| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুদ্রাক্ষী
আমি কখনো যায়নি জলে,কখনো ভাসিনি নীলে,কখনো রাখিনি চোখ ডানা মেলা গাঙচিল.........
হজ্ব ইসলামের অন্যতম ফরয রুকন।ইসলামে ধনীদের প্রতি হজ্ব ফরয করা হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায় আমাদের বাবা-মা দাদা-দাদী বা নানা-নানী রা হজ্বে যান।কিন্তু পারতপক্ষে আরো অল্প বয়সে হজ্ব করা উচিৎ।হজ্ব যেমন কস্টের কাজ তেমনি এর সওয়াবও অসীম বলা হয় এক কবুল হজ্বের বিনিময় জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয় .............আর হজ্বের নিয়তে হজ্ব সম্পাদন করলে হজ্ব কবুল হয়েছে এটা ভেবে নিতে হবে।হজ্ব ফেরৎ মানুষ এতটাই পবিত্র যেন এখনি ভুমিষ্ট হয়েছে।
হজ্বের ব্যাপারে আসলে যত বিধিনিষেধ আছে তার মধ্যে একটি অন্যতম বিশ্বাস হলো যে বিয়ে না করে হজ্ব করলে পূর্ন সওয়াব পাওয়া যায়না ও মেয়ে বিয়ে না দিয়ে হজ্বে গেলে হজ্ব কবুল হয়না আসলে এ দুটোরই কোন ভিত্তি নেই........একেবারেই নাই। আপনার কাছে যদি সে পরিমান অর্থ থাকে যে আপনি হজ্বে যেতে পারবেন এবং সে সময় আপনার পরিবার আপনার অনুপস্হিতিতে ব্যায়ভার বহন করতে পারবে তবে আপনার উপর হজ্ব ফরয।আর হজ্ব করতে হবে হালাল অর্থে........এদুটি ছাড়া হজ্বের আর কোন শক্ত শর্ত নেই।তবে মহিলাডের সাথে মাহরাম থাকে আবশ্যক। গতবার আমাদের সাথে বেশ কিছু মহিলা হজ্বে এসেছিলেন মোয়াল্লেম কে মাহরাম করে আসলে এটা ঠিক না মহিলাদের মাহরাম তারাই হতে পারবেন যাদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ।
আবার আসি সেসব বিষয় যা আসলে কোন বইতে পাবেন না কিন্তু চলার পথে বার বার এসবের সম্মুখীন হবেন ............সে সবের সমাধান
দেশে যে যে বিষয়ে খেয়াল রাখবেন-
১। পাসপোর্ট ও এয়ার টিকিট একটি পলিথিন প্যাকেটে পেচিয়ে রাখুন। বার বার বের করার জন্য নেতিয়ে পরবে না ।
২।রিয়ালের সাথে কিছু ডলারও নিয়ে যান। তাহলে পরে ভাঙিয়ে সুবিধা মত খরচ করতে পারবেন।
৩।রিয়ালের ছোট নোট মানে ৫ টাকা ১০ টাকা ও এক টাকা বেশী করে নিবেন। নামাজ পড়তে যাবার সময় দান করার জন্য ১ রিয়াল নিয়ে যাবেন এবং খাবার বা কাপড় কেনার জন্য ৫-২০ রিয়ালই যথেস্ট।৫ রিয়ালে ঘড়ি,স্কার্ফ,মাথার ওড়না,টেবিল ক্লথ,ছাতা,আতর ইত্যাদি পাবেন খাবারের মধ্যে রুটি ,দই,পাউরুটি জুস ৫ রিয়ালে পাবেন।১০-২০ রিয়ালে ভালো কোরানশরীফ ,তজবী,স্যান্ডেল ,জোব্বা পাবেন। মক্কায় হারাম শরীফে যাবার পথে রাস্তার পাশে এসব পেয়ে যাবেন।
৪। কিছু শুকনো খাবার যেমন বিস্কুট ,চানাচুর নিয়ে যাবেন মক্কায় এসব নেই ,বিস্কুট কিছু দোকানে পাওয়া যায় কিন্তু দাম বেশী।
৫।অবশ্যই আচার ও মরিচ নিয়ে যাবেন একই রকম খাবের খেতে খেতে যখন বিরক্ত হয়ে যাবেন তখন ভালো লাগবে।চাটনীর প্যাকেট গুলোও নিয়ে যেতে পারেন।
৬।চা বানানোর সরন্জাম নিয়ে যাবেন যেমন ইলেকট্রিক কেতলি,টি ব্যাগ চিনি ও দুধ। তাছেড়া গরম পানি রাখার ফ্লাস্ক নিয়ে যাবেন ,কারন মক্কায় যেয়ে কাশি হয় আর যাদের শ্বাস কস্ট আছে তাদের ভীষন কস্ট হয় ।মক্কায় সাপ্লাইয়ের পানি কনকনে ঠান্ডা সবাই গরমে অতিস্ট হয়ে এই ঠান্ডা পানি খেয়ে আরও বেশী ঠান্ডা বাধায়। তাই একটু গরম পানি আপনার শরীর সুস্হ রাখবে।
৭।আমাদের দেশের হাজী দের সোনালী ব্যাংক একটা বুকে বাধার ব্যাগ দেয় এই ব্যাগটা অনেক কার্যকারী।টাকা ,ডলার বা রিয়াল প্যাকেটে করে এই ব্যাগে রেখে বুকে বেধে রাখবেন।সবসময় তাতে হারানোর ভয় থাকবেনা ।কখনো ব্যাগে বা হোটেলে টাকা রেখে যাবেন না ।
৮।তোয়াফ বা সায়ী করার জন্য ৭ দানার তজবী পাওয়া যায় ,হয় কিনে নিবেন নাহয় বানিয়ে নিবেনকাজে লাগবে।
৯।কাধে ঝোলানোর জন্য কাপড়ের ব্যাগ বানিয়ে নিবেন,মসজিদে যাবার সময় এতে পানির বোতল,পলিথিন ব্যাগ নিয়ে যাবেন ।মসজিদ চত্বরে ঢুকে স্যান্ডেল খুলে পলিথিন ব্যাগে মুড়ে সেই ঝোলানো ব্যাগে রাখবেন।
১০।কোরান শরীফ নিয়ে যাবার দরকার নেই হারাম শরীফে অনেক অনেক প্রকারের কোরান শরীফ আছে।তবে জায়নামাজ অবশ্যই নিয়ে যাবেন।
১১।আমাদের দএশের যে বাটার স্পন্জের স্যান্ডেল আছে না সেগুলি নিবেন এক জোড়া করে ।বেশী নেবার দরকার নেই যেভাবে বললাম সেভাবে রাখলে হারানোর ভয় নেই।
১২।যাবার আগে নিজস্ব ওষুধ দেখেনিন।কিছু ঠান্ডার ওষুধ যেমন ফেক্সোফেনাডিন বা ডেসলোরাটাডিন,কিছু এন্টিবায়োটিক যেমন এজিথ্রোমাইসিন এবং এমোক্সাসিলিন নিয়ে যাবেন।কফ সিরাপ,নেসাল ড্রপ নিয়ে যাবেন।তুলা গজ ডেটল বা পভিসেপ,ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ ,মাইক্রোপোর নিয়ে যাবেন।ডায়াবেটিস ও প্রেশারের ওষুধ হিসাব করে নিয়ে নিবেন ,এজমার রোগীরা অবশ্যই ইনহেলার নিবেন কখনই যেন ভুল না হ্য়।ওখানে ওষুধের দাম আকাশচুম্বী।
১৩।সুই সুতা, নেল কাটার, ছোট কাচি ,রেজার নিয়ে যাবেন।বার বার ওমরা করলে বারবার নাপিতের কাছে যাবার দরকার নেই রেজার দিয়ে মাথা কামিয়ে নিবেন।
১৪।প্লাস্টিকের প্লেট ,মগ,ছোট বাটি নিয়ে যাবেন কাচের নিবেন না ভারী হবে তাছাড়া ভেন্গেও যাতে পারে।
১৫।অনেকবইয়ে অনেক দোয়া দুরুদ পাবেন অনেক জায়গায় ছড়ানো ছিটানো ...আমি নিজে কি করেছিলাম তাই বলি বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন দোয়া একত্রে ফটোকপি করে একটা খাতার মতো বানিয়ে নিয়েছিলাম ।আপনিও সেটা করতে পারেন সুবিধা হবে।
১৬।নামাজ ছাড়া অন্য কোথাও গেলে পিটি সু নিয়ে যাওয়া ভালো কারন অনেক পথ হাটার জন্য এ জুতো গুলো উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীরা অবশ্যই পাতলা কাপড়ের স্যু নিবেন এবং হেটে আসার পর পা ভালো করে হাল্কা সুসুম গরম পানিতে দশ মিনিট ভিজিয়ে রাখবেন
১৭।দেশথেকে যাবার আগে দুই ধরনের টিকা দেয়া হয় অবশ্যই টিকা নিয়ে নিবেন একটি মেনিনজাইটিসের অপরটি ইনফ্লুয়েন্জার ।হাজী ক্যাম্প,ঢাকা মেডিকেল,সোহরাওয়ারদী মেডিকেলে বিনামূল্যে দেয়া হয়।এই টিকা যত আগে নেয়া যায় ততই ভালো কারন টিকা নেয়ার পর একটু জ্বর হবে তা দেশেই হয়ে যাওয়া ভালো
১৮। এক প্যাকেট ওয়ান টাইম গ্লাভস নিয়ে যাবেন
১৯।তায়াম্মুমের জন্য মাটি নিতে হবে। আবার মাটি টা এমন ব্যাগে রাখবেন যেটা বিমানে আপনার হাতে থাকবে।
এবার আসুন মক্কায় কি কি খেয়াল রাখবেন-
১।বাসা থেকে গোসল করে ইহরামের নিয়তে ইহরাম পরে দুই রাকআত নামাজ পরে নিবেন ইহরামের উপরে বেল্ট পরে নিবেন।এহরাম পড়া অবস্হায় নিষিদ্ধ কাজ গুলো মনে গেথে নিবেন ।গা মোছা,পুরুষের মাথায় কাপড় দেয়া ,চুলকানো ,মাথা আচড়ানো ,সুগন্ধি ব্যাবহার,সাবান ব্যাবহার ঝগড়া ঝাটি সবই ইহরাম অবস্হায় নিষিদ্ধ।ইহরাম পড়ার নিয়ম- http://youtu.be/2zSO70ZgE5o
২।মক্কায় যেয়ে হোটেল রুমে বা বাসায় যেখানেই থাকেন না কেন ,প্রথমেই ফ্রেশ হয়ে মোয়াল্লেমের বলা সময়ে হারাম শরীফে যাবেন । আশে পাশের জিনিস খেয়াল রাখবেন,কারন মক্কায় হারানোর সম্ভাবনা নেই ।বড় কোন হোটেল যেমন হিলটন বা মেরিডিয়ান বা কোন রাস্তার উপরে চিহ্ন খেয়াল রাখুন ।ভুলেও মক্কা তাওয়ার বা মক্কার ঘড়ি দিক নির্দেশনার জন্য রাখবেন না কারন সেটা সব জায়গা থেকে একই রকম দেখায়।
৩।হারিয়ে গেলে বিচলিত না হয়ে নিজের কাজ সারতে থাকুন তওয়াফ বা সায়ী .. আর সন্গীদের আগে থেকেই বলে রাখুন .।হারিয়ে গেলে হারাম শরীফের সবুজ বাতির সামনের সিড়িতে থাকবেন ,সেখানে পেতে সহজ হবে।
৪।যাবার আগেই সিম পেয়ে যাবেন ওখানে গেলে ১০ রিয়াল ভরে নিবেন ও নিজেদের মানে পরিবারের নম্বর কাছে রাখবেন।হঠাৎ মসজিদে পথ হারিয়ে গেলে মসজিদের ঝারুদার বা কোরানশরীফের রাখওয়ালাদের জিগেস করুন তাদের বেশীর ভাগই বাঙালী।
৫।মসজিদে এতেকাফের নিয়তে ঢুকবেন অযথা কথা বলবেন না । বেশী বেশী ইস্তগফার দোয়া দুরুদ পড়ুন।
৬।তওয়াফ মাতাবে করবেন ।দোতালা তিনতলায় যাবার দরকার নেই। একটো খালি পাবেন সকালে ৯-১০টা ও এশার নামাজের পরে।এই মাতাবে অনেক সাহাবীদের কবর আছে সে কথা খেয়াল রাখবেন আল্লাহর প্রতি একাগ্রচিত্তে তোয়াফ করবেন ।অযথা কথা বলবেন না ।
৭।হাজরে আসওয়াদ পেলে চুম্বন করবেন। না পেলে এমন ঠেলাঠেলি করবেন না যাতে আহত হবার সুযোগ থাকে কারন এটা আবশ্যক কিছু নয়।
৮।হাতীমের মধ্যে নামাজ পড়ার চেস্টা করবেন।(এশায় ও সকালে খোলা থাকে)।
৯।ওয়াক্তের নামাজের জন্য মসজিদের দোতালায় উঠে যাবেন ভীড় কম পাবেন ।সাথে মহিলা থাকলে আব্দুল আজিজ গেট থেকে ২ তলায় উঠে হাতের বামে যেয়ে উমরা গেটের কাছে যাবেন ।সেখানে অনেক প্রশস্ত জায়গা পাবেন
কাবা শরীফে র মধ্যে কিন্তু বেশ কিছু ইমারজেন্সী মেডিকেল সেন্টার আছে ।প্রত্যেক টি গেট থেকে ঢুকে দোতালায় হাতের বায়ে দরকার হলে যেতে পারেন।
আরেকটা হলো- প্রতি নামাজের পর সেখানে বেশ কটি জানাজার নামাজ হয় তাই ফরয পড়ার পর । একটু দেরী করতে হবে । জানাজার নামাজ পরে বাকী সুন্নত পড়বেন।
১০।হারাম শরীফে আসার সময় কিছু দান করবেন। আবার দেখবেন অনেকেই জুস ,রুটি বই ফল বিলাচ্ছে........ নিয়ে নিবেন।জুম্মার দিনে দুপুরের খাবারও বিলি করে।
১১।মক্কায় কোরান শরীফের দাম বেশী,পারলে মদিনা থেকে কিনবেন ।বাকী জিনিস যেমন তজবী,জায়নামাজ মক্কা থাকে কিনতে পারেন।
১২।সাফা মারওয়ার পিছনে হুজুর (সাঃ) বাড়ীর সামনে দিয়ে যেয়ে বাস স্ট্যান্ড পাওয়া যায় সেখান থেকে ১০ রিয়ালে আয়েশা মসজিদে যাওয়া যায় যেখানে যেয়ে বার বার ওমরার জন্য ইহরাম বাধতে পারবেন।
১৩।হজ্বের আগে ২-৩ দিন নামাজ ছাড়া অযথা গোরাফিরা করবেন না ।কারন হজ্বের ৫ দিন খুবই পরিশ্রম যাবে ।নিজেকে প্রস্তুত রাখুন।
মিনা মুজদালেফা জামারা আরাফাত ও মদিনার টিপস পরবর্তী পোস্টে।
২য় পর্ব
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৪
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আসলে এসব কথা অনেকেই বলেনা অনেক জায়গায় লেখাও থাকেনা ।আমরা বাঙালীরা হজ্বের সময় অনেক ঝামেলার মুখোমুখি হই আমার এই পোস্টে যদি এবারের হজ্ব যাত্রীদের উপকার হয় তবেই আমি অনেক খুশি।
অনেক ভালো থাকবেন।
২|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৬
হাবিবুল্লাহ শোয়েব বলেছেন: জাযাকাল্লাহ ....
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৪
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: যাজাকাল্লাহ খায়ের...........।
৩|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৭
মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: খুবই ভাল ভাল টিপস দিয়েছেন...অনেকের কাজে আসবে ইনশাল্লাহ...একটা উপকারী পোস্ট দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৬
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: বাকী অনেক টিপস রয়ে গেছে ইনশাল্লাহ আগামী কাল দিবো..।মিনা মুজদালেফা আরাফার উপরে।
আশা করি এবারের হজ্ব যাত্রী দের উপকারে আসবে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৪|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪০
ফারজুল আরেফিন বলেছেন: চমৎকার সময় উপযোগী দরকারী পোস্ট।
এরকম পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
জনস্বার্থে পোস্টটি স্টিকি করা যেতে পারে।
+++++
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৮
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফারজুল স্টিকির আবেদন তোলার জন্য। তবে যদি স্টিকি না ও হয় তবু আশে পাশে কোন হজ্ব যাত্রী থাকলে ব্যাপারগুলো বলে দিয়েন ।সুবিধা হবে।
অনেক অনেক দঃন্যবাদ আবারও।
৫|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ফারজুল আরেফিন বলেছেন: জনস্বার্থে পোস্টটি স্টিকি করা যেতে পারে।
একমত!! তথ্যগুলো হজ্জ যাত্রীদের অনেক উপকারে আসবে।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: তবে যদি স্টিকি না ও হয় তবু আশে পাশে কোন হজ্ব যাত্রী থাকলে ব্যাপারগুলো বলে দিয়েন ।সুবিধা হবে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আবারও।
৬|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৩
মুদ্দাকির বলেছেন: দারুন। আলহামদুলিল্লাহ।++++
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫০
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: দোয়া করেন যেন হজ্ব যাত্রী দের উপকারে লাগে ।অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
৭|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৫
এম এম হোসাইন বলেছেন: ++++++++++++
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ হোসাইন....ভালো থাকবেন।
৮|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৮
নাঈম আহমেদ বলেছেন: মাশা-আল্লাহ...
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৩
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ।ভালো থাকবেন নাঈম।
৯|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১২
ওই চোরা বলেছেন: ফারজুল আরেফিন বলেছেন: চমৎকার সময় উপযোগী দরকারী পোস্ট।
এরকম পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
জনস্বার্থে পোস্টটি স্টিকি করা যেতে পারে।
সহমত,
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই ।তবে যদি স্টিকি না ও হয় তবে বিষয় গুলো আশে পাশের হজ্ব যাত্রীদের সাথে শেয়ার করেন।ওনারা উপকার পাবেন।ভালো থাকবেন ভাই।
১০|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৫
মিশনারী বলেছেন: ধন্যবাদ এত সুন্দর করে হজ্জ বিষয়ক পোষ্ট দেওয়ার জন্য । আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দিন । আমীন ।
//আয়েশা মসজিদে যাওয়া যায় যেখানে যেয়ে বার বার ওমরার জন্য ইহরাম বাধতে পারবেন।//
এই ধরনের ওমরা হাদিস সমর্থন করে না । আমাদের উপমহাদেশে এইটা বেশী চালু আছে । ব্যাপারটা আরো জেনে নিলে মনে হয় ভাল হবে ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৮
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: ঠিক বলেছেন...। কিন্তু প্রতিবার ইয়ালামলামে যেয়ে ইহরাম বাধা সহজ না। । আমিও ব্যাপারটা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম কিন্তু ওখানে গিয়ে দেখি সবাই তাই করছে.......................মানে আয়েশা মসজিদে ইহরাম বাধছে।
অন্যান্য সবাইকে করতে দেখে আমরাও করেছিলাম যদিও আমি জানি হাদিস এটা সমর্থন করেনা ।
১১|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৭
মিশনারী বলেছেন: আর একটা কথা মনে হয় লিখলে ভাল হয় । যেইটা আমাদের একভাই বলেছিলেন । সেটা হল, যখনই হজ্জ করার নিয়ত করে ঘর থেকে বাহির হবেন, সেই থেকে শয়তান আপনার হজ্জকে নষ্ট করার জন্য উঠে পরে লেগে যাবে, বিশেষ করে রাগানোর চেষ্টা করবে । রাগানোর মাধ্যমে হজ্জকে বাতিল করার চেষ্টা করবে । তাই সবার নিকট অনুরুদ, এত কষ্ট করে হজ্জ পালন করবেন, আর কোনদিন সেই সুযোগ আসবে কিনা আপনি জানেন না, তাই রাগ থেকে বেচে থাকার চেষ্টা করবেন ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ।হ্যা শয়তান যে উঠেপড়ে লাগে তা বেশ টের পাওয়া যায়....................। আর রাগ তো ইহরাম অবস্হায় হারাম ।ইহরামের প্রতিটা বিষয় তাই ভালো ভাবে মনে রাখার অনুরোধ করেছি ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ বলে দেয়ার জন্য।অনেক ভালো থাকবেন।
১২|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৪
তানিয়া হাসান খান বলেছেন: ধন্যবাদ এত সুন্দর করে হজ্জ বিষয়ক পোষ্ট দেওয়ার জন্য । আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দিন । আমীন ।
পোষ্টে ১ লক্ষ প্লাস
প্রিয়তে............
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৪
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: এই প্রথম ১ লক্ষ প্লাস পেলাম তানিয়া............অনেক ভালো লাগলো।প্রিয় তে রাখলেন তার জন্যও ধন্যবাদ।যদি কেউ হজ্বে যায় অবশ্যই তাদের সাথে শেয়ার করবেন ।পরবর্তী পর্ব আগামীকাল দেব ইনশাল্লাহ।
১৩|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৬
মনুমনু বলেছেন: জমজমের পানি দুনিয়ার আর কোন জায়গায় এত পরিমানে একবারে পাওয়া যাবে না--তাই যতদিন থাকা যায় মক্কা শরিফে,বেশি বেশি করে জমজমের পানি খাওয়ার ব্যবস্হা করে নিতে পারেন। হোটেলে থাকলে-দেখবেন-সরকারিভাবে প্রতিদিন জমজমের পানির গাড়ী এসে রুম প্রতি-হাজীর সংখ্যা অনুযায়ী পানির বড় বোতল দিয়ে যায়-রিসিপশনে ।আপনি বা অভিজ্ঘ লোক দিয়ে চেয়ে নিতে পারেন সেই বোতলটি, ভারী হবে, লিফট ইউজ করবেন। আরেকটি উপায় করতে পারেন- আপনার নেয়া ঝুলন্ত ব্যাগে( যা অনেক সময় আপনাকে ভিতরে নিয়ে যাতে দিতে নাও পারেন ওখানকার নিরাপত্তার লোকেরা ) অতিরিক্ত কয়েকটি ভাল মানের কিস(পলিথিন ব্যাগ) নিয়ে যাবেন। সকল কাজ শেষে যখন হোটেলের দিকে আসা ধরবেন, দেখবেন, মেইন গেটের সাথেই অনেক অনেক পানির কল- লোকজন ভীড় করে পানি নিচ্ছে-জমজমের পানি। আপনিও পলিথিনে করে ভার বহনক্ষম করে পনি নিয়ে যেতে পারেন, নিজেও পান, করুন,অপরকেও জমজমের পানি খাওয়ান মন ভরে। কারন পানি আমরা সারা জীবনেই পান করে আসছি--জমজম তো আর সবসময় পাই না।
-- দান করার সময় অকাতরে দান করাটাই উত্তম। কিন্ত তা যেন নিজের বিপদ না হয়। তাই দান করার আগে দেখে নিন কত রিয়েলের নোট দিচ্ছেন।(বিপদে পরলে যার যা শিক্ষা হয় আর কি!)
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৬
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: হ্যা ঠিক বলেছেন ।জমজমের পানি প্রতিদিনই বাসায় পৌছে দিয়ে যায়।সেখানে খেয়ে আসাই ভালো ।মন ভরে। আর বাসায় ফেরার সময় মদিনা তে জমজমের ১০ লিটারের ক্যান পাওয়া যায় যা সিলগালা করে নিয়ে আসা যায় ....।হ্যা এসব পরবর্তী পোস্টের জন্য রেখেছি।
দান বেশী করা ভালো কিন্তু আমরা কতই বা টাকা নিয়ে যাই তাই ১ রিয়ালের কথাই বললাম।আমাদের টাকায় ২০টাকা তাই না?
তবুও দান করবেন ভালো নিয়তে যার যা সামর্থ।
ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য। অনেক ভালো থাকবেন।
১৪|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২১
ঘোড়ারডিম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৬
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অট- প্রাফাইল পিকচারে ঘোড়ার ডিম নাকি?
১৫|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪১
টাক্কা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
৬।তওয়াফ মাতাবে করবেন ।
৮।হাতীমের মধ্যে নামাজ পড়ার চেস্টা করবেন।
এখানে মাতাব এবং হাতীম কি বা কোথায় একটু বুঝিয়ে বললে খুশি হব।
ইহরাম কি মক্কায় পড়া যায়? হাজীদেরকে দেখি ঢাকা বিমানবন্দরে ইহরাম পড়ে নেন। তাছাড়া ঢাকায় ইহরাম না পড়লেও নাকি জেদ্দা বিমান বন্দরে পড়ে নিতে হয়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে ঢাকা বা জেদ্দায় না পড়ে মক্কায় ইহরাম পড়া যাবে?
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫০
রুদ্রাক্ষী বলেছেন:
না ভাইয়া ইহরাম বাধতে হয় মীকাত থেকে মানে সীমানার শুরু তে । আমরা যারা বাংলাদেশ থেকে যাই তাদের জন্য মীকাত হলো 'ইয়ালামলাম'।এটি আমরা বিমানে পার করি ।এ জায়গা পার হবার আগে ইহরাম বেধে নিয়ত করে দুই রাকাত নামাজ পরে তালবিয়াহ পড়তে হবে।নাহয় হজ্ব হবেনা ।এজন্য অনেকে হাজ্বী ক্যাম্পে ইহরাম পরেন।অথবা অনেকেই বাসায় থেকে ইহরাম পরে যান।
কোন ভাবেই জেদ্দা এয়ারপোর্ট বা মক্কায় ইহরাম পড়া যাবেনা।
একবার উমরা হয়ে গেলে যখন ৭ জিলহজ্বে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন তখন মক্কায় ইহরাম পড়বেন।
১৬|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৩
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: মাতাব হচ্ছে কাবা শরীফ কে ঘিরে যে মার্বেল করা জায়গাটি যাতে তাওয়াফ করতে দেখা ।সেটা।
আর হাতীম হচ্ছে কাবার একপাশে কিছু অংশ ঘিরে রাখা আছে ,সেটা ।দেখি ছবি দিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার চেস্টা করছি।
১৭|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:০২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন:
১৮|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:০৪
সায়েদ তানজিদ বলেছেন:
প্রিয়তে
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:১১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ তানজিদ।অনেক অনেক ভালো থাকবেন।প্রিয়তে নেয়া পোস্ট টি পরিচিত যারা হজ্বে যাবেন তাদের সাথে শেয়ার করবেন ।
১৯|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:১৭
সায়েদ তানজিদ বলেছেন: নোংরা ক্যাচাল বাদ দিয়ে এ ধরণের পোষ্ট বেশী বেশী আসুক এটাই কাম্য। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য। আসলে এখন সামুর এমন অবস্থা যে ধর্মের নাম নিলেও ছাগু ট্যাগাই, এ পরিস্থিতিতে আপনারাই আশার আলো সবার জন্য। ভাল থাকবেন ভাই।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১০
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: কি করবো সামুতে দিন দিন কি যা হচ্ছে ইসলাম নিয়ে দুই কথা বললেই ছাগু।কোন মানে হয় আসলে না জেনে অনেকেই কমেন্ট করে এটাও একটা কারন।
আপনার প্রেরণা ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ।
২০|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:২৬
রাতুলবিডি বলেছেন: গা মোছা,পুরুষের মাথায় কাপড় দেয়া ,চুলকানো ,মাথা আচড়ানো ,সুগন্ধি ব্যাবহার,সাবান ব্যাবহার ঝগড়া ঝাটি সবই ইহরাম অবস্হায় নিষিদ্ধ
চুলকানো কি নিষেধ? আমি তো জানি শরীরের লোম পরার সম্ভবনা থাকলে নিষেধ, অন্যথায় না!
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৬
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: একদম ঠিক কথা যদি পশম না পড়ে তবে চুলকানো যাতে পারে কিন্তু যদি পশম পরে যায় তবে কুরবানী দিয়ে দম দিতে হবে। আর তাই এড়িয়ে চলা ভালো ।
২১|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৫
টাক্কা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। হাতিমের এলাকাটা দেখছি খালি। ওখানে কিভাবে নামায পড়া যায়?
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৮
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: হাতিম এলাকাটা সকালের দিকে খুলে দেয় আবার মাগরিব নামাজের পরও খুলে দেয় সে সময় নামাজ পরা যায় । তবে অত্যন্ত ভীড় হয় শক্ত সমর্থ লোক ছাড়া সে পথে না যাওয়াই ভালো ।
২২|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১৫
রাতুলবিডি বলেছেন: যদি পশম পরে যায় তবে কুরবানী দিয়ে দম দিতে হবে।
নারে ভাই,একটা লিমিট পর্যন্ত পশম পরলে পশু কুরবানী দিতে হয় না! কিছু সদকা জরিমানা হিসেবে দিলেই হয়। যেমন এহরাম অবস্হায় সেলাই করা কাপড় পরলে পশু কুরবানী দিতে হয় - এটাই সবাই জানে, কিন্তু সেটা আধা দিনের বেশী হতে হবে। এর কম হলে সদকা করলেই হবে! একই ভাবে সারা মাথা মুন্ডন করলে, বা টেনে টেনে চুল উঠিয়ে ফেললে দম ওয়াজিব হবে, দু - একটা চুল/পশম কাটলে/উঠালে।মুন্ডালে সদকা করলেই হবে। একটা ক্রসিং লিমিট আছে: খুব সম্ভব এক অংগের আধা!
২৩|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১৮
রাতুলবিডি বলেছেন: হাতিম এলাকাট অত্যন্ত ভীড় হয় শক্ত সমর্থ লোক ছাড়া সে পথে না যাওয়াই ভালো । - Brother I prefer not to go there, specially in Hajj season. because you may get hurt/pain and also you may give pain to other , which is not permitted in Islam. If you like you can try that during Umra in off season.
২৪|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৫
রাতুলবিডি বলেছেন: আর একটি বিষয় মারাত্মক। সেটা হচ্ছে মেয়ে-ছেলে ধাক্কা -ধাক্কি! পবিত্র স্হান গুলোতে মানুষ আবেগে অন্ধ হয়ে , এ বিষয়টার দিকে খেয়াল করে না! কিন্তু ইসলামে যতটুকু প্রয়োজনে একজন ছেলে - একজন মেয়ের গায়ে গায়ে লাগতে পারবে, বা স্পর্শ হতে পারবে , সেগুলো হাতিমে নামায পড়া, বা হজরে আসওয়াদ চুমু দেওয়া না। হজরে আসওয়াদ দূর থেকে ইশারা-ও চুমু দেয়া যায় । এজন্য মানুষকে কষ্ট দেয়া বা ছেলে মেয়ে ধাক্কা ধাক্কির অনুমতি নেই।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৯
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অবশ্যই খেয়াল রাখবেন পর্দার খেলাফ যেন কোন ভাবেই না হয় কারন পর্দা ফরয আর নফল তওয়াফ কিন্তু নফলই সুতরাং সাবধান।
রাতুলবিডি আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
২৫|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
রাতুলবিডি বলেছেন: আমরা যারা বাংলাদেশ থেকে যাই তাদের জন্য মীকাত হলো 'ইয়ালামলাম'।এটি আমরা বিমানে পার করি ।এ জায়গা পার হবার আগে ইহরাম বেধে নিয়ত করে দুই রাকাত নামাজ পরে তালবিয়াহ পড়তে হবে।নাহয় হজ্ব হবেনা
কেউ যদি এহরাম না বেধে মীকাট অতিক্রম করে, তবে পশু কুরবানী বা দম দিতে হবে। এটা আলাদা জরিমানা। হজ করুক চাই না করুক, বা ওমরা! যেমন আপনি যদি মক্কা শরীফ যান ব্যাবসার /চাকুরীর জন্য তবুও এহরাম বেধে মীকাত পার হতে হবে। মক্কা শরীফ গিয়ে ওমরা করে হালাল হয়ে যাবেন।
কেউ যদি হজের সময় ভুলে মীকাত পার হয়ে যায়। তবে সে জরিমানা দিবে, আর আরাফায় যাবার আগেই এহরাম বেধে নিবে। এই কাজ করে নিলে হজ হয়ে যাবে। তবে ইচ্ছা করে বিনা এহরামে মক্কা শরীফ যাওয়া পবিত্র জায়গাকে অবমাননার শামিল, শক্ত গুনাহর কাজ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আসলে নিয়ত তো মীকাতের আগেই করতে হবে তাই না ? নিয়তই যদি সুস্ঠ না হয় তবে কিভাবে হবে?
আর ইহরাম ছাড়া মীকাত পার হওয়া নিষিদ্ধ।যে হজ্বে যাচ্ছেন তার আসলে ইহরাম পরে যাওয়াই উচিৎ।
২৬|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪০
ইমানুয়েল বলেছেন: thanks
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৫
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই।
২৭|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫
দেখি তো পারি কিনা..... বলেছেন: খুব সুন্দর পোষ্ট। প্রিয়তে রাখলাম। আল্লাহ আপনাকে এর উত্তম প্রতিদান দিক।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৭
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ।যদি আশে পাশে কেউ হজ্বে যান প্লীজ শেয়ার করবেন তবেই আমি সার্থক।
অনেক ভালো থাকবেন ভাই।
২৮|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৪
শিপু ভাই বলেছেন:
++++++++++++
প্রিয়তে!!!
আমার বড় চাচি আর চাচাতো ভাই এবার হজ্বে যাচ্ছে। আপনার টিপসগুলো তাদের কাজে লাগবে।
ধন্যবাদ!!!
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৪
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আমার সেসব হজ্ব যাত্রীদের উদ্দেশ্যেই ত লেখা উনারা যদি একটু উপকৃত হন তবে সেটাই হবে আমার বড় পাওনা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ শিপু ভাই ।
অনেক অনেক ভালো থাকবেন।
২৯|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২২
আফিফা মারজানা বলেছেন: আমার জীবনসংগী এবার যাচ্ছে ।তার জন্য খুব উপকার হবে ।জাঝাকাল্লাহ ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: উপকার হলেই যে পরিশ্রম সার্থক হবে। আমার খুব ভালো লাগে যখন শুনি কেউ সেখানে যাচ্ছে সুযোগ হলে আপনিও হজ্ব করে আসুন স্বামীর সাথে ।
আল্লাহ আপনাদের নিয়ত কবুল করুন ও মকবুল হজ্বের তৌফিক দিন।আমীন। আমাদের জন্য দোয়া করতে বলবেন মারজানা................
৩০|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১৮
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: আমি দেখছি ২য় পর্ব আগে পড়ে ফেলেছি
হা হা ব্যাপার না।এটাও প্রিয়তে ও +++
শুভকামনা ভাই।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৯
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই আরেক পর্ব বাদ আছে মদীনা নিয়ে সামনে দিবো..................। ইনশাল্লাহ।
অনেক অনেক ভালো থাকবেন।
৩১|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৬
প্রিন্স অফ ব-দ্বীপ বলেছেন: চমতকার পোস্ট, ভবিষ্যতে হয়তো কাজে দিবে। এইপোস্টটি স্টিকি হওয়া উচিত ছিল।
৩২|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৭
বোকা সারস বলেছেন: হজ্বে হোক আর যে কোনও ট্যুর এই হোক, এই ধরনের ভ্রমন পূর্ববর্তী টিপস খুবই কাজে লাগে। অনেকের কাজে লাগবে ।
১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৫
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সারস......................।ভালো থাকবেন।
৩৩|
২৬ শে মে, ২০১৩ দুপুর ২:৫৯
েবনিটগ বলেছেন: ১৩।সুই সুতা, নেল কাটার, ছোট কাচি ,রেজার নিয়ে যাবেন।বার বার ওমরা করলে বারবার নাপিতের কাছে যাবার দরকার নেই রেজার দিয়ে মাথা কামিয়ে নিবেন
but when you are in ihram, you cannot cut or pull hair. Are you fully sure you can cut your own hair while in ihram?
২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১২:১৩
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: ইহরামে থাকা অবস্হায় চুল কাটা যাবে না। ইহরাম থেকে মুক্ত হবার সময় হলে চুল কাটতে হবে। তবে আরেকজন কাটবে যে ইহরাম মুক্ত হয়েছে। তেমনি আপনি ইহরাম মুক্ত হয়েও অন্যের চুল কেটে দিতে পারবেন। ধন্যবাদ।
আপনার হজ্ব যাত্রা আল্লাহ কবুল করুন ।আমীন।
৩৪|
২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১২:২৬
ইনফা_অল বলেছেন: লেখক বলেছেন: .......................মানে আয়েশা মসজিদে ইহরাম বাধছে।
অন্যান্য সবাইকে করতে দেখে আমরাও করেছিলাম যদিও আমি জানি হাদিস এটা সমর্থন করেনা ।
হাদিস যেটা সমর্থন করে না সেটা করা কি ঠিক? বার বার ওমরার কথা গুলি বাদ দিয়ে দিলে ভাল হয়।
৩৫|
২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১২:২৮
ইনফা_অল বলেছেন: পোষ্টের জন্য প্লাস !!
০৫ ই জুন, ২০১৩ রাত ১২:৩২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।উত্তর দেয়ার দেরীর জন্য ক্ষমা চাইছি।ভালো থাকবেন।
৩৬|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:১১
ভুং ভাং বলেছেন: তথ্যগুলো অনেকের উপকারে আসবে আশাকরি।++++++++++++
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক দরকারী পোষ্ট। চমৎকার কিছু টিপস দিয়েছেন। তথ্যগুলো অনেকের উপকারে আসবে আশাকরি।
অনেক অনেক ভালো লাগা !!
+ + + + + + + + +