নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

And miles to go before I sleep...।

আমি সাজিদ

প্রিয় মানুষদের সাথে চা ছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি।

আমি সাজিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রিয়দর্শিনীকে লেখা নেহেরুর চিঠি, বিশ্ব ইতিহাস প্রসঙ্গ - ১

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮


স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার অপরাধে ব্রিটিশ সরকার জওহরলাল নেহেরুকে কারাগারে পাঠায় অনেকবার। কারাগারে বসেই নেহেরু চিন্তা করলেন মেয়েকে বিশ্বের ইতিহাস জানাবেন। কিন্তু জানানোর মাধ্যমটা কি হবে? কারাগার থেকে তো স্বজনদের সাথে সবসময় দেখা করা যায় না! সবদিক ভেবে নেহেরু কন্যা ইন্দিরাকে চিঠি লেখা শুরু করলেন। একসময় এই চিঠিগুলো সংকলিত হয়ে প্রকাশ হল বই আকারে। নাম তার 'গ্লিমসেস অব ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি', বাংলা অনুবাদে ' বিশ্ব ইতিহাস প্রসঙ্গ'। চিঠিগুলো লেখা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন কারাগার থেকে, ১৯৩০-১৯৩৩ এই সময়কালের মধ্যে। চিঠিতে জওহরলাল নেহেরু বর্ণনা করেছেন মানবজাতির ফেলে আসা ইতিহাসকে, আবিষ্কার করতে চেয়েছেন পুরাতনের সাথে নতুনের সম্পর্ককে। নেহেরুর বর্ণনায় চিঠির বিবরণ যেমন মূল্যবান হয়েছে ঠিক তেমনভাবে চিঠিগুলোতে প্রকাশ পেয়েছে নেহেরুর ব্যক্তিত্ব। সব মিলিয়ে চিঠির সংকলনটি সময়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছে সর্বজনীন ও সর্বকালের।

সামহোয়্যারইনের জন্য ধারাবাহিক আকারে থাকবে ' বিশ্ব ইতিহাস প্রসঙ্গ ' নিয়ে ধাপে ধাপে কিছু বলার প্রচেষ্টা। বিরাট পরিধি নিয়ে লেখা ইতিহাসের সরল কিন্তু গভীর পাঠের এই সিরিজে আপনাকে স্বাগতম।


শুরুর কথা.......

নাইনির সেন্ট্রাল জেল থেকে ইন্দিরাকে লেখা প্রথম চিঠিটির শিরোনাম ' জন্মদিনের চিঠি'। সেখানে নেহেরু লিখেছেন-

" তোমার আমার মধ্যে অনেক কথা হয়েছে, তা বলে মনে কোরো না- সেই অতিবিজ্ঞের মতো- যা শেখবার মতো যা শেখবার তা শেখা হয়ে গেছে, জানা হয়ে গেছে, আমাদের এই বিস্তীর্ণ পৃথিবী ছাড়াও আরও কতসব আশ্চর্য জগৎ আছে - তাদের সম্বন্ধে শিখতে হলে, জানতে হলে কিন্তু অতিবিজ্ঞের মতো বড়াই করলে চলবে না। "

নেহেরু তাঁর শুরুর দিকের চিঠিতে বলতে চেয়েছেন, বালিকা ইন্দিরাকে উদ্দেশ্য করে লেখা সহজপাঠ চিঠিগুলোকে কোনভাবেই পৃথিবীর ইতিহাস বলা যায় না। বরং তাতে সমস্ত পৃথিবীর ইতিহাসে বিভিন্ন দেশের সম্পর্কের পরস্পরাক্রমের সাথে অতীত ও সেইকালের চলমান ঘটনার একটি যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র। নেহেরুর বলা ইতিহাসের বিষয়বস্তু ছিল - বর্বরতা অতিক্রম করে সভ্যতায় পরিনতি। একেই মূলমন্ত্র ধরে নেহেরু বাকি রচনাতে এগিয়েছেন।

নেহেরু ইন্দিরাকে দূরপাঠ দেওয়া শুরু করেছেন এশিয়া ও ইউরোপের পতন-উত্থানের ইতিহাস জানিয়ে৷ এশিয়ার ভাগ্য বিপর্যয় ও ইউরোপের উত্থান নিয়ে নেহেরু বলেছেন, ভারতবর্ষে আর্যদের আগমনের হাজার বছর আগেই গড়ে উঠেছিলো মহেঞ্জোদারো সভ্যতা। এরপরে গড়ে উঠেছিলো দ্রাবিড় সভ্যতা, শেষে আর্যদের আগমনে নতুন করে রচিত হয় ভারতবর্ষের ইতিহাস। আর এই সময়টায় ইউরোপ কেমন ছিল? তখনকার ইউরোপকে নেহেরু বলেছেন বর্বর।

নেহেরু লিখেছেন, " এশিয়া ও ইউরোপকে পাশাপাশি রাখলেই আমরা দেখতে পাব সময়ের ফেরে কীভাবে ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে গেছে। পৃথিবীর মানচিত্র খুলে দেখো- দেখতে পাবে স্বল্পায়তন ইউরোপ এশিয়ার বিস্তীর্ণ ভূখন্ডের সঙ্গে কেমন করে জুড়ে রয়েছে, মনে হবে ইউরোপ এই মহাদেশেরই একটি ক্ষুদ্র অংশ বিশেষ।"

নেহেরু সবসময় চেয়েছেন সভ্যতার অগ্রগতিতে ইউরোপের প্রাপ্য গৌরব তাকে দিতে, কিন্তু সেটা এশিয়াকে খাটো করে নয়।

(চলবে)

মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইন্দিরা গান্ধী নিজের বাবা ও মহাত্মার ভাবনাকে ধারণ করেছিলেন; সেটাই ছিলো উনার রাজনীতির ধারা।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৪

আমি সাজিদ বলেছেন: বেশ, ইন্দিরা গান্ধীর আদর্শ ও রাজনীতির ধারা নিয়ে জানলাম। মানুষ হিসেবে তার মূল্যায়ন কেমন করবেন?

২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আশা করছি চমৎকার একটা সিরিজ হবে।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৫

আমি সাজিদ বলেছেন: চেষ্টা করবো প্রায় হাজার পাতার বইটি কয়েকটি পর্বে নিয়ে আসার জন্য।

৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩০

মা.হাসান বলেছেন: 'মা-মনিকে বাবা', সম্ভবত এই শিরোনামে এর বাংলা অনুবাদ বের হয়েছিলো। সব বাচ্চাদের পড়া উচিৎ। বাবাদের ও। বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৬

আমি সাজিদ বলেছেন: প্রথম পর্ব পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই৷ কতোই না চমৎকার বিষয়, তিনি মেয়েকে ইতিহাসের শিক্ষা দিয়েছেন জেলে বসে। বইটির চিঠিগুলো খুব সরল সহজ ভাষায় রচিত যেন কম বয়সী পাঠকরা সহজেই পড়তে পারে, আবার বইটির পরিধি এতো বিশাল যে, বড়দের জন্যও বেশ কিছু উপকরণ রয়েছে এখানে। একটু আগেই দ্বিতীয় পর্ব দিলাম। আমি ইতিহাসের ছাত্র নই। আমার ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই সিরিজটায় আপনাদের আলোচনা আমাকে সমৃদ্ধ করবে।

৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৪

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: ভাল লেগেছে।
ধন্যবাদ জানাই ছোট ছোট করে পোষ্ট দেয়ার জন্য।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৪

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার। আপনার জন্য ছোট করে দ্বিতীয় পর্বও দিলাম আজকে।

৫| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এশিয়া ইউরোপের কাছে ছোট হয়ে যায় শিল্প বিপ্লবের পর।শিল্পে ওরা বড় হয়ে যায়, কৃষিতে থেকে আমরা ছোট হয়ে যাই।সেই ধারা এখনো চলছে।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

আমি সাজিদ বলেছেন: জ্বি। শিল্পে ওরা বড় হওয়ার আগে এশিয়া থেকেই ধন সম্পদ নিয়ে নিজেদের সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল। নতুন শিল্প বিপ্লবে এখন পর্যন্ত কি এশিয়া এগিয়ে নয়? গণচীনের উত্থান কি ইংগিত দেয়? আপনার কি মনে হয়? আগামী বিশ বছর পরে কার অবস্থান কোথায় থাকতে পারে? জানাবেন। ধন্যবাদ।

৬| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ভালো একটা সিরিজ লেখা শুরু করেছেন। পৃথিবীর অনেক মূল্যবান গ্রন্থ লেখা হয়েছে জেলে বসে। জেলে থাকা অবস্থায় মানুষ মনে হয় অনেক গভীরভাবে চিন্তা করতে পারে এবং নির্মোহভাবে লিখতে পারে। জেলে থেকেও যে সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা অন্তত করা যায় তা দেখিয়ে দিয়েছেন পণ্ডিত নেহেরু জি। বিখ্যাত মানুষদের সন্তান বিখ্যাত হওয়ার ঘটনা খুব বেশী দেখা যায় না। ইন্দিরা গান্ধীর নিজস্ব মেধা তো ছিলই সেই সাথে অল্প বয়স থেকেই পিতার দিক নির্দেশনা তাঁকে আরও পরিশীলিত করেছিল।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

আমি সাজিদ বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া৷ অস্কার ওয়াইল্ড, জওহরলাল নেহেরু, ও হেনরি, নেলসন ম্যান্ডেলা, শেখ মুজিবুর রহমান এনাদের বইয়ের নাম জানতাম শুধু, যা জেলে বসে লেখা। আজকে দেখলাম হিটলারের মাইন ক্যাম্ফও জেলে বসে লেখা! কত কিছুই যে জানি না।
জওহরলাল বোধহয় শিশুদের মন বুঝতে পারতেন, তাকে চাচাজী বলে ডাকতো বাচ্চা কাচ্চার দল। পরবর্তী প্রজন্মের প্রতি কেমন স্নেহপরায়ণ ছিলেন তার ধারনা এই বইটির পড়তে পড়তে আমি বুঝতে পারছি।

কয়জনই বিখ্যাত বাবার সন্তানই বা বিখ্যাত বাবার দিক নির্দেশনা পায়? ইন্দিরা ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম, ব্যাপারটা চমৎকার। আমি একসময় তাঁকে নিয়ে পড়ার আশা রাখি।

৭| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: চলতে থাকুক। সাথে আছি।
আমি আজ পর্যন্ত নেহেরুর কোনো লেখা সম্ভবত পড়ি নাই।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

আমি সাজিদ বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আমি ভেবেছিলাম আপনি পড়েছেন।

৮| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:২৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ইতিহাস নিয়ে লিখা চমৎকার সিরিজ ।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৭

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ নেওয়াজ ভাই, আশা করি ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো সাথে নিজের চর্চাটাও হবে।

৯| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: নেহেরু জেলে বসে The Discovery of India লিখেছিলেন।
কিন্ত তার সব জ্ঞান-গুণ তুচ্ছ হয়ে যায় স্বাধীন যুক্ত বাংলা প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা,কাশ্মীর দখল, সেখানে গণভোট হতে না দেয়া আর অনেকগুলি জাতিরাষ্ট্রের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ধর্মের ভিত্তিতে ভারত নামের জঙ্গী হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘটনায়।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩০

আমি সাজিদ বলেছেন: বড় আকারে আপনার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার আশা রাখি। আমি শুধু নেহেরুর চোখে বিশ্বের ইতিহাসের কিছু অংশ তুলে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৪

আমি সাজিদ বলেছেন: আপনি আপনার গতকালের এক পোস্টে একজন ব্লগারকে জানোয়ার বলেছেন। এইটা আশা করি নাই। আমি অবাক হয়ে গেছি। আপনার পোস্টই কিনা দুইবার চেক করেছি। অন্য প্রসঙ্গে বলার জন্য দুঃখিত।

১০| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: উপরে বরকতউল্লাহ ভাই ধন্যবাদ জানিয়েছেন পোষ্ট ছোট করে দেয়ার জন্য। আর আমার এতো ছোট্ট পোষ্ট ভালো লাগে না। বিশেষ করে সেটা যদি সিরিজ হয়। যাই হোক, ভালো একটা লেখা শুরু করেছেন। আশা করছি, শেষও করবেন।

অল দ্য বেস্ট। :)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪১

আমি সাজিদ বলেছেন: তৃতীয় পক্ষ হয়ে চিঠি পাঠ করে ভেতরের লেখা ও লেখককে বোঝা এবং সেটার প্রাসঙ্গিকতা পর্ব আকারে তুলে ধরা, সোজা নয় মোটেও। আর আমি তো আনাড়ি লেখক। শেষ করার চেষ্টা অবশ্যই থাকবে।

১১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৬

অক্পটে বলেছেন: বিষয়টা খুব চমৎকার। প্রথম পর্ব পড়লাম। সিরিজ আকারের লেখা পর্বগুলো বেশি ছোট হয়ে যাচ্ছে। এত ছোট সিরিজ পড়ে মনের কৌতুহল মিটছেনা। ধন্যবাদ লেখাটি শুরু করার জন্য।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ অকপটে৷ সিরিজটি লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে নেহেরুর চোখে দেখা ইতিহাসের ঘটলাবলী ও সে সমন্ধে তার চিন্তাধারা বুঝার চেষ্টা করা। আমি স্বীকার করে নিচ্ছি এই বইটি ইতিহাসের বাইবেল বা কোরআন নয়। কিন্তু বেশ কিছু ভালো গ্রন্থের মধ্যে একটি মাত্র। তৃতীয় থেকে পরের পর্বগুলো বড় রাখার চেষ্টা করবো।

১২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৯

করুণাধারা বলেছেন: খুব ভালো বিষয়ে লেখা শুরু করেছেন, আশাকরি আমাদের আগ্রহ এভাবে বজায় থাকবে আপনার শেষ পর্ব পর্যন্ত।

ধারণা করছি বিশ্ব ইতিহাসের নানা দিক নিয়ে লেখা আছে বইটিতে। সম্ভবত এটার একটা সংক্ষিপ্ত রূপ পড়েছিলাম "মামনিকে বাবা" নামে, এর ইংরেজি বইটার নাম ছিল "From a father to his daughter."

লেখার আকার খুব ছোট মনে হচ্ছে। আর প্রতি পর্বে আগের পর্বের লিঙ্ক দিলে ভালো হয়।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:২৮

আমি সাজিদ বলেছেন: মা-মনিকে বাবা আগে পড়া হয়নি। বই পড়েছি কম নয় আবার বেশীও নয়, কিন্ত কেউ তখন বলে দেয়নি যে, এই এই বইগুলো পড়া দরকার। জানা থাকলে অবশ্যই পড়তাম। প্রথম দুটি পর্ব পরপর প্রকাশ করে বুঝার চেষ্টা করেছি সিরিজটির গ্রহনযোগ্যতা কেমন হতে পারে বা লেখার সময় কোন দিকগুলো আমার মাথায় রাখা উচিত। আশা করি, পরের পর্বগুলোতেও আপনাদের আগ্রহ ধরে রাখতে পারবো। লেখার বড় আকার এবং লিংকগুলো দেওয়া থাকবে অবশ্যই।

১৩| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১৬

শোভন শামস বলেছেন: একটা অবশ্যপাঠ্য বই, বিশ্ব ইতিহাসকে এক মলাটে নিয়ে এসেছে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৫

আমি সাজিদ বলেছেন: বিশ্ব ইতিহাসকে এক মলাটে নিয়ে আসাটাই এই বইটির সার্থকতা। অবশ্যপাঠ্য ।

১৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৩৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: কোনো ব্লগারকে জানোয়ার বলিনি।
বলেছি তাকে যার একমাত্র কাজ অন্যের ব্লগে গিয়ে নোংরা মন্তব্য করা।
মেয়েদের নিয়ে পরনিন্দা ও পরচর্চা করা, তাদের সম্পর্কে ব্লগের মতো জ্ঞান-চর্চার জায়গার নোংরামী করা।
সব কিছুরই একটা সীমা থাকা উচিত।
যেড ভদ্রতা , শিষ্টাচার -কিছুই জানে না, সে এখানে কি করে?
সামনে পেলে এটাকে গুলি করে মারতাম।
অনেক যোগ্যতার মতো আমার আরেকটা যোগ্যতা হচ্ছে রাইফেল-পিস্তল দুইটা চালানোতেই পারদর্শীতা।কোনো ব্লগারকে জানোয়ার বলিনি।
বলেছি তাকে যার একমাত্র কাজ অন্যের ব্লগে গিয়ে নোংরা মন্তব্য করা।
মেয়েদের নিয়ে পরনিন্দা ও পরচর্চা করা, তাদের সম্পর্কে ব্লগের মতো জ্ঞান-চর্চার জায়গার নোংরামী করা।
সব কিছুরই একটা সীমা থাকা উচিত।
যে ভদ্রতা , শিষ্টাচার -কিছুই জানে না, সে এখানে কি করে?
সামনে পেলে এটাকে গুলি করতাম।
অনেক যোগ্যতার মতো আমার আরেকটা যোগ্যতা হচ্ছে রাইফেল-পিস্তল দুইটা চালানোতেই পারদর্শীতা।
এসব কথা ব্লগার বলে?
দেখেন সে এখানে কি করে ।
একজন প্রবীণ লেখককে সন্মান করা তো দুরে থাক, পরিকল্পিতভাবে হেয় করছে।
বারবার অভিযোগ করার পরও প্রতিকার না পেলেই মানুষ নিজে হাতে আইন নিতে চায়। https://www.somewhereinblog.net/blog/lurzan

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৬

আমি সাজিদ বলেছেন: ও, এই নিক! আমি ভেবেছিলাম অন্য কেউ!

ঠিক কথা বলেছেন।

১৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০০

জুন বলেছেন: ইন্দিরা গান্ধীকে লেখা তার বাবার চিঠিতো ঐতিহাসিক আর ব্যাতিক্রমী হওয়ারই তো কথা আমি সাজিদ। উচ্চ শিক্ষিত আর জ্ঞানী গুনী পিতার কন্যাকে লেখা চিঠিগুলো পড়েছি। তারপর ও আপনার ঝরঝরে সাবলীল লেখায় সাথী হোলাম।
+

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২০

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ জুন আপু। আশা করি পরের পর্বগুলোতেও আপনার অনুপ্রেরণা পাবো।

১৬| ০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:০৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভালো একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে বড্ড ছোট লাগলো।
পোস্টে নবম লাইক।
শুভকামনা জানবেন।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:১৪

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ ব্লগার। পরের পর্বগুলোতেও আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।

পর্ব দুই

আর এই যে,
পর্ব তিন

১৭| ০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:৩৫

ঢুকিচেপা বলেছেন: বাহ্ খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে লেখা শুরু করেছেন।
এ পর্বটি ভালো লেগেছে। পরের পর্বগুলোও পড়ে দেখি।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:১৬

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। তিন নম্বর পর্বে আপনার বড় সড় একটা মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি। আপনার জন্য আকবরিয়া আর শ্যামলীর মিষ্টি থাকলো উপহার হিসেবে।

১৮| ০২ রা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৪

ঢুকিচেপা বলেছেন: “ তিন নম্বর পর্বে আপনার বড় সড় একটা মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি।”
হাহাহা..... আগে কিছু পড়ে মাথার মধ্যে নিয়ে নেই, তারপর না বড় মন্তব্য। তবে বড় সড় মন্তব্য মনে হয় করতে পারবো না, কারণ লেখাটা আমি ইতিহাস হিসাবে পড়ছি, পলিটিক্যাল সাইড টোটাল অফ।

“ আপনার জন্য আকবরিয়া আর শ্যামলীর মিষ্টি থাকলো উপহার হিসেবে।”
বেশ বেশ!!! মিষ্টিগুলো ফ্রিজে রাখলাম, সাতমাথায় এলে আওয়াজ দিয়েন, একসাথে খাবো।

মিষ্টির জন্য ধন্যবাদ, বর্তমানে চিনিপাতার মিষ্টি খুব ভালো চলছে।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৪০

আমি সাজিদ বলেছেন: চিনি পাতা দই ভালো লাগতো। মিষ্টি খেয়ে দেখি নি। ওই মহরম আলীই কিনতাম। আপনার সাথে এক বছর আগেও যদি পরিচয় হতো তাহলে সাতমাথায় এসে আওয়াজ দিতে পারতাম। জেলা স্কুলের সামনের কাবাবের দোকানগুলো আমার বেশ পছন্দের ছিল। সেসব মিস করি অনেক।

১৯| ০২ রা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫২

ঢুকিচেপা বলেছেন: মহরম আলী থেকে অনেক আগে দই, মিষ্টি কিনতাম পরে এশিয়া চালু হওয়ার পরে এশিয়া থেকে। এরপর একদিন চিনি পাতা থেকে দই, মিষ্টি কেনার পর অন্যসব দোকান বাদ।

এখন নতুন একটা চালু হয়েছে, মিষ্টি নাকি দারুণ, টেস্ট করা হয়নি।

কাবাব বেশি খাওয়া হয়েছে নিউ মার্কেটের পিছনের গেটে, জামিলের কাবাব আর কলোনীতে। জিলা স্কুলের সামনে খুব কম খেয়েছি।

“ আপনার সাথে এক বছর আগেও যদি পরিচয় হতো তাহলে সাতমাথায় এসে আওয়াজ দিতে পারতাম।”
কোন সমস্যা নেই, এক বছর পরে আওয়াজ দিলেও চলবে, আমি তো আছিই (যদি বেঁচে থাকি)।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:১৫

আমি সাজিদ বলেছেন: দেখুন কান্ড। এশিয়ার কথা কিভাবে আমি ভুলে যাই। এশিয়া থেকেও অনেকবার দই মিষ্টি কিনতাম। এশিয়ার ল্যাঞ্চা মিষ্টির স্বাদ কেমন করে ভুলি? কলোনীর চাপের দোকান বেশ লাগতো। চাপের দোকানের পাশে এক বিহারী দাদুর পঞ্চাশ টাকার কাবাব প্যাকেজ ছিল, এই কয় বছরে আছে কিনা জানি না, সেটাও বেশ লাগতো।

বেশ যদি বেঁচে থাকি কোনদিন দেখা হবে। ইতিহাসের পাতায় খাবারের আলাপ ভালোই জমেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.