নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রিদ্ওয়ান মাহমুদের ব্লগ

রিদ্ওয়ান মাহমুদ

নাম রিদওয়ান। পিউর আকীকা দেওয়া নাম। অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখি। খেতে পছন্দ করি। গানও ভালবাসি। একটু অলস,বেশি না। ইচ্ছা হলেই লিখি। পছন্দের তালিকাটা বিশাল। অপছন্দের তালিকাটা খুব ছোট। খামাকা ত্যানা প্যাচান যারা তাদের অপছন্দ করি। অপছন্দ করি যারা যুক্তির বাইরে এরোগেন্স বা ওদ্ধত্যকে প্রকাশ করেন। আমার ব্লগে আসতে হবে এমন কোন কথা নেই। তবে পিলাস মাইনাস দেওয়ার আগে পোষ্টটা পড়তে হবে, এটা দাবি।\nফি আমানিল্লাহ।

রিদ্ওয়ান মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এরিস্টোটলের বিপ্লব তত্ত্ব এবং বাংলাদেশ।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৭

এরিস্টোটলের বিপ্লব তত্ত্বটা চমৎকার। বলার কারণ আছে। এটা নিয়ে অনেক বড় বড় গবেষণাপত্র তৈরী হয়েছে। পক্ষে বিপক্ষে অনেক মত আছে। ‍কিন্তু যে সমস্ত কারণে বিপ্লব হয় বলে এরিস্টোটল মন্তব্য করেন সেগুলো অনেকাংশেই বাস্তব। অন্তত আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে।

বিপ্লব আর নৈরাজ্য বর্তমানে অনেকটাই সমার্থক হয়ে দাড়িয়েছে। একাডেমিক ক্যাচাল। নর্মালি এই ক্যাচালগুলো পরীক্ষার খাতায় মানায় বেশি। নাম্বার মিলে।

বিপ্লবের সাধারণ কারণ হিসেবে ধরা হয়, সামাজিক বৈষম্য। সম্পদের অসম বন্টন। আর একপক্ষের অফুরন্ত সম্পদ লাভ। একপক্ষ ক্ষমতা ব্যবহার করে কলাগাছ হয়, আরো স্পেসিফিক বললে কলাগাছের বাগান হয়। অন্যপক্ষ , যদিও সেটা জনতার বিশাল অংশ, ঘাম বিসর্জন দিতে দিতে রক্ত পানি করে। কিছুই পা্য় না।

দ্বিতীয়ত, হঠাৎ করে পথের লোকজন, বিশাল সম্মানের অধিকারী হয়ে উঠে। যেমন, একসময় যাকে জেলা আদালতগুলোতে মামলা আর মক্কেলের জন্য রোজ চক্কর কাটতে হতো, সে লোকের আইনমন্ত্রী হওয়া । এরকম হলে লোকটা ,আমি কি হনুরে বলে স্বৈরাচারী হবে, আর বঞ্চিত কিন্তু যোগ্য লোকজন ক্ষ্যাপা হয়ে যাবে।

তারপর আসে নিরাপত্তার ভীতি। লোকজন শান্তি চায়, সারাদিন কষ্ট করে রাতের শান্তির ঘুম চায়। যদি এটা দিতে না পারেন তাহলেও বিপ্লব অনিবার্য।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যখন-তখন পেট্রোলবোমার ভয়, অহেতুক মামলায় জড়ানোর চিন্তা আর অবশ্যই ক্রসফায়ারের শংকা। হলো কী?

জীবনের নিরাপত্তা নেই।

এরকম হলে লোকজন বিপ্লব করতে চাইবে, না পারলে নৈরাজ্য তো অবশ্যই।

নৈরাজ্যের কারণে প্রচলিত সরকারব্যবস্থা, আইনসভার প্রতি অনাস্থা এগুলো তৈরী হবে।

যেমন একজন ব্লগার মেরে ফেলা হলো। কারণ যাইহোক না কেন, যারা এটা করেছে তাদের উপরোক্ত তিনটা কারণের যেকোন একটা .অথবা সবগুলোই প্রভাবিত করবে।

পারিপ্বার্শিক অবস্থা মানসিক স্বাস্থ্যহানি করবে। আর এসব কারণে এরকম ঘটনা ঘটবেই।

তো এরকম নৈরাজ্য রোধ করতে হলে উপরোক্ত কারণগুলোর প্রতিকার জরুরী।

প্রতিকার না করে কখনই এরকম আচরণ প্রতিরোধ করা যাবে না।

মানুষ তো আর মেশিন না, হার্ডওয়্যার -সফটওয়্যার পরিবর্তন করে দিলেন আর বলে দিলেন যাও বাবা , এবার নাকে তেল দিয়ে ঘুমা। এটা কখনোই হবে না।

মানুষকে কন্ট্রোল করতে হলে আগে সামাজিক বৈষম্যের সমাধান করতে হবে। অন্যথায়, আমও যাবে ছালাও যাবে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১২:৩৬

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
সামাজিক বৈষম্যের সমাধান করতে হবে এর বিকল্প নাই। কখনোই ছিলো না। রিদ্ওয়ান আরও লিখুন ...

২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ১১:৩৬

রিদ্ওয়ান মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.