| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২৯ তারিখ দলে দলে মানুষ ঢাকা অভিমুখে রওনা দিচ্ছে। আপোষহীন নেত্রী ডাক দিছে।নেতা কর্মীদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা। কিন্তু তারপর ........
হাজার হাজার নেতা কর্মী ঢাকায় আসল। ঢাকা বন্ধ হয়ে গেল। পুলিশ গুলি চালাল।প্রচুর মানুষ মারা গেল। অনেক নাম ডাক আলা কিছু বিদেশী সংগঠন সরকারের তীব্র নিন্দা জানাল।
কিন্তু তারপর.......
প্রতি বার নির্বাচনের সময় তৈরি হয় এই সব জটিলতা।কখনও না নির্বাচন কমিশনার কে নিয়ে কখন আবার পদ্ধতি নিয়ে।অতিত সবাই ভুলে যায়।ক্ষমতায় গেলে কেউ আর সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে চায় না। কারন তারা জানে তারা যে সব কাজ করে তাতে কোন সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারা ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়। তাই চলে নিত্য নতুন পদ্ধতীর উদ্ভাবন। ক্ষমতায় আসার পিছনের রাস্তার অনুসন্ধান ।
আজ খালেদা জিয়া যে ভাষণ দিলেন তাতেও ছিলও না কোন সমাধানের পথ। শুধু আপাতত ঠেক চালানো এই আর কি? নেতা কর্মীরা ঢাকায় আসার পরে আওয়ামীলীগ যদি তাঁদের দাবি মেনে নেয় তার পর তারা কি করবে?
কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে? কিংবা সামনের নির্বাচন গুলই বা কোন পদ্ধতিতে হবে নেই এসব বিষয়ে কোন নির্দেশনা।কোন স্থায়ী সমাধানের প্রস্তাবনা নেই।
সর্বোপরি সব কিছু দেখে মনে হয় খালেদার জিয়া চিন্তা এইবার ক্ষমতায় যাইয়া লই আর ছারুম না। আর আমাদের মত দুর্দশাগ্রস্তরা প্রতি নির্বাচনের আগে দেখবে হানাহানি। লাশ পরবে পথে। তাতে ওনাদের কিছু যায় আসে না। ওনারা তো রাজ প্রাসাদেই থাকবেন।।
২|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৩০
সুখের পাখি বলেছেন: ঠিক কথা বলেছেন
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৫২
েফরারী এই মনটা আমার বলেছেন: বাংলাদেশ অপার সম্পদ এবং সম্ভাবনায় পূর্ণ একটি দেশ । কিন্তু তারপরও এই দেশ কাঙ্খিত ভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না । এর কি কারণ ? এর মুল কারন হলো সঠিক ও যোগ্য এবং দেশ প্রেমিক নেতৃত্বের অভাব।।আর রাস্ট্রীয় সর্বচ্চো পর্যায় হতে সর্ব নিম্নপর্যায় পর্যন্ত দূর্নীতি ।আমরা সকলেই জানি যে,আমাদের দেশের কোন রাজনৈতিক দলের কোন নেতাই দেশ বা জনগনের জন্য রাজনীতি করে না, আদর্শে জন্য করে না ।সবাই নিজের জন্যেই রাজনীতি করে । বড়জোর নিজ পরিবারের জন্য। সে বর্তমান প্রধানমণ্ত্রীই হোক আর বিরোধীদলীয় নেত্রীই হোক,এরশাদ সাহেবই হোক আর সাবেক প্রেসিডেন্ট বদরূদ্দোজা চৌধূরীই হোক। সে ৭১'রণান্গনে বীর যোদ্বা আবদুল কাদের সিদ্দীকিই হোক আর দেলোয়ার হোসেন সাইদীই (দেইল্ল্যা রাজাকার) হোক। সাকাচৌই হোক আর তেতুঁল হুজুর(যদিও এদের নামের সাথে হুজুর শব্দটি লেখা ঠিক নয )শফি সাহেবই হোক। এদের মধ্যে কেউ একত্তরের চেতনা ফেরী করে বন্ধু বেশে শত্রু প্রতিবেশী দাদাদের আশির্বাদের(!) জন্য দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়,কেউ বা জাতীয়তাবাদী চেতনা ফেরী করে বন্ধুবেশি শত্রু , বিশ্ব সন্ত্রাসী মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের আস্থা অর্জনের জন্য সবকিছু করার অন্গীকার করে,কেউ ইসলাম রক্ষার দোহাই দিয়ে জণগনের জানমালের ক্ষতি করে বেড়ায় ইত্যাদি ইত্যাদি ।সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাছ্ছে যে, বাংলাদেশের অভ্যণ্তরীণ রাজনৈতিক জটিলতার সুযোগে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপতি-পররাষ্ট্র মণ্ত্রী-রাষ্ট্রদুত ,জাতিসংঘের মহাসচিব -বিশেষ দুত ইত্যাদি সকলে আন্তর্জাতিক কূটণৈতিক শিষ্টাচার লং্ঘন করে বাংলাদেশের অভ্যণ্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে যাছ্ছে । আর আমাদেরদেশপ্রেমিক(???) নেতা-নেত্রীগণ সাদরে বরণ করছে । শু তাই নয় , আয়োজন করে একে অপরের বিরূদ্দে তাদের কাছে নালীশ দিছ্ছে । একজনতো আরো একধাপ এগিয়ে জিএসপি সুবিধা বািতলের আবেদন পর্যন্ত করেছে। হায়রে দেশপ্রেম ???
মূলতঃ এরা সকলেই এক ও অভিন্ন আদর্শে (?) বিশ্বাসী। সেটা হলো দেশ ও জাতীর জন্য সর্ব্বোচ্চ ত্যাগের কিছু গৎবাধাঁ বুলি আওড়াও , জণগন নামক একদল গাধাঁর সামনে একগাদা মিথ্যা আশ্বাসের মুলা ঝুলিয়ে ছলে বলে কৌশলে ক্ষমতায় যাও ।আর দূর্নীতির মাধ্যমে জনগনকে ন্যয্য অধিকার থেকে বন্চিত করে রাস্ট্রের কোটি কোটি টাকা চুরি করে টাকার পাহাড় গড়ে তোল । তাদের সময় কোথায় দেশ ও জনগকে নিয়ে ভাবার ।আর তারই ফলে আজকে বাংলাদেশে কাঙ্খিত উন্নয়ন হছছে না । পদ্না সেতু হচছে না ্বার্ন ইউনিট সহ প্রয়োজনীয় অনেক কিছূই হচছে না । হচছে আজকের এই জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি ।সুতারাং এখন সময় এসেছে আমাদের সাবধান হওয়ার ।
Click This Link