| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাঈফ জামান
একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার, সারা বিশ্বের বিশ্বয় তুমি আমার অহংকার
হাঁটতে বের হয়েছি। অনেক দিন দীর্ঘ পথ হাঁটা হয়না।
উত্তাপ সূর্য্য মাথায় নিয়ে হাঁটতে আমার অসম্ভব ভালো লাগে। বহুবার ভেবেছি হিমু হয়ে যাবো। কিন্তু হিমু হওয়া খুব কষ্টের। আমি বেশ কয়েকবার খালি পায়ে হাটার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। হিমু হতে হলে অনেক ত্যাগ শিকার করতে হয়। আমি তা পারিনা। হিমুদের আবেগ থাকতে নেই। হিমুদের লজ্জা থাকতে নেই। কিন্তু আমার আবেগ আর লজ্জা দুটোই খুব বেশি। একবার কি হলো বলি।
আমি কাওরান বাজার থেকে বাসে উঠেছি গুলিস্তানের উদ্দেশ্যে। সিটে বসে আছি, আমার পাশের সিট খালি। হঠাৎ করে অসম্ভব রূপবতি একটা মেয়ে আমার পাশের সিটে এসে বসলো। আমি ঘাবরে গেলাম। আমার এতটা লজ্জা লাগছিলো যে, আমি গন্তব্যে আসার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত গুটিসুটি মেরে বসে রইলাম। অথচ আমার উচিৎ ছিলো সেখানে সাভাবিক ভাবে বসা।
আমার জায়গায় যদি হিমু থাকতো তবে ঠিক ঐ রূপবতী মেয়েটা হিমুর প্রেমে হাবুডুবু খেতে। হিমুরা সব পারে।
হিমুদের খমতা প্রবল।
মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে জাগে হিমু হয়ে যাই। জানি তা আমার পক্ষে সম্ভব না।
তবে হিমুর সাথে একটা মিল খুঁজে পাই আমি। হিমুর আছে রূপা আর আমার আছে অপ্সরা।
আমি অপ্সরাকে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকি আর রুপা হিমুকে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে।
অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে অপ্সরাটা কে?
আমি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিচ্ছি।
" আমার নিজস্ব একটা রাজ্য আছে। সে রাজ্যে মাঝে মাঝেই অপ্সরা নামক একজন নারীর অস্তিত্ব খোঁজে পাই। অপ্সরা আমার সেই কল্প রাজ্যের রাজকুমারি। যে কিনা স্বাশন করে আমার সেই রাজ্যকে।"
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৬
এ এস রিপন বলেছেন: আপনার ভাবনা প্রকাশ করার ক্ষমতা সুন্দর! পড়ে ভালো লাগল।