| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
আজ শুক্রবার। জুম্মা মোবারক।
বাংলা আষাঢ় মাস শেষ। এখন শ্রাবন মাস। শ্রাবন মাসের আজ দুই তারিখ। বর্ষাকাল। কিন্তু আকাশ বাতাস দেখে মনে হচ্ছে- শরৎ কাল। এই রোদ, এই বৃষ্টি। সকাল থেকে আকাশ মেঘলা। কিন্তু দেখা গেলো- মেঘ কেটে গিয়ে রোদ উঠেছে। এখন আবার আকাশ কালো হতে শুরু করেছে। মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হোক, রোদ হোক তাতে আমার কি? আমার কিচ্ছু না। বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে যাবে। যানবাহন এবং মানুষের চলাচলের সমস্যা হবে। জন্মের পর থেকেই জলাবদ্ধতার এই সমস্যা দেখছি। এর কোনো স্থায়ী সমাধান মনে হয় নেই। যদি রোদ ওঠে, তাহলে মানুষের কষ্ট হবে। এখনকার রোদে অনেক তাপ। চামড়া যেন পুড়ে যায়। রোদেও মানুষের কষ্ট, বৃষ্টিতেও মানুষের কষ্ট! আল্লাহ মানুষকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন কষ্ট করার জন্যই। জীবন হেসে-খেলে উড়িয়ে দেবার জন্য নয়। যেদিন বৃষ্টি হবে, সেদিন সিএনজি আর রিকশা চালকেরা বলবে- আজ বৃষ্টির দিন ভাড়া বাড়িয়ে দেন। যেদিন কড়া রোদ উঠবে, রাস্তায় জ্যাম বেশি থাকবে চালকেরা বলবে, ভাড়া বাড়িয়ে দেন। সবাই শুধু দেন দেন করে।
আজ আমার হাতে একটা নতুন মোবাইল।
দাম ৮০ হাজার টাকা। Vivo S60. গত এক সপ্তাহ ধরে মোবাইলটা ড্রয়ারে পড়ে আছে। বড় ভাই চায়না গিয়েছিলো আমার জন্য মোবাইলটা নিয়ে আসে। মোবাইলটা ভালো। চালিয়ে আরাম আছে। সুন্দর ছবি ওঠে। এই মোবাইলটা এখনও বাংলাদেশে আসেনি। এক দেড় মাসের মধ্যে এসে যাবে। কিছুদিন আগে সুরভি একটা নতুন মোবাইল নিয়েছে, তাই আমিও নিলাম। যাইহোক, 'দ্য অডিসি' সিনেমাটা আজ মুক্তি পেয়েছে। দেখব কিনা বুঝতে পারছি না। হোমারের ৩০০০ বছরের আগের কাহিনি। রুপকথায় ভরপুর হবে নিশ্চয়ই। মুভিটি তৈরি করতে ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে! এই টাকা দিয়ে আমাদের দেশের পরিচালকেরা তিন শ' সিনেমা বানাতে পারতো। 'দ্য ওডিসি'র নায়ক ওডিসিয়ুস। ট্রয় নগরের যুদ্ধ শেষে নিজ দেশ ইথাকায় ফিরতে তাঁর সময় লাগে পুরো দশ বছর। সমুদ্র দেবতা পোসেইডনের অভিশাপ, সাইক্লোপস পলিফেমাস, জাদুকরি সির্সি, সাইরেনদের প্রলোভন, পাতালপুরী হেডিস ও ক্যালিপসোর দ্বীপ- একটির পর একটি বিপদ পেরিয়ে বাড়ি ফেরার কাহিনিই 'দ্য অডিসি'।
গতকাল সামুতে একটা লেখা লিখলাম।
আমার চোখের সমস্যাটা নিয়ে। আজ এসে দেখি লেখাটা নেই। লেখাটা কি পোষ্ট না করেই ল্যাপটপ বন্ধ করে দিয়েছিলাম? গতকাল কি লিখেছিলাম, সেটা আজ আবার লিখতে গেলে, অন্য রকম একটা লেখা হয়ে যাবে। গতকাল লিখেছিলাম- চোখের ডাক্তার দেখিয়েছি। চোখের নিচেরর অংশে ইনফেকশন হয়েছে। কিছুটা ফুলে গেছে, সামান্য ব্যথা আছে। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম, চোখের মলম দিলেন, ড্রপ দিলেন, ওষুষও দিলেন। মলম লাগালাম, চোখে ড্রপ দিলাম, ওষুধও খেলাম। শুধু চোখে গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে সেক দেওয়া হয়নি। সেক না দেওয়ার কারনেই কি চোখে আবার সমস্যা দেখা দিয়েছে? আবার যেতে হবে চোখের ডাক্তারের কাছে। আমার দাদা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, চোখে কিছু দেখতে পারছেন না। তখন দাদার বয়স ৩৫ বছর। বাকিটা জীবন দাদা অন্ধ হয়ে কাটালেন। দাদাকে নিয়ে পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে হাঁটতাম। একটা লেখা লেখার পর, লেখাটা হারিয়ে গেলে- মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। যাইহোক, দাদার মতো আমিও কি অন্ধ হয়ে যাবো!
সামুতে কি এখন মডারেটর আছেন?
দীর্ঘদিন ধরে এডমিনের কোনো কর্মকান্ড নজরে পড়ছে না! তাহলে জামাত শিবির কি করে এখানে লেখার সুযোগ পায়? পাকী প্রেমীরা কি করে সামুতে লেখার সুযোগ পায়? এদিকে বছরের পর বছর ধরে একজন গ্রেট মানবিক ব্লগার, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ চাঁদগাজীকে ব্যানে রাখা হয়েছে। সামু তার সাথে সারাটা জীবন শুধু অন্যায় করে গেলো। ব্লগের ইতিহাসে এত লম্বা সময় কাউকে ব্যান করে রাখা হয়নি। প্রথম পাতা থেকে দূরে রাখা হয়নি। এত এত নিক ব্যান করা হয়নি। যে মানুষটা এত্ত ব্লগ ভালোবাসেন, তাকেই ব্যান করে রাখা হয়েছে। এটা অন্যায়। খুব অন্যায়। আর সামুতে দুনিয়ার বদ লোক আবোল তাবোল লিখছে। দূর্নীতিবাজ, অসৎ এবং জামাত শিবিরদের দৌড়ের উপর রাখার জন্য একজন চাঁদগাজী'ই যথেষ্ট। মুক্তমনা ও কুসংস্কার মুক্ত ব্লগারেরা চায় চাঁদগাজীকে সব রকম ব্যান মুক্ত করা হোক। তার পোষ্ট প্রথম পাতায় আসুক। সব ব্লগারেরা তাদের পোষ্ট চাঁদগাজীর মন্তব্য চায়। চাঁদগাজীর মন্তব্য না পেয়ে তারা হতাশ। সামুর এডমিনের বোধোদয় আর কবে হবে! হীরার টুকরাকে তারা কাঁচের টুকরা মনে করে- বারবার ভুল করছে।
যারাই রাস্তা আটকে মিটিং মিছিল করে-
তাদের আমার ছাগল বলে মনে হয়। হোক সে রাজনীতিবিদ বা স্কুলের ছাত্র। এমনকি যারা রাস্তা আটকে নামাজ পড়ে তাদেরও আমার ছাগল বলে মনে হয়। তোরা ছাত্র, তোদের কাজ শুধু লেখাপড়া করা। তোরা কেন ব্যস্ত রাস্তা আটকে মানুষের সমস্যা সৃষ্টি করবি। এইসব স্কুল ছাত্রের বাবা-মা'রা কেমন, ছেলেরা রাস্তায় ক্যাচাল করছে, তারা দেখেন না। সাধারন মানুষের কত দুর্ভোগ হচ্ছে। এদের পিটিয়ে পিঠের চামড়া তুলে ফেলা উচিৎ। অন্যদিকে নামাজ পড়বি পড়, মানুষের সমস্যা সৃষ্টি করে নামাজ কেন পড়বি? তাতে কি আল্লাহ খুশি হবেন? আল্লাহ বলেছেন, রাস্তা আটকে নামাজ পড়। তুই নামাজ পড়লে দেশ বা সমাজের কোনো উপকার হবে? তাহলে কেন তুই রাস্তা আটকে নামাজ পড়বি? মানুষের সমস্যা করে, নামাজ পড়লে সেই নামাজে কোনো লাভ নাই। আসলে এদের আগে মানুষ হওয়া দরকার। আমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠিকই বলেছিলেন- 'রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ কর নি'। চারিদিকে এত এত অমানুষ! আমার আর ভালো লাগে না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সমস্যা কি আপনার ? এবার কিন্তু আপনার উপর জুলাই নেমে আসবে । স্টুডেন্টদের আব্বা ডাকবেন ; কটু কথা বলেন কেন ? দেখেছেন মিলন সাহেবকে তারা ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেছে । তারা রাস্তা আটকে রেখে যা মন চায় তাই করুক।