| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দুই
নির্মাণ প্রকৌশলী,শখের বসে লেখার চেষ্টা তবে লেখক নই আবার সমালোচক হবার অভিপ্রায়
Sefat Ahmed
মনে আছে তার কথা ????? "রোলিহ্লাহ্লা"র অর্থ হলো "গাছের ডাল ভাঙে যে", অর্থাৎ "দুষ্টু ছেলে" ছিল তাঁর ডাক নাম ।তিনি তাঁর পরিবারের প্রথম সদস্য যিনি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। স্কুলে পড়ার সময়ে তাঁর শিক্ষিকা তাঁর ইংরেজি নাম রাখেন "নেলসন"আর পুরো নাম নেলসন রোলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা জন্ম: জুলাই ১৮, ১৯১৮ ও মৃত্যু - ডিসেম্বর ৫, ২০১৩। যার পরিচয় বিশ্ববাসীর কাছে দক্ষিন আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি আগে তিনি নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি।ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগঠন উমখন্তো উই সিযওয়ের নেতা হিসাবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন যার ফলে ১৯৬২ সালে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার গ্রেপ্তার করে ও অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় এবং ২৭ বছর কারাবাস করেন।
ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক জীবনের প্রথমভাগে বোঝা যায় তিনি মহাত্মা গান্ধির দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী কর্মীরা আন্দোলনের প্রথম দিকে গান্ধির অহিংস আন্দোলনের নীতিকে গ্রহণ করে বর্ণবাদের বিরোধিতা করেছিল। ম্যান্ডেলাও প্রথম থেকেই অহিংস আন্দোলনের পক্ষপাতী ছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ সরকার ১৯৫৬ সালের ৫ ডিসেম্বর তারিখে ম্যান্ডেলাসহ ১৫০ জন বর্ণবাদবিরোধী কর্মীকে দেশদ্রোহিতার অপরাধে গ্রেপ্তার করে। এই মামলাটি সুদীর্ঘ ৫ বছর ধরে (১৯৫৬-১৯৬১) চলে, কিন্তু মামলার শেষে সব আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়।১৯৬১ সালে ম্যান্ডেলা এএনসি-র সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন উমখোন্তো উই সিযওয়ে (অর্থাৎ "দেশের বল্লম", সংক্ষিপ্ত নাম MK)-এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন এই সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।তিনি বর্ণবাদী সরকার ও তার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতী ও চোরাগোপ্তা হামলা পরিকল্পনা ও সমন্বয় করেন। এতে বর্ণবাদী সরকার পিছু না-হটলে প্রয়োজনবোধে গেরিলা যুদ্ধে যাওয়ার জন্যও ম্যান্ডেলা পরিকল্পনা করেন ফলে আবার মামলা । প্রায় ১৭ মাস ধরে ফেরারি থাকার পর ১৯৬২ সালের ৫ অগাস্ট ম্যান্ডেলাকে গ্রেপ্তার করা ।মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ম্যান্ডেলার গতিবিধি ও ছদ্মবেশ সম্পর্কে দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পুলিশকে জানিয়ে দেয়, ফলে ম্যান্ডেলা ধরা পড়েন তিন দিন পর তাঁকে ১৯৬১ সালের শ্রমিক ধর্মঘটে নেতৃত্ব দেওয়া এবং বেআইনিভাবে দেশের বাইরে যাওয়ার অভিযোগে তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়। ১৯৬২ সালের ২৫ অক্টোবর ম্যান্ডেলাকে এই দুই অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর দু-বছর পর ১৯৬৪ সালের ১১ জুন ম্যান্ডেলার বিরুদ্ধে এএনসি-র সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্বদানের অভিযোগ আনা হয় ও শাস্তি দেওয়া হয়। এর পর কেটে যায় দিন , মাস , বছর , যুগ …………… ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখে মুক্তি দেওয়া হয়। ম্যান্ডেলার কারামুক্তির ঘটনাটি সারা বিশ্বে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। মুক্তির দিনে ম্যান্ডেলা জাতির উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি শান্তি রক্ষা করা ও দেশের শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আহবান জানান। একই সঙ্গ তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগ্রাম শেষ হয়ে যায়নি। এই বিষয়ে তিনি বলেন,
"our resort to the armed struggle in 1960 with the formation of the military wing of the ANC (Umkhonto we Sizwe) was a purely defensive action against the violence of apartheid. The factors which necessitated the armed struggle still exist today. We have no option but to continue. We express the hope that a climate conducive to a negotiated settlement would be created soon, so that there may no longer be the need for the armed struggle."
কারামুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।এই সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ অবসানের লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। এই শান্তি আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ার পর ১৯৯৪ সালের ২৭ এপ্রিল দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এবং পৃথিবী তাকে রাষ্ট্রপতি হিসাবে দেখতে পায়।
সব চেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হল ২০০৮ সালের জুলাই পর্যন্ত ম্যান্ডেলা ও এএনসি কর্মীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা থেকে নিষিদ্ধ ছিল। কেবলমাত্র নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে তাঁদের আসার অনুমতি ছিল। এর কারণ ছিল ম্যান্ডেলার ষাটের দশকের সশস্ত্র আন্দোলনের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার তদানীন্তন সরকার ম্যান্ডেলা ও এএনসিকে সন্ত্রাসবাদী হিসাবে ঘোষণা করেছিল। ২০০৮ সালের খ্রস্টাব্দের জুলাইতে এসেই কেবল ম্যান্ডেলাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রণীত সন্ত্রাসবাদীদের তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ভারতরত্ন তার অবদানের কাছে হয়ত কিছুই না ……………
সময়ের স্রোতে অভিমানে চলে যাওয়া দুষ্টু ছেলটা ভাল থাক …………
আর সারা বিশ্বের শান্ত ছেলেদের হৃদয়ে দুষ্টু ছেলের আত্মা ভর করুক………
তথ্য সুত্রঃ ক্ষুদ্র জ্ঞান ও লং ওয়াক টু ফ্রিডম(নেলসন ম্যান্ডেলা )

১৮ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:০০
দুই বলেছেন: আসলে প্রিয় মানুষদের কে নিয়ে বলতে গেলে আমরা সবাই ই একটু একপাশ করেই বলি তারপর ও """হয়ত কিছু চরিত্র শুধুমাত্র সংগ্রামের জন্যই """"
২|
১৮ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ২:৪৯
আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: শুভ জন্মদিন
৩|
১৮ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:১৫
কাইকর বলেছেন: শুভ জন্মদিন ।ব্লগে স্বাগতম
১৮ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২২
দুই বলেছেন: ধন্যবাদ
৪|
১৮ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:০২
রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট লিডার।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ২:৪৮
চাঁদগাজী বলেছেন:
মুক্ত হওয়ার পর, বৃহত্তর আফ্রিকার জন্য কাজ করার দরকার ছিলো উনার; সেটা ঘটেনি