| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রহিম মিয়া জাতে জেলে। যদিও
জেলে নামে আলাদা কোনো জাত নাই, বাবার
সূত্রে সেও জেলে বলে নিজেকে তাই মনে করে।
প্রতি বিকালে মাছ ধরতে সমুদ্রে যায় সারা রাত
মাছ ধরে ভোর বেলা উপকুলে আসে। নিজের ছোট্ট
নৌকায় জিবনের ঝুকি নিয়ে ও কখনো জীবিকার
সমপরিমান মাছ পায় কখনো পায়না। যে টুকু পায়
তা গ্রামের বাজারে বিক্রি করে পরিবারের জন্য
চাল ডাল কখনও বা ছোট জাতীয় মাছ
কিনে নিয়ে যায়। আজ কদিন ধরে তার চার বছর
বয়সী মেয়েটা বড় মাছ খেতে চাচ্ছে। কিন্তু
তাকে বড় মাছ খাওয়াতে গেলে রহিম মিয়ার
একদিনের সব আয় বাদ যাবে। কিন্তু
মেয়েটা নাছোড়বান্দা! তাকে অনেক কথা বলে তার
মা সান্তনা দেয়। আড়ালে দীর্ঘশ্বাস ফেলে রহিম
মিয়া। সবে কথা বলতে শেখা মেয়েটি আজ বলেই
বসল প্রতিদিন তুমি বড় বড় মাছ ধর আমার জন্য
আননা কেন? রহিম মিয়ার কাছে এর কোন উত্তর
নাই। এই জগতে যত সুন্দর ও মহান কিছু এই
খেটে খাওয়া মানুষ গুলোই করে বিনিময়ে তারা পায়
লাঞ্চনা। যেমনটি পায় রাজমিস্ত্রী, অপরের জন্য
ইমারত বানায় আর নিজে থাকে নোংরা বস্তিতে।
মনের অজান্তে ভাবনা গুলো চলে আসে তার মনে...
মনটা তার হু হু করে উঠতে চায়। অতপর
একটি দীর্ঘশ্বাস! হে অসাম্যতা,আমায় মুক্তি দাও।
©somewhere in net ltd.