| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
http://www.facebook.com/syd.riyad
জাপান মহাকাশের জন্য কথা বলতে পারে এমন একটি ছোট রোবট তৈরি করেছে । কিরোবো (Kirobo) নামের এই রোবট নভোচারী মানুষের সাথে মহাকাশ ও পৃথিবীতে কথা বলতে পারবে । এই রোবট আগামী ৪ আগস্ট পাঠানো হবে আইএসএস-এ । কিবো রোবট প্রোজেক্টের তৈরি করা এই রোবট প্রথমবারের মতো মানুষের সাথে কথোপকথনে মহাকাশে কাজ করবে । কিরোবো প্রজেক্ট ম্যানেজার নিশজিমা জানিয়েছে রাশিয়া প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলো , ইউএস প্রথম চাঁদে গিয়েছিলো আর জাপান প্রথম রোবট মহাকাশচারী পাঠাবে যেটি কথা বলতে ও যোগাযোগ করতে পারবে মানুষের সাথে।
জিরো গ্র্যাভিটিতে পরীক্ষা করা হচ্চে রোবটকে ।।
কিরোবোর নামকরণ করা হয় জাপানী ভাষা কিবো যার অর্থ আশা বা Hope এবং Robot শব্দের সমন্বয়ে । স্পেস স্টেশনে জাপানের মডিউলকে কিবো ল্যাবরেটরি বলা হয় যার নাম ও Hope শব্দ থেকে আশা ।
ভয়েস রিকগনেশান প্রযুক্তি ও ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোসেসিং , ফেস ডিটেকশন , ভিডিও রেকর্ডিং এর জন্য রয়েছে ক্যামেরা এবং ইমোশান রিকগনেশান প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়েছে যা জাপানিজ ভাষায় কথা বলতে সক্ষম । স্পেসে উড়তে সক্ষম এই রোবটের আকার লম্বায় ১৩ দশমিক ৪ ইঞ্চি , প্রস্থে ৭ ইঞ্চি ও ৬ ইঞ্চি পুরু । এবং এটি পাঠানোর পূর্বে সফল ভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে । আগস্ট বা সেপ্টেম্বরে পাঠানো হলেও এই বছরের ডিসেম্বরে আইএসএস-এ পৌঁছাবে এই রোবট এবং এই রোবটের সাথে প্রথম কথা বলবেন জাপানি মহাকাশ বিজ্ঞানী ওয়াকাটা । আগামী বছরের ডিসেম্বরে কিরোবো মিশন শেষে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে ।
মিশন শেষে আগামী বছরের ডিসেম্বরে ফিরে আসবে রোবট।।
প্রোজেক্টের বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদেরা দ্বিতীয় কথা বলতে পারা রোবট তৈরি করছেন যার নাম মিরাটা যেটি পৃথিবীতেই থাকবে ।মহাকাশের কার্গো স্পেসক্রাপ্ট এইচ-২ ট্র্যান্সফার ভেহিকল-ফোর দক্ষিণ জাপানের তানেগশিমা স্পেস সেন্টার থেকে কিরোবোকে নিয়ে যাবে। এই রোবট প্রজেক্টে ছিলো ইউনিভার্সিটি অব টোকিও এর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি রিসার্চ সেন্টার , টয়োটা মোটর কর্পোরেশন , রবো গ্যারেজ পিআর কোম্পানি ও ডেন্টসু কর্পোরেশন । ইউনিভার্সিটি অব টোকিও এবং রবো কাজ করেছে হার্ডওয়্যার এবং মোশনের কাজ । টয়োটা ভয়েস রিকগনেশানের কাজ করেছে ও ডেন্টসু করে কনভারসেশনের কাজ করেছে সেই সাথে পুরো প্রজেক্টের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলো। কিরোবো রোবটে ব্যাবহার করা হয়েছে RISC ( reduced instruction set computing) এর PIC16F88 CPU এর সাথে ফ্ল্যাশ মেমোরি । এটি চারটি AA ব্যাটারি দিয়ে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে সক্ষম । ব্যাটারি ছাড়া এর ওজন ২২৬.৮০ গ্রাম ।
I.C: KRP ।
মহাকাশ নিয়ে আরো কিছু লিখা পড়তে ক্লিক করুন ।
২৮ শে জুন, ২০১৩ রাত ৮:৫৭
সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: হুম তাই আশা করছি । ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।
২|
২৮ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:০৪
ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: এই ব্যাপারে জানা ছিল না।
অনেক ধন্যবাদ।
পোস্টে ++++++++
২৯ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:১৫
সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: আপনাকেও থ্যাঙ্কস ![]()
৩|
২৮ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:৫৬
রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: +++++++++++ ভালো লাগলো।
৩০ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৮
সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: ধন্যবাদ ।
৪|
২৯ শে জুন, ২০১৩ রাত ১২:৫৬
কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
দারুন পোস্ট ++++++
৩০ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:৪০
সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: থ্যাঙ্কস ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জুন, ২০১৩ রাত ৮:৩০
যোগী বলেছেন:
এটা নিয়ে আজ আমিই একটা পোষ্ট দিতে চেয়েছিলাম। এই টাইপের হিউম্যনয়েড রোবটের সামান্য একটু ইন্টেলিঞ্জেন্সি নিয়ে কয়েক বছর কাজ করেছিলাম।
জাপানিজরা অনেক বছরধরে এটা নিয়ে কাজ করছে সাফল্যও অনেকটা পেয়েছে। তবে ডমেস্টিক লাইফে এ্যাপলিকেশানে যেতে আরও অন্তত পনেরো থেকে বিশ বছর লাগবে। সার্ভিস রোবোট নিয়ে ভাল এগিয়েছে হিটাচি। তারা আশা করছে তাদের রোবোট ২০১৫ সালের মধ্যে কারো সাহায্য না নিয়ে টোকিওর ব্যাস্ত রাস্তায় একা একাই ঘুরে বেড়াতে পারবে।