নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

দিনের শেষে

১৪ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:২৮



কিছুক্ষন পর একটা এ্যাকশনে যাব।
আজ সারাদিন'ই বাসায় শুয়ে বসে কাটিয়েছি। পত্রিকা পড়েছি। পত্রিকাতে চুরি-ছিনতাই আর ডাকাতীর নিউজ গুলো পড়তে আমার খুব ভালো লাগে। দুপুরবেলা কিছুক্ষনের জন্য বাইরে গিয়েছিলাম ভাত খেতে। আমার এ্যাকশন শুরু হবে রাত ১১ টার পর। সাথে থাকবে একটা ক্ষুর, চায়নিজ কুড়াল আর একটা পিস্তল। পিস্তলটার নাম 'বেরেটা এম নাইন'। এই জিনিস ঢাকা শহরে আছে মাত্র নয়টা। আমি কারওয়ান বাজারের মুসা ভাইয়ের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছি এক হাজার টাকা দিয়ে। কাজ শেষে যথা সময়ে 'জিনিস' ফেরত না দিলে খবর আছে। মুসা ভাই কঠিন জিনিস। আমার লেনদেন ভালো, তাই জিনিস চাইলেই পাই।

মাত্র নয় টা বাজে।
এখনও দুই ঘন্টা হাতে সময় আছে। সময় যেন যাচ্ছে'ই না। সারাদিন ঘরে থাকার কারনে হাসফাস লাগছে। আমার কাজে সহযোগিতা করে শামসু। খুবই সাহসী ছেলে। তার পারফরমেন্সে সত্যিই আমি মুগ্ধ! একজন শিকার পেলেই- খুরটা হাতে নিয়ে বলে ওস্তাদ শালায় তো এখনও পকেট থেকে মোবাইলটা বের করছে না। দেন তো পিস্তলটা আমার হাতে শালার কপালটা ফুটা কইরা দেই। কপাল ফুটা করতে হয় না- তার আগেই মোবাইল, ম্যানিব্যাগ আরও যা যা আছে সব বের করে শামসুর হাতে দিয়ে দেয়। সব মিলিয়ে এক মিনিটের মামলা।

আজ অবশ্য আমাকে একাই এ্যাকশনে যেতে হবে।
শামসুকে পাঠিয়েছি- কুমিল্লা। নীলা'কে আনার জন্য। নীলা আমার বউ। বেচারি ঢাকা আসার জন্য অস্থির হয়ে আছে। এদিকে আমি কামরাঙ্গীচরের যে বাড়িতে থাকি- সে ঘরে কিছুই নেই। খাট নেই। আলমারী নেই। একটা ছেঁড়া তোষকের উপর ঘুমিয়ে থাকি। মুখ দেখার জন্য একটা আয়না পর্যন্ত নেই। নীলা আবার একটু পর-পর আয়নাতে নিজেকে দেখতে খুব পছন্দ করে। কাপড় রাখার জন্য একটা আলনা নেই। এখানে-সেখানে জামা কাপড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। নীলা আসার আগেই এই সব কিনে ফেলা খুব দরকার ছিল। কিন্তু হাত একেবারে খালি। গত সাত দিনে একটা কাজও করতে পারি নাই। আচমকা সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। আজিব!

আপনারা হয়তো ভাবছেন- চুরি ছিনতাই করা খারাপ কাজ।
অবশ্যই খারাপ কাজ। কিন্তু বাধ্য হয়ে করছি। কেউ তো আমাকে একটা চাকরি দিল না। চাকরির জন্য কম চেষ্টা তো করি নাই। কত লোকের হাতে-পায়ে ধরেছি। একবার এক অফিসে গিয়ে বললাম- স্যার পিয়নের কাজ হলে আমাকে দেন। না খেয়ে আছি। ভদ্রলোক আমাকে চাকরি দিলেন না। একটা ছবি দেখিয়ে বললেন- মানুষ খুন করতে পারবে? তাহলে তোমাকে এক লক্ষ টাকা দিব। বিশ হাজার এডভান্স পাবে বাকিটা কাজ শেষ করার পর। আমি বুঝলাম- কিছু লোক খারাপ কাজ করে তাদের টাকা নেই বলে আর কিছু লোক খারাপ কাজ করায় তাদের প্রচুর টাকা আছে বলে।

নীলা'র সাথে আমার বিয়ের গল্পটা আপনাদের বলি। শুনুন।
একদিন ধানমন্ডি সাত নম্বরের ব্রিজের কাছে একটা বড় ধরনের কাজ করলাম। রাত তখন সাড়ে নয়টা। রাস্তাটা বেশ নিরিবিলি। যদিও খুব বেশি রাত নয়। কিন্তু শামসু অস্থির হয়ে পড়লো। গত দুইদিন সে নেশা করতে পারেনি। যাই হোক, টাই পরা একলোক সিগারেট টানছিল ব্রিজের কাছে দাঁড়িয়ে। তার হাতে আবার একটা ডি এসএলআর ক্যামেরা। শামসু টাইপরা লোকটার কাছে গিয়ে বলল- ব্রাদার একটা সিগারেট দেন। সন্ধ্যা থেকে কোনো সিগারেট খাই নাই। মাথা কাজ করছে না। টাইপরা লোকটা বলল- যা ভাগ হারামজাদা। তখন আমি চায়নিজ কুড়ালটা উঁচু করে বললাম- আজ তোকে শিক্ষা দিয়ে দিব। মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করিস? ঠিক তখন টাইপরা বদ লোকটা আমাকে ধাক্কা দিল। আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। তখন আমি আমার শেষ অস্ত্রটা বের করি। 'বেরেটা এম নাইন' পিস্তল। তাতে কাজ হয়। টাইপরা লোকটা ভয় পেয়ে ম্যানিব্যাগ, মোবাইল, রিস্ট ওয়াচ এবং হাতের আংটি সব দিয়ে দিল।

সব মিলিয়ে প্রায় এক লাখ টাকা হবে।
কিন্তু আমরা কখনই এক লাখ টাকা হাতে পাবো না। বড় জোর ত্রিশ হাজার টাকা পাবো। চুরি ছিনতাই এর জিনিস তো আর ঢাকঢোল পিটিয়ে বিক্রি করা যায় না। তাছাড়া চুরি ছিনতাই করা টাকা পয়সা থানাতেও কিছু দিতে হয়, অন ডিউটি পুলিশকে কিছু দিতে হয়। যাই হোক, পরের দিন সকালে জানতে পারি- ওই টাইপরা বদটা নাকি এক সচিবের ভাতিজা। পুলিশ আমাকে খুঁজছে। অলরেডি আমার নামে ঢাকা শহরের বেশ কয়েকটা থানায় মামলা আছে। পালিয়ে গেলাম কুমিল্লায় শামসু'র গ্রামের বাড়িতে। গ্রাম দেশ আমার খুব ভালো লাগে। ইচ্ছা আছে শেষ জীবনটা গ্রামেই কাটাবো নীলাকে নিয়ে।

সচিবের ভাতিজার সব জিনিসপত্র বিক্রি করে দিয়েছি।
ছিনতাই এর জিনিসপত্র সাথে সাথে বিক্রি করে দিতে হয়। এটাই অলিখিত নিয়ম। কিন্তু ক্যামেরাটা বিক্রি করি নাই। একটা ভালো ক্যামেরার শখ আমার অনেক দিনের। ডি এসএলআর হাতে নিয়ে কাঁকড়ী নদীর পাড়ে বসে আছি। নদীর পাশেই বিশাল ধানক্ষেত। ইতোমধ্যে অনেক গুলো ছবি তুলে ফেলেছি। এর মধ্যে একটা ছবি তো অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে। ধানক্ষেতের উপর দিয়ে একসাথে অনেক গুলো পাখি নীড়ে ফিরে যাচ্ছে। ঠিক তখন সূর্য ডুবে যাচ্ছে। আকাশের রঙ বেশ বিষন্ন। চারপাশ কেমন মায়াবি রঙ্গে ছেয়ে আছে।

শামসু গিয়েছে- আমার জন্য সিগারেট আনতে রামগঞ্জ বাজারে।
ভালো সিগারেট ছাড়া আবার আমি খেতে পারি না। গরীবের ঘোড়া রোগ। হঠাত দেখি ডুরে শাড়ি পরা একটা মেয়ে আমার কাছে এসে বলল- আপনার হাতে কি ক্যামেরা? আপনি কি সাংবাদিক? আমার একটা ছবি তুলে দেন। আমি মেয়েটির চোখের দিকে তাকালাম। অতি সহজ সরল একটি মেয়ে। চোখ ভরা মায়া। সাথে সাথে প্রেমে পড়ে গেলাম। আমি বললাম, এখন তো ছবি তুলতে পারব না। সূর্য ডুবে গেছে। আগামীকাল অবশ্যই তোমার অনেক গুলো ছবি তুলে দিব। পরের দিন আসলেই মেয়েটার অনেক গুলো ছবি তুলে দেই। ক্যামেরায় মেয়েটার চেহারা খুব ভালো আসে। সে তার ছবি দেখে মুগ্ধ। আর আমি মেয়েটার প্রতি মুগ্ধ। এতই মুগ্ধ হলাম যে বিয়েই করে ফেললাম।

যাই, বের হই। এগারোটা বেজে গেছে।
ঘরে নতুন বউ আসছে। অনেক কিছু কেনাকাটা করতে হবে। সবার আগে একটা দামী আয়না কিনতে হবে। নীলা আবার একটু পর-পর আয়নায় নিজের মুখ দেখতে পছন্দ করে। আমি ঘর থেকে বের হলাম। আজ যাবো ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায়। অনেকদিন সেখানে কোনো কাজ করি নাই। আকাশের অবস্থা ভালো না। মনে মনে আকাশের দিকে তাকিয়ে বললাম- হে আল্লাহপাক আজ বৃষ্টি দিও না। নীলা আসবে আগামীকাল। ঘরে বাজার সদাই কিছুই নাই। অনেক কিছু কেনাকাটা করতে হবে। একজন মালদার আদমি যেন আজ পেয়ে যাই। রাস্তার পাশে একটা দোকান থেকে এক কাপ চা খেয়ে আর একটা বেনসন সিগারেট ধরিয়ে আমি একটা বড় অশ্বথ গাছের নীচে দাঁড়ালাম।
ওই তো কে যেন আসছে। লম্বা একটা ছায়া পড়েছে।

মন্তব্য ৫১ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ টাইপ
-সুন্দর হইছে

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: ইয়েস।

২| ১৪ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সুন্দর হয়েছে

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

৩| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৩২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বেশ ভাল হয়েছে। আপনার সামুতে ঢোকার সমস্যার সমাধান হয়েছে নিশ্চয়ই।

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: সহজ পথে ঢোকা বন্ধ তাই অন্যপথে ঢুকেছি।

৪| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

আপেক্ষিক মানুষ বলেছেন: পবিত্র হোসাইন বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ টাইপ
-সুন্দর হইছে
সহমত ভাই।

হুমায়ুন আহমেদ স্যারের লেখা পড়ার সময় যেমন মিটিমিটি হাসি, আপনার লেখা পড়ার সময়ও তেমন হেসেছি।

আপনার সামু সমস্যার সমাধান হয়েছেতো?

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: ভিপিএন।

৫| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



রাজীব ভাই সামুর বটবৃক্ষ। আপনার লেখা এই ব্লগের প্রাণ। আপনি নিয়মিতভাবে ব্লগে আসুন, ব্লগ মাতিয়ে রাখুন। লেখাটি বেশ ভাল লেগেছে। শুভ কামনা রইলো। +++

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্যে বড় ভরসা পাই।

৬| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


বেকারদেরও খেতে হয়, চলতে হয়

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: ঘর সংসার সামলাতে হয়।

৭| ১৪ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এ্যকশান শেষ হইলে আরেকটা পোষ্টে জানায়েন মাল কি রকমের কামাইলেন। :)

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: হা হা হা-----

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: চিরকাল এইসব
রহস্য আছে নীরব।
রুদ্ধ ওষ্ঠাধর।
জন্মান্তের নবপ্রাতে
সে হয়তো আপনাতে
পেয়েছে উত্তর ...

৮| ১৪ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: দারুণ দারুণ।
মূলত আমি আপনার লেখার সবচেয়ে বড় একজন ভক্ত।

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

৯| ১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:০৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: যত বড় যুক্তি দেখানো হোক না কেন খারাপ কাজ সব সময় খারাপ। খারাপ কাজ করা উচিত নয়।

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: শখ করে তো কেউ খারাপ কাজ করে না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে করে।

১০| ১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:২৪

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:


দারুন হয়েছে । গল্পটা চলতে থাকুক ।

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: স্নেহ,প্রেম,ভালোবাসা - এসব কি মানুষকে দুর্বল করে দেয়?অন্ধ স্নেহে সাধারন বুদ্ধি,বিবেচনা,বিবেক বিসর্জন দিতে হলে তো দুনিয়া পিছন দিকে হাঁটতে থাকবে।

১১| ১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



হ্যা । স্নেহ, ভালবাসা, প্রেম মানুষকে মায়ার মাঝে ফেলে দেয় । পিছুটান তৈরি করে যেটা একজন মানুষের জন্য খারাপ এবং ভাল ।

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ এই গানটি রবীন্দ্রনাথ খুব গাইতেন- "Won't you tell me,Molly darling/Darling you are groeing old/Good-bye sweetheart good-bye..."

১২| ১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,





তাইতো বলি, পোস্টের দারুন ছবিটা ডিএসএলআর দিয়ে তোলা না হয়েই যায়না!!!!!!!! :||

চমৎকার একটা গল্প। টান টান লেখা ।
++

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: Diligite Lumen Sapientiae অর্থাৎ জ্ঞানের আলোকে ভালোবাসো।

১৩| ১৫ ই মে, ২০১৯ ভোর ৬:৪৪

বলেছেন: পুরাই একশন!!!
ভালো লাগলো খুউব।।

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪| ১৫ ই মে, ২০১৯ ভোর ৬:৪৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এসে গেছি অনেক বাধা বিপত্তি গেল,
তার মাঝে ও আপনার ব্রাউজিং দেখলাম.........

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক দিকদারির মধ্যে আছি। ভিপিএন দিয়ে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়।

১৫| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:২৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে দেয়াল অপসারণ করতে হবে । তবু খারাপ কাজ করা যাবে না। কেননা মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। সৃষ্টির সেরা জীব সেরা কাজটি করবে।

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: সৃষ্টির সেরা জীব যখন না খেয়ে থাকে, টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারে না?

১৬| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আহা! বেশ লাগল। অ্যাকশন ভালোবাসার ফানুসে উড়ে গেল। নীলার জন্য শুভকামনা রইল।

শুভকামনা প্রিয় ছোট ভাইকেও।

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা।

১৭| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

Confucius বলেছেন: তাহলে কি এই থেকে কোপা সামছু ?

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: হা হা হা-----

১৮| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

গড়ল বলেছেন: কৃষ্ণচুরা আমার কাছে চেরী ফুলের চেয়েও বেশী সুন্দর মনে হয়।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: কি সুন্দর লাল হয়ে থাকে পুরো গাছ জুড়ে। দেখতে ভালো লাগে।

১৯| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২৩

তন্দ্রাকুমারী বলেছেন: গল্পটা আকর্ষণীয়।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৮

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: মনে হলো পুরো ঘটনাটা আমার চোখের সামনে। ধন্যবাদ লেখক,বেশ ভালো হয়েছে গল্পটা।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

২১| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: পৃথিবীতে কাজের কোন শেষ নেই। রিক্সা চালানো শুরু করেছে অনেক ভালো একটি কাজ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: বলা সহজ। বাস্তব বড় কঠিন রে ভাই।

২২| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ৮:১১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: পৃথিবীতে কাজের কোন শেষ নেই। চুরি চামারি ছিনতাই করার চেয়ে রিক্সা চালানো অনেক ভালো একটি কাজ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: একেক জনের চিন্তা ভাবনা একেক রকম।

২৩| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনি বলুন তো- যে লোকটা রিক্সা চালিয়ে সংসার চালায় আর যে লোকটা ছিনতাই করে তাদের মধ্যে কে বেশী ভালো?

আপনি যেটা খুশী নিতে পারেন। তবে আমি বলবো- রিক্সাওয়ালাই সেরা মানুষ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১১

রাজীব নুর বলেছেন: ছোট একটা জীবন, যার যেটা ভালো লাগে সেটাই তো করা উচিত।

২৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:২২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: চমৎকার একটা গল্প পড়লাম....

এত্তগুলা থ্যাংকু রাজীব ভাই :) :)

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১১

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

ভালোবাসা নিরন্তর।

২৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ রাত ২:১২

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: আপনার জন্যে চিন্তায় ছিলাম। ব্লগ আপনার অক্সিজেন। এখন নিশ্চয়ই শান্তি লাগছে।
লেখার প্লট ভালো। তবে হুমায়ূনীয় কায়দা-কেতা ছাড়াও নতুন কায়দায় লেখা সম্ভব। সামনে তাই একটু স্টাইল নিয়ে নিরীক্ষাধর্মী লেখা দেখতে চাই। বেশি কিছু চাইলাম না তো আবার?

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: হা হা হা---


না না। অবশ্যই। আপনি আমার পোষ্টে এসেছেন। মন্তব্য করছেন তাতেই আমি মহা খুশি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.