নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

And miles to go before I sleep...।

আমি সাজিদ

প্রিয় মানুষদের সাথে চা ছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি।

আমি সাজিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছোটগল্প- প্রহেলিকা

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ সকাল ১১:১৪


এই শহরে জানালার ওপাশের চওড়া লন আর কাঠগোলাপের বাগান-বিলাস বহুদিন আগেই মুছে গেছে যান্ত্রিকতায়, তাই বহুদূরের জানালাটা বোধহয় কেউ খুলে দেখে না আজকাল। খোলার সময়টাও যে নেই। দিন নেই-রাত নেই মানুষগুলো ছুটে বেড়াচ্ছে শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। শহরটা ইট লোহার জঙ্গল, সারি সারি আকাশচুম্বী দালানগুলো সারা শরীরে ঠোঁট বসিয়ে অগণিত চুমুতে গোটা আকাশটাকে ঢেকে দিয়েছে। তাই দিনের আলো শহরের যেসব অলিগলিতে ঢুকতে পারেনা, সেসব অলিগলিতে প্রায় চোরাবালির দেখা মেলে। চোরাবালিকে কঠিন ভেবে প্রহেলিকায় কেউ যদি হেঁটে যায়, তবে আটকে যায়। খানিকক্ষণ ভেসে একসময় অতলে হারিয়ে যায়।

অতলে না হারিয়ে বাঁচার সংগ্রাম হচ্ছে বরং মানুষের আদিম প্রবৃত্তি। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়। জীবিকার তাগিদে শ্যাওলার মতো তাই সারাদিন ভেসে বেড়াই বানের জলে। এরপর অনেকগুলো মুখ আছে, খুব গভীর প্রতিটা রাতে ঘরে ফেরার পর যেগুলো ড্যাবড্যাব করে তাকায় আমার দিকে। এরকম চোখাচোখিতেই জীবনের ত্রিশটা বসন্ত কেটে গেছে। মৃত্যুর আগের বসন্তটাও এভাবেই পার করতে হবে আমি জানি।

ছাইপাঁশ ভাবতে ভাবতে কখন হাতের সিগারেটটা জ্বলে প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিলো, টের পাইনি। পাশ থেকে ঝাঁকুনি খেয়ে সংবিৎ ফিরে পেলাম। তাকিয়ে দেখি, পাশে বসা ভদ্রলোকটি ডাকছেন আমায়।
জি ? কিছু বলবেন ?
কাতর কণ্ঠে ভদ্রলোক বললেন, কিছু মনে করবেন না।আসলে সিগারেটের গন্ধ সহ্য করতে পারি না।
ও আচ্ছা, সরি। আমি প্রায় শেষ সিগারেটটা পায়ের জুতোর তলায় পিষে ফেলি।
ধন্যবাদ। হেসে ফেলেন ভদ্রলোক।
আমি এই সুযোগে একবার তাকাই পাশে। অন্য দশ পাঁচজন মানুষের মতো সাধারণ চেহারা। ক্লিন শেভেড, গায়ে সাফারি স্যুট। হাতে ফাইল মতন কি একটা। কিছুটা কুঁজো হয়ে বসে আছেন, বসতে কষ্ট হচ্ছে বোধহয়। একটু সরে গিয়ে বলি, এবার আরাম করে বসুন। লোকাল বাসগুলোর সিটে যে দুজন বসতে পারে এটা অনেক আশ্চর্যের একটা ব্যাপার।
হাহা করে হেসে মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দেন ভদ্রলোক। ভালো বলেছেন।

বিরোধীদলের হরতাল চলছে, এর মাঝেও বেশ গাড়ি বের হয়েছে রাস্তায়। শেষ বিকেলে অফিস ফেরত লোকগুলোর চাপে মৎস্য ভবনের সামনে বিশাল জ্যাম পড়েছে।দশ মিনিট ধরে বাস একহাতও এগুতে পারেনি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে লোকাল বাসগুলোর ভিতরে খুব পরিচিত চিত্রনাট্য মঞ্চস্থ হয়। শুরুতেই ধৈর্য্যচুতি ঘটা গুটি কয়েকজন হেলপার আর ড্রাইভারের গোষ্টি উদ্ধার করে। বিরক্তির মাত্রা যত বাড়তে থাকে গালিবাজির সীমা পরিসীমাও তত বেড়ে যায়। যা একসময় সরকারী দল-বিরোধী দল হয়ে সাধারণ মানুষের বঞ্চনা আর কষ্টের রোষানলে পড়ে চলে যায় আন্তর্জাতিক মহল পর্যন্ত। হঠাৎ সমাজ সংস্কারের কথা বলে উঠে পিছনের সিটগুলোর একটাতে বসা কেউ, এক ধাপ এগিয়ে কেউবা হাঁক দিয়ে রাস্তার পাশ থেকে দিনের বাসি পত্রিকা কিনে সচেতনতার প্রথম পদক্ষেপটা নিয়ে ফেলে।

এধরনের ঘটনাগুলোর সাথে অভ্যস্ত হয়ে যারা চুপচাপ ঘটনাস্থলে বসে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ চালান, আমি তাদের মধ্যে একজন। নিখাদ বিনোদনের উৎস আমার ঠিক সামনেই ছিলো। একই নাটক পুনঃ প্রচার হচ্ছিলো আর আর বাঁধাধরা দর্শক হিসেবে দেখে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ পাশে বসা ভদ্রলোক আমার উদ্দেশ্যে মুখ খুললেন,
এভাবে কি থাকা যায় বলেন তো ?
কিভাবে ? জিজ্ঞেস করি আমি।
এই যে, পথঘাটে এত আটকে পড়লে মানুষ কাজ কর্ম করবে কিভাবে ?
হু। সময়ের তো একটা মূল্য আছে ।
দেখেন না, ব্যাংক ৫ টায় বন্ধ হয়ে যাবে। এখন বাজে সাড়ে চারটা। আর আমি নামবো জিগাতলা।
আজ আর যেতে পারবেন বলে মনে হয় না। কাল বরং যান।
না আজকেই। সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা অফিসের একাউন্টে জমা দিতে হবে, নাহয় হিসাবে গণ্ডগোল বাঁধবে ভাই। কালও আবার হরতাল।
ও আচ্ছা। লোকটার হাতে ধরা রংচটা ফাইলমতোন ব্যাগের উপর আমার চোখ ঘুরে আসে একবার।
এরা আর কত দেরী করবে ? দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন ভদ্রলোক।
বুঝতেসিনা ভাই। জ্যাম ছুটলেই হয়। আমারও বেশ কাজ পড়ে আছে।

এরপর বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না। একসময় সামনে সিগন্যাল উঠলো। থেমে থাকা গাড়িগুলো ব্যস্ত-ভাবে ইঞ্জিনে শব্দ তুলে সরব উপস্থিতি জানান দিলো। সিটে একটু রিলাক্স হয়ে বসে জানালার ওপাশে তাকালাম। দেখি, ফুটপাথের পাশ থেকে হঠাৎ বাসের সামনে কয়েকজন ছুটে এসেছে। ওদের কয়েকজন রাস্তায় তাক করে কি যেন ছুঁড়ে মারছে।
প্রচণ্ড শব্দ আর ধোঁয়াতে চারদিক ঢেকে গেলো। সাথে সাথেই আমার লোকাল বাসের সহযাত্রীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের আর্ত চিৎকার শুনা গেলো।

পরপর কয়েকটা ককটেল ফুটেছে বাসের সামনে।

যাত্রীরা বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সামনের গেটের কাছে প্রচণ্ড ভিড়। কে কার আগে নামবে হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে। অনেকেই চোখে ভয় নিয়ে এদিকওদিক তাকাচ্ছে। সামনের সিটের জনকে জানালা দিয়ে লাফ মেরে নিচে নামতে দেখে আমিও লাফ দিলাম। নিচে দাঁড়িয়ে একটা দৌড় লাগাবো এমন সময় উপর থেকে পাশে বসা ভদ্রলোকটি বলে উঠলেন, ভাই আমিও লাফ দিচ্ছি। আগে আমার ব্যাগটা একটু ধরেন।
উপর থেকে ব্যাগটা লুফে নিলাম। সুযোগটা এভাবে আসবে ভাবিনি।
আমার পকেটের মানিব্যাগে দশ হাজার টাকা আছে। কাল বড় একটা দাও মেরেছিলাম। আজ আবার এভাবে বড় পার্টি পাবো সত্যিই ভাবিনি।

অপেক্ষা করার মতো সময় আমার ছিল না। এধরনের কাজে অপেক্ষা করিনি আমি আগে কখনো। আমার পা যেন আমাকে টেনে নিয়ে চলল সামনের দিকে। দৌড় লাগালাম। পিছনে তাকাইনি। ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত থামিনি। অনেক দূরে, অনেক দূরে এসে একটা গলিতে ঢুকে থামলাম।

একটা তৃপ্তির হাসি ভিতর থেকে আমার মুখে উঠে এলো। ব্যাগটা বেশ ভারীই লাগছে। জিপার চেনটা খুলে আবেশে চোখ বন্ধ করে ফেললাম।

কিছুই ছিল না ভিতরে পুরনো অনেকগুলো পত্রিকা ছাড়া। সুনিপুণ হাতে দলা-মোচা করে ভিতরে পাকিয়ে রাখা হয়েছে।

শালা ! ছোটলোক। মুখ খারাপ করে গালি দিয়ে ফেললাম। প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে ব্যাগটা ছুড়ে ফেললাম ডাস্টবিনে।

মেজাজ চড়ে গেছে। সিগারেট না হলে চলবে না এই মুহূর্তে। একটু সামনের টঙটার দিকে হাঁটছি। পিছনের পকেটে হাত চলে গেলো নিজের অজান্তে।

আমার মানিব্যাগটা বেমালুম হাওয়া হয়ে গেছে !

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ সকাল ১১:৫৭

শায়মা বলেছেন: হায় হায় !!!!!!!!!!






হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা



ঠিক হইসে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


চোরদের এমনই হওয়া উচিৎ! :P

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১২:২০

আমি সাজিদ বলেছেন: হাহাহ। একদম। একেবারে।

২| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ সকাল ১১:৫৮

শায়মা বলেছেন: সুন্দর গল্প ভাইয়ু!!!!!!!!!!!!! অনেক ভালো লিখছো মনে হচ্ছে ইদানিং!!!!!!!!


ভাইয়া সেই আবৃতির কি খবর?? আমি যে শিখিয়ে দিয়েছিলাম ......:)

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১২:২০

আমি সাজিদ বলেছেন: করেছি। বেশ ভালো হয়েছে সবাই বলেছে।

একটু আধটু লিখি আরকি শখে। এইটাও পড়ো আপ্পি আমাদের এন্টি ভ্যালেন্টাইন কথন..

৩| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: হাহা! চোরের ওপর বাটপারি। গল্প ভালো হৈসে, তবে এমন থিমের লেখা আগেও পড়েছি।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:০২

আমি সাজিদ বলেছেন: এইটা আসলে ভাবছিলাম একটা শর্ট ফিল্ম এর স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য। পরে ভাবলাম, লিখেই ফেলি না কেন ?

তাই আরকি।

আমাদের মেডিকেলের প্রথম শর্ট ফিল্ম
অপলগ্ন

৪| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:৪১

এম এম করিম বলেছেন: মজা পেলাম।

অপলগ্ন দেখলাম।

+++

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:৪৪

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া :)

শুভকামনা সবসময়।

৫| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ২:১৯

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: হা হা হা

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: হাহাহ।

৬| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: ভালো লাগল। +++

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: হাহা। থ্যাঙ্কু ভাইয়া।


শুভকামনা থাকলো।

৭| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:৩৬

সুমন কর বলেছেন: বর্ণনা এবং গল্প ভাল লাগল।

০৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৩:১১

আমি সাজিদ বলেছেন: থাঙ্কু ভাইয়া :)



৮| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:০৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: গল্প ভালো লেগেছে, কিন্তু কিছু ইনফো চেঞ্জ করা উচিত। যেমন, লোক ঠাসা জ্যামে দাঁড়ানো বাসে সিগারেট খাওয়া, ব্যাংকিং আওয়ার চারটা পর্যন্ত, পাঁচটা নয়; ইভিনিং ব্যাংকিং হলে আরও বেশী হবে। যদিও এগুলো খুবই তুচ্ছ জিনিষ, কিন্তু চোখে লাগে বলে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম। আশা করি নারাজ হবেন না লেখক :)

শুভকামনা জানবেন, ভালো থাকুন সবসময়।

০৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৩:১৮

আমি সাজিদ বলেছেন: মোটেও না। কেন নারাজ হবো ভাইয়া ? যে জিনিষগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো মোটেও তুচ্ছ নয়। তুচ্ছ হলে চোখে পড়তো না।

অনেক ধন্যবাদ দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। তাড়াহুড়া করে লেখা, তাই হয়তোবা একটু আধটু এমন হয়েছে।

শুভকামনা সবসময়।

৯| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:২৩

আংশিক ভগ্নাংশ জামান বলেছেন: ভালো লাগলো।মজা পেলাম।

০৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৩:১৮

আমি সাজিদ বলেছেন: থাঙ্কু ভাইয়া।

১০| ০৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১২:০১

ভাঙ্গা ডানার পাখি বলেছেন: টান টান গল্প!

০৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৩:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: টান টান কমেন্টও :)

শুভকামনা ভাইয়া।

১১| ০৫ ই মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১২:৩০

তাহসিনুল ইসলাম বলেছেন: হা হা হা
ভালো লাগলো।
ভালো লিখেছেন :)

২১ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৪১

আমি সাজিদ বলেছেন: হাহাহ ।

ধন্যবাদ।

১২| ০৫ ই মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৩

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:

চোরের উপর বাটপারি। হা.হা. =p~

দারুণ হইছে। :)

২১ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৪

আমি সাজিদ বলেছেন: থ্যাংকস ভাইয়া :)

১৩| ০৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

হাসান মাহমুদ ১২৩৪ বলেছেন: বেপক মজা পেলাম। দারুণ!!! :#) :#) :#) :#) :#)

২১ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৫

আমি সাজিদ বলেছেন: :#) :#) :#) ভাইয়া

১৪| ০৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:২৪

নাভিদ কায়সার রায়ান বলেছেন: বাহ! সুন্দর! অপলগ্ন-ও দেখলাম। ভালো লেগেছে।

২১ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৭

আমি সাজিদ বলেছেন: অপলগ্ন প্রথম কাজ ছিল আমাদের। সে হিসেবে আমরা স্টাটিসফাইড।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য ভাইয়া।

১৫| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:০৭

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: ঠক ঠকায় ঠগিকে :)

চমৎকার লাগল।

২১ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৮

আমি সাজিদ বলেছেন: কৃতজ্ঞতা প্রোফেসর সাহেব :)

১৬| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:৫১

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: হা হা হা দারুণ গল্প হয়েছে। ভালো লাগলো। সেরের উপর সোয়া সের বলে একটা প্রবাদ আছে, সেটা মনে পড়ে গেলো।



ভালো থাকুন শুভেচ্ছা রইল :)

২১ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৪

আমি সাজিদ বলেছেন: শুভকামনা সবসময় ভাইয়া।

ভালো থাকা হোক।

১৭| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৮:৪৫

জুন বলেছেন: একেই বলে চোরের উপর বাটপারি আর কি :)
মজা পেলাম সাজিদ
+

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৮

আমি সাজিদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপুই পড়ার জন্য।

আসলে, লিখতে গিয়েও মজা পেয়েছি। হাহাহ।

শুভ সন্ধ্যা।

১৮| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪৪

কল্পদ্রুম বলেছেন: মজার ছিলো।গল্পের শেষটা নিঃখুত লেগেছে।

১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: পাঁচ বছর আগের লেখা! অনেকদিন পর কেউ পড়লো। ধন্যবাদ কল্পদ্রুম ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.