নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দৃষ্টি ভঙ্গী বদলান জীবন বদলে যাবে ।

জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব

নবদূত

নবদূত › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা !!!!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২০

!

!

!

!

গত আট মাসে বাজার থেকে ৩৫ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও কমছে ডলারের দর। শক্তিশালী হচ্ছে টাকা।

গত এক বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান বেড়েছে ৭ শতাংশের বেশি।



এদিকে ভারত সরকারের প্রতিশ্রুত অনুদানের ৫ কোটি ডলার যোগ হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই রিজার্ভ এই অংক অতিক্রম করেনি।



আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বর্ধিত ঋণ সুবিধার (ইসিএফ- এক্সট্রেন্ড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি) দ্বিতীয় কিস্তির ১৪১ মিলিয়ন ডলার পাওয়া গেলে চলতি মাসেই রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান।



বুধবার ওয়াশিংটনে আইএমএফের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন পাওয়ার কথা বলে জানান তিনি।



ছাইদুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মূলত রেমিটেন্সের উপর ভর করেই রিজার্ভ এই সন্তোষজনক অবস্থায় পৌছেছে। এছাড়া আমদানি ব্যয় হ্রাস এবং প্রকল্প সাহায্য বেশি আসায় এক্ষেত্রে অবদান রেখেছে।”



তিনি জানান, বুধবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১৩ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার।



এদিকে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পড়ে যাচ্ছে ডলারের দর। শক্তিশালী হচ্ছে টাকা। রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনার পরও ডলারের দর কমছে।



বুধবার ৭৮ টাকা ৯০ পয়সা দরে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এক বছর আগে এই ডলারের দর ৮৫ টাকায় উঠেছিল।



এরপর থেকে টাকার বিপরীতে ডলারের দর কমছেই।



ছাইদুর রহমান জানান, টাকা-ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের আট মাসে (গত বছরের পহেলা জুলাই থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৩৫০ মিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।



ডলারের দর আর কমবে না জানিয়ে তিনি বলেন, “আমদানি ব্যয় বাড়তে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসে গত বছরের জানুয়ারির চেয়ে আমদানি খাতে ব্যয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বাড়ছে।আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির এ ধারা আগামীতে অব্যাহত থাকবে। ডলারের দর আর কমবে না। বাজার স্থিতিশীল থাকবে।”



জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ অতীতের সব রেকের্ড ভেঙ্গে ১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।



৭ জানুয়ারি রিজার্ভ ১৩ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে ওঠে।



এরপর নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ৫৯ কোটি ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ১২ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।



বিদেশি মুদ্রা আসার প্রবাহ ভাল থাকায় ১৭ দিনের মাথায় আবার তা ১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।



গত বছরের মতো চলতি বছরের শুরুতেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। জানুয়ারি মাসে ১৩২ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে। একক মাস হিসাবে যা দ্বিতীয় সের্বাচ্চ রেমিটেন্স। এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে ১৪৫ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছিল।



চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ দিনে (১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) এসেছে ৬৫ কোটি ডলার।



২০১২ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৪২০ কোটি ডলার। দেশের ইতিহাসে এক বছরে এই পরিমাণ রেমিটেন্স আগে কখনো আসেনি।



২০১০ সালের অগাস্টে একশ’ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে ভারত ও বাংলাদেশ। এই একশ’ কোটি ডলার ঋণের মধ্যে অনুদান হিসেবে দেয়া হয় ২০ কোটি ডলার।



অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, ভারতের অনুদানের এই অর্থ পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় করা হবে। অনুদানের প্রথম কিস্তির পাঁচ কোটি ডলার খুব কম সময়ের মধ্যেই পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।



দুই মাস পর পর আকুর দেনা পরিশোধ করতে হয়। সুত্র

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩১

একজন অপদার্থ বলেছেন: আরেকটু কম্নে একটা আইফোন, একটা মিউজিক ম্যান গীটার , মেসাবুগি আম্প এর আবাকাস প্যদেল বোর্ড কিনতে পারমু আশা করছি, তারপর দোয়া করমু যাতে দলারের দাম বাড়ে। B-)) B-)) B-))

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৪

বাকরুদ্ধ আমি বলেছেন: Lomba Baba

৮ লাখ টাকার লটারী

৩| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৭

িট.িমম বলেছেন: ডলারর দাম কমে আর আমাগো পিছনদিয়া বাঁশ ( ছোলা আইক্কাওয়ালা বাঁশ) যায়, আমি প্রবাসি আমার বেতন হয় ডলারে আগে যেই টাকা বেতন পেতাম (গত দুই মাস আগে) এখন ৪/৫ হাজার টাকা কম( বর্তমান রেইট (গত পরশু) কিন্তু আমাকে ফ্যামিলী খরচ প্রতিমাসেই বৃদ্ধি করিতে হয়। কারণ বাজারে কোন জিনিষেরই দাম কমেনি। বরং প্রতি সপ্তান্তে ২/৪টাক বৃদ্ধি। এইবার বুজেন আমরা কেমন বাঁশ খাইতেআছি। অথচ আমাদের মুল বেতন কমা শুরু হয়েগেছে কারণ আমরা বেতন পাই ডলারে।

৪| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৫১

ভিটামিন সি বলেছেন: ডলারের দাম কমলে আংগো পিছন দিয়া বাঁশ যায়। কারণ আংগো বেতন অয় ডলারে; আগে যে বেতন পাইতাম এহন তার চেয়ে ৪/৫ হাজার টাকা কম পাই। বাজারে জিনিস-পত্রের দাম প্রতিদিনই বাড়ে ২/৪ টাকা করে। ফ্যামিলির ব্যায় ভার আমাকে বহন করতে হয়। সেই তুলনায় আমার বেতন তো কোম্পানি বাড়ায় না বা বলে ডলারের দাম কমেছে, তোর ইনকাম কমেছে তাই এই মাসে তোরে ১০ ডলার বেশি দিলাম। ডলারের দাম কমলে গুয়া মারা আংগো আর লাভ শিল্পপতি গো। হেরা যন্ত্রপাতি, মেশিনারি, কাচামাল কম টাকায় আনতে পারে।

৫| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০০

একাকী সমুদ্রে বলেছেন: যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদের পিছন দিক দিয়া চিকন মুলি বাশ যায় ডলারের দাম কমলে :(( :(( :((

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.