নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রেষণা হচ্ছে অন্তর মনের শক্তি, যা জাগরিত হলে আমরা আমাদের সমস্ত শুভ ইচ্ছা গুলো পরিপূর্ণ করতে পারব। যাকে ইংরেজীতে বলে মাইন্ড পাওয়ার। এই মাইন্ড পাওয়ার জাগরিত হয় সাইকোলজির কিছু প্র্যক্টিক্যল প্রয়োগের মাধ্যমে। আমরা চেষ্টা করছি যারা বিভিন্ন কারনে আমাদের ওয়ার্ক

রথীন্দ্র ভারতী

আমার নাম রথীন ঘোষ, পেশা ও নেশায় এক জন প্রেষণা কারি, ইংরেজীতে যাকে বলে মোটিভেটর । আমি সঙ্গে অবচেতন নিয়েও কাজ করি। মাইন্ড পাওয়ার ট্রেনার। প্রতিটা মস্তিষ্কের অসীম ক্ষমতা আছে। আমরা যদি তাকে কাজে লাগাতে পারি, তাহলে জীবনে অনেক কাজ করতে পারি। আমরা যেই ট্রেনিং গুলো দিই সেটা সেলসে হাতে নাতে ফল পাওয়া যায়। আমরা রিলেশনশিপ নিয়েও কাজ করছি। আমরা চাই আপনাদের পারিবারিক সম্পর্ক গুলো মধুর হক। আমার লেখায় সেই চেষ্টাই থাকবে। আপনার যে কোন জটিল প্রশ্নের উত্তর রথীন ঘোষ দিবেন। যার আর এক নাম রথীন্দ্র ভারতী। আপনাকে কষ্ট করে কলকাতা বা ভারতের কোন শহরে উনার সেমিনার এ যোগ দিতে আস্তে হবে না বা কন্সাল্টিঙ্গের জন্য আস্তে হবে না।

রথীন্দ্র ভারতী › বিস্তারিত পোস্টঃ

সৎ অসৎ

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:০৯

সৎ অসৎ - রথীন ঘোষ
অনেকদিন আগের কথা, এক দেশে এক বিখ্যাত মন্দির ছিল, খুব জাগ্রত, প্রতিদিন মহা ধুম ধামে পুজা আরতী হত। বহু দূর দূর থেকে পুন্য সংগ্রহ করতে আসত। সেই মন্দিরের মহন্ত এক ব্রম্মচারী পন্ডিত মহন্ত ছিলেন, লোকের অগাধ আস্থা ছিলো তার উপর। কিছু দূরে এক বাঈজী বাড়ি ছিলো, সেখানে এক নামকরা বাঈজী প্রতিদিন সন্ধ্যায় গান করত । প্রতিদিন সন্ধ্যায় যখন মন্দিরে আরতী হয় তখন বাইজীর গান ভেসে আসত। মহন্ত মনে মনে ভাবতেন এ কেমন জীবন হল, আজ যেকোন লোকই টাকা খরচ করে ওই বাঈজীর আনন্দ নিতে পারে শুধু আমি বাদে। সেই ছোটোবেলাতে কেন যে ব্রম্মচারী হয়ে গেলাম। এত জ্ঞ্যান পাণ্ডিত্য কি কাজের। আর এদিকে বাঈজীর কানে মন্দিরের আরতীর গান ভেসে আসলে তিনি কানে আঙুল দিতেন, মনে মনে ভগবানকে বলতেন, “হে ভগবান গত জন্মে কত যে খারাপ কাজ করেছি যে ,এই নোংরা কাজ করতে হচ্ছে। লোক কত দূর থেকে এই বিখ্যাত মন্দিরে তোমার দর্শন করতে আসে কিন্তু আমি অপবিত্র শরীর নিয়ে তোমার মন্দিরে গিয়ে আর পাপ বারাতে চাই না।“ ক্রমে ক্রমে দিন মাস বছর গেলো, দুইজনেই মারা গেলেন। বাঈজী আগে মারা গেলেন কিছুদিন পর
মহন্তও মারা গেলেন। মহন্ত মারা যাওয়ার পর যখন চিত্রগুপ্তের পাপ পুণ্যের খাতার সামনে গেল তখন দেখল যে সেই বাইজী দেবতাদের রাজা ইন্দ্রের পাশে বসে স্বর্গ সুখ পাচ্ছে। মহন্তের খাতা যখন খোলা হল দেখা গেল তার ভাগ্যে কোন পুণ্যই জমা হয় নি। তাই তার নরক বাসের আদেশ দেওয়া হল। মহন্ত আবার বাঈজী কে দোষারোপ করতে শুরু করল , যে এই মহিলা মর্ত্যেও সকলকে বশ করে রেখেছিল এখানেও তাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.