নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রেষণা হচ্ছে অন্তর মনের শক্তি, যা জাগরিত হলে আমরা আমাদের সমস্ত শুভ ইচ্ছা গুলো পরিপূর্ণ করতে পারব। যাকে ইংরেজীতে বলে মাইন্ড পাওয়ার। এই মাইন্ড পাওয়ার জাগরিত হয় সাইকোলজির কিছু প্র্যক্টিক্যল প্রয়োগের মাধ্যমে। আমরা চেষ্টা করছি যারা বিভিন্ন কারনে আমাদের ওয়ার্ক

রথীন্দ্র ভারতী

আমার নাম রথীন ঘোষ, পেশা ও নেশায় এক জন প্রেষণা কারি, ইংরেজীতে যাকে বলে মোটিভেটর । আমি সঙ্গে অবচেতন নিয়েও কাজ করি। মাইন্ড পাওয়ার ট্রেনার। প্রতিটা মস্তিষ্কের অসীম ক্ষমতা আছে। আমরা যদি তাকে কাজে লাগাতে পারি, তাহলে জীবনে অনেক কাজ করতে পারি। আমরা যেই ট্রেনিং গুলো দিই সেটা সেলসে হাতে নাতে ফল পাওয়া যায়। আমরা রিলেশনশিপ নিয়েও কাজ করছি। আমরা চাই আপনাদের পারিবারিক সম্পর্ক গুলো মধুর হক। আমার লেখায় সেই চেষ্টাই থাকবে। আপনার যে কোন জটিল প্রশ্নের উত্তর রথীন ঘোষ দিবেন। যার আর এক নাম রথীন্দ্র ভারতী। আপনাকে কষ্ট করে কলকাতা বা ভারতের কোন শহরে উনার সেমিনার এ যোগ দিতে আস্তে হবে না বা কন্সাল্টিঙ্গের জন্য আস্তে হবে না।

রথীন্দ্র ভারতী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দাম্পত্য

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৪




আমার মনে হয় এই জগৎ সংসারে পবিত্র একটা সম্পর্ক হল স্বামী ও স্ত্রী, যেখানে সৃষ্টির বীজ লুকায়িত। এই সম্পর্ক এত পবিত্র ও দৃঢ় যে এক বার জোড়া লাগলে তা আর ভাংতে পারেনা। কিন্তু তাও দেখা যায় আজকাল বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা বেরেই চলেছে। আমার মনে হয় এই সম্পর্কগুলো ঠিক মত জোড়া লাগেনি তাই বাঁধন আলগা হয়ে যায়, জোড়া লাগলে তো ভাঙার প্রশ্ন। অনেক সময় প্রশ্ন ওঠে একজন পুরষের জীবনে কে বেশী আপন মা না বউ, আমি মনে করি দুটো সম্পর্ক একে অপরের সহায়ক। অনেকে বলে থাকেন বোউ মারা গেলে বৌ পাওয়া যাবে কিন্তু মা মারা গেলে মা পাওয়া যাবে না। আসলে এই পুরুষ তান্ত্রিক সমাজে, প্রায় আমাদের সকলের এটাই মনের কথা। কিন্তু আমরা ভুলে যাই বউটাও কারও মা হয়েছে বা হবে, আর মা ও হল কার ও বউ । অর্থাৎ এই যুক্তিটা খুবইছেদো যুক্তি ও আপেক্ষিকতার দোষে দুষ্ট। এব্যাপারে আমারএকটা খুব সহজ ও সরল যুক্তি আছে, আপনারাও নিশ্চয়ই এক মত হবেন। বিভিন্ন সম্পর্ক গুলোর মধ্যে মানুষ একমাত্র তার স্ত্রী বা পুরুষের সঙ্গেই উলঙ্গ বা পকৃতি গত অবস্থাতে মিলিত হতে পারে। একটা ব্যাপার লক্ষনীয় স্ত্রী পুরুষ যদি তারা নিজেদের মধ্যে সব ব্যাপারে পুরোপুরি উলঙ্গ হতে পারে তাহলে বিভেদ বা বিচ্ছেদের প্রশ্নই থাকবে না। জীবনের যে জায়গা গুলো তারা উলঙ্গ হতে পারেনা সেই জায়গা গুলতে ফোড়াহয়, পুঁজহয়, পচন ধরে যায়, তারপর কেটে বাদ দিতে হয়।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:১২

সান্তুইয়া বলেছেন: ভালো লিখেছেন ভাই/বোন।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮

রথীন্দ্র ভারতী বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২১

সোজোন বাদিয়া বলেছেন: কিছুটা দ্বিমত পোষণ করি। 'উলঙ্গ' হওয়াটাই যথেষ্ট নয়। তাছাড়া শব্দটা নেতিবাচক, যদিও বুঝছি আপনি ইতিবাচক অর্থেই ব্যবহার করেছেন। বাংলা ভাষায় আরও তো শব্দ ছিল। ত্রুটি হলে মার্জনা করবেন।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

রথীন্দ্র ভারতী বলেছেন: আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। কাউকে এতটুকু আঘাত দেওয়ার ইচ্ছা আমার নেই, অনিচ্ছাকৃত ভাবে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে আমায় ক্ষমা করবেন। কোন একটা উপযুক্ত শব্দ পরামর্শ দিলে আমি এডিট করে দিই। অনেক অনেক ধন্যবাদ সহ আপনাদের ভাই রথীন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.