নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার লেখা কিছু

আমার নাম সাইফুল ইসলাম

সাইফুল ইসলাম ২৩

কিছু বুঝার আগেই সব ঠিক হয়ে গেলো

সাইফুল ইসলাম ২৩ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জ্যাম নিরসনের একটি উপায়

০৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৭

যদিও এই উপায়টি বড়লোকদের জন্য একটু অসুবিধা তৈরী করবে। তবুও লিখছি। পুরোটি আমার ধারনা থেকে লেখা-



প্রতিদিন ঢাকায় যে সকল গাড়ীগুলো চলে তাদের মধ্যে বৃহত একটি সংখ্যা হলো প্রাইভেট কার। আমার দেয়া উপায়টি হলো- "সপ্তাহে একদিন গাড়ীটি/গুলো বন্ধ রাখা"



বিশদভাবে বলতে গেলে, ধরেনিলাম জনাব আলমের দুইটি প্রাইভেট কার আছে। প্রতিদিন তিনি এই গাড়ীগুলো দ্বারা অফিসে যান এবং পারিবারিক অন্যান্য সকল কাজ করেন। কোনটা ছেলে মেয়ে দের স্কুলে আনা নেয়া, মিসেস আলমকে বাজারে নেয়া ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করেন। এখানে বলে নেয়া ভালো যে, যে সকল জনাব আলমের একটা গাড়ী আছে -আমার মনে হয় তারা এই জ্যাম নিরসনে খুব একটা সহায়তা করতে না পারলেও যাদের একের বেশী গাড়ী আছে তারাই এই থিয়রীর আওতায় পরবে।



জনাব আলমের এই গাড়ী দুইটি সপ্তাহের কোন একদিন বন্ধ থাকবে। যেমন ধরি ওনার একটা গাড়ী লাল এবং অন্যটি সাদা। সাদা গাড়ীটি শনি বার এবং লাল গাড়ীটি মঙ্গল বার বন্ধ থাকবে। এতে করে কি হবে, শনিবার রাস্তায় যতগুলো গাড়ী চলার কথা তার চেয়ে ৫০% গাড়ী কম চলবে-যদি সকল জনাব আলমের ২ টা করে গাড়ী থাকে। আবার ২৫% কম চলবে যদি সকল আলমের ৪ টা করে গাড়ী থাকে। এই ভাবে মঙ্গল বারেও একই ভাবে কম চলবে।



এবার আসি পাবলিক গাড়ী গুলোর কথায়। একই নিয়মে প্রত্যেক গাড়ী সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকলে শতকরা ২০-২৫% গাড়ী কম চলবেই। আর গাড়ী কমলেতো জ্যাম কমবেই। অবশ্যই প্রত্যেকটি গাড়ীর সামনের গ্লাসে বড় করে লেখা থাকে "শনি বার বন্ধ থাকবে"।



এতে করে ট্রাফিক সার্জেন্ট দেখা মাত্রই বুঝেফেলবেন এই গাড়ী আজকে বন্ধ থাকার কথা না চলার কথা।



তবে আমার সোনার বাংলাদেশে- এই উপায় মেনে নিতে রাজী হবেন অনেকেই আছেন বলেই আমার ধারনা



মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৬

আম্মানসুরা বলেছেন: আমরা সবাই যদি সাইকেল ব্যবহার শুরু করি তাহলে সরকার, ট্রাফিক কারো সাহায্য ছাড়াই জ্যাম মুক্ত ঢাকা শহর পাব।

২| ০৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭

নিশ্চুপ দেবদূত বলেছেন: নিয়মটা অদ্ভুত। কিন্তু কার্যকরী হতে পারে

৩| ০৫ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: ভাই, এত জটিল নিয়মে যাওয়ার দরকার নাই!

বিশ্বের অনেক দেশেই ইতোমধ্যেই যে নিয়ম চালু আছে, সেটা হল, গাড়ীর নাম্বার প্লেটের জোড়/বিজোড় ধরে সপ্তাহের দিন ভাগ করে দেয়া। এতে এমনিতেই প্রতিদিন ৫০% গাড়ী রাস্তায় থাকবে না। ট্যাক্সি ক্যাব এবং গণপরিবহন ঠিকই চলবে।

তবে মোদ্দা কথা, সড়ক অবকাঠামো নতুনভাবে পরিকল্পনা করে গড়ে তুলতে হবে, খালি আইন করে মানুষকে দমন করে রাখলে চলবে না, সাথে কিছু কাজও করতে হবে। ঢাকা শহরে একটিও হাইওয়ে নাই ! বাসের জন্য আলাদা কোন লেইন নাই ! জ্যামের মূল কারণ ক্রসিং এড়ানোর জন্য উড়াল সড়ক নেই ! অনেক কাজ করার আছে, আমাদের অর্থও আছে, নেই শুধু সদিচ্ছা, কারণ, প্রকল্পের সিংহভাগই নেতারা লুটেপুটে খেয়ে টাকাটা বিদেশে পাচার করে দিচ্ছেন, আর তাদের ছেলেপুলেরা সেই টাকায় বিদেশ বসে আরাম আয়েশ করছে। গুনে দেখেন, কয়টা নেতার সন্তানরা এই দেশে বসবাস করে??

৪| ০৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:১১

কালীদাস বলেছেন: দুই গাড়ির মালিকের জন্য এই নিয়ম এপ্লাই করলে লাভ হবে না। সম্ভবত আমেরিকার কোন এক শহরে চালু করা হয়েছিল, জোড়/বেজোড় নাম্বারপ্লেট কন্ডিশন দিয়ে। সবাই তখন দুইটা গাড়ি কিনেছিল, জোড়/বেজোড় দুইরকম নাম্বার প্লেটওয়ালা।

পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ঠিক করতে না পারলে প্রাইভেট কার নামানো ঠেকানোর কোন উপায় নাই। আজকে ছয় নাম্বার বাসে বাদুরঝোলা হয়ে যে প্রাইভেটওয়ালাদের গালি দিচ্ছে, সেও কিছু টাকা জমলে এই ভোগান্তির কারণেই ফাস্টে নিজের একটা গাড়ি কিনবে। আর রাস্তাগুলো যতদুর মনে হয়, ব্রিটিশরা যেগুলো ইউজ করত, গত বছরে তারচেয়ে একটুও বাড়েনি, মাইলেজ চওড়া কোনভাবেই না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.