![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব
১। আল্লাহ ধর্ম কে বিভিন্ন সময় আপডেট দিয়েছে। যুগে যুগে ধর্ম সংস্কারগণ পাঠিয়েছেন যাতে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারে। কিন্তু সংস্কারগণের মৃত্যুর পর মানুষ সে বিধান ভুলে আবার ভুলভাল পথে চলা শুরু করে দিত। আল্লাহ আবার নতুন করে মহা মানব পাঠাতেন, তারা আবার ভুলে যেত.. ………… এভাবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আল্লাহ এক জায়গায় এসে থেমেছেন। এখন আল্লাহ আর ধর্মগ্রন্থ আপডেট দিতে নারাজ এবং ধর্মপুত্র প্রেরণ করতেও নারাজ। তার কথা হল, এটাই (কোরআন)ফাইনাল এডিশন। এখন পালন কর আর না কর তোমার ব্যাপার। যদি কর তাহলে তার বিণিময়ে পরকালে পুরুস্কার পাবে, না কর তার বিণিময়ে শাস্তি পাবে।
২। মানুষ নির্দিষ্ট সীমা রেখা অতিক্রম করতে চায়, এটা তার সহজাত প্রবৃত্তি। নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি সব সময় আকৃষ্ট থাকে। এজন্য ইশ্বর যে সব জিনিষ, কাজ কে নিষিদ্ধ করেছে সেগুলো তারা ভাঙ্গতে মরিয়া এবং ভাঙ্গার মাঝে এক প্রকার আনন্দ অনুভব করে।
৩। শারীরিক সমস্যা না থাকলে মানুষ যে কোন খাবার গ্রহন করতে পারে। সমস্যা থাকলে এড়িয়ে চলা উচিত। আর, যে খাবারের প্রতি মানুষের রুচিবোধ নেই সেটা ধর্মীয় কারণে হউক বা পরিবেশের কারণে হউক মানুষ এড়িয়ে যায়।
ধর্মীয় বিধানগুলো স্ব-স্ব অনুসারীদের জন্য। যারা ধর্ম পালন করে তাদের যা নিষেধ করা হয়েছে তা তারা খায় না- এটাই স্বাভাবিক, এতে অন্যের সমস্যা হওয়ার কথা না। কিন্তু নিজে খাব না বলে অন্য কে খেতে নিষেধ করা কোন যুক্তিগত কারণ হতে পারে না।
আবার, নিজে খাই বলে অন্যকে খেতে বাধ্য করতে পারি না। আমার মনে হয়, ধর্মে যে সমস্ত জিনিষ নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাতে স্বাস্থ্যগত উপকারিতার চেয়ে অপকারিতাই বেশী। এখন খাবেন আর না খাবেন আপনার ব্যাপার।
৪। কিছু মানুষ স্বার্থের জন্য ধর্ম কে ভুলবাল ব্যাখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ জিনিষ কে নিজের জন্য জায়েয কর নেন। এদের কাছে ধর্ম, মানুষ এবং সমাজ কোনটাই নিরাপদ নয়।
৫। গরীব এবং নির্যাতিত মানুষের শেষ ভরসা সৃষ্টিকর্তা।
(এই ভাবনা আমার নিজস্ব, অন্য মানুষের সাথে তফাৎ থাকতে পারে।)