| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোঃ রেজাউল কবির
মহা-বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত, যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না - অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না - বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত।
রাষ্ট্রযন্ত্র সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না৷ সে কারণে সাংবাদিকরা আরো বেশি নির্য়াতনের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশে৷ এছাড়া, সরকারের কোনো কোনো অঙ্গের সদস্যরাও সরাসরি সাংবাদিক নির্যাতনে জড়িয়ে পড়ছেন৷
মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার'-এর হিসেব অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশে ২৮৯ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন৷ এর মধ্যে নিহত হয়েছেন পাঁচজন সাংবাদিক৷ আহত হয়েছে ১৬১ জন, ৬৩ জন হুমকির শিকার হয়েছেন আর ১০ জন শিকার হয়েছেন আক্রমণের৷ এঁদের মধ্যে ৫০ জন সাংবাদিক পুলিশ এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হাতে নির্যাতিত হয়েছেন৷ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান একটি সাক্ষাতকারে বলেছিলেন , রাষ্ট্র সাংবাদিকদের নিরপত্তার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেয় না৷ তাই নির্যাতনকারীরা উৎসাহিত হয়৷ এমনকি সরকারের ভূমিকার কারণেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন চালায়৷
তিনি বলেন, ফেনীর সাংবাদিক টিপু সুলতানের ওপর আওয়ামী লীগ নেতা জয়নাল হাজারী এবং তার বাহিনীর হামলার কথা সারা দুনিয়া জানে৷ অথচ সেই নির্যাতনের মামলাটি বর্তমান সরকারের আমলে প্রত্যাহার করা হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়৷ আর সাগর-রুনি সাংবাদিক দম্পতি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে চলছে টালবাহানা৷ এতেই সাংবাদিকদের ব্যাপারে সরকারের মনোভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে৷
ইলিয়াস খান বলেন, রাষ্ট্র এবং সরকারের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যখন এত উদাসীনতা, সেখানে সাংবাদিকদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নাই৷
‘অধিকার'-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে ২২১ জন, ২০১০ সালে ২৩১ জন এবং ২০১১ সালে ২৫৬ জন সাংবাদিক বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন৷
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৯
জনতার সেবক বলেছেন: সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে সাগর-রুনী হত্যাকান্ড, মাহমুদুররহমানের মত ঘটনা গুলো পুনরাবৃত্তি ঘটবে না