নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কিছু মানুষ সব সময় ই চেষ্টা করে তার চার পাশের অন্য মানুষদের ঠিক সেই রংতুলি দিয়ে আঁকতে, যে রংতুলিতে তাদেরকে আঁকা হয়েছে।

রাকিব আহসান

ফেসবুকে আমি :http://www.facebook.com/rakib.ahsan.7

রাকিব আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুতে দিতে চাই গোলাম আযমের কবরে!

১৮ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৬

গোলাম আযমের ৯০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের পর বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আইনমন্ত্রী, আইন প্রতিমন্ত্রী , অর্থমন্ত্রী পর্যন্ত সকলেই সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এমনকি আওয়ামীলীগের হানিফ সাহেব গতকাল পর্যন্ত এই রায়ের পক্ষে ছিলেন কিন্তু সাধারণ জনগণের ইমোশনে সাপোর্ট দেবার জন্য তার অবস্থান পরিবর্তন করে তিনি জানান যে, এই রায় জনগণের প্রত্যাশিত রায় ছিল নাহ। দেখলাম রাশেদ খান মেননকে, উনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই রায়ের বিরুদ্ধে দুটি কথা বললেন। উনার বক্তব্য শুনে ভাল লাগলো। আদালতে দাঁড়িয়ে যদি আপনারা জনমানুষের প্রতিনিধিত্বই করতে না পারেন তাহলে দয়া করে জনগণের মতের বিরুদ্ধে কথা বলতে সংসদে দাঁড়াবেন নাহ!



স্কাইপি কেলেঙ্কারির পর পরই আন্তর্জাতিক যুদ্ধঅপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে ঢেলে সাজানো উচিৎ ছিল। যদিও সেটা করা হয়নি। দেশ ও দেশের বাইরের বিভিন্ন মহলের চাপ উপেক্ষা করে বার বার বলা হচ্ছিলো বিচার কার্যক্রম সঠিকভাবেই চলছে। আমার কথা হল, আযমের রায়ের পর যেখানে রাষ্ট্র পক্ষের প্রসিকিউশন আদালত কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সামনে বড় গলায় বললেন তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আবার আপিল বিভাগে আপিল করবেন। তখন আমার মনে সন্দেহ জাগে, যে রায়ে রাষ্ট্র পক্ষের সরকারি দলের সবাই সন্তুষ্ট সেটা আপনারা কত টুকু বদলাতে পারবেন!



যদি গোলাম আযমের জায়গায় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের একজন থাকতো। আর বিচারক যদি তার বয়সের কারনে ফাঁসি না দিয়ে যাবতজীবন কারাদণ্ড দিতেন! আমার জানতে খুব ইচ্ছে হয় তখন কি প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে আপনি বলতে পারতেন, "এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট!''? তখন জনমনে প্রশ্ন জাগে, যিনি সকল অপরাধের শীর্ষে ছিলেন তার হল যাবতজীবন তাহলে বাকি দের কি হবে??



যে দেশের মাটিতে কর্নেল তাহেরের মত বীর সৈনিককে জিয়া ফাঁসি দিতে পারেন, রাজাকার কমান্ডারকেও তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেন সেই দেশে তার দল ক্ষমতায় আসলে যুদ্ধঅপরাধীরা মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী হবে, যুদ্ধঅপরাধিদের গাড়িতে উড়বে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের পতাকা এটাই স্বাভাবিক। যারা ৭১এর ব্যাখ্যা দেয় "গণ্ডগোল'' বলে।



যে অপরাধীর অপরাধ হিসাব করতে গেলে আমার চুল দাঁড়ি পাইকা যাইবো। সেই অপরাধী নাকি হাসপাতালের এ সি রুমে আরাম করে। তার মেডিক্যাল রিপোর্ট এ জানা গেছে তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন। যে কিনা একটা দিনের জন্যও সাধারণ কারাবন্দী দের মত জেলখানায় রাত্রি যাপন করে নি। তিন বেলা যার জন্য রয়েছে সুস্বাদু খাবারের তালিকা। তার সাথে আমার এলাকার চায়ের দোকানের মুক্তিযোদ্ধা কাশেম চাঁচার পার্থক্য একটাই। একজন দেশের ''সূর্যসন্তান'' অন্যজন ''দেশদ্রোহী'' একজন আছে রাজার হালে আরেক জন সারা দিন খাটনি করে দুবেলা খাবারের জন্য। বিচারক সাহেব বলুন এ ক্যামন মানবতা?



দয়া কইরা "অধ্যাপক- ভাষা সৈনিক" গোলাম আযমের বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়া হউক! কারণ আমার এলাকার কুত্তাও জানে "গোলাম আযম রাজাকার কম্যান্ডার'' ৪২ বছরের ক্ষোভ এত সহজেই আযমের স্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নিতে পারে নাহ।



এখন স্বপ্ন একটাই, মুতে দিতে চাই গোলাম আযমের কবরে...

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.