| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেশ নিয়ে খুব চিন্তায় মগ্ন থাকি। ভালবাসি আমার এই দেশটাকে।

বেশ অনেকদইন পর সিনেমা রিভিউ লিখতে বসলাম। আজকের সিনেমা ২০২৬ সালের মুভি Mutiny। কোল রিড একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও কমান্ডো। বর্তমানে তিনি বিলিয়নিয়ার শিপিং ব্যবসায়ী এবং কার্গো শিপিং কোম্পানি KMG-এর সিইও তিবু ক্যাম্পালোর দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। এক রাতে ব্যাংককে তিবুর বাসভবনে তার সঙ্গে দাবা খেলার পর রিড ও তিবু গাড়িতে করে বের হন। পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। রিড হামলাকারীদের হত্যা করতে সক্ষম হলেও তিবু মারা যান। মৃত্যুর আগে তিবু তার ছেলে ক্যামেরনের দেখাশোনার দায়িত্ব রিডের হাতে তুলে দেন। কিন্তু এরপর রিডকেই তিবুর হত্যার জন্য ফাঁসানো হয়।
রিড জানতে পারে, তিবুর হত্যাকারীরা Artemis নামের একটি কার্গো জাহাজে উঠতে যাচ্ছে। তাই সে মৃত এক হত্যাকারীর পরিচয় গ্রহণ করে সেই জাহাজে উঠে পড়ে। সেখানে KMG-এর আরেক কর্মী অ্যাঞ্জির সঙ্গে তার দেখা হয়। অ্যাঞ্জিকে ওই জাহাজে ডাকা হয়েছিল সেই হত্যাকারীর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে, যার পরিচয় রিড গ্রহণ করেছিল।
রিড ও অ্যাঞ্জি জাহাজে একটি মানবপাচার চক্রের সন্ধান পায়। রিড বন্দিদের মুক্ত করে দেয়। বন্দিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় এক ক্রু সদস্য রিডের ওপর হামলা করলে রিড তাকে হত্যা করে। পরে তারা জানতে পারে, জাহাজের অধিকাংশ ক্রুই এই মানবপাচার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
অ্যাঞ্জি জাহাজ থেকে একটি বিপদসংকেত পাঠায়। সংকেতটি মার্কিন নৌবাহিনীর USS Hazard Perry জাহাজের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু এর পরপরই অ্যাঞ্জির কাঁধে গুলি লাগে এবং তাকে আটক করা হয়। ফলে মুক্ত করা বন্দিদের আবারও ধরে ফেলা হয়।
রিড বুঝতে পারে, জাহাজের ক্যাপ্টেন মার্কো ম্যাডসেন আসলে জারান ড্যানিলেসের নির্দেশে কাজ করছে। তিবুর হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল ড্যানিলেস। সে তিবুকে হত্যা করিয়েছিল KMG কোম্পানির বিক্রি বিলম্বিত করার জন্য এবং তিবুর ছেলে ক্যামেরনকে দিয়ে কোম্পানিটি তাদের কাছে বিক্রি করানোর উদ্দেশ্যে।
রিড জাহাজের অধিকাংশ ক্রুকে হত্যা করার পর ক্যাপ্টেন মার্কোর সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত হারপুন গান দিয়ে মার্কোকে গুলি করে হত্যা করে রিড।
এরপর USS Hazard Perry জাহাজটির অবস্থানে পৌঁছে যায় এবং রিডকে ঘিরে ফেলে। তারা বিশ্বাস করে, তিবুর মৃত্যুর জন্য রিডই দায়ী। কিন্তু অ্যাঞ্জি তাদের থামিয়ে দেয়। সে মিথ্যা বলে যে রিড জাহাজেই মারা গেছে এবং তার মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
অ্যাঞ্জি তার পরিবারের কাছে ফিরে যায়। অন্যদিকে, রিডকে মৃত ঘোষণা করা হওয়ায় সে আর পুলিশের চোখে পলাতক নয়। তাই একটি মোটরবোটে করে সে থাইল্যান্ডে ফিরে যায়—তার একমাত্র উদ্দেশ্য জারান ড্যানিলেসকে খুঁজে বের করে হত্যা করা।
তিবুর শেষকৃত্যের সময় রিড ক্যামেরনের মুখোমুখি হয়। ক্যামেরন জানায়, ড্যানিলেস এবং মানবপাচারকারীরা তাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছিল এবং KMG কোম্পানিটি তাদের কাছে বিক্রি করার জন্য তার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল।
রিড ক্যামেরনকে তিরস্কার করে। সে বলে, ক্যামেরনের উচিত ছিল নিজের সমস্যার কথা তাকে জানানো। রিড আরও বলে যে, এখন ক্যামেরনকে সারাজীবন এই সত্য জেনে বেঁচে থাকতে হবে যে তার অসতর্কতার কারণেই তার বাবার মৃত্যু হয়েছে।
এরপর রিড ড্যানিলেসকে খুঁজতে বেরিয়ে যায়।
অবশেষে রিড ড্যানিলেসকে একটি গাড়ির ভেতর দেখতে পায়। সে গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটায়, চালককে হত্যা করে এবং ড্যানিলেসকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
ড্যানিলেস স্বীকার করে যে তিবুর মৃত্যুর পর KMG কোম্পানির মালিকানা ক্যামেরনের হাতে চলে যায়। তার পরিকল্পনা ছিল ক্যামেরনকে দিয়ে KMG কোম্পানিটি নিজের কাছে বিক্রি করানো। এর মাধ্যমে সে কোম্পানির বিপুল সম্পদ ও সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল।
ড্যানিলেস নিজের জীবন বাঁচানোর বিনিময়ে রিডকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু রিড তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এবং ড্যানিলেসকে হত্যা করে।
ড্যানিলেসকে হত্যা করার পর রিড জানিয়ে দেয়, সে অর্থ বা ক্ষমতার জন্য এসব করেনি। সে যা চেয়েছিল, তা হলো “প্রতিশোধ”।
এই কথা বলেই রিড সেখান থেকে চলে যায়। আমি এই সিনেমাকে ৭.৫/১০ দেব। 
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২০
রিনকু১৯৭৭ বলেছেন: ঠিক বলেছেন। জেসন এর চেয়ে ভালো সিনেমা করেছে।
২|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০১
রাজীব নুর বলেছেন: জানলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১
শাহরিয়ার রোমান বলেছেন: Average kono hero ki diye koranor moto movie legeche, Jason er movie aro bhalo expect korechilam. ami 5.5 dibo.