নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তোমার আর আমার দূরত্ব রাস্তার এপার ওপার।তুমি দাড়িয়ে আছো আমার আশায়আমি অপেক্ষায় আছি যাবো কখন!waiting for a loyal heart!

মেঘ প্রিয় বালক

একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ। শুষ্ক অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে কৃষ্ণচূড়ার পাতা ঝরে গেলেও, নাতিষীতোষ্ণ অঞ্চলে এটি চিরসবুজ।

মেঘ প্রিয় বালক › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্মৃতিকাতরতায় কাটে পরবাসে আমার ঈদ আনন্দ

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ সকাল ৯:১৭


তারিখ:-৪ জুন ভোর ৫ টা ৪৪ মিনিট
আসসালামু আলাইকুম,
আজ আমার পরবাসে ঈদ তাই সবাইকে ঈদ মোবারক,
নিশ্চয় সবার জানতে ইচ্ছে করছে আমি কতটা খুশি,তাই ঈদগাহে ঈদের নামায শেষ করে বসে পরলাম মোবাইলের কি বোর্ড নিয়ে। ভাবছি কি লিখবো?
অনেক আবেগপ্রবণ হওয়ার পর মন বললো,এতো ভাবাভাবির কি আছে বাঁকাচাঁদ? মন যা বলে তাই লিখে ফেল অভদ্র নগরের আনাড়ী লেখক।
হয়তো সবার কাছে তোমার লিখা ভালো না ও লাগতে পারে হে লেখক।
সারাদিন যুদ্ধরত জীবন,কর্মস্হলে কাটে ব্যস্ত সময় । সকালের সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হয়ে পশ্চিমে অস্ত যায়। সূর্যের এই ওঠা-ডোবা জানার সুযোগ কম পরবাসে।
পরবাসে অর্থ আছে,স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার কায়দা আছে,কিন্তু নেই আনন্দ, উল্লাসের নিশ্চয়তা।
আমার দেশ সবুজ শ্যামলে বাংলাদেশ। সেই ভরাট যৌবনের রূপ দেখার সাধ আর মেটে কই দূর পরবাসে।
আমরা দেশে থেকে পরবাস বলতে বুঝি অনেক টাকা,সুখ,আরাম, ভোগ-বিলাসের জায়গা। সেখানে নিরবিচ্ছন্ন বিদু্ৎ,লোডশোডিং নেই,নেই যানজট। রাস্তা-ঘাট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। দেখার মত সুন্দর পরবাস,যেখানে অগোছালো জীবন নামক শব্দের পরিবর্তন হয়। ঠিক এই রকম চিন্তাই থাকে আমাদের বাঙালীদের মনে। তবে বর্তমানে এই ব্যাপারটা নতুনদের মনে এতো স্বপ্নের ভেড়াজাল সৃষ্টি করে না।
পরবাস মানে কি?
জানতে হলে চলুন ঘুরে আসি দূরের পরবাস থেকে।
অনেক টাকা রোজগার করার একটি প্ল্যাটফর্ম। যেখানে লাখ লাখ টাকা রোজগার করা যায়। রাজাল হালে জীবন চলে আরো কত কি?
কিন্তু হাজার মিথ্যাকে পিছনে ফেলে সত্য কি জানেন?
কিভাবে কাটে তাদের ঈদ অথবা তাদের ঈদের আনন্দের মুহূর্তগুলি কি?
বছরের পর বছর আপন পরিজনদের কাছ থেকে সুদূর শহরে দাবদগ্ধ গরম ও হাড়জমাট শীতের মধ্য অবর্ণনীয় পরিশ্রম করে যাই শুধু দেশের রক্তের বাঁধনে বন্দি আপনজনদের মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য। নিজের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় যৌবনকাল উৎসর্গ করে দেই আপনজনদের জন্য। দূর দেশে থেকেও মন পড়ে থাকে সেই মাতৃভূমিতে, যেখানে রয়েছে আমার জান্নাত আমার মা,আমার মাথার তাজ আমার বাবা,প্রবাহিত রক্তরসে বন্ধনে বন্দি আমার ভাই-বোন।
প্রতি মুহূর্তে মনে পড়ে তাদের কথা। কোন সন তারিখে দুটা টাকা নিয়ে দেশে গিয়ে আপনজনদের মুখের হাসি দেখবো সেই অপেক্ষায় কাটে দিন মাস বছর। প্রতিটি সেকেন্ড কাটে ঘন্টার মত, প্রতিটি ঘন্টা কাটে দিনের মত আর প্রতিটি দিন কাটে যেন দীর্ঘ একেকটা সালের মত।
দিনের কাঠফাটা গরমে হাড়ভাঙা পরিশ্রম শেষে যখন রাতে নিজ বেডে ঘুমাতে যাই তখন অক্ষির পাতায় জীবন্ত হয়ে ভেসে উঠে আত্মীয়স্বজনের বিভিন্ন মায়ামুখ। কখন দেশে যাবো,বাবা মার চরনে লুটে পড়বো এই ভাবনায় একসময় ঘুমিয়ে পড়া আমার প্রতিদিনের রুটিন। এখানে জীবন মানে রাত দিনের নিরানন্দ চক্রের জাল। যেখানে হাসি-খুশির কোনো স্হান নেই। একই রকম কাজ আর একই রকমের নিয়মে ধরাবাঁধা জীবনচক্র যেন শেষ হয়েই হচ্ছেনা। এক ঘেয়েমী থেকে ভের হওয়ার জন্য কোথাও বেড়াতে যাওয়ার সুযোগ নেই। এখানে ঈদের দিনে কোন ছুটি থাকেনা বিভিন্ন কর্মস্হলে।
বাৎসরিক আনন্দ উৎসব ঈদ, দেশের মানুষ যতটা আনন্দ উপভোগ করে সেই পরিমাণে পরবাসে মনের কোনায় সামান্যতম আনন্দের দোলাও দিতে পারে না বাৎসরিক ঈদ।
এখানে ঈদ,পহেলা বৈশাখ,মধুর মাস জৈষ্ঠ্য, বিজয়ের মাস জানুয়ারী ,ফেব্রয়ারী সব উৎসবের দিন অন্য সব প্রতিদিনের মতই।
বরং এখানে ঈদ আনন্দ আসে বেদনার ক্ষত চিহ্নতে নতুন করে লবণের ছিটা দেয়ার জন্য।
এই দিনগুলোতে মনের ভিতরের জমাট কষ্টগুলো আবার জীবিত হয়ে ফিরে আসে।এখানে ঈদ মানে চোখের পানি। ঈদ মানে বেদনার ক্ষত নতুন করে তাজা হয়ে জাগ্রত হওয়া।
দেশের আত্মীয়স্বজন বন্ধু-বান্ধবরা জানতে চায় তোদের ঈদ কেমন কাটে? তোরা কি চাঁদরাতে বা তার আগে থেকেই ঈদের মার্কেট করতে যাস?
ঈদের দিন ঘুরতে যাওয়া হয় দলবেধে? এইসব বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকে দেশের অনেক আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে।
তাই আমার ঈদ কেমন আনন্দে কাটে তার সামান্য ইংগিত দেয়ার চেষ্টা করছি। দুর পরবাসে ঈদটা একেক জনের জন্য একেকরকম। অল্প কিছু মানুষের কাছে এখানে ঈদ আনন্দের হলেও অধিকাংশ প্রবাসীর কাছে ঈদ মানেই স্মৃতিবিজড়িত কান্নার দিন।
সারা বছরের জমিয়ে রাখা কান্নার বাঁধভাঙা স্রোত যেন ঈদের দিন আর কোনো বাঁধা মানতে চায় না। দু চোখ বেয়ে ঝরে পড়ে বিরহের পবিত্র অশ্রু। বুকে চাপ পড়ে কষ্টের হিমালয়।
কান্নার গতি যেন থামতেই চায় না। জোর করে থামাতে চাইলেও কি যেন এসে গলায় আঁটকে থাকে। খাবার খেতে বসলে লবণের কাজ করে দেয় চোখের পানি,ঝরে পড়ে ভাতের উপর।
কোথায় চলে গেলো সেই ঈদ,যে ঈদে আম্মু আমার জন্য সেমাইয়ের পরিবর্তে তৈরি করতো ফিরনি।
কোথায় বাবা মা ভাই বোন? তারা কি নতুন জামা কাপড় কিনেছে? ফিরনি সেমাই রান্না করেছে? আজ ঈদের দিনে আমার শূন্যতা কি তারা অনুভূব করছে?? আমার অনুপস্হিতি তাদের কাছেও না জানি কত বেদনার। আম্মু মনে হয় ফিরনির কাপ হাতে নিয়ে আমাকে স্মরণ করে ঝুম বৃষ্টির মত চোখের পানি ফেলছে? এইসব ভাবতে ভাবতে ভেজা চোখেই ঈদের দিনটা শেষ হয় আমাদের। পরেরদিন থেকে আবার শুরু হয় হাড়ভাঙা পরিশ্রম। উদ্দেশ্য আমার একটাই নিজের কষ্টকে মাটিতে চাপা দিয়ে আত্মীয়স্বজনরা যেন একটু সুখের ছায়া পায়। বাবা যেন প্রতিমাসে শ্বাস কষ্টের ঔষুধে খেতে পারে। আম্মু যেন চিন্তামুক্ত থাকে??
কয়েক বছর পর বাড়ীতে এসে যেন সবাইকে নিয়ে একটু সুখে থাকতে পারি। নিজের সুখ ত্যাগ করলাম স্বজনদের সুখের জন্য। এটাই প্রবাস,এটাই নিয়তি।
এখানে ঈদের আগের দিনগুলোতে বাজার সদায় করার কোন ধুম পড়েনা। এখানে এদেশের মানুষদের কাছেই শুধু ঈদ আসে। আমাদের কাছে স্বাভাবিকভাবে নিজের অজান্তেই ঈদের তারিখটা আসে শুধু। যারা বাহিরে কাজ করে তাদের জন্য চাঁদ রাতে একটু বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়। আর না ঘুমিয়ে সকালে ঈদের জামাতে নামাজ পড়তে হয়। এ ছাড়া অন্য কোনোভাবেই ঈদের লক্ষণ তাদের কাছে পরিলক্ষিত হয়না।
নামায শেষে রুমে এসে ঘুমাব বলে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। কম্বল মুড়ি দিয়ে ভাবতে লাগলাম আগে একটু দেশে কথা বলে নেই। যেহেতু আজ আমার এখানে ঈদ।
মোবাইল হাতে তুলে নিয়ে যোগাযোগের জন্য কয়েকবার চেষ্টা করে লাইন পেলাম
আসসালামু আলাইকুম। আম্মা কেমন আছো?
ওয়ালাইকুমুস সালাম ভালো আছি যাদু,তুমি কেমন আছো বাবা??
ভাল আছি আম্মা,তোমাদের দোয়াই খুব ভাল আছি।
ঈদে নতুন জামা কাপড় পরেছিস তো বাবা??
সেমাই খেয়েছিস তো?
না আম্মা, আমি তো সেমাই খাই না, তুমি জানোনা??
আরে হো,,,,ভুলেই গিয়েছি,তো ফিরনি রান্না করেছো?
না মা,,এতো ভেজাল কে করে??
এখন কি করছিস বাঁকা চাঁদ আমার?
বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে ঘুরতে যাবি না???
জি আম্মা। এখন বন্ধু বান্ধবদের সাথেই আছি। ওরা অনেক কিছুই রান্না করেছে।
আমার ভারি কন্ঠ মায়ের আদালতে সব সত্য প্রকাশ পেয়ে যায়,তিনি বললেন কি হয়েছে বাবা তোমার?
তোমার গলার আওয়াজ ভারি শোনাচ্ছে?
বাঁকাচাঁদ, তোমার অনুপস্হিতি রোজ আমায় ভাবায়,সকাল থেকেই তোমার কথা ভাবছি?
মানিক আমার যোজন-যোজন দূরে?
যার জন্য ফিরনি বানানো হয়,সে তো ঘরে নেই।
আম্মু আজ আমার এখানে ঈদের দিন,আর তুমি কান্না করতেছো???
আম্মু বলে না বাবা,কাঁদছি না।
আম্মু তোমরা ঈদের জামা কাপড় কিনেছো?
হ্যাঁ, কিনেছি।
বাজার সদায় করতে কোন কমতি করোনি তো???
না বাবা,,,যা দরকার তার চাইতে একটু আধটু বেশিই কিনেছি।
তুমি চিন্তা করোনা।
ঠিক আছে মা,এখন রাখি আমি,আমি বিকাল করে ফোন দেব। আমি একটু ঘুমাবো।
ঠিক আছে বাবা,তবে বিকালে কিন্তু অবশ্যই ফোন দিও।
মোবাইলটা রেখে কম্বলের ভিতরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে নিঃশব্দের চোরা কান্না কাঁদলাম কিছুক্ষণ।
সারা বছরের জমানো কান্না আজকের দিনে ভীড় করেছে।
আমি আজ কোথায় পড়ে আছি?
এরকম ঈদের দিনে যদি দেশে থাকতে পারতাম,নামায পড়ে মাকে সালাম দিতাম,আম্মু কপালে চুমু খেয়ে বলতো আমার বাঁকা চাঁদ তুমি দীর্ঘজীবি হও,আর বাঁকা চাঁদ পুরো আকাশ জুড়ে একটিই।
এভাবে তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন। আহ্ আজ আমি পড়ে আছি অনেক দূরে।

এভাবেই পরবাসে একেকজনের কাছে একেক রকমভাবে ঈদ আসে নিরানন্দ হয়ে আবার চলেও যায়। কেও কেও শুধু ঈদের দিনটাই ছুটি পায়,আবার কেউ কেউ ঈদের দিনটিতেও ছুটি পায়না।
আবার শুরু হয় সেই কাঠফাঁটা গরমে হাড়ভাঙা পরিশ্রম।
দেশের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে যাবার দীর্ঘ অপেক্ষা আর নিয়তির ডিউটি।
প্রতিদিনের একই রকমের কাজ আর একই রকমের নিয়মে সময় পার করা।
হাসি-খুশি আনন্দবিহীন জলসমুদ্রে ভাসমান জীবন।
জীবন এখানে শুধু রাত দিনের নিরামিষে একটি ডাকাত চক্র।
শুধু বাড়ীতে ফিরে যাওয়ার একটি প্রবল অপেক্ষা আছে বলেই হয়ত এখনো এই জীবনের প্রতি কিছুটা মোহ আছে।
তা না হলে এই জীবন আর জড়পর্দাথের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকতো না।এখানে পার্থক্য শুধু এতটুকুই দেশে গিয়ে প্রিয়জনের মুখ দেখার আশাটা অন্তরে পেরেক-কাঠের গাথুনী।
আর এভাবেই কেটে যায় আমার এবং আমার রুম মেটদের ঈদ আনন্দ। তবুও আমরা হাসি, কারণ পরবাসে এসে আমরা ঝর্ণার মতো কান্নাকে ভিতরে লুকিয়ে কিভাবে হাসতে হয় সেই কৌশল শিখে গেছি।
যাই হোক আগামীকাল বাংলাদেশে তোমাদের ঈদ,তোমাদের ঈদ আনন্দ যেন প্রবাহিত ঝর্ণার পানির মত পবিএ হয় সে আশা রাখছি বিধাতার কাছে।
তাই সবাইকে অগ্রিম ঈদ মোবারক।

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ঈদ মোবারাক :)

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ঈদ মোবারক।

২| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

বলেছেন: ঈদ মোবারক,,
খুব সুন্দর লাগছে যে --- মাশাল্লাহ

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই,অগ্রিম ঈদ মোবারক জানিবেন। ভালবাসার তাজা লাল ডগডগে গেলাপের শুভেচ্ছা গ্রহন করিবেন।

৩| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: পুরো পৃথিবীটাকেই নিজের দেশ ভাবুন।
এতটা আপ্সেট হবার কিছু নেই। বি পজেটিভ।

ঈদ মোবারক।

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব নূর মন্তব্যে করেছেন পুরো পৃথিবীটাকেই নিজের দেশ ভাবুন,সুন্দর কথা বলেছেন,তবে বাবা, মা,ভাই,বোন এরা তো আমার থেকে অনেক দূরে।

৪| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:১০

মা.হাসান বলেছেন: পকেটে পয়সা থাকলে সব দিনই ঈদের দিন মনে হয়। পকেটে পয়সা না থাকলে একটা সময় এর পর বাবা-মাও ঘেউ ঘেউ করে উঠে। ঈদের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা আছে এমন জায়গায় পরবাসে ঈদ কাটালে তা নিয়ে হা হুতাশ করার কিছু দেখি না।

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ মা.হাসান, মন্তব্যে করেছেন দেখতে পেলাম,আমার পোস্ট দেওয়ার অর্থ হয়তো আপনি বুঝেননি। গল্পটা আবার পড়ার অনুরোধ রেখে গেলাম। পড়া শেষে ভেবে দেখবেন।

৫| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের দেশের অর্থনীতির মুল স্তম্ভ হচ্ছে ফরেন রেমিটেন্স। অথচ সেই রেমিটেন্স পাঠানো প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য নেই কোন সরকারী সেবার ব্যবস্থা!! নেই তাদের কল্যানে কোন সরকারী উদ্যোগ।

লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। যাদের রক্তভেজা শ্রমে টিকে আছে এই দেশ সেই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের নির্মম জীবন কাহিনী সবারই জানা প্রয়োজন।

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ ঢাবিয়ান,সরকার এদের পাঠানো রেমিটেন্স নিয়ে গর্ব করে ঠিকি,অথচ এদের জন্য তেমন কোন সুবিধা বা ব্যবস্হা নেই,অ্যাম্বাসিতে যাদের বসিয়ে রেখেছে,তারা সবাই নিঃকর্মা,অলস,চোর বাটপার। ভালবাসা জানিবেন ঢাবিয়ান,শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৬| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

ওমেরা বলেছেন: ঈদ- মোবারক।

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: আপনাকে চাঁদ মোবারক।

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: অগ্রিম ঈদ মোবারক।

৭| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ঈদ মোবারক :)

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ঈদ মোবারক।

৮| ০৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:১৯

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: পৃথিবীটাই একটা পাঠশালা। যেখানেই থাকুন, ভাল থাকবেন। হাসিখুশী থাকলে অনেক কঠিন বাস্তব সহজে পাড়ি দেয়া যায়। অজস্র শুভ কামনা রইল। লড়াইটা হাসি মুখে লড়ে যান।

০৫ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:২৫

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় রিম সাবরিনা জাহান সরকার,আপনার মন্তব্যে অনেক সাহস ও প্রেরণা জাগিয়েছে মনে,লড়াইটা হাসি মুখেই লড়ে যেতে চাই। দোয়া করবেন ছোট ভাইয়ের জন্য,কাল বাংলাদেশে ঈদ,সংশোধিত ঈদের শুভেচ্ছা জানিবেন।

৯| ০৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রবাসে থাকার অভিজ্ঞতা কখনো হয়নি। আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম প্রবাসে থাকার বেদনার কথা। মন ছটফট করে স্বদেশে আত্মীয়-স্বজনের জন্য। সঙ্গে হাড়ভাঙা খাটুনি। তবু এসবের মধ্য দিয়েও যতটা সম্ভব ঈদ উপভোগ্য হোক কামনা করি।
ঈদ মোবারক।

০৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ পদাতিক চৌধুরী। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য,ঈদ মোবারক

১০| ০৬ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

নীলপরি বলেছেন: আবেগী লেখা ।

আপনাকে ঈদের শুভেচ্ছা

০৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ধন্যবাদ নীলপরি,ঈদ মোবারক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.