নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে- ৭৯

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২



১। বই ধরার আগে হাত পরিষ্কার করে নিন। নইলে হাতে থাকা ময়লা বইয়ে লেগে থাকবে। যা যুগ যুগ আপনার অপরিচ্ছন্নতার নমুনা হিসেবে বক্র হাসি দিয়ে যাবে। চিহ্ন রাখতে বইয়ের পাতা ভাঁজ করবেন না। অনেকে পেন্সিল বা কলম জাতীয় ভারী কিছু দিয়ে বুকমার্ক রাখেন। চিহ্ন রাখতে হালকা কোনো কাগজ ব্যবহার করুন। বই পড়া শেষে বুকমার্কটি সরিয়ে ফেলুন। অনেকের বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টানো দেখলে মনে হয় যুদ্ধ করছেন। সর্তকতার সঙ্গে বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টান। এতে আপনার সংবেদনশীলতার পরিচয় মিলবে। বই অবশ্যই বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। বাচ্চাদের পছন্দের খেলা হলো বইয়ে আঁকা-আঁকি বা বই ছিঁড়ে ফেলা।

২। একদিন বিকেলে বোটের ছাদে বসে রবীন্দ্রনাথ বই পড়ছিলেন, বই পড়ার সময় পা দোলানো তার অভ্যাস। তখন তার পায়ে ছিল কটকি চটি। হঠাৎ পা দোলানিতে এক পাটি চটি পড়ে যায় নদীতে। চটি জোড়া খুব পুরনো হলেও প্রিয় ছিল তার। বোট তখন মাঝ নদীতে। প্রবল স্রোত। চটি টি ভাসতে ভাসতে দূরে চলে যাচ্ছিল। রবীন্দ্রনাথ কোন কিছু চিন্তা না করে লাফ দিলেন নদীতে। বজরার সব কর্মচারী তো অবাক! জমিদার মশাই কেন ঝাঁপ দিলেন নদীতে! কোন অমূল্য বস্তুর জন্য? কিছুক্ষন পর রবীন্দ্রনাথ সাঁতরে ফিরে এলেন, তার মুখে বিজয়ের হাসি। আর হাতে সেই একপাটি চটি।

৩। পুরো ফেবরুয়ারী মাসটা নানান দিবসে ভরা। আগামীকাল বাংলা ১ ফাল্গুন, ইংরেজী ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯।
সমস্ত মেয়েরা হলুদ শাড়ি পরে বইমেলায় যাবে। আমার একটা কটকটা হলুশ শার্ট ছিল। খুব শখ করে বানিয়েছিলাম। সুরভী বলল, শার্ট কালার ভালো লাগে না। অথচ আমার ভীষণ পছন্দ। আমি যেন শার্ট না পড়েতে পারি তাই সুরভী শার্টটা কাকে যেন দিয়ে দিয়েছে। অবশ্য একটা হলুদ পাঞ্জাবী আছে। একবার পড়েছিলাম। আগামীকাল সেটাই পড়বো।

৪। পৃথিবীর ধূলোকণায় ভালোবাসার জন্য। কিন্তু ধূলোকণায় যখন সূ্র্যের আলো পড়ে তখন তা স্বর্ণরেনুর মত চিকচিক করে ওঠে। যখন বাতাসের স্পর্শ পায়, শিশুর নির্মল হাসির মতো কোমল হয়ে ওঠে। আকাশ থেকে যখন বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে তখন ভালোবাসার ধূলিকণা হেসে বলে- আমি তো ঐশ্বরিক। পৃথিবীতে নেমে এসেছি বিধাতার কল্যাণ এবং ক্ষমা হয়ে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

আখ্যাত বলেছেন: :
আপনার এই লেখাটাও ভালো লেগেছে।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২০

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

২| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

ANIKAT KAMAL বলেছেন: কিছু লেখার মাধূর্য অতুলনীয় অা‌মি চিরকাল ব্য‌তিক্রম তাই ব্য‌তিক্রম কে ভা‌লোব‌সি। অ‌নিন্দ্য সুন্দ‌রের অাবীর ছ‌ড়ি‌য়ে দিল অামার ম‌নে

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২১

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

এম. বোরহান উদ্দিন রতন বলেছেন: ভালো পরামর্শ

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন।

৪| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

শ্রাবণ আহমেদ বলেছেন: অসাধারণ, অসম্ভব ভালো লাগা ছুয়ে গেলো হৃদয় মাঝে।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:১৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: চমৎকার বই সমাচার
ভালোই লাগলো ।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২১

কাউছার হোসেন বলেছেন: ভালোই লাগল.......

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.