| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফেইসবুক ব্যবহার করি বেশি দিন হয় না। বন্ধু তালিকায় বেশি বন্ধুও নাই। তাই অল্প কিছু বন্ধুর লেখা, কমেন্ট, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখে এই লেখাটি লিখেছি। লেখাটা ধর্ষণ এবং সুনাম পিপাসু নারীবাদী (পুরুষ ও নারী) লেখকদের জন্য। আমি লেখক না, আর এটাই আমার প্রথম লেখা ব্লগে। তাই তেনা না পেঁচিয়ে সোজা ভাষায় লিখতে চাই। প্রথমেই বলে নিতে চাই ধর্ষণ সমর্থন যোগ্য না। এমনকি কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কিছুই করানোকে আমি সমর্থন করি না।
ইতিহাসের দিকে চোখ ফেরাই। গ্রিক ও রোমান ইতিহাস পড়লে বা তার উপর তৈরি ডকুমেন্টারি অথবা সিরিয়াল বা চলচ্চিত্র দেখলে দেখা যায় সে সময়ের শাসকদের ও ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের স্ত্রীরা যৌনদাস রাখতেন। এদের কাজ কি বলার প্রয়োজন নাই। একটা সিরিয়াল দেখতে গিয়ে দেখলাম এক ভূস্বামীর পত্নী তার যৌনদাস নির্বাচন করছেন পুরুষের বিশেষ অঙ্গ দেখে। এসব যৌনদাসদের ততক্ষণ যৌনক্রিয়া চালিয়ে যেতে হতো যতক্ষণ ওইসব রমণীরা চাইতেন। এতে ওই দাসের সামর্থ, ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোন বালাই থাকতো না। আর ধর্ষণ সংজ্ঞা আমারা সবাই জানি। মার্কিন আইনে অল্প কিছুদিন আগে ধর্ষণের সংজ্ঞায় পুরুষও ধর্ষিত হতে পারে এ কথাটি সংযক্ত হয়েছে। তাই বলা যায় ধর্ষণ পুরুষ করে না, ধর্ষণ করে ক্ষমতা বা শক্তিমান। আপনি চাইলেও ওবামার স্ত্রীকে ধর্ষণ করতে পারবেন না। নারী নির্যাতন আইন ও যৌতুক বিরোধি আইনের অপব্যবহার আমাদের দেশ প্রায়ই হয়। তাই আমার নারীবাদী বন্ধুদের বলবো ধর্ষণের প্রতিবাদ করুন। আর দায়ী করুন ক্ষমতা ও শক্তিকে।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৫৮
রঞ্জু বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই প্রথম লেখায় প্রথম কমেন্ট।
২|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৫৮
সেলিব্রেটি ব্লগার বলেছেন: সহমত
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০০
রঞ্জু বলেছেন: :-)
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪৩
ভীতু সিংহ বলেছেন: দারুণ বলেছেন। একমত। অনেকেই মেয়েদের পোশাকের দোষ দিয়ে ধর্ষণের দায় মেয়েদের উপর চাপাতে চায়। কিন্তু, যেসব মেয়েরা তথাকথিত আধুনিক পোশাক পরে ঘুরে বেরায় তারা হয় কোন নেতার ভাগ্নি, জেনারেলের ভাতিজি অথবা উচ্চপদস্থ আমলার মেয়ে। তারা কখনও ধর্ষণের শিকার হয় না। কিন্তু যেসব মেয়ের পিছনে ক্ষমতাধর কেউ নেই তারাই সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে বাসে কিংবা গ্রামের রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় ঝোপের আড়ালে কোন ক্ষমতাবানের লালসার শিকার হয়।