![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব
৮। সবাই ভার্জিন মেয়ে খুঁজে বিয়ে করার জন্য! আচ্ছা ভাই বুকে হাঁত দিয়ে বলত তুই নিজে ভার্জিন আছো কিনা? নিজে যখন নিজের শিউরিটি দিতে পারলিনা সেখানে অন্যের শিউরিটি কেমতে চাস?
৭। পৃথিবীতে সব ভাইয়েই চায় তার বোনটা অন্য কারো সাথে রিলেশন না করুক। অথচ সেই মহান ভাইটি ঠিকই অন্যের বোনের সাথে চুটিয়ে রিলেশন করে বেড়ায়!
৬। আমি একটি মেয়ের সাথে প্রেম করতাম। মেয়েটির বিয়ে হয়ে গেছে। সমস্যা হলো মেয়েটি কয়দিন পর পর ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায়, আমি একসেপ্ট করি, আবার কয়দিন না যেতেই সে আমাকে আনফ্রেন্ড করে দেয়, তারপর আমি তাকে ভুলে যাই। মাস খানেক গেলে আবার রিকুয়েস্ট পাঠায়, আমি পুনরায় একসেপ্ট করি! এভাবে চলছেই। সমস্যা আমার না তার বুঝতেছি না।
৫। প্রতিদিন যখন ভোর হয় তখন মানুষ ভাবে আজকে দিনটা যেন ভাল কাটে, আবার দিনের শেষে যখন সন্ধা গনিয়ে আসে তখন ভাবে আগামীকাল যেন সবচেয়ে ভাল দিন হয়। এটা মানুষের সরল রৈখিক এবং সমান্তরাল ভাবনা। এই ভাবনায় কোন দোষ নেই বরং এর মাঝে কল্যাণ নিহিত আছে।
৪। গরীব যেখানে মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খায়, বড় লোক সেখানে বিলাসিতা জন্য দু'হাতে টাকা উড়ায়। এটা বিধাতার দুনিয়াতে বড় রকমের ধন বৈষম্য, আখিরাতের হিসাব পরে হবে।
৩। পৃথিবীতে গরীব আর ধনীদের পার্থক্য এভাবে তুলণা করা যেতে পারে, একই লঞ্চে কিছু সংখ্যক মানুষ লাক্সারী কেবিনে যাত্রী হয়ে আরোহণ করে এবং বাকী সংখ্যক মানুষ ডেকে যাত্রী হিসেবে কোন রকম পথটুকু পার করে।
২। একটি শিশু বুঝ হওয়ার পর যখন জানতে পারে পৃথিবীতে তার মৌলিক চাহিদা পূরণ করার মত পরিবেশ বা সুযোগ-সুবিধা নেই তখন সে হয় মানুষিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে অথবা সে মারাত্মক আক্রমনাত্মক হয়।
১। । ছোট বেলায় আমি একবার পরীক্ষার ফি- দিতে গিয়ে হারিয়ে ফেলি। ভয়ে বাড়িতে বলার যো ছিল না, আর ফি-বাকী রেখে পরীক্ষার হলে যেতে ইচ্ছে করছে না। কারণ, সে সময়ে শিক্ষক মহোদয়েরা যাদের ফি- বাকী থাকত তাদের হাত উঁচু করতে বলতেন। আমাদের মত নিম্নবৃত্ত সন্তানদের তখন লজ্জা পাওয়ার প্রথম পাঠ বিদ্যালয় থেকে নিতে হত। পিতার আর্থিক দৈন্যতা আমাদের বয়ে বেড়াতে হত। আমি সেদিন পরীক্ষা না দিলেও অনেক কে দেখেছি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে তারপর পরীক্ষা দিতে।
০। দেশে অনেক কিছুই হয়েছে এবং অনেক কিছুই হবে কিন্তু গরীবের জন্য কিছুই হবে না। তারা যেই যেই সেই সেই থেকে যাবে।
২৩ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৫৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন ভাই,
আমার জানা মতে সামু ব্লগে দু'জন মানুষ সব সময় অন্য ব্লগারদের অনুপ্রেরণা দিয়ে যায়;
১। বিজন রয়
২। সুমন কর।
আজো আপনার লাইক এবং মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।
২| ২৩ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৪৭
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: যে কোন পরিস্থিতিতে অন্যজনের জায়গায় নিজেকে বসালে সমাধানটা সহজ হয়ে যায়...
ধনী গরীবের পার্থক্য থাকবে কিন্তু আমার অবাক লাগে গরীব যখন ধনী হয় তখন তার রং পরিবর্তন দেখে...
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:০৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গরীবের টাকা হওয়ার পূর্বে আত্মা, রুহ, কামভাব, ফ্যাশন, প্যাশন এবং কি নিজের পেটকে নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে হয়। টাকা হওয়ার দীর্ঘ দিনের অবরদ্ধ শক্তি/ স্বাস রুহ কে মুক্ত করে সে হাল্কা হতে চায়। তখন হয়ত রং বদলায়। সমাজ এটা মেনে নিতে পারে না।
অনেকটা পুকুরের মাছ হঠাৎ নদীতে ছেড়ে দিলে যেমন করে।
৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:০১
ওমেরা বলেছেন: সবার ই তো দুইহাত ,দুই পা, একটা মাথা একজন ধনী হতে পারে আরেকজন পারে না কেন ?
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:১১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আমাদের দেশে দু হাত, দু পা এবং এক মাথা দিয়ে পরিশ্রম করে জীবন যুদ্ধে সংগ্রামী হওয়া যায় বাট ধনীর যে সংজ্ঞা দেয়া আছে সেখানে পৌছানো যায় না। কারণ, এক. সস্তা শ্রম ২. রাষ্ট্রীয় অব্যবস্হাপনা।
এখানে যারাই ধনী হয়েছে তারা বেশিরভাগ দু নাম্বারি করে হয়েছে, কিছু পৈতিক সূত্রে পেয়েছে। আর সামান্য গুটিভ কয়েক পরিশ্রম করে প্রায় ধনী কাতারে যেতে চেয়েছে।
৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:০৫
সনেট কবি বলেছেন: সহমত
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:১১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ।
আগের নিক কি হয়েছে?
৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:১৬
চিটাগং এক্সপ্রেস বলেছেন: ভার্জিন মেয়ে চাওয়া টা দোষের কিছু না। আমি নিজে যেহেতু ভার্জিন তাই সঙ্গী হিসাবে ভার্জিন মেয়ে আশা করি। না পেলে ক্ষতি নেই। আমার আফসোস থাকবে না।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:২৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনি নিজে যেহেতু স্বীকারুক্তি দিচ্ছেন আপনি ভার্জিন তাই সঙ্গী হিসাবে ভার্জিন মেয়ে আশা করতেই পারেন। তবে সাতশো ইঁদুর মেরে হজ্জে যাওয়ার নিয়্যত করে থাকলে সাধু সাবধান।
৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:২১
রানার ব্লগ বলেছেন: লঞ্চ এক মাত্র বাহন যেখানে গরিব আর ধনীর সিমা রেখা স্পষ্ট হয়।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:২৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার ভাল পর্যাবেক্ষন ক্ষমতা আছে। যা আমার থেকেও অল্প কথায় প্রকাশ করেছেন। ধন্যবাদ।।
৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:২৩
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: দেশে অনেক কিছুই হয়েছে এবং অনেক কিছুই হবে কিন্তু গরীবের জন্য কিছুই হবে না।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৩২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গরীবের বৃত্ত রাষ্ট কোনভাবেই ভাঙ্গতে পারছেনা। সার্কেল চেঞ্চ হলেও পর্যায়ক্রমে নতুন করে কিছু মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। যা হতাশা জনক।
৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৩১
চিটাগং এক্সপ্রেস বলেছেন: সাতশো ইঁদুর মেরে হজে যাওয়ার নিয়ত কখনোই ছিল না।
যাহা মনে তাহাই মুখে । দুমূখো সাপ হওয়ার প্রয়াস নয়।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৩৪
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার জন্য শুভ কামনা থাকল। আপনি আপনার প্রাপ্য হক বুঝে পাবেন- এই দোয়া রইল।
৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৪৩
ইঞ্জিনিয়ার কবির আহমেদ মাধব বলেছেন: আমার একটা কাজ,দেখতে পারেন!
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:০৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: য়ূটিউবে দেখলাম। থিম নির্বাচন অবশ্য ভালো। বাট এই সমস্ত নাটক, টেলিফিল্ম বা শর্ট ফিল্ম দ্বারা ভাল ফল পাওয়া যাইবে না। আগে ইয়াবার চালান বন্ধ করতে হবে, বদি গংদের নিষ্ক্রয় করতে হবে। বিদেশি অপ-সাংস্কৃতি রুখতে হবে।
তবে কাজের জন্য প্রশংসা পেতেই পারেন।
এখন উত্তরা, ধানমন্ডি আর মিরপুরের গ্যাং স্টার পোলাপাইন মানুষ হইলেই হলো।
১০| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৪৩
ইঞ্জিনিয়ার কবির আহমেদ মাধব বলেছেন: https://youtu.be/fgMZQhrLiDM এটা
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:০৪
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ভাল কাজ, আরো বেশি করে নির্মাণ করবেন আশা করি।
১১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৫২
ব্লগ মাস্টার বলেছেন: দেশে অনেক কিছুই হয়েছে এবং অনেক কিছুই হবে কিন্তু গরীবের জন্য কিছুই হবে না। এটা ছিল পোস্টের সব থেকে মূল্যবান কথা । ধন্যবাদ শাহাদাৎ হোসাইন ভাই ।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:০৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার পাঠ ও প্রতিক্রিয়ায় অনুপ্রাণিত হলাম।
মন্তব্য রাখার জন্য ধন্যবাদ।
১২| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:০২
আখেনাটেন বলেছেন: তবে সাতশো ইঁদুর মেরে হজ্জে যাওয়ার নিয়্যত করে থাকলে সাধু সাবধান।= এভাবে হজ্জে যাওয়ার মানুষে প্লেন ভরে যাবে। তারচেয়ে তারা ইঁদুর মারতেই থাকুক।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:১৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মানুষ আজকাল টাকা দিয়ে 'হাজী' নামের একটি বিশেষণ নামের আগে বসাইতেছে। অথচ তিনি অতীতে রাষ্ট্রের জন গণের টাকা মেরে খেয়েছেন তার প্রাপ্য পরিশোধ তিনি কখনো করেন্নি। এবং সে অতীত বিশাল পাপ/অপরাধ এই হজ্জের মাধ্যমে মোচন করতে চান। কিন্তু আল্লাহ সব মানুষ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। তিনি প্রকৃত হাজিদেরই হজ্জ কবুল করবেন '' এই সমস্ত পাব্লিক যারা, সাতশো ইঁদুর মেরে হজ্জে যাওয়ার নিয়্যত করেন তাদের হজ্জ কবুল করবেন কিনা সন্দেহ আছে। আল্লাহ আমাদের কে কবুল করুন। আমিন।।।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:১৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: "তবে সাতশো ইঁদুর মেরে হজ্জে যাওয়ার নিয়্যত করে থাকলে সাধু সাবধান।- ইহা দ্বারা যে কোন পাপ করে প্রকৃত সংশোধন না হয়ে সমাজে নিজেকে সাধু হিসেবে দেখলে বুঝানো হয়।
১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ ভোর ৬:৩৮
ফেল কড়ি মাখ তেল বলেছেন: ভাই আপনি কি ভার্জিন???
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ ভোর ৬:৫০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সেইটা আপনার জেনে কামডা কি?
১৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:৫৭
চাঁদগাজী বলেছেন:
দেশে শতকরা ৩০/৩৫ ভাগ মানুষ শিক্ষিত, কিন্তু বেশীর ভাগই নীতিহীন ও অনেকেই অসৎ; এটা সমস্যার কারণ
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:১৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: কিন্তু বেশীর ভাগই নীতিহীন ও অনেকেই অসৎ; এটা সমস্যার কারণ
এই মানুষগুলোই আজ সমাজের মাথা। তারা সমাজে পচন ধরিয়ে রাখতে চায়। জাতি এই চক্র থেকে বের হয়ে আসতে পারছেনা।
১৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:০২
বারিধারা বলেছেন: গরিব মানুষেরা ট্যাক্স ভ্যাট কিছুই দেয়না, কিন্তু তারা রাস্তাঘাট-সেতু সব ব্যবহার করে। তাদেরকে বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়, ভ্যাসেক্টমি করার জন্য ৩০০ করে টাকা দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হলে সরকারী খরচে তা বানিয়ে দেওয়া হয়, মহামারির সময়ে বিনামুল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ সরবরাহ করা হয়। দুনিয়া জুড়ে সবচেয়ে মূল্যবান পণ্য শিক্ষা ও শিক্ষা উপকরণ ফ্রি দেয়া হয়।
কেবল সরকার নয়, বেসরকারী অনেক সংস্থা তাদের বিশুদ্ধ খাবার পানি, সার-কীটনাশক, স্যানিটেশন, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিয়ে থাকে। তারপরেও গরিবের কেউ নেই - এরকম বলাটা একটা জনপ্রিয় ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৪৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গরিব মানুষেরা ট্যাক্স ভ্যাট কিছুই দেয়না, কিন্তু তারা রাস্তাঘাট-সেতু সব ব্যবহার করে। তাদেরকে বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়, ভ্যাসেক্টমি করার জন্য ৩০০ করে টাকা দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হলে সরকারী খরচে তা বানিয়ে দেওয়া হয়, মহামারির সময়ে বিনামুল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ সরবরাহ করা হয়। দুনিয়া জুড়ে সবচেয়ে মূল্যবান পণ্য শিক্ষা ও শিক্ষা উপকরণ ফ্রি দেয়া হয়।
কেবল সরকার নয়, বেসরকারী অনেক সংস্থা তাদের বিশুদ্ধ খাবার পানি, সার-কীটনাশক, স্যানিটেশন, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিয়ে থাকে। তারপরেও গরিবের কেউ নেই - এরকম বলাটা একটা জনপ্রিয় ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।
বহু জাতিক কোম্পানি দেশে নাযিল হওয়ার ফলে কুটির শিল্প প্রায় বিলুপ্তি হয়ে গেছে। এই সমস্ত কোম্পানিতে উৎপাদিত প্রতিটি পন্যের মূল্য ভ্যাট সহ লেখা থাকে। সেটা ছাই থেকে শুরু করে ভাত খাওয়ার প্লেট পর্যন্ত। রাষ্ট্র শুধু গরীবের হাটার জন্য রোড তৈরি করে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। বন্ধাবস্থা করার জন্য সরকার যে বড়ি দেয় এর মান প্রচলিত বড়ি থেকে শত গুণ নিচে এই জন্য মানুষ এগুলো ব্যবহার করে না, তার দুষ্প্রাপ্যতা রয়েছে। এ ভ্যাসেক্টমি করে স রকার জন গ ণের ব্যক্তিগত অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। এই পদ্ধতি দারিদ্র্য কমানোর কাযর্ত কোন কৌশল নয়। মাথা ব্যাথা হলে মাথা কাটার মত ব্যবস্হা।
ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হলে সরকারী খরচে তা কয়জন গরীব মানুষ কে বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হয়েছে? আইলা, সিডর মোড়াতে কয়জন এই সুবিধা ভোগ করছে?
মহামারির সময়ে বিনামুল্যে কয়জন মানুষ সরকার থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ পেয়েছে। এই সমস্ত ক্ষেত্রে নামে মাত্র যা দেয়া হয়েছে তা থেকে সুবিধাভোগীরা লুটপাট করেছে।
সরকার যে শিক্ষা ব্যবস্হা চালু রেখেছে তা যুগোপযোগী নয়, মাস্টাস পাশ ছেলে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করতে পারছেনা। প্রশ্ন ফাস করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে। বড় কথা হ লো দারিদ্রতার কারণে অনেক দরিদ্র ঘরের ছেলে/মেয়ে স্কুল কলেজ থেকে ঝড়ে পরছে।
এনজিওগুলো মানব সম্পদ উন্নয়নের নামে অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোকে উচ্চ সুদে ঝণ দিয়ে সর্বনাশ ঘটাচ্ছে। চালের টিন খুলে নেয়ার নজির আছে।
১৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:১২
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভাল লাগল পোস্ট
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:১০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৪২
মোস্তফা সোহেল বলেছেন: পোষ্ট ভাল লেগেছে।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:১৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ফাঁকা বুলি না আওড়িয়ে সরকারের উচিৎ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৫০
নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক মজা করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো আলোচনা করেছেন ভাই।
ভালো লাগলো পড়ে।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:১৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন:
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন দিবানিশি- এই কামনা করি।
১৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:০৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গরিব মানুষেরা ট্যাক্স ভ্যাট কিছুই দেয়না, কিন্তু তারা রাস্তাঘাট-সেতু সব ব্যবহার করে। তাদেরকে বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়, ভ্যাসেক্টমি করার জন্য ৩০০ করে টাকা দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হলে সরকারী খরচে তা বানিয়ে দেওয়া হয়, মহামারির সময়ে বিনামুল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ সরবরাহ করা হয়। দুনিয়া জুড়ে সবচেয়ে মূল্যবান পণ্য শিক্ষা ও শিক্ষা উপকরণ ফ্রি দেয়া হয়।
কেবল সরকার নয়, বেসরকারী অনেক সংস্থা তাদের বিশুদ্ধ খাবার পানি, সার-কীটনাশক, স্যানিটেশন, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিয়ে থাকে। তারপরেও গরিবের কেউ নেই - এরকম বলাটা একটা জনপ্রিয় ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।
বহু জাতিক কোম্পানি দেশে নাযিল হওয়ার ফলে কুটির শিল্প প্রায় বিলুপ্তি হয়ে গেছে। এই সমস্ত কোম্পানিতে উৎপাদিত প্রতিটি পন্যের মূল্য ভ্যাট সহ লেখা থাকে। সেটা ছাই থেকে শুরু করে ভাত খাওয়ার প্লেট পর্যন্ত। রাষ্ট্র শুধু গরীবের হাটার জন্য রোড তৈরি করে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। বন্ধাবস্থা করার জন্য সরকার যে বড়ি দেয় এর মান প্রচলিত বড়ি থেকে শত গুণ নিচে এই জন্য মানুষ এগুলো ব্যবহার করে না, তার দুষ্প্রাপ্যতা রয়েছে। এ ভ্যাসেক্টমি করে স রকার জন গ ণের ব্যক্তিগত অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। এই পদ্ধতি দারিদ্র্য কমানোর কাযর্ত কোন কৌশল নয়। মাথা ব্যাথা হলে মাথা কাটার মত ব্যবস্হা।
ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হলে সরকারী খরচে তা কয়জন গরীব মানুষ কে বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হয়েছে? আইলা, সিডর মোড়াতে কয়জন এই সুবিধা ভোগ করছে?
মহামারির সময়ে বিনামুল্যে কয়জন মানুষ সরকার থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ পেয়েছে। এই সমস্ত ক্ষেত্রে নামে মাত্র যা দেয়া হয়েছে তা থেকে সুবিধাভোগীরা লুটপাট করেছে।
সরকার যে শিক্ষা ব্যবস্হা চালু রেখেছে তা যুগোপযোগী নয়, মাস্টাস পাশ ছেলে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করতে পারছেনা। প্রশ্ন ফাস করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে। বড় কথা হ লো দারিদ্রতার কারণে অনেক দরিদ্র ঘরের ছেলে/মেয়ে স্কুল কলেজ থেকে ঝড়ে পরছে।
এনজিওগুলো মানব সম্পদ উন্নয়নের নামে অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোকে উচ্চ সুদে ঝণ দিয়ে সর্বনাশ ঘটাচ্ছে। চালের টিন খুলে নেয়ার নজির আছে।
২০| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ২:১৬
সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: সুন্দর একটা বিষয় অালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:২৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপ্নাকেও অশেষ ধন্যবাদ ভাই।
পাঠ ও মন্তব্য করেছেন।
২১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ২:৩০
সনেট কবি বলেছেন:
শাহাদৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া)
দূর্নিবার ছুটে চলা ‘দূরন্ত’ এমন,
বাঁধভাঙ্গা ঢেউ যেন দূর্বার জোয়ারে
ভেঙ্গে চলে অবিরাম বাধার পাহাড়
কলমের তীক্ষ্মধার খোঁচায় প্রত্যহ।
সাহাদৎ হোসাইন সত্যের ছায়ার
মাঝে দেখি সেরকম দূরন্ত চরিত্র,
অভিপ্রায় চির যার অন্যায় বিনাশ
প্রতিকাজে, পরিস্ফুট মানব মঙ্গল।
ওহে প্রিয় গুণীজন ব্লগের পাতায়
আপনার উপস্থিতি আনন্দ নিলয়
গড়ে তোলে, মুগ্ধমনে সকলে তা’জানে।
কবিতার কথা মালা নিবন্ধ কানন
সমাজের মানুষের আচার-বিচারে
পরিপূর্ণ আপনার সৃষ্টির সম্ভার।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৩২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: এই অধমরে নিয়ে কবিতা লিখার কি দরকার ছিল। অনেক ভাল এবং গুণী ব্লগার আছে তাদের নিয়ে ধারাবাহিক লিখছেন এবং ভবিষ্যৎে লিখবেন আশা করি।
পরিশেষে ভালবাসা এবং মেহনতের জন্য ধন্যবাদ।
২২| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৯
রাজীব নুর বলেছেন: দরিদ্র দেশে নানান সমস্যা থাকবেই।
সমস্যা হলো- এই সব সমস্যা নিয়ে কেউ মাথায় ঘামায় না।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:১৭
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মাথা আমাদের মত চাল চুলাহীন রাসুরা ঘামায়", হোসেন মিয়ারা স্বপ্নের রাজ্য গড়তে ব্যস্ত।
২৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৩
দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: প্রত্যেকটা পয়েন্ট এক একটা ধাক্কার মতো।
একটি শিশু বুঝ হওয়ার পর যখন জানতে পারে পৃথিবীতে তার মৌলিক চাহিদা পূরণ করার মত পরিবেশ বা সুযোগ-সুবিধা নেই তখন সে হয় মানুষিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে অথবা সে মারাত্মক আক্রমনাত্মক হয়।
প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেলেও সমস্যা।
পোস্ট ভালো লাগছে।
২৪ শে জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সুন্দর মূল্যায়ন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২৪| ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:৪৯
ইঞ্জিন মাধব ও ঘাওড়া মজিদের যৌথ প্রযোজনা বলেছেন: আমি সেক্স, মাইয়ামানুষ, রেপ এইসবের ইঞ্জিনিয়ার। আমারে সংক্ষেপে ইঞ্জিন মাধব ডাকলে আমি খুশি থাহি । আমি নিশ্চিত, আমার ইঞ্জিনে চাদ্গাজি গু দেয়, তাই তার পিছনে আমি ঘাওড়া মজিদরে লেলায় দিসি , এইবার সে বুঝব মজা । বেকুবের লাহান ঘাওড়া মজিদরে দিয়া আমার আসল ইঞ্জিনে মানে আমার আসল ব্লগে দাগ ফালাইছিলাম মানে দুই একটা কমেন্ট দিসিলাম, পরে বুঝবার পাইরা মুছে ফালাইছি । আমি খুব সরল সোজা মানুষ । তাই আপ্নেগোরে এত সব কয়া দিলাম। ব্যাকআপ হিসাবে এই আইডিটা খুলি রাখলাম ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৪০
সুমন কর বলেছেন: ১-এ লাইক।