পট টু মার্ডার। বুঝাইতে যায়া পিস্তল ফস্কায় গুলি বাইর হইছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশ ছাড়লো ক্যান তাই বোধোগম্য না। বরং যে ক্ষমতায় দেশ ছারলো তাই বেশি হাইলাইট হবে এখন।

২| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:১৫

কল্পদ্রুম বলেছেন: পাবলিক মানে নিশ্চয়ই আমাদের মত সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েছেন।তারা কি আমাদেরকে ভয় পেয়ে পালিয়েছেন না কি প্রতিপক্ষের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়েছেন?আমাদের মত পাবলিকের ভয়ে পালালে তার দরকার ছিলো না।আমরা এমনিতেই কিছু বলতাম না।

৩| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গণতন্ত্র এখন হা করে তাকিয়ে থেকে ভাবছে - এই কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে সিকদার ভ্রাতৃদ্বয় পালাতে পারলেন?

৪| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২৩

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: চার্টাড প্লেন তো চালু হইছে, আরও কিছু লোক রেডি হবে।

৫| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২৪

আমি সাজিদ বলেছেন: এইটা কি আপনার ফেসবুক স্ট্যাটাস কপি নাকি ব্লগপোস্ট নাকি সমসাময়িক সেরা চিন্তাবিদের চিন্তা? যা বুঝাতে চাচ্ছেন ব্লগে একটু বড় ছবি দিয়ে বুঝাবেন দয়া করে৷

মাফিয়াদের হাতে বাংলাদেশ, এটা দশ বছর ধরেই চলে আসতেসে। নতুন কিছু না। এইসব ঋণখেলাপীরা এই দশ বছরে ব্যাংকের টাকায় বড়লোক থেকে আরও বড়লোক হইসে। এমন বাই**দ অনেক।

২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২৬

ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: যা বলছি তাই, বেশি বোঝানোর নাই।

৬| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভাল বলেছেন। বুঝতে পারলাম, ছোট গণতন্ত্র!

৭| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাবলিক সেন্টিমেন্টে ওরা পালিয়ে গেছে, নাকি অন্য কারণে পালিয়ে গেছে, উহা কি পরিস্কার? "গণতান্ত্রিক বিউটি" দেখছেন?

৮| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৩০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাবতাছি কী কমু, পাব্লিক হইয়্যা বিপদে আছি। বিশেষত সাধারণ পাব্লিক হইয়্যা। তা যাই হোক, পাব্লিকের প্রাপ্তিটা অনেকসময় পাব্লিকই বুঝবার পারে না। ভ্রমে মারা যায় নিজের প্রাপ্তি। অনেকে ভাবে পাব্লিক নিয়ন্ত্রিত হয় উপরমহল দ্বারা। এসবও থাক।

৭মে ঘটে যাওয়া ঘটনার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী কিছু সময়কালের সাথে। তখন অনেকেই এরকম করেছেন, এবং দেশে থেকেই গড়েছেন বিপুল দেশ ভক্ষণযন্ত্র। হ্যা, কিছুটা চ্যঞ্জিং বা রিফম হয়ে আসতে পারে ক্রমশের চক্র। সবশেষে কিন্তু আমি এটাকে ছোট গণতন্ত্রও বলতে পারি না।

৯| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৩২

আমি সাজিদ বলেছেন: কল্পদ্রুমের কমেন্টটা পড়েন, ঐটার রিপ্লাই কি দিবেন সেটা পড়তে আবার আসবো। আপনার দেখার চোখ ভুল অন্তত এই ঘটনায়।

২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৪৫

ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: আপনার মন্তব্য হিসাবে এইটুকু নেওয়া গেল: "আপনার দেখার চোখ ভুল অন্তত এই ঘটনায়।" বাকি কমেন্ট পড়ার পরামর্শ সম্পর্কে বলার হইল, এইভাবে আমার ব্রেইন কাজ করে না। আশেপাশে কে কী বললো তা নিয়া আমার প্রতিক্রিয়া থাকে না।

"সমসাময়িক সেরা চিন্তাবিদ" বললে আমার সম্পর্কে সব বলা হয় না। আর কারা কারা চিন্তাবিদ তারও হদিস তাতে আসে না। কাজেই আমি যা লিখি তার মধ্যেই থাকেন দয়া কইরা। আমারে বড় বানাইয়া আমার ছোটত্ব দেখার কী দরকার?

এমনিতে আপনার কী মনে হয়, আমার এই ফেসবুক স্ট্যাটাস এইখানে দেওয়াটা অপরাধ কেন? দুই, আমার লেখার মূল পয়েন্ট আপনি কী ধরতেছেন?

আমি যেইটা দেখি, বিচারহীন ভাবে সরকার সিকদার ভ্রাতৃদ্বয়কে দেশে রাখতে অক্ষম। বরং ব্যাংককে রাখতে সক্ষম। এই যে টাকার কুমীরদেরও সমস্যায় পড়লে দেশ ছাড়তে হয়, এইটারে আমি বলতেছি পাবলিক সেন্টিমেন্টের শক্তি। আমার প্রস্তাব হচ্ছে, হাহাকার আর আক্ষেপ না কইরা এই পাওয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করা দরকার।

যেহেতু রাজনৈতিক ভাবে এইটা বাড়ানো যাচ্ছে না অন্য কী পদ্ধতিতে জনগণের পাওয়ার বাড়বে?

আপনার কোনো বিকল্প চিন্তা আছে?

১০| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৩২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রণ কৌশল, এরপর আঘাত বা আত্তরক্ষা হবে নীরবে ।

১১| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৩৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ছোট গণতন্ত্র । বড় বড় উন্নয়ন । সিঙ্গাপুর কানাডা ।

১২| ২৯ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৫৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এটা কাগজে কলমে গনতন্ত্র হইলেও অলিগার্কি বললে বেশী মানানসই হবে। রাশিয়া, বুলগেরিয়া, ইরানের মতো দেশে এরকম নিয়মিত হয় কিন্তু তাতে কিন্তু জনগনের আকাঙ্খা কল্যান সেই তিমিরেই থাকে। এসব ফ্যাসিবাদী সরকার খুব ভালো করেই জানে সম্মিলিত জনতা রাস্তায় নেমে আসলে তাদের গোষ্ঠিতান্ত্রিক পদলেহী পান্ডাদের নলের ডগা গর্জিয়ে বেশীক্ষন চলতে পারে না। কারন সেই গুলি বানানোর জন্য যে রাস্ট্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক স হ রিসোর্স সেটা যেমন দরকার তেমনি দরকার সেই পান্ডা বাহিনী যদি লোকাল না হয়ে বিদেশী হয়। স্থানীয় পান্ডারা কখনো তার পরিচিত কাউকে গুলি করতে পারে না।


লীগ এগুলো করতে পারছে কারন জন গনকে ধর্মীয় আফিমের সাথে পশ্চিমা জেল্লাইয়ের স্বাদ দিয়েছে। আগে ইউরোপে দুটো টাকা কামিয়ে বৃদ্ধ বয়সে থাইল্যান্ড যেতো, এখন বাংলাদেশে সে ব্যাবস্থা আছে। আবার ওদিকে মোল্লাপার্টি আছে। তার সাথে অধঃনমিত শিক্ষাব্যাবস্থা আরও প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।

তাই আপনার যদি মনে হয় এটা ছোট গনতন্ত্র তাহলে আমি বলবো ছোট অংশ। বাকি অংশে কাদাকার ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতান্ত্রিক পদধ্বনি।

৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১২:০০

ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: দেশ যে এই রকম তা সবাই জানে। এর মধ্যে পাবলিক সেন্টিমেন্টের পাওয়ার কীভাবে আরো বাড়বে, তা বলেন।

১৩| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১২:১২

বিজয় নিশান ৯০ বলেছেন: পাবলিক সেন্টিমেন্টের পাওয়ারের ঠ্যালায় এরা ব্যাংকক যায় নাই । আজকাল সব অনলাইনে পাওয়া যায় । পাবলিকের জোশ অনলাইনে সীমাবদ্ধ ।
বুদ্ধিজীবীরা যতদিন অনলাইনে বাকবাকুম করতে থাকবে ততদিন পাবলিক সেন্টিমেন্টের পাওয়ার বাড়বে না ।

১৪| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১২:২৮

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: পাবলিকেরর স্বপ্ন গনতন্ত্র অনেকটা ঐ গল্পের মত। যেখানে বাচ্চারা ঢিল ছুড়ে ব্যঙের সাথে খেলা করে, যেটা ব্যাঙের কাছে মৃত্যু।

১৫| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১২:৩৫

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: পাবলিকেরর স্বপ্ন গনতন্ত্র অনেকটা ঐ গল্পের মত। যেখানে বাচ্চারা ঢিল ছুড়ে ব্যঙের সাথে খেলা করে, যেটা ব্যাঙের কাছে মৃত্যু।

১৬| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১:০০

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: সবজায়গায় ভীতু মানুষ আমাদের বলতেছে জনগন এর পাওয়ার নাই, ফেসবুক হ্যানত্যানে জনগন অ্যাকটিভ, মাঠে কোনদিন নামবে না। কিন্তু এরা শাহাবাগ কিংবা সড়ক আন্দোলনের কথা ভুলে যায় বা ভোলাতে চায়। আরব বসন্তেও কিন্তু মানুষ একত্র হয়েছিলো ফেসবুক দিয়ে।
আজ হোক কাল হোক, একশ বছর পর হোক, জনগন একদিন হিসাব চাবে। পাবলিক সেন্টিমেন্টকে ছোট করে দেখানোটাও এক ধরণের ষড়যন্ত্র বলে মনে করি।

অফটপিক: আপনার জন্য শুভকামনা। আপনি আমার স্কুলের বড় ভাই।

১৭| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১:৩৮

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এরা দেশে থাকলে সমস্যাটির ডালপালা বিস্তার হতো।চীন থেকে কিছু শিল্প কারখানা দেশে আসার কথাবার্তা চলছে এর মধ্যে শিল্পপতিদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সরকার চায়না।তাই হয়তো সাময়িক ব্যবস্থা।

১৮| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ৩:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: বুঝতে চেষ্টা করছি।

১৯| ৩০ শে মে, ২০২০ সকাল ১১:০৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ছোট গণতন্ত্র! আকেলমান্দকে লিয়ে ইশারাই কাফি হায় |

২০| ৩০ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩৫

সাইন বোর্ড বলেছেন: ব্লগে সম্ভবত এটাই আপনার লেখা প্রথম পড়লাম, লেখার বক্তব্যে না গিয়ে শুধু বলব, আপনার প্রকাশের স্টাইলে যথেষ্ট স্বকীয়তা পাওয়া যায়, যা একজন লেখক বা কবির সব চেয়ে বড় অর্জণ ।

২১| ৩০ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: *প্লিজ ওপরে কমেন্টটি মুছে দিন

বাংলাদেশের পাবলিক সেন্টিমেন্ট কাপুরুষোচিত জঙ্গি ধর্মের মাদকে মোড়া আত্মঘাতী টাইপ। ৫২ এর পর জনগন সবসময়ই নিস্পৃহ থেকেছে। দেয়ালে পিঠ না ঠেকলে সে মরে গেলেও রাজপথে নামতে ইচ্ছুক নয়। এটা বুঝেছিলো ৬০ এর দশকের রাজনীতি করা কিছু ঝানু লোক। শুধু বঙ্গবন্ধুর নাম বললে ইতিহাসের বিচার সঠিক ভাবে করা হবে না। এটা শিওর, বঙ্গবন্ধু না থাকলে ২৬ যে মার্চ হতো কি হতো না, তার চে বড় কথা উদ্ভট পাকিস্তানী জাতীয়াতবাদের অত্যাচার আরেকটা হংকং-চীন-ব্রিটিশ-আমেরিকা হেজেমনির জন্ম দিতে পারতো বৈকি এবং সহিংসতার শাসনামল দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতো। স্টিফেন কিং এর এ ধরনের একটা নভেল ছিলো যদি জন এফ কেনেডিকে হত্যা করা না হতো। তবে সেটা বিতর্ক ও ফিকশন

৭৪ এ সরকারী পদলেহীদের আকাশচুম্বি দুর্নীতি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কারনে যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিলো তাতেও জনগন কোনো আন্দোলন করেনি। যদি সেনাবাহিনী হত্যা না করতো তাহলে দেশ অনেক আগেই অলিগার্কি থেকে রাজতন্ত্র অথবা আন্তর্জাতিক প্রক্সি ওয়ারের ঘৃনিত ভাগারে তৈরী হতো(এটা অবশ্য আমি নিজেও মানি না, কিন্তু অলিগার্কি স্বৈরতন্ত্র্র সংজ্ঞানুসারে যে ফেইলড নেশনের কথা বলা হয় সে অনুসারে বলা)। এর পর আসে ৯০ এর আন্দোলন।

সবক্ষেত্রেই নেতৃত্ব ছিলো যাদের একটা লক্ষ্য ছিলো এবং এটাই আমাদের পরিশীলিত করেছে। সমস্যা হলো যেসব ইনস্টিটিউশন বা ইজম এই নেতৃত্ব তৈরী করতো, সেগুলো খুব পরিকল্পিতভাবে আমরাই ধ্বংস করেছি।

বলা হয়ে থাকে জাতীর শিক্ষাব্যাবস্থা ধ্বংস করলে সে পঙ্গু হবেই। আদতে হয়েছে তাই। যেহেতু কোনো সুযোগ্য নেতৃত্ব নাই( নেই বললে ভুল হবে, মৌলবাদীদের মধ্যে সেরকম জঙ্গি নেতৃত্ব আছে যা আদতে আমাদের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে), সেহেতু বাঙ্গালী ছুটোখাটো আন্দোলনেই দায় সাড়বে কারন দেয়ালে পিঠ ঠেকার পর এখন লাশের স্তুপ জমছে, যারা পারছে পালাচ্ছে।

তাই আমি যদি এ সময়টার পরিবর্তন চাই হিতে বিপরীত হবে: ইরানও চেয়েছিলো। চোর শাহ ও তার পশ্চিমা লুটেরাদের থেকে মুক্তি। ৮০ থেকে ২০২০: এখন তারা নিজেরাই নিজেদের হাতে মরছে জঙ্গি ধর্মের ভয়াল থাবায়।

শিক্ষাব্যাবস্থা রক্ষার্থে আমরা কিছু করিনি। বরংচ ভুলে ভরা রূপকথাপূর্ন জঙ্গিসুলভ বইতে বিশ্বাস রেখেছি। ম্যালথাসের বিপর্যয় অকার্যকর শিক্ষিত সমাজের ক্ষেত্রে। আমাদের ক্ষেত্রে নয়।

মুক্তি পেতে চাইলে বিজ্ঞানভিত্তিক নিরপেক্ষ ও একমুখী শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে হবে, যেহেতু নেটে এখন সবই ফ্রি তাই এটা সম্ভব ও দরকার ব্যাক্তিভিত্তিক শক্তিশালী উদ্যোগ, আর জঙ্গিবাদ ছুঁড়ে ফেলতে হবে বিনাশর্তে। কিন্তু বাঙ্গালী এটা করতে অক্ষম

২২| ৩০ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:৫২

পদ্ম পুকুর বলেছেন: রাইসু ভাই,
আপনি একটা পয়েন্ট বোধহয় মিস করে যাচ্ছেন। শিকদার ভ্রাতৃদ্বয়ের কাউন্টারপার্ট হিসেবে এখানে একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি আছেন, যিনি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং বেসরকারী ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনেরও চেয়ারম্যান, যাঁকে সবসময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে দেখা যায়। গণতন্ত্রের শক্তি, পাবলিক সেন্টিমেন্টকে পাশে রেখেও আমার মনে হয়, তারা দেশে থাকতে না পারার একটা বড় কারণ এই ভদ্রলোক।

ভালো থাকবেন।

২৩| ৩০ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ওনারা পাবলিকের ভয়ে পালিয়ে গেছে তাতে পাবলিক যদি খুশি হয় তবে বুঝতে হবে পাবলিক অল্পে তুষ্ট। সরকার এরকম পাবলিকই চায়।

২৪| ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৫২

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: ব্লগিং এ ফিরে এসেছেন দেখে ভাল লাগলো।
মিডিয়াতে ব্লগিং এক অসাধারন রুপ।

থাকুন, কৌশলে ও কর্মে! শুভেচ্ছা নিন।

২৫| ০১ লা জুন, ২০২০ সকাল ৭:০৩

ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: ছোট গণতন্ত্র! ভাল
গণতন্ত্রের প্রলেপ দেয়া আছে অনেক দেশেই

২৬| ০২ রা জুন, ২০২০ রাত ২:০৬

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: এই ধরণের লজিকে তো চলমান করোনা পরিস্থিতি এবং করোনা পরিস্থিতির অব্যবস্থাপনা এসবেরও একটা ভালো দিক বের করা যায়। জনসংখ্যা কমছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.