নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ

সরোজ মেহেদী

The inspiration you seek is already within you. Be silent and listen. (Mawlana Rumi)

সরোজ মেহেদী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুমিল্লা ইস্যুতে আরও কিছু কথা,

১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৫২

অনেকেই সুর মেলাচ্ছেন সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ষড়যন্ত্র, সাম্প্রদায়িক হামলা, সাম্প্রদায়িক ধ্বংশলিলা এসব আহ্লাদিত বাক্যমালার সাথে। আহ্লাদ করেন তবে ‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটার জায়গায় ‘রাজনৈতিক’ বসান। ক্ষমতালোভীও বসাতে পারেন (সে যে কোনো দল, এই দেশে কেউ ধোয়া তুলসি পাতা না। আমার কাছে, জামাত-বাম, আওয়ামী লীগ-বিএনপি সবগুলারেই ঠক মনে হয়। আপনারটা আপনার বিবেচনা)। যদি না বসান আপনিও আসলে ষঠতাপূর্ণ রাজনীতির খেলাই খেলছেন। বাংলাদেশের সমাজে হিন্দু একটা ভিক্টিম কার্ড না। হিন্দুরা আমাদের এখানে সামাজিক শত্রু হিসেবেও চিহ্নিত না। এই দেশে যারা কথিত ‘ইসলামী সমাজ’ প্রতিষ্ঠা করতে চায় এক. তারা জনগণের সমর্থনে সংখ্যাগরিষ্ঠ না। ২. তারা তাদের কথাবার্তায় দেশের শত্রু হিসেবে হিন্দু বা অন্য সংখ্যালঘুদের নিশানা করে না বা করার সাহসও তাদের নাই। ঢাকা শহর বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেলে তার জন্য হিন্দুকে দায়ী করে ভারতে পাঠাই দেওনের ভাষণ কেউ দেয় না, এখানে।


এই সমাজ যদ্দূর দেখেছি, এখানে অধিকাংশ মানুষের (হোক হিন্দু, হোক মুসলমান) আসলে ধর্ম নিয়ে খুব একটা মাথাব্যাথা নাই। ধর্ম নিয়ে আসল সমস্যাটা করে শিক্ষিত মানুষ, এরা নানা এঙ্গেলে খেলে। এই সমাজটা নষ্টের মূলও এসব শিক্ষিত চোরগুলা। গরীব মানুষ সারাদিন কজ করে সন্ধ্যায় নাক ডেকে ঘুমায়। তারা ধর্ম মানলেও সই, না মানলেও সই। মিলেমিশে থাকে, থাকতে হয়। সমস্যা করে একদল, তারা হলো মোড়ল, মাতব্বর বা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা। উদ্দেশ্যমূলকভাবে সমস্যা পাকায়। কি চায় মোড়লরা? তারা অল্প পয়সায় সম্পত্তি কিনেতে চায়! কিভাবে কিনবে? কোনো হিন্দু বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেলে। মুসলমানপাড়া ছেড়ে হিন্দু পাড়ায় নতুন বসতি গড়লে (যশোর, বাঘেরহাট এসব অঞ্চলে ঘটে)। খেয়াল করে দেখেন এখানে হিন্দু দুর্বল। এই দেশের ৯৫ ভাগ মানুষই দুর্বল। এবং তারা নানাভাবে সবলদের অত্যাচার, অনাচারের শিকার। গরীব মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় আইরনিটা হলো, তারা না ধর্ম, না রাজনীতি কোনো বিবেচনাতেই আসে না।


(রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ নামক দেশটার সুবিচার, জবাবদিহীর সংকট এখানে। ধর্মের না।)


মোড়ল শুধু ঐ হিন্দুর জমি চায় না। সে তার বাড়ির আশপাশে যতো গরীব মুসলমান আছে তাদের জমিও চায়। তাদেরও নানাভাবে তাড়ায়। একটু গ্রামের দিকে যান, ঢাকায় গড়ে উঠা বড় বড় মার্কেট বা আবাসিক এলাকাগুলোতে গিয়ে কান পাতেন। কান্না শুনতে পাবেন। গরীব মুসলমান ভিটা-বাড়ি হারিয়ে কাঁদছে। বস্তিতে যান, দেখবেন কিভাবে উচ্ছেদ হয়। কি নির্মমতা চলে সেখানে। বাংলাদেশের মস্ত সমাজসেবী ভূমি ব্যবসায়ীরা কয় শতাংশ জমি কেনে আর কয় শতাংশ দখল করে সে হিসাব কে রাখে?


এই মোড়লরা এসব করতে গিয়ে ধর্মকে সামনে আনে, ধর্ম এক হলে লাঠিয়াল কাজে লাগায়। সংখ্যালঘু হলে ধর্মসংক্রান্ত ইস্যু বানায়, ঝামেলা পাকায়, আতংক ছড়ায়। অথচ আপনি তাদের কাজের দায়ভার এই দেশের এমন সব মানুষকে দিচ্ছেন যারা স্বয়ং ভিক্টিম। এসব করে নিজের ধর্মের কি লাভ করেন জানি না। তবে যার দখলদার তাদের বড্ড উপকার করেন। তারা ধর্মের আড়ালে পার পেয়ে যায়। ধর্মকে ঢাল হিসেবে সামনে ধরা গেলে আর বিচারের ধার ধারা লাগে না। ক্রেতাদূরস্থ ‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটা দিয়ে সবকিছু ঢেকে দিচ্ছেন। এটা স্লোগানও হিসেবেও বেশ রসালো। অথচ যাদের সাম্প্রদায়িক বলছেন তাদের একটা বিশাল অংশের এইসব শব্দের সাথে পরিচয়ই ঘটেনি, ঘটবেও না কোনোদিন।


এই মোড়লরা খেলে স্থানীয় পর্যায়ে। একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে দুর্বলকে গিনিপিগ বানায় (নাসিরনগর, রামু সব জায়গায় একই চিত্র)। তাদের একদল সাঙ্গপাঙ্গ আছে। যারা পেছনে সামনে থেকে এইসব অনাচার করে। আর তার গুরুরা খেলে জাতীয় পর্যায়ে। ধর্ম যেহেতু খুব সুক্ষ্ম ও সস্পর্শকাতর অনুভূতি, এটাকে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। তাই করা হচ্ছে। মন্ডপে কোরান দিয়ে বলা হচ্ছে ধর্ম গেল, গেল। একদল মরামারি শুরু করে দিল। এই মারামারি দেখে দুইজন হিন্দু ভারতে চলে গেলে তার জমিগুলো কিনবে কে? ঐদিন মিছিলে আসা মুসলমানেরা?


এই মিছিল দেখিয়ে পাশের দেশেও বলা হচ্ছে, দেখ বাংলাদেশে আমাদের ধর্ম শেষ হয়ে গেল। ওখানে বড় বড় মিছিল হচ্ছে। ওখানকার সংখ্যালঘুদের উপর চলমান নির্যাতন নতুন মাত্রা পাচ্ছে। উত্তেজিত জনতাকে বলা হচ্ছে, তোমরা তোমাদের দেশে নিজেদের ধর্ম রক্ষা কর। ওদের মার, বর্জন কর। সেখানে রক্তপাত হলো। ভোটে জেতা হলো। এখানেও লাশ পড়ল। কারা জিতল আর কারা মরল? কারা মরে আসলে!


এতো দেখি রীতিমতো আঞ্চলিক রাজনীতির কূটকৌশল!


মাঝখান দিয়ে সাফারার হলো কে? মানুষ! মা, বোন বা ভাই! কে রাখে তাদের ধর্মের খুজ? চেয়ে দেখ ভাই, মানুষ কাঁদে। যে কোনো পরিচয়ে তুমি মানুষ খুন কর না কেন, ইতহাস কোনোদিনও বলবে না তুমি পাঁচজন মুসলমান খুন করেছিলে, তোমার হাতে দশজন হিন্দু খুন হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তুমি আসলে মানুষ খেকো খুনি!!! তোমার হাত মানুষের রক্তে লাল হয়েছিল।


শোন মুসলমান, তোমার আহম্মকির জন্য যে হিন্দু ভাইটা বা বোনটার অশ্রু ঝরল, যে প্রতিমা ভাঙা দেখে তাদের মন ভাংলো, তুমি যদি তোমার ধর্মে বিশ্বাস করে থাক তাহলে এ জন্য একদিন তোমাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। শাস্তি পেতে হবে। কে অধিকার দিল তোমাকে কার সম্পত্তি নষ্ট করার! তোমার ধর্মের কোথায় আছে এ কথা, হারামজাদা?

টিকা: আমার যা মনে হয়, বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটি নাম ভেক ধরে থাকা একটা গোষ্ঠী কখনো চায় না, এদেশে সংখ্যালঘু সমস্যার সমাধান হোক। সমাধান হয়ে গেলে তাদের ব্যবসা লাটে উঠে। আর তাদের রাজনৈতিক প্রভুরা মাঠে মারা খায়। এইসব মারা খাওয়া উপদ্রবগুলো তাই কখনো সমস্যার মূলে যায় না। আশ্চর্যজনক হচ্ছে, এই দেশের শিক্ষিত হিন্দুদের একটা অংশ সাধারণ হিন্দুদের নিয়ে রাজনীতি করতেই ভালোবাসে। তারাও মূল ঘটার কাছাকাছি যেতে চায় না, উল্টো ধর্ম কার্ড খেলে। বরং সিভিল সোসাইটির সভা, সেমিনার করায় মনোযোগ বেশি! সেমিনারে টাকা আসে কিন্তু ভাই। ভালো ব্যবসা হয়।

(আমি বিশ্বাস করি, আশার আলো দেখি একদল তরুণকে দেখি। তারা ধর্ম-বর্ণ-দল নির্বিশেষে ঘটনার মূলে যেতে চায়। প্রকৃত সত্যটা জানতে চায়, বুঝতে চায়। একটা সমাধানও চায়। আমি আরও বিশ্বাস করি, এ সব তরুণের সততার কাছে ক্ষমতার রাজনীতির চলে আসা এই অসভ্যতা হেরে যাবে। জিতে যাবে মানুষ।)


মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১১:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি দেখছেন, ১ দল তরুণ বাংলাদেশকে সুইডেন বানায়ে দিচ্ছে; দেখতে থাকুন।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:০৫

সরোজ মেহেদী বলেছেন: আপনি আপনারটা ভালো করে দেখেন। আমারটা আমার উপরে ছেড়ে দেন।

২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১১:২৩

আমার চিরকুট বলেছেন: এদেশের মানুষ আসলেই শান্তি চায়, কিন্তু বর্তমান সমাজ এবং রাষ্ট ব্যবস্থা মানুষের সে শান্তির অন্তরায়।
আমি দেখেছি এলাকার বিত্তশালী, ক্ষমতাবানদের রোষানলে না পরার জন্যে গরিব থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষগুলো শ্রম এবং কষ্টে অর্জিত সামান্য অর্থ তাদের ঢেলে দিচ্ছে।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:০৫

সরোজ মেহেদী বলেছেন: সমাজব্যবস্থা স্থবির, কোথাও কোথাও ভেঙে পড়েছে।

৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:০১

রাজীব নুর বলেছেন: কুমিল্লার ইস্যু মূলত রাজনৈতিক।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:০৬

সরোজ মেহেদী বলেছেন: বাংলাদেশে হিন্দু ইস্যুতে যা হয় তার অধিকাংশই রাজনৈতিক। ধর্মীয় উন্মাদনাকে কাজে লাগানো হয়।

৪| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ২:০০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: কে রাখলো কোরান ওইখানে জনগণ কী জানবে কখনো সত্যটা ।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:১৮

সরোজ মেহেদী বলেছেন: কখনো জানা যাবে বলে মনে হয় না। জানলে রাজনীতি থাকে না।

৫| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৩:৫৮

কামাল১৮ বলেছেন: ইসলামিক দলগুলো মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয় না।তারা এমন কোন অপকর্ম নাই যেটা করে না।সর্ব প্রথম রাষ্ট্র ধর্ম বাদ দিতে হবে।এটা গনতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৬

সরোজ মেহেদী বলেছেন: ইসলামী দলগুলো না ইসলামী না যোগ্য। আবার এরা এই দেশের মানুষের মনের কথা পড়তে পারে বলেও মনে হয় না।

রাষ্ট্রধর্ম বিষয়টাওতো রাজনৈতিক।

৬| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ ভোর ৬:৩৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: এই সকল সহিংসতার পিছনে দুই ধরণের শক্তি কাজ করে। ক্যাটালিস্ট বা অনুঘটক অবশ্যই কোনো না কোনো রাজনৈতিক ও ক্ষমতালোভী অপশক্তি যারা এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিষপ্রয়োগের প্রচেষ্টাতে লিপ্ত। কিন্তু শুধু ষড়যন্ত্র করলেই হয় না, ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সৈন্য-সামন্তেরও অংশগ্রহণ প্রয়োজন - এই সমস্ত সৈন্য-সামন্তদেরই দেখা যায় সকল সহিংসতার অগ্রভাগে। আর এই সৈন্য সামন্তরাই ক্যাটালিস্টদের ইন্ধনে ঈমানী জোশে সংখ্যালঘুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।এই অংশটি ধর্মের যতরকম ভুল প্রয়োগ আছে তার বাস্তবায়নে তৎপর একটি চরম বিভ্রান্ত গোষ্ঠী। এরাই আমাদের ধর্মের ইমেজ নষ্ট করার জন্য অনেকাংশেই দায়ী। তাদেরকেও ধোয়া তুলসীপাতা বলা যাবে না।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৮

সরোজ মেহেদী বলেছেন: তুলসীপাতা বলছি না। এরা হুজুগে পাগল। এদেরকে কড়া হাতে দমন করা দরকার।

তবে সমস্যার মূলটা রাজনৈতিক এটা হলো বক্তব্য।

৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৭:০৮

সোহানী বলেছেন: চমৎকার বলেছেন।

এরা ভূমিদস্যু.... কখনো ধর্মকে ইস্যু বানাবে, কখনো রাজনীতিকে ইস্যু বানাবে, কখনো বা নতুন কোন ট্রাম্পকার্ড ফেলবে। কিন্তু দিন শেষে একটাই উদ্দেশ্য।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

সরোজ মেহেদী বলেছেন: আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষতো বুঝে না। বুঝতে চায় না। ধন্যবাদ।

৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৮:৫২

অগ্নিবেশ বলেছেন: মুর্তি ভেঙ্গেই যে ধর্মের সুত্রপাত, তার অনুসারী হয়ে কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করে কি লাভ। ইসলাম মানলে পুরোটাই মানেন। যে কটা হিন্দু পান্দু বাকি আছে, তাদের দাওয়াত দ্যান, ইসলাম কবুল না করলে নত মস্তকে জিজিয়া দিতে বাধ্য করান, না দিতে চাইলে কল্লা ফেলে দ্যান। আল্লার নির্দেশ পালন করুন। আপনাদের মনগড়া মানবতা দিয়ে ইসলাম চলে না।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৮

সরোজ মেহেদী বলেছেন: আমার লেখাটা কোনো ছদ্মবেশী অসভ্য মানুষের জন্য না।

৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:০৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: সঠিক উপস্থাপন। ব্যাপার গুলো আসলে এভাবেই ঘটে।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৯

সরোজ মেহেদী বলেছেন: আমার কাছে এমনই মনে হয় ভাই। আমি রাজনীতি দেখি, সম্পত্তির ভোগদখল দেখি।

১০| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১:৫৮

সাইবার সোহেল বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণের সাথে সহমত প্রকাশ করছি, আর বাংলাদেশ হলো গরীবের সুন্দরী বউ সবাই শুধু সুযোগ খোঁজে। এদেশকে গুজরাট, ইরাক, বা আফগানিস্তান প্রমাণ করতে পারলে ভিতরে বা বাইরে মানে আন্তর্জাতিক বা অভ্যান্তরীন কিছু গোষ্ঠি লাভবান হবে, আর এদেশের জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে বাকি সকলে চরম ভোগান্তির শিকার হবে। কিন্তু সেটা বোঝার মত জ্ঞান বর্তমানে খুব কম মানুষের মধ্যেই আছে, কারণ শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেও আছে বিরাট গলদ... তাই যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে অনন্তকাল..।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৪০

সরোজ মেহেদী বলেছেন: দুঃখতো এটাই। কেউই বুঝতে চায় না।
তবু বলে যাই, যদি একজনও বুঝে। আমার মতো করে তার ভাবনাগুলো বলে। এই যেমন আপনি বললেন।

১১| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:৩৯

সরোজ মেহেদী বলেছেন: ভালো করেছেন। এসেছেন যেহেতু কিছুক্ষণ থেকে যান। বেড়ান।

১২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:৩৩

রানার ব্লগ বলেছেন: অবমাননার ভিন্ন কিছু রুপ










১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:৫৫

সরোজ মেহেদী বলেছেন: এই ছবিগুলো সত্য কি না জানি না। নো কমেন্টস।

১৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৭:৩৫

অগ্নিবেশ বলেছেন: লেখক কে বলছি, আমাকে ছদ্মবেশী অসভ্য মানুষ যাই বলেন না কেন আসল সমস্যার সমাধান করতে পারবেন না। রোগের উৎস জেনেও চেপে গেলে ধীরে ধীরে ক্যান্সা্রে পরিনত হয়। কিতাব সংস্করন করুন, কাফের হত্যার আয়াত গুলো বাতিল করুণ, জিহাদের বদলে ভালোবাসার কথা লিখুন?? পারবেন?? কল্লা থাকবে?? না পারলে রাজনীতিবিদরা হ্যানা ত্যানা করে ত্যানা প্যাঁচায়ে কি লাভ, ব্যবসায়ীরা তো ব্যবসা করবেই। আইসিস তালিবান শিবির এরাই আসল মুসলমান, আল্লার আদেশ তারা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে,
সমস্যা হল আপনাদের মত হাফ মুসলমানদের নিয়ে, না পারেন পুরোটা মানতে, না পারেন ফেলতে। তখন শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে গিয়ে হ্যানা ত্যানা করে ত্যানা প্যাচান। মহা সমস্যা।

১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:২১

সরোজ মেহেদী বলেছেন: কোনো ধর্ম সম্পর্কে বলার আগে তা পুরোপুরি জেনে আসা দরকার। বাংলাদেশে এসব নিয়ে যারা কথা বলতে চায় এদের মূল সমস্যাটা হলো এরা জানে না আরকেটা বিষয় হলো, এদের সেই ধর্ম বিদ্বেষ (এটা উদ্দেশ্যমূলক ও স্বতস্ফূর্ত, দুইটাই)। আপনি এই দলটার বাইরে কেউ নন।

বিষয়টা অনেকটা, আরএসএস এর ধর্মনিরপেক্ষতা চাওয়ার মতো।

আপনি কোরআন পড়েন। পড়ে ডিটেইলস লিখেন। পয়েন্ট টু পয়েন্ট। এসব নিয়ে বলার আগে ডিটেইলস পড়াশোনা দরকার বলেই মনে হয় আমার।

আমি বিশ্বাস করি, কোরানে মানুষের জন্য অকল্যাণকর কিছু নেই। আমার এ বিশ্বাস প্রকাশে আমি দ্বিধান্বিত বা ভীত নই।

তবে আমি ভালো জানি না, বলে এই বিষয়ে কথা বলব না। কখনো জানতে পারলে বলব। যে বিষয়ে জ্ঞান নেই সে বিষয়ে বলার কোনো মানে হয় না। ব্যক্তিগতজীবনেও আমি ধার্মিক কোনো মানুষ নই।

১৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৫৯

অগ্নিবেশ বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি, কোরানে মানুষের জন্য অকল্যাণকর কিছু নেই। আমার এ বিশ্বাস প্রকাশে আমি দ্বিধান্বিত বা ভীত নই। - সেটা বুঝেছি বলেই ত লাফালাফি করছি। হিন্দুদের সাইজ করার পর দেশে শরীয়া চালু করে ষোলকলা পুর্ন করেন। তারপর দেখি আপনাদের মত সুবিধাবাদী আসল মুসলমানেরা বাংলাদেশে কতদিন টিকতে পারেন। আর একটা বিষয় না বল্লেই নয়, বাংলাদেশে মুসলমানেরা ধর্মনিরপেক্ষতা ঘৃণা করে, কিন্তু তারা আবার মনে প্রানে চায় পাশের দেশগুলো ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখুক। আপনারা পারেনও বটে। ভালো থাকবেন।

১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:৫৫

সরোজ মেহেদী বলেছেন: আগে নিজেরে নিয়ে ভাবেন। এটা বেশি ভালো হয়। আপনার অন্তরের কতটুকু ঘৃণা আর কতটুকু ভালোবাসা তা তলিয়ে দেখেন।
আয়নায় নিজের চেহারটা দেখেন। অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

পাশের দেশ আর এই দেশের মুসলমানের চাওয়া নিয়ে যা বলছেন তা নিজের সাথে মিলান। এরপর দেখেন আপনার কথাগুলো আপনার সাথে যায় কি না। এই কথাগুলো আপনার বেলা আরও বেশি প্রযোজ্য কি না।

১৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৮

রানার ব্লগ বলেছেন: ছবির বিষয়টা খুবি সহক গুগল ইমেজে গিয়ে সার্চ দিন আসল ইমেজ থাকলে বাহির হয়ে যাবে।

২২ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:৪৯

সরোজ মেহেদী বলেছেন: বুঝতে পেরেছি ভাইয়া। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.