নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

And miles to go before I sleep...।

আমি সাজিদ

প্রিয় মানুষদের সাথে চা ছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি।

আমি সাজিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রিয়দর্শিনীকে লেখা নেহেরুর চিঠি, বিশ্ব ইতিহাস প্রসঙ্গ- ২

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৬


ইন্দিরাকে নেহেরু শুনিয়েছেন মিশর, ক্রীটদ্বীপ, ইরাক, চীন ও ভারতবর্ষের সভ্যতার গল্প। এসব জায়গাতে যেন চিঠিগুলোয় চড়ে মেয়েকে নিয়ে চষে বেড়িয়েছেন তিনি। বর্ণনা করেছেন অনেক সভ্যতা ও সাম্রাজ্যের উত্থান পতন। নেহেরু লিখেন -

" বিপুলা পৃথিবীর কাছে একটি জাতি বা দেশের উত্থানপতনে এমন কিছু যায় আসে না। "

প্রাচীর চীন ও ভারতসভ্যতাকে আজকের চীন ও ভারতের জীবনধারার ভিত্তি স্বরুপ হিসেবে দেখেছেন নেহেরু। এটা সত্য যে, ইতিহাসের সূচনা লগ্ন থেকে ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির যে বিশাল পরিপ্রেক্ষিত ও অবিচ্ছন্নতা, তাকে কোনভাবেই আলোচনার বাইরে রাখতে চাননি তিনি।

নেহেরুর নাইনি সেন্ট্রাল জেলের চিঠিগুলোয় আমরা দেখতে পাই, তিনি কন্যা ইন্দিরাকে বলেছেন আর্যদের দুই ধারায় বিভক্ত হওয়ার গল্প, কিভাবে আর্যদের একদল এশিয়া থেকে পশ্চিমে এগিয়ে গেল আর অন্যদল ভারত বর্ষের দিকে আসলো তার গল্প। কেমন করে গ্রীক আর্যদের উপর নোসস সভ্যতার প্রভাব এবং ভারতীয় আর্যদের উপর দ্রাবিড় সভ্যতার প্রভাব পড়েছিলো তার সাবলীল বর্ণনা।

নেহেরু ইন্দিরাকে প্রাচীন নগরায়নের কথা বলেছেন। ভারতীয় আর্য সভ্যতা ও গ্রীক আর্য সভ্যতার মধ্যে নগরায়নের মিল ও দুই সভ্যতার শুরুর দিকে স্থাপিত স্বতন্ত্র নগর রাষ্ট্রগুলোর কর্মপরিধি বর্ণনা করেছেন। নেহেরুর ভাষায় এসময়ের ইউরোপে মাত্র সবুজের জাগরণ শুরু হয়েছে। মধ্য ইউরোপের যে বিস্তীর্ণ প্রান্তরটি বসবাসের অনুপযোগী ছিল, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে কিভাবে তার পটপরিবর্তন হলো সেটা নিয়ে একটা ধারনা পাওয়া যায় নাইনির জেলে বসে লেখা শুরুর দিকের এই চিঠিগুলোতে।


যে সময়টায় পীত নদীর তীরে মঙ্গোলিয়ানরা এশিয়া থেকে গিয়ে বসবাস শুরু করলো, তা হবে খৃস্টপূর্ব পাঁচ হাজার বছর আগের কথা। সুনির্দিষ্ট শাসন প্রাণালী ছাড়া কয়েক হাজার বছর অতিবাহিত হওয়ার পর চীনের সমাজপতিরা কিভাবে সম্রাটে পরিনত হয়ে যান সে কথা বলার পাশাপাশি প্রাচীন কালে কৃষিবিদ্যা আবিষ্কার হওয়ার পর সমাজ ভিত্তির পরিবর্তন নিয়েও নেহেরু কন্যা ইন্দিরাকে ধারণা দেন। এই নতুন সমাজ বিন্যাসের সর্বোচ্চ স্তরে সমাজপতিদের জায়গা দখল এবং সম্পদ কুক্ষিগত করার যে প্রচলন হয়, তা এখনও বিদ্যমান, এমনটাই বলতে চেয়েছেন নেহেরু। এই চিঠিটির নাম 'ধনসম্পদ যায় কোথায়?'

নাইনি জেলে বসে লেখা প্রায় বিশটি চিঠির শেষের দিকে নেহেরু পৃথিবীর ইতিহাসকে টেনে নিয়ে আসেন খৃস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের দিকে। এই সময়টাকে ধর্ম ও সভ্যতার আঙ্গিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে সংগায়িত করা হয় চিঠিতে। কাছাকাছি সময়ে ভারতবর্ষে বুদ্ধ ও মহাবীর, চীন দেশে কনফুসিয়াস, পারস্যে জোরোআস্টার ও গ্রীসে পীথাগোরাসের জন্ম নেহেরুকে ভাবায়। পাঠকদের ভাবনার জগতে নিয়ে যায়। বালিকা ইন্দিরাকেও কি ভাবিয়েছিল, পাঠকদের বেশ জানতে ইচ্ছে করে।

বুদ্ধের আবির্ভাবের পর ভারতবর্ষে বৈদিক ধর্মের অবনতি ও বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ও প্রসার নিয়েও নেহেরুর উৎসাহ দেখতে পায় পাঠকরা চিঠিতে৷ তবে ধর্ম নিয়ে নেহেরু ব্যক্তিগত মতামতের কিছু অংশ দেখা যায় -

" দুঃখের বিষয়, পরলোকের প্রতি আমার তেমন অনুরাগ নেই, ইহলোকে আমার কী করা উচিত এইটেই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।"

তবে ধর্মের বিষয়ে যেকোন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ইন্দিরাকে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন নেহেরু -

" আজ যদি আমার সব কথা তুমি বুঝতে নাও পারো, তাতে কিছু আসে যায় না। কিছুদিন পর আপনা থেকেই বুঝতে পারবে।"


(চলবে)

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কয়েকটা পর্ব জমুক, তারপরে জমিয়ে পড়বো। :)

অ.টঃ আমার জাতীয় অর্থনীতি এবং প্রবাসীদের মুল্যায়ন পোষ্টে আপনার মন্তব্যের উত্তর দিয়েছি। দেখেছেন আশা করি।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৮

আমি সাজিদ বলেছেন: পর্বগুলো নিয়মিত দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি সামনের সপ্তাহেই বেশ কয়েকটা পর্ব পেয়ে যাবো আমরা। সামনের পর্বগুলো বড় করার চেষ্টাও করবো। আমি কিন্তু ইতিহাসের মনোযোগী ছাত্র ছিলাম না কখনও। আমার ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। সিরিজটায় কোন প্রকার গলদ চোখে পড়লে জানাবেন এবং ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।

আমি কিন্তু আগেই আপনার প্রতিউত্তর পড়েছি। অনেক ধন্যবাদ আপনার দৃষ্টিকোন থেকে বিষয়টা বুঝানোর জন্য। ওই লোকের লেখাটা আমারও কেমন যেন লেগেছে। তার কাছে কোটিপতি হওয়াটাই জীবনে সবকিছু মনে হয়।

২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: বাহ। মূল্যবান চিঠি। এবং অবশ্যই জ্ঞানী মানুষের ভাবনা।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আমি সাজিদ বলেছেন: জ্বি। চিঠিগুলোর অনুবাদ পড়ছি আর অবাক হচ্ছি। আশা করি সিরিজের বাকি পর্বগুলোও পড়বেন। ধন্যবাদ।

৩| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও জানার বিষয় চলতে থাকুক

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৪

আমি সাজিদ বলেছেন: আশা করি চালিয়ে যেতে পারবো। আমিও জানতে পারছি বেশ।

৪| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই সময় ইন্দিরা গান্ধির বয়স কত ছিল? কত বছর এরকম চিঠি আদান প্রদান হয়েছিল?

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৩

আমি সাজিদ বলেছেন: এসময় ইন্দিরার বয়স ছিল বারো বছর। প্রায় তিন বছর এমন চিঠি আদান প্রদান হয়েছিল। ১৯৩০-১৯৩৩ সাল। ১৯৩৪ সালে বা ১৯৩৫ সালের দিকে চিঠিগুলো বই আকারে প্রকাশ পায়।

৫| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


নেহেরু ব্রাম্মণ ছিলেন, কিন্তু "পরলোক" নিয়ে মাথা ঘামাননি; ইহা নিয়ে আপনার ভাবনা?

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২

আমি সাজিদ বলেছেন: জাতপাত মানতে চাননি। কট্টরপন্থী ছিলেন না বোধহয়। এমন আন্দাজই পাচ্ছি।

৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ভালোলাগা !

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪৩

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপা। আশা করি পরের পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন।

৭| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " জাতপাত মানতে চাননি। কট্টরপন্থী ছিলেন না বোধহয়। এমন আন্দাজই পাচ্ছি। "

-জাতপাত, নর্ণ কি পরলোকের ব্যাপার?

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪৯

আমি সাজিদ বলেছেন: আমি যতদূর বুঝেছি তিনি প্রচলিত হিন্দু ধর্মের রীতি থেকে একটু সরে গিয়েছিলেন এই সময়টায় মানে ১৯৩০ এর পরের কয়েক বছর। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি তাঁর আগ্রহও ফুটে উঠে সময়টায়। পরে কি হয়েছিল তা জানার জন্য আমাকে পড়তে হবে।

জাতপাত কিন্তু পরোকালের ব্যাপার হয়ে আসেনি শুরুতে। সমাজ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসেছে। এরপরই ধর্মীয় রং পেয়েছে। তাই নয় কি?

৮| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পোষ্টে একটা মন্তব্য করেছিলাম। এখন এসে মন্তব্যটা দেখতে পাচ্ছি না!!! ঘটনা কি?

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৫১

আমি সাজিদ বলেছেন: আমি মাত্রই ব্লগে আসলাম। আট আর নয় নম্বর পেয়েছি আপনার কাছ থেকে। আর মন্তব্য পাই নি!

৯| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: প্রিয়দর্শিনী নামটা অনেক সুন্দর। কলেজে পড়ার সময় এই নামে আমার একটা বন্ধু ছিলো। সে আমাকে অনেক পছন্দ করতো। প্রিয়দর্শিনীই বার্গার আর কোক খাইয়ে খাইয়ে অভ্যাস খারাপ করে দিয়েছিলো।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫২

আমি সাজিদ বলেছেন: বেশ মজা পেলাম। সুন্দর নাম।

১০| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৩

করুণাধারা বলেছেন: নেহরু সম্পর্কে নতুন কিছু জানলাম। পর্ব ভালো লাগলো। কিন্তু কেউ যদি আগের পর্বে যেতে চায় তাহলে কীভাবে যাবে!

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৫

আমি সাজিদ বলেছেন: করুণাধারা আপি পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্রথম পাঁচ পর্ব লেখার পর প্রতি লেখার শেষে লিংক দিয়ে দেওয়ার চিন্তা আছে। আজ তৃতীয় পর্ব লেখলাম।

১১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৮

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: নেহেরু ধর্মের বিষয়ে ইন্দিরাকে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু সেই স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেন নাই।অন্য ধর্মের স্বামীকে মেনি নিতে পারেনাই।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৯

আমি সাজিদ বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নুরুল ভাই। নেহেরু নিজেই স্বীকার করেছেন যে, বইটি লেখার সময় তার যে চিন্তা চেতনা ছিল, তা পরে বহুলভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এই বিষয়ে সামনে বিশদ আকারে আলোচনা করার আশা রাখি।

১২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০৮

জুন বলেছেন: এই একটি কারনেই একসময় একজন রাজনীতিবিদ বা হবু রাজনীতিবিদের অবশ্য পাঠ্য ছিল ইতিহাস আর আইন। তাইতো ব্যারিস্টার নেহেরু তার মেয়েকে প্রাচীন সভ্যতার উন্মেষের সেই ইতিহাসের কথা লিখেছেন চিঠির ছত্রে ছত্রে। এই ইতিহাস আমরাও পড়েছি অনার্সে কিন্ত তা কোন ব্যবহারিক কাজে প্রয়োগ করার সৌভাগ্য হয়নি আমি সাজিদ। কিন্ত ভালোলাগা থেকেই পড়েছি।
হিস্ট্রি রিপিটস ইটসেলফ এটা আমাদের পাঠ্য ইতিহাস বইয়ের ভুমিকাতেই লেখা থাকে যেন এ থেকে ভবিষ্যত রাজনীতিবিদরা শিক্ষা নিতে পারে। কিন্ত নেয়না এটাই দুর্ভাগ্য। ফলে একই ফল বরন করে নেয় একের পর একেক জন।
পড়ছি ----
+

০১ লা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩১

আমি সাজিদ বলেছেন: আমাদের সিনিয়র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা হয়তো ইতিহাস আর আইন পড়েছেন। কিন্তু আমাদের বয়সী যাদের দেখেছি ছাত্র রাজনীতি করেছে বা করেছিল এরা এক অসুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশে ছিল, এদের দেখিনি কাউকে পড়তে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপি। নতুন পর্ব লেখলাম। পর্ব তিন

১৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো পোস্ট

০১ লা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩৩

আমি সাজিদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ছবি আপি। নতুন পর্বও দিচ্ছি৷ পর্ব তিন

১৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভালো লাগলো পরের গুলোর অপেক্ষাতে থাকলাম।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৪২

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ, মশিউর ভাই। এই যে পরের পর্ব

১৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৫

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: সুন্দর তথ্য চলতে থাক।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৪২

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি মাত্রই ব্লগে আসলাম। আট আর নয় নম্বর পেয়েছি আপনার কাছ থেকে। আর মন্তব্য পাই নি!

না না। ভুলটা কোথায় হয়েছে, বুঝতে পেরেছি। স্যরি।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৪৩

আমি সাজিদ বলেছেন: জ্বি আচ্ছা

১৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:১৮

কল্পদ্রুম বলেছেন: বইটা আমার পড়া হয়নি। ভালোই হলো আপনার লেখা পড়তে পেরে। ইতিহাস আমার একাডেমিক বিষয় না হলেও আগ্রহের বিষয়। সামনের পর্বগুলোরও অপেক্ষায় থাকলাম। আগের পর্বসহ এই পর্বের লেখাও ভালো লেগেছে।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:০৭

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ কল্পদ্রুম ভাইয়া। আমার একাডেমিক বিষয়ও ইতিহাস নয়। আমারও ইতিহাসের বিভিন্ন বিষয়ে কনসেপ্ট ক্লিয়ার ছিল না, ভাসা ভাসা পরীক্ষা উতরানোর জ্ঞান ছিল আর কি। কিন্ত আমি যখন ভবিষ্যৎ দেখতে চাই, আমাকে বর্তমান বলে অতীত না বুঝে ভবিষ্যৎ কেন? এদিক দিয়ে ভাবতে গেলে আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে তো সবারই কম বেশী পড়া হয়েছে, কিন্তু বিশ্বের ইতিহাস নিয়ে সবার মতোন আমারও কম বেশী কৌতুহল রয়ে গেছেই। কারন অতীত জানতে, অতীতের মানুষরা কি ভাবছিল তা জানতে ইতিহাসের পুরো ছবিটি দেখা জরুরী। এজন্যই এই বইটি ধীরে সুস্থে পড়ার চেষ্টা। এমন না যে নেহেরুকেই আমি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরে নিয়েছি। তবে বইটিতে নেহেরুর চিন্তা আলোচনার দাবী রাখে।

ভাবছি, ছোটগল্প আর ইতিহাসের নানা বিষয় নিয়েই এখন থেকে ব্লগে লেখব। নো ক্যাচাল। নো পলিটিকাল কমেন্ট। ও আচ্ছা, পরের পর্ব লিখেছি৷ সবাই ভালো হয়েছে বলে যাচ্ছে, আলোচনা করতে কেউই আগ্রহী না। নিজেও সবার সাথে আলোচনা করে নিজেকে বিষয়টিতে গড়তে পারছি না। এই যে - পরের পর্ব। আপনার মন্তব্য আশা করছি।

শুভ সকাল।

১৮| ০২ রা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১২:০৭

ঢুকিচেপা বলেছেন: পড়ে গেলাম ।
দেখি সামনের পর্বে কি অপেক্ষা করছে।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:০৮

আমি সাজিদ বলেছেন: সামনের পর্বে আপনার মন্তব্য আশা করছিলাম। ধন্যবাদ।

১৯| ০২ রা অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্কুলের পাঠ্যে চিঠিগুলো ঘুরে ফিরে এসেছে। তবে আপনার মূল্যায়নও ভালো হয়েছে। ++
যাই এখন তৃতীয় পর্বে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

০৩ রা অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

আমি সাজিদ বলেছেন: ধন্যবাদ চৌধুরী সাহেব৷

২০| ০৩ রা অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:২১

মা.হাসান বলেছেন: ইন্দিরা গান্ধির শিক্ষা জীবন অত্যন্ত বর্নিল ছিলো। বাবকে কাছে পান নি বলেই হয়তো পরের জীবনে নিজের আবেগকে চেহারায় প্রকাশ পেতে দেন নি। সময়াভাবে পোস্টে নিয়মিত আসতে পারি না, তবে এই সিরিজটির উপর আমার আগ্রহ রয়েছে, অনিয়মিত ভাবে হলেও পর্ব গুলো ভিজিট করে যাবো।

এরকম কঠিন কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনেক ধন্যবাদ।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৪৪

আমি সাজিদ বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ হাসান ভাই। মন্তব্যের ঘরে বিভিন্ন ব্লগারদের মধ্যে আপনার নাম দেখলেই আমি ওই লেখাটায় ঘুরে আসি, আপনি কি বলেছেন দেখার জন্য। অনিয়মিতভাবে হলেও সমস্যা নেই। আগ্রহ পেয়েছেন এটাই আমাকে বরং উৎসাহ দিচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.