নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

উপন্যাস- \'ঢোঁড়াই চরিত মানস\'

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১৯



''ঢোঁড়াই চরিত মানস' উপন্যাসটি সতীনাথ ভাদুড়ী'র লেখা।
উপন্যাসটি দুই খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়- ১৯৪৯ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয়- ১৯৫১ সালে। অনাথ বালক ঢোঁড়াই, যার জীবন সংগ্রাম নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী। বিহারের জিরানিয়া শহর, তার থেকে কিছুটা দূরে তাত্মাটুলি, তার পাশে ধাঙড়টুলি- এ উপন্যাসের পটভূমি। সমাজের নিম্ম শ্রেনীর মানুষদের নিয়ে লেখা উপন্যাস। ঢোঁড়াই বড় হতে হতে সে তার গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া রাস্তা 'পাকী' থেকে শুরু করে বদলে যেতে দেখে সবকিছু। উপন্যাসের কাহিনীর সাথে জড়িয়ে আছে মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলন, বিহারের ভূমিকম্প এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব।

'ঢোঁড়াই চরিত মানস' উপন্যাসের সময়কাল- ১৯০০–১৯৪৭।
'ঢোঁড়াই চরিত মানস' লেখক সতীনাথের তৃতীয় উপন্যাস। ঢোঁড়াই এর জন্মদাতা কে, সে বিষয়ে তার মা-ও নিশ্চিত নন। পিতার মৃত্যুর পর ঢোঁড়াই বড় হতে থাকে ভিক্ষা করে। দেড় বছর বয়সে ঢোঁড়াইয়ের বাপ মারা যায়। তার মা বুধনী আবার বিয়ে করে বাবুলাল চাপরাসিকে। রামিয়া নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে সংসার গড়ে তোলে ঢোঁড়াই। কিন্তু প্রতারণা ও অভিমানের কারণে স্ত্রী ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সে দূরবর্তী বিসকান্দা গ্রামে চলে যায়। পুরো উপন্যাসটিতে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। ঢোঁড়াই বিশ্বাস করেছে মানুষকে। বিশ্বাস করে সে বারবার ঠকেছে, পরাজিত হয়েছে।

নিজ গ্রামে অপমান অবহেলা পেয়ে ঢোঁড়াই চলে যায়- বিসকান্দা গ্রামে।
ঢোঁড়াই কৃষিজীবী মানুষের দুর্দশা দেখে তাদের নেতৃত্বে এগিয়ে আসে। এদিকে তার প্রথম স্ত্রী রামিয়া সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যায়। ঢোঁড়াই হলো সম্পূর্ণ একাকি নিঃসঙ্গ শিকড় ঘেঁড়া মানুষ। সে হেরে গেছে নিজের কাছে।আমাদের দেশের সাহিত্যিকেরা দরিদ্র শ্রেনীর মানুষদের নিয়ে লিখতে চায় না। রবীন্দ্রনাথও তেমন কিছু লিখেন নাই। তবে কাজী নজরুল লিখেছেন। বাংলাসাহিত্যের প্রথম উপন্যাস প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল' এ দরিদ্র শ্রেনীর কথা বলা হয়েছে। 'ঠক চাচা'।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের এক ইন্টারভিউতে 'ঢোঁড়াই চরিত মানস' বইটির প্রশংসা করেছিলেন।
সুনীলের কাছ থেকে বইটি নাম জানার পর এযুগের পাঠকেরা বইটি পড়ে। এবং তারা মুগ্ধ হয়। কেউ কেউ ভক্ত হয়ে যায় সতীনাথের। আমার একটা সমস্যা হলো- কারো মুখে কোনো বইয়ের গুনগান শুনলে, সে বইটা না পড়া পর্যন্ত শান্তি পাই না। লেখক সতীনাথ মাত্র ১৫ টি বই লিখেছেন। তার লেখা পড়লে স্পষ্ট বুঝা যায়- তিনি নিজেকে তৈরি করছিলেন– দেশের জন্য, মানুষের জন্য। নিরবে এবং গোপনে।
'ঢোঁড়াই চরিত মানস' এই টাইপ বই গুলো জেনজি'রা পরে না।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: বইটি আপনার কাছে আছে?

২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: 'ঢোঁড়াই চরিত মানস' উপন্যাসের সময়কাল- ১৯০০–১৯৪৭।
..........................................................................................
ভাই আপনি এত পিছন টান দিচ্ছেন কেন ?
আমরা বর্তমানে মব কালচারে অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছি,
শান্ত মনে কবিতা,উপন্যাস পড়ার সময় কোথায় ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.