| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চোখ কান খোলা রেখে শুধুই আফসোস করি
রাজধানীর লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং গুলিতে আহত প্রকাশক ও লেখক আহমেদুর রশীদ টুটুল, রণদীপম বসু এবং তারেক রহিম।এর পরপরই সাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটে নিজ কার্যালয়ে জাগৃতির প্রকাশক-লেখক ও কর্ণধার ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে একদল যুবক।এ নিয়ে ছয় জন ব্লগারকে হত্যা করা হলো।
একের পর এক হত্যা হচ্ছে ব্লগার।ধর্মের নামে উগ্রতাকে কেউ পছন্দ করেন না, অকপটে সবার-ই একথা স্বীকার করতেই হবে।আর এই কথাগুলো বলতে গিয়েই হত্যা হচ্ছে ব্লগার।
কেমন হয় ব্লগার হত্যাকারীরাঃ ব্লগার অভিজিৎ রায়কে হত্যার পর হত্যা করা হয়েছিল আরেক ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবুকে। হত্যাকারীদের তিনজনকে ধরেও ফেলা হয়েছিল এবং ধৃত দুজনই ছিল দুটি মাদ্রাসার ছাত্র। একজন চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার, অন্যজন মিরপুরের দারুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, মাদ্রাসাগুলোতে কি এখন এসবেরই শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে?
অতীতের কিছু ঘটনাঃ এর আগে হাটহাজারীর একটি মাদ্রাসায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল এবং জঙ্গিদের একটি বড় দলকে সেখান থেকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।
এইসব মাদ্রাসা সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি সজাগ থাকে, তাহলে হয়তো ব্লগার হত্যাকারী জঙ্গিদের আটকানো যেত।
জনগণের প্রশ্নঃ আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়েনি তো? দেশে যদি আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদারই থাকে, তাহলে অপশক্তি কিভাবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠছে?
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:১৩
সজীব বিশ্বাস বকুল বলেছেন: হত্যার এই উৎসবে থামবে যখন রাষ্টযন্ত্র মদদ না দেবে।সব খুনের বিচার হবে