![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব
খাঁ- খাঁ রৌদ্রের মধ্যে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছি। পথে এক মুরুব্বি (তাবলীগওয়ালা) কে দেখলাম ছাতা দিয়ে মাথা ঠেকে হেঁটে যাচ্ছেন।
ক্রেতার কমতি থাকলেও এক বেলুন বিক্রেতাকে দেখলাম রৌদ্রের মধ্যে পেটের দায়ে দারিয়ে আছে বেলুন বিক্রি করার জন্য।
সিজন্যাল ফল কদবেল, আহ্ না খাইলে চরম মিস! পাওয়া যায় গুলশান ঝিল পাড়ে। চাইলে খেয়ে আসতে পারেন।
কিছু পথ হাঁটার পর দেখা মিলল পপকর্ণ বিক্রেতার। নানান বয়সী মানুষ তার ক্রেতা।
সামুতে কোন এক ব্লগার ভাই শাহী মুড়ি ভর্তা খাওয়ার কথা লিখে ছিলেন। তিনি নাকি ঝিল পাড়ের মুড়ি ভর্তা খেয়ে আতৃপ্ত আত্মাকে তৃপ্ত করে ছিলেন। সেই ব্লগার ভাইয়ের নজরে আসলে আওয়াজ দিবেন (আশা করি)।
বাস্তবে এমটা সম্ভব না হলেও এক হকার ভাই তাই সম্ভব করে দেখালেন। আজকাল হকারদের মাথায়ও মুক্ত চিন্তা উদয় হয়! রামপালের পালের হাওয়া তাদেরও স্পর্শ করে।
গরীবের মার্কেট। চাইলে এখান থেকে কেনা-কাটাও করতে পারবেন।
হাতির ঝিলের হাতছানি এখান থেকে দেয় কিন্তু সন্ধ্যা হওয়ার কারণে যেতে মনে সায় দেয়নি।
অনেক কে দেখলাম দাঁড়িয়ে ও বসে ঘাসের রাজ্যে একটু প্রশান্তি খুঁজে নিতে। যেটা ঢাকা শহরে সচরাচর দেখা যায় না।
চরম শূণ্যতা। গুলশানে সন্ত্রাসী হামলার পর মামারা বেকার পড়ে আছেন। হায় সন্ত্রাসী! হায় গরীবের কপাল!!
সময় বলছে “আজকে বাসায় ফিরে যাও আগামীতে এসো”।
২৯ শে আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:৪৭
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:১৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: শুভ কামনা জানবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০০
সুমন কর বলেছেন: ভালো লাগল।