নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

بسم الله الرحمن الرحيم

বংশী নদীর পাড়ে

আমি একজন সাদা মনের মানুষ। বন্ধু বলে ডাকলে আমি এগিয়ে যাই। গান আমার আত্মার খোড়াক। বেড়াতে আমি পছন্দ করি।

বংশী নদীর পাড়ে › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি.... (ফটোব্লগ)

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৭

বাংলার মুখ



-জীবনান্দ দাস



বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ

খুঁজিতে যাই না আর : অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে

চেয়ে দেখি ছাতার মতো ব্ড় পাতাটির নিচে বসে আছে

ভোরের দয়েলপাখি - চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ

জাম-বট-কাঁঠালের-হিজলের-অশথের করে আছে চুপ;

ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে;

মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাঁদ চম্পার কাছে

এমনই হিজল-বট-তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ



দেখেছিল; বেহুলাও একদিন গাঙুড়ের জলে ভেলা নিয়ে -

কৃষ্ণা-দ্বাদশীর জোৎস্না যখন মরিয়া গেছে নদীর চড়ায় -

সোনালি ধানের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ বট দেখেছিল, হায়,

শ্যামার নরম গান শুনেছিল - একদিন অমরায় গিয়ে

ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিল ইন্দ্রের সভায়

বাংলার নদ-নদী-ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিল পায়।





সাদা কাঁশ ফুল।





নীল আকাশের নিচে দুটি বৃক্ষ, যেনো নিবিড় আলিঙ্গন।





ছবির মতো আঁকা বাংলার সবুজ বৃক্ষ







তালগাছ একপায়ে দাড়িয়ে।





সবুজ গাছের আড়ালে দিয়ে সূর্যাস্ত





হিজল ফুল দোলে মেঘের মতো আঁকা-বাঁকা





দূর গ্রামে সন্ধ্যার আঁধার





বর্ষার পানিতে শেওলা পাশে কলা বাগান





মাছের খাড়ি (ঝুড়ি)





বর্ষাকালে পালের নাও





জেলেরা মাছধরার জন্য নদীতে গাছের ডালপালা ফেলছে।





মোষের গাড়ি





মাছ ধরার একটি দৃশ্য।





জীবনান্দ দাস-

জন্ম ১৭ ফেব্রুয়ারী ১৮৯৯, মৃত্যু ২২ অক্টোবর ১৯৫৪। পিতা সত্যানন্দ এবং মাতা কবি কুসুমকুমারী। কবি এতই অন্যমনস্ক থাকতো যে কলকাতার এক মন্থরগতি ট্রামের ধাক্কায় আহত হয়ে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।





কবিতা ও তথ্য সংগৃহিত লিংক:

Click This Link



মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৬/-১

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১

রাজসোহান বলেছেন: পুত্তুম পিলাচ
এইবার দেখি

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫২

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: পুত্তুম থ্যাঙ্কু...

২| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১

কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর

অন্নেক সুন্দর

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: আমি যেখানেই থাকিনা কেনো আমার মন পড়ে থাকে বাংলার কাদা-জলে। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২

রাজসোহান বলেছেন: দারুন কালেকশান+++++++++++

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৬

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: ছবিগুলো নিজের হাতে তোলা...

৪| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩০

সায়েম মুন বলেছেন: খুব সুন্দর!

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন:
এমনই হিজল-বট-তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ

৫| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭

হেলথ ভিশন ০০৭ বলেছেন: আপনার ফটোব্লগটি ভালো লাগলো।কয়েকটি ছবি তো খুবই সুন্দর।তবে বাংলার এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মনে হয় দশ বছর পরে খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য হবে।আপনি কি জানেন ধানসিঁড়ি নামে সত্যি একটি নদী আছে?

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: সবারই শঙ্কা তাই যেভাবে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন গড়ে ওঠছে তাতে বাংলার ঐতিহ্য হারাবে অচিরেই। জানি ধানসিঁড়ি একটি নদীর নাম যেমনি বংশী আমার প্রিয় নদী।

৬| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩

রাজসোহান বলেছেন: এখন তো আরও ভালো হইছে

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: ধন্যবাদ

৭| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

খোশনবীশ বলেছেন: বৃক্ষ যুগল সত্যিই অসাধারণ। দেখে মনে হচ্ছে একটি নবীন, অন্যটি প্রবীন। দুই প্রজন্মের সহাবস্থান। বাংলার কোন প্রান্তে আছে?

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১১

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: নবীন-প্রবীনের সহমিলন আমি শেষবার দেখেছিলাম ২০০৬ জুন এ। ঢাকার অদূরে সাভার-বাজার সংলগ্ন বংশী নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত রুপনগর গ্রাম, এই গ্রামের পশ্চিমে বিশাল ফসলের মাঠ। ওই মাঠেই দেখেছিলাম বৃক্ষযোগলকে। দুঃখের বিষয় ওই দৃশ্যটি বর্তমানে আজ আর নেই। তাদেরকে কেটে ফেলা হয়েছে নিষ্ঠুর ভাবে।

৮| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

নীল ভোমরা বলেছেন: মন্দ না!

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৩

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন:
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর....

৯| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

শিরীষ বলেছেন: অদ্ভুত! অপূর্ব!!





ছবি আর কবিতা - ছবিকবিতা।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৭

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন:
আমি দুই নয়নে দেখেছি
বাংলার রূপ, অপরূপ
নই আমি শিল্পী
তাই পারিনি আঁকিয়ে দেখাতে
সামান্য প্রয়াশ ছিল
ক্যামেরার ক্লিকে ক্লিকে....

ধন্যবাদ বন্ধু....

১০| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮

রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: কাশফুল- প্রিয়।

পুরানো গাছ, নিজে নিজে বেড়ে ওঠা, মোচড়ানো শরীর- প্রিয়। পুরাতন বাড়ীতে বেশী দেখা যায়।

তালগাছ- আমি সব গাছ বাইতে পারি শুধু সুপারী ছাড়া। সুপারীও বাইতে পারি কিন্তু অনেক পরিশ্রম হয়, আমি আবার একটু হালকা পাতলা তো ;) আমার বাবা উলটা নারিকেল গাছ বাইতে পারতেন।

সবুজ গাছের আড়ালে দিয়ে সূর্যাস্ত- মেহগনী মনে হইতাছে। আমাদের দুইটা মেহগনী ছিল জোড়া লাগানি, পুরুষ আর মহিলা। তাদের সন্তানও ছিল। কেমনে কি কিছুই বুঝি নাই তখন। ঝড়ে পইড়া যায়। পরে দড়ি দিয়া টানা দিয়া অনেকটা খাড়া করছিলাম কিন্তু তেমন লাভ হয় নাই। মেহগনীর বিচি নাকি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ভাল।

হিজলের ছবিডা জংলা লাগতাছে। সন্ধ্যা নামলে গ্রামে জঙ্গলে পোকারা ডেকে ওঠে। ক্যা ক্যা ক্যা ক্যা। এখন আর শব্দ শোনা যায় না। প্রকৃতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কলাগাছ- কলার মোচা দিয়া ইলিশের মাথা রান্না একটা জঘন্য তরকারী।

মাছের খাড়িতে যহন বিচিত্র জাতের ছোট মাছ কিলবিল করে তখন আমি সেখানে একটা শিং বা সরপুটি খুজি, একটা বড় মাছ খুজি।

বিলের জোকে ধরলে কিন্তু খবর আছে। আর মহিষা জোকে ধরলে ছাড়ন নাই। ভাই জোক নিয়া যে কত কাহিনী!

মাছ ধরার চাঙ্গিতে বহুত বিকাল পার করছি বইসা বইসা। গতিশীল পানির দিকে এক দৃষ্টিতে তাকাইয়া থাকতাম। একসময় মনে হইত চাঙ্গিটাই গতিশীল।

অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৩

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: আমি নিজেও যা লিখতে পারিনি আপনি তা লিখে পোস্টটিকে আরো বেশি অলংকৃত করেছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই প্রাণ ভরে।

বাংলার আনাচে কানাচে আরো সুন্দর সুন্দর দৃশ্য অপেক্ষমান কিন্তু তারা আজ মরন বাঁচনের গান গাইছে। তারা শুধু বলে---

আমরা একটু বাঁচতে চাই
আমরা একটু আশ্রয় চাই
আমাদেরকে মেরনা
আমরাও থাকতে চাই
তোমাদের বন্ধু হয়ে....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.