![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব
আগেরকার দিনে-
১। নবী-রাসূলেরা মোজেজা দেখাতেন। কাফেরা দেখাত কুফরি/যাদু মন্ত্র।
ফলাফল: এক সময় কুফরি উপর 'মোজেজা: জয়লাভ করত। এবং ততকালীন বিপদগামী এবং নির্যাতিত মানুষগণ নতুন ধর্ম মত গ্রহণ করে শান্তির পতাকা তলে সমাবেত হতেন।
® কোরান হাদিস দ্বার প্রমাণিত । মুসলমানেরা নবীদের মোজেজা অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যাবে।
২। তারপরে আসলো অলি-আল্লাহর যুগ। অলি-আল্লাহরা বিভিন্ন 'কেরামত' দেখাইতেন। আর কাফেরা দেখাতেন যাদু -মন্ত্র বা ইন্দ্রকাম।
ফলাফল: যাদু মন্ত্রের উপর 'কেরামত' জয়লাভ করিত। ফলে অলি-আল্লাহরা নির্বিঘ্নে বির্ধমী এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে ধর্ম প্রচার করতে পারতেন এবং সেখানকার নির্যাতিত মানুষ কে শান্তির ছায়ায় নিয়ে আসতেন।
® বিভিন্ন কিতাবে এর উদাহরণ পাওয়া যায়। এই বঙ্গে পীর আওলিয়াদের এত পরিমাণ মোজেজারর কথা প্রচলিত আছে যে তা সময়য় নিয়ে গুনতে হবে।
বর্তমানে: বিভিন্ন দেশে মজলুম নির্যাতিত হচ্ছে, এক্ষেত্রে কোন অলি-আল্লাহ ভূমিকা নিতে পারছেনা। অলি-আল্লাহদের মোক্ষম অস্ত্র হলো ক্যারামত। বিগত কয়েক যুগ ধরে কোন অলি আল্লাহ/পীর/গাউস-কুতুব কর্তৃক এমন কোন কেরামতি বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেনি যা দ্বারা মানব জাতির মঙ্গল/শান্তি সাধিত হইছে।
আসল অবস্হা: বর্তমানে অলি-আল্লাহ নেই। তবে ধর্মীয় শিক্ষিত আমলদার থাকতে পারে। আমলদার আর অলি-আল্লাহ এক নয়। (অলি- শব্দের অর্থ বন্ধু, মানে আল্লাহর বন্ধু, দুনিয়াতে বান্দার প্রায় চূড়ান্ত অবস্হা, যা অর্জন করতে কতগুলো টার্মশ এন্ড কন্ডিশন লাগে এবং আল্লাহর ইবাদতে চূড়ান্ত পর্যায়ের কাছাকাছি যেতে হয়। কিন্তু আমলদার বুঝালে সাধারণত ইস্লামের মৌলিক আকিদা আদায়কারীকে বুঝায়। কিন্তু সে এখনো চূড়ান্ত স্তরের কাছাকাছি পৌছাতে পারেনি।
তাহলে এরা কারা: আমাদের দেশে সাধারণত নানা রকমের পীর/অলি-আউলিয়া আছে। তারা নিজেদের কে কামেল/আত্মাধিক/এলমে তাসাউফ সম্পূর্ণ অলি-আল্লাহ হিসেবে সমাজে পরিচয় দেয়। বাস্তবতা হলো এরা কেউ পীর বা অলি-আল্লাহ নয়। এখন তাহলে আপ্নেরা প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে এরা কি ? উত্তর পরিস্কার, এরা গদিনীশীল পীর! অর্থাৎ পীরের অবর্তমানে তার গদিতে (চেয়ারে) বসেছেন। এটা বাস্তবতা। এটা যে কোন ধর্মীয় জ্ঞানে শিক্ষিত আমলদার বসতে পারেন, কিন্তু কেরামতি দেখাতে হলে আপনাকে/তাদের কে অলি-আল্লাহর স্তরে যেতে হবে। অর্থাৎ বর্তমানে অলি-আল্লাহর কাতারে পরে এমন কেউ নেই, তবে যারা আছেন তারা শিক্ষিত/অশিক্ষিত চেয়ারপার্সন।
আরেকদল আছে স্ব-ঘোষিত পীর বা অলি-আল্লাহ! এদের কাজ নিজেকে জাহির করা।
আরেক শ্রেণি আছে ভণ্ড পীর বা ধর্ম ব্যবসায়ী। একশো হাত দূরে থাকুন।
আচ্ছা গদিনীশীন পীর/অলি-আল্লাহরা কেরামতের অনুরুপ কিছু দেখাতে বা করতে পারেনা?
তা কিছু একটা পারে! সেটা হলো পানি পড়া আর তাবিজ দেয়া এবং তার বিণিময়ে হাদিয়া উঠানো!
তাহলে উপায়?
যেহেতু ইলমে দ্বীনে বুজুর্গরা/পীর/অলি-আউলিয়ারা তাদের নেতৃত্বে, কূটকৌশলে, প্রভাব এবং ক্ষমতার মাপকাঠিতে বাতিলের/কাফিরের সাথে মোকাবেলায় পেরে উঠতে পারছেন না সেহেতু তাদের যোগ্যতা অর্জন করা পর্যন্ত এবং অর্জন করার পরেও মুসলমানদেরকে প্রযুক্তি এবং শিক্ষার আশ্রয় নিতে হবে। কারণ কেরামতির অবর্তমানে বিকল্প সমাধান হলো প্রযুক্তিগত ক্ষমতা। এই ক্ষমতা অর্জন করতে পারলে মুসলমানের সমস্যা নিজ থেকে মিটে যাবে। ট্রাম্প বা পুতিনের অনুকম্পা পাওয়ার আশায় থাকতে হবেনা। আগামীতে যারা প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকবে তারা বিশ্ব লিড দিবে। পানি পড়া, তৈলপড়া দেয়া কোন দরবেশ বাবার নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার জন্য বিশ্ব এখন প্রস্তুত নয়।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: যারা কেরামতি ফলাতেন তারা গত হইয়া গেছেন। এই সময়ের যারা আছেন তারা একজনেও কেরামতি দেখাইতে পারেনি।
নবী পরিচয় হইলো তার মোজেজা আর আওলিয়াদের পরিচয় তাদের কেরামত।
২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪
চাঁদগাজী বলেছেন:
জ্ঞান-বিজ্ঞান ধর্মের সম্পুরক; জ্ঞান-বিজ্ঞান ধর্মের বিপক্ষে কিছু বলছে না।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: কিন্তু ধর্ম ব্যবসা জ্ঞান চর্চায় বাধা। সব জ্ঞান বাবাজান অজর্ন করলে মুরিদানের হু-হা করলেই চলে!
৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আমার জীবনে কোন তাবিজ ব্যবহার করিনি, আমি কারো কাছে দুহাত পাতিয়া কেজি বা ধরা পাঁচেক মুরিদ নিয়ে আসিনি, তাই এইসব আধ্যাত্মিক ব্যাপারস্যাপার বুঝি না।
তবে আপনার শেষ কথাটুকু শুধু মানিই না, উপলব্ধি করছি...
সুন্দর লিখেছেন ভাই
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে করুনা মাগা হারাম।
৪| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
মলাসইলমুইনা বলেছেন: আপনার লেখাটার সাথে ওভারঅল একমতই হলাম | কিন্তু সমস্যা উত্তরণের উপায় সম্পর্কে "... কেরামতের বিকল্প হলো প্রযুক্তিগত ক্ষমতা" -এই মন্তব্যের সাথে দ্বিমত করলাম একটু | টেকনোলজি উন্নতি আনবে ঠিকই কিন্তু সেটা বিশ্বাসগত কিছু নয় |উন্নত দেশগুলোর দিকে দেখুন, টেকনোলজিক্যাল উন্নতিতে ইতিহাসেরই সবচেয়ে চূড়োয় রয়েছি আমরা এখন | কিন্তু বিশ্বাসের খুব বেশি উন্নতি কিন্তু হয় নি | অনেকটা মনে হয় ধর্ম বিমুখতা বেড়েছে | কেরামতের ক্ষমতা আর প্রযুক্তিগত ক্ষমতার উদ্দেশ্য এক নয় | দুটোই উন্নতির জন্য দরকার (কেরামত বা ধর্মীয় ক্ষমতা কিভাবে ডিফাইন করছেন সেটা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে )|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ,
ভালো একটি পয়েন্ট ধরেছেন। মানুষ কে ধর্মীয় জ্ঞান এবং আমলের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত বিদ্যা অর্জন করতে হবে নেতৃত্বের সহায়ক শিক্ষার জন্য এবং দুনিয়াবি পাথেয় হিসেবে-আমি এটা বুঝাতে চাইছি।
৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:২২
মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমি শুধু আমার দৃষ্টি কোণের কথাই বলেছি | আপনার বক্তব্যের সাথে আমি কিন্তু একমত | আপনার কথা খুবই পরিষ্কার ছিল শুরুতেই | অনেক ধন্যবাদ নেবেন লেখার জন্য |
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি আমার বিশ্বাসের কথা বলেছি। কখনো যদি তা কোরান এবং হাদিসের বিপরীত যায় তাহলে বুঝিয়ে বলবেন। অবশ্যি সংশোধন করে দিব।
৬| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৩
আহমেদ জী এস বলেছেন: শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) ,
ভালো লিখেছেন । সহমত ।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৪
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আমাদের চেলেঞ্জ গ্রহণ করার মত উপযোগী হতে হবে। নয়তবা সারা জীবন মার খেয়ে যেতে হবে।
৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৬
জটিল ভাই বলেছেন: মন্তব্যটি বড় হবে তবুও লিখা কর্তব্য মনে করছি। আজকাল নাস্তিক-আস্তিক, মুক্তমনা-ধর্মান্ধ ইত্যাদি কারণে ব্লগে তেমন একটা আসিনা আবার এলেও এসব লিখা পড়ে মন্তব্য করতে ভয় হয়। যাইহোক, লিখাটির স্পষ্টতই মূলধারার সহায়ক হলেও শেষেরদিকের ‘কেরামতির অবর্তমানে বিকল্প সমাধান হলো প্রযুক্তিগত ক্ষমতা’ অংশে এসে আটকে যাই। বিষয়টা নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে কিনা সেই ভয়ে অন্যদের মন্তব্য পড়ে মলাসইলমুইনা সাহেবের মন্তব্য দেখে মন্তব্যের সাহস পেলাম। আমার প্রশ্নটা ওনার মন্তব্যে অনেকটাই স্পষ্ট। তাই আমার মনে হচ্ছে শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) সাহেব মূলধারার সাংঘর্ষিক হিসেবে লাইনটি লিখেননি। আসলে লেখনী দিয়ে সবসময় সকল এক্সপ্রেসন সঠিকভাবে অন্যকে বুঝানো যায়না। এইক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। কেরামতির অবর্তমানে বিকল্প সমাধান হলো প্রযুক্তিগত ক্ষমতা বক্যটি সাধারণ সেন্সে সম্পূর্ণই মূলধারার ইসলামের সাংঘর্ষিক। কারণ, কেরামত আল্লাহ্’র অনন্য করুণা যা তিনি নির্দিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের মাধ্যমেই ঘটিয়ে থাকেন। আর প্রযুক্তি আল্লাহ্ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যে এর জ্ঞাণ আস্বাদন করতে সক্ষম হবে সেই পারবে কাজে লাগাতে। সুতরাং দুটো কখনই এক না যেটা ইংরেজি ২টা শব্দ দিয়ে খুবই স্পষ্ট। মিরাকল্ আর টেকনলজি। সুতরাং, শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) সাহেব মূলত: তথাকথিত ধর্মব্যবসায়িদের উদ্দেশ্যে ‘কেরামতির অবর্তমানে বিকল্প সমাধান হলো প্রযুক্তিগত ক্ষমতা’ কথাটি বলেছেন। সত্যিকারের পীরগণের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আর এটাও শুনেছি, আল্লাহ্ কিয়ামাতের পূর্বমুহুর্তে কারামত তুলে নেবেন। কিন্তু বর্তমানে কারামতের কি অবস্থান তা নিশ্চই আল্লাহ্’ই ভালো জানেন। তাই সঠিক বিশ্লেষণ এবং জ্ঞাণের ভিত্তিতে লিখাটি সত্যিই অসাধারণ। এইজন্য শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম আরো লিখা চাই। ধন্যবাদ
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সত্যিকার পীরদের/আউলিয়াদের আমি শ্রদ্ধা করি। কারণ, তাদের প্রচেষ্টারর কারণে আমাদের পূর্বপুরুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আজ আমি আমার বিশ্বাস তুলে ধরতে পেরেছি।
আমি কোরান এবং হাদিসের প্রচলিত অর্থে বিপরীত যায় এমন কিছু লিখিনা। আর যদি অজ্ঞাত বশত: কোন কিছু লিখি তাহলে খোদা যেন সংশোধনের সুযোগ দেন।
৮| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৫
শুজা উদ্দিন বলেছেন: মধ্যপন্থা অবলম্বনের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও দোয়া রইল।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপ্নাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।।।
ইসলামে আকিদা, দৈনান্দিক এবং যুগ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন জানতে অবশ্যি সত্যিকার আলেমের দারাস্হ হবেন।
৯| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৬
মলাসইলমুইনা বলেছেন: জটিল ভাই : গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা খুবই সহজ করে বলেছেন | লেখকের বক্তব্যটা প্রথমেই ক্লিয়ার ছিল | আমি পুরোই একমত ছিলাম শুরুতেই | আমি শুধু একটু ডিফারেন্ট একটা এঙ্গেলের কথা যোগ করেছিলাম আমার মন্তব্যে | আপনি আরো অন্য একটা দিকের কথা বলেছেন "কেরামত আল্লাহ্’র অনন্য করুণা যা তিনি নির্দিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের মাধ্যমেই ঘটিয়ে থাকেন। আর প্রযুক্তি আল্লাহ্ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যে এর জ্ঞাণ আস্বাদন করতে সক্ষম হবে সেই পারবে কাজে লাগাতে " -এই কথা বলে | আমি আগেই লেখকের সাথে একমত ছিলাম, এবার আপনার সাথেও একাত্মতা ঘোষণা করলাম | অনেক ধন্যবাদ |
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আল্লাহ কর্ম ছাড়া কোন কিছুর সাহায্যের উছিলা করেন না। ভাল কর্ম করলে আল্লাহ তার বিণিময়ে সাহায্য দান করেন। প্রযুক্তিগত জ্ঞান সে রকম। প্রযুক্তিগত জ্ঞান কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগাতে পারলে আল্লাহ আমাদের কে তার বিণিময়ে সাহায্য দান করবেন। মুস ল মান দের বিজ্ঞান শিক্ষায় এগিয়ে আস তে হবে।
শুধু একজন কোরানে হাফেজের চাইতে একজন কোরানে হাফেজ কাম ডাক্তার উত্তম। কারণ সে দুইভাবে মানুষ কে সার্ভিস দিতে পারছে এবং সমাজে তার একটি প্রভাব বিদ্যামান থাকে।
১০| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০৫
প্রামানিক বলেছেন: ট্রাম্প বা পুতিনের অনুকম্পা পাওয়ার আশায় থাকতে হবেনা। আগামীতে যারা প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকবে তারা বিশ্ব লিড দিবে। পানি পড়া, তৈলপড়া দেয়া কোন দরবেশ বাবার নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার জন্য বিশ্ব এখন প্রস্তুত নয়।
দারুণ বক্তব্য। ধন্যবাদ
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৩০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জি, অসংখ্য ধন্যবাদ।
স-শ্রদ্ধা সালাম জানবেন।
১১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৫
তারেক ফাহিম বলেছেন: বর্ণনা ভালো লাগলো।
ভালো থাকবেন চিরন্তন।
প্রেরণা না পাওয়াতে নিজ থেকে নিমন্ত্রন দিলাম
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৩৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনি অনেক সুন্দর লিখেন। কেন জানি আপনার লেখা এড়িয়ে যায়।
১২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪২
কূকরা বলেছেন: গ্যান বিগ্যানের দৌড়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে - এইটা পাঁদগাজী এন্ড গং এর মনের কথা হতে পারে, কিন্তু এখানে কয়েকটা ছোট্ট-সমস্যা আছে। সেটা হল:
১। বর্তমানে বস্তু বিজ্ঞানে আমরা অমুসলিমদের চেয়ে কয়েকশ বছর পিছিয়ে আছি।
২। বস্তু বিজ্ঞানে আমাদের যে কোন অগ্রগতির চেষ্টা অমুসলিমদের কড়া নজরদারির মধ্যে থাকে (পাকিস্তানের পারমানবিক প্রোগ্রামের উদাহরণ দেয়া যায়)
৩। পিছিয়ে থেকে হলেও দৌড় আরম্ভ আমরা অনেক আগেই করেছি। কিন্তু অমুসলিমরাও দৌড়াচ্ছে - কাজেই গ্যাপ কমিয়ে নিয়ে আসা কঠিন হয়ে গেছে।
৪। বর্তমানে মুসলিম জাতি অমুসলিমদের আক্রমনের মুখে আছে, যার মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৫। ঐক্যবদ্ধ হতে পারলে জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং প্রতিরক্ষার দৌড়ে কিউমিলিটিভ অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু মুসলিম জাতির ঐক্য নষ্ট হয়ে গেছে। ধর্মের মাধ্যম ছাড়া ঐক্য ফিরিয়ে আনার আর কোন কমন গ্রাউন্ড নাই, আবার পাঁদগাজী এন্ড গংদের ভাষ্য মতে ধর্ম যতটা সম্ভব উপেক্ষা করে জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নতি করতে হবে (তার মানে কিউমিলিটিভ অগ্রগতি অর্জন করার সুযোগ কাজে লাগানো যাবে না - পায়ে দড়ি বেঁধে দৌড়াতে হবে আরকি)
৬। সবচেয়ে বড় কথা হল, স্পেন এবং বাগদাদের ধ্বংস এমন সময় হয়েছিল, যখন জ্ঞানে-বিজ্ঞানে মুসলমান অনেক অগ্রগামি ছিল, কিন্তু তার পরও কিছু মূর্খ জাতির হাতে মার খেতে হয়েছিল।
কাজেই, রোগ উৎপত্তির কারণকেই আমরা ঔষধ মনে করতেছি কি-না, তাও ভেবে দেখা দরকার।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: শিয়াজম নিয়ে অনেকের মত বিরোধ থাকতে পারে! কিন্তু ইরানের কথা চিন্তা করুন। সেখানে ইস্রাইল এবং আম্রারিকা পশমও ছিঁড়তে যায়না। কারণ তাদের হাতে তের ধ রণের আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্র আছে।
১। এটা কোন সমস্যা না। শুরু করলে এবং জাতিগতভাবে এক থাকলে সামনে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া যায়।
২। এটা তাদের পলিসি। এই চক্র ভাঙ্গার জন্য অধিক ত র চৌকস এবং জ্ঞানী এজেন্সি সৃষ্টি করতে হবে। হুজুরা খানায় বসে ফানা ফিল্লা বাকী বিল্লাহ করে তাদের মোকাবেলা সম্ভব নয়।
৩। জাতীয় শুদ্ধাচার এবং কৌশল ঠিক করে দৌড়ালে এ গ্যাপ সহজে কমে আসবে। অবৈধ হেরেমে এবং য়ূরোপের অভিজাত হোটেলে যাওয়া আসা বন্ধ করতে হবে।
৪। এ মাথামোটা ইসলামী বিশেষজ্ঞদের কর্ম ফল। তাদের ভুল আইডলজির কারণে জনগণ ইসলাম বিমুখ হয়ে গেছে। ফলে বিভিন্ন দলের সৃষ্টি হচ্ছে। ইসলামী দেশ সমূহ নিজেদের মধ্যে অবিশ্বাস পোষণ করতে আছে।
৫। কোন কিছুর শেষ দেখা মানে বোকামি। এখনো কমন মুসলমানদের ঐক্য করা সম্ভব। কিছু বাহিরে থাকবে সেগুলো গণায় না ধরলেও চলবে।
৬। স্পেন এবং বাগদাদ পরাজয়/পতন হইছে দীর্ঘ দিনের ক্ষমতার দ্বন্দ, পরস্পর অবিশ্বাস এবং অতিরিক্ত ভোগ বিলাশিতার কারণে।
বাগদাদ যখন আক্রমণ হয়েছে তখন খলিফা কিন্তু যথাযথ ডিফেন্স ব্যবস্হা করতে পারেনি। প্রথম মাথামোটাদের বুদ্ধিতে উষ্মা দেখালেও পরেও অসহায়ভাবে আত্মসর্পণ করে জীবন দিয়েছেন।
স্পেনেও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্হা গড়তে না পারার ধরুন বা যথাযথ পালটা আক্রমণ না করাণে নগরে অবরুদ্ধ হয়েছিলেন।
বর্তমানে ট্রাম্প বা পুতিনের অনুকম্পার মত সেই সময় মসুলমানেরা মঙ্গল আর ঈসাবেলার অনুকম্পা কামনা করেছিল।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: প্রায় এক থেকে দেড় কোটি ইহুদি একশ কোটি মুসলমান কে কিসের বলে গুতায় এটা খেয়াল করতে হবে।
১৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪৮
কূকরা বলেছেন: আরো একটা বিষয় - ইসলামের শুরুর দিকে মুসলমানদের হাতে রোম-পারস্য যখন ধ্বংস হচ্ছিল - তখন কিন্তু আবার বস্তুগত জ্ঞান-বিজ্ঞানে রোম-পারস্যই এগিয়ে ছিল - এটাও কিন্তু একটা পয়েন্ট।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সে সময় তরবারীর মোকাবেলায় তরবারী, বর্শার বিরুদ্ধে বর্শা, তীরের বিরুদ্ধে তীর ইত্যাদি ছিল যুদ্ধের হাতিয়ার। দুই একটা ট্রুপ সামান্য এদিক সেদিক থাকতে পারে। সেগুলো যুদ্ধে তেমন ভারসাম্য নষ্ট করতে পারত না।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো মুসলমানেরা সে সময় যুদ্ধের ভাল রণকৌশল এপ্লাই করত। এবং তারা নগর অবরোধের যন্ত্রপাতি আবিষ্কার ও ব্যবহার করা শিখেছিল। তাদের যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবস্হা ছিল সে সময়কার আধুনিক।
১৪| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৩
গ্রীনলাভার বলেছেন: আমি সন্দিহান। আমরা তো পানি পড়া আর মোজেজা দিয়ে ১০০০+ বছর পৃথিবী শাসন করিনি। যদিও এটি স্বীকার করতে আমি মুসলিম হয়েও কোথায় যেন বাঁধে।
যাই হোক টপিক টি চমৎকার ছিল; যদিও রম্যরসে তিতা হয়ে গেছে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ।।
আমাদের কে মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। সেটা অবশ্যি জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে।
১৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: মুসলমানরা নবী রাসূল বা পীর আওলিয়ার মোজেজা ছাড়া পৃথিবির সুরু থেকে ইহুদি খিস্টানদের হতে পিছিয়ে ছিল। নিজেদের শিক্ষা জ্ঞান ক্ষমতা ইহুদি খিস্টানরা সব সময় এগিয়ে ছিল। এখনকার নামধারী মুসলিমরা মনে সেই মোজেজার আ্শায় বসে আছে।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৭:০৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: বক্তব্য সম্পূর্ণ ঠিক নয়। মুসলমানরা সবচেয়ে উদয়ীমান শক্তি ছিল। তারা চীনের সীমান্ত থেকে শুরু করে ফ্রান্সের পিরোনীজ পর্বত পর্যন্ত প্রভাব ও প্রতিপত্তি অর্জন করেছিল।
১৬| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৩:৩৫
কলাবাগান১ বলেছেন: গুহায় বসবাস করে জ্ঞান বিজ্ঞান হবে না....যতদিন উনি মানুষ কিনা তার আর আগে উনি হিন্দু না মসুলমান এই প্রশ্ন করা হবে ততদিন কোন উন্নতি হবে না। আমি যার আন্ডারে পিএইচডি করেছি ৫ বছর ছিলাম জীবনে কোনদিন উনি জানতে ও চায় নাই আমার ধর্ম কি?
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৭:১৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: বিশ্বের প্রায় সব দেশে (দু একটি ব্যতীত) সংবিধানে ধর্মের প্রভাব নেই বল্লেই চলে। খোদ বাংলাদেশে সংবিধানে মানুষের অধিকারের কথা বলা আছে। অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে গিয়ে সকল ধর্মের অনুসারীদের স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালনের সুবিধা দেয়া হয়েছে। ধর্ম বিজ্ঞান চর্চায় বাঁধা হতে পারে না।
কিছু ভুল আইডলজি বিজ্ঞান চর্চায় সমস্যা সৃষ্টি করবে।
১৭| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৪:০৯
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আপনার লেখার উদ্দেশ্য ও থিম পরিস্কার। তবে শিরোনাম ও লেখা কিছুটা ভ্রান্তির উদ্রেক করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হতে পারে মুসলমান বলতেই কেরামতির আশা করে আর জ্ঞান বিজ্ঞান থেকে দূরে আছে। ভন্ড পীর ও তাদের মুরিদ (শর্টকাট মুসলিম) দের কথা বলতে গিয়ে আপনি মুসলমানদের কথা বলে ফেলেছেন। প্রকৃতপক্ষে মুসলমানরা মোটেও জ্ঞান বিজ্ঞানে আর পিছিয়ে নেই। কিছু ভন্ড পীর ও তাদের মূর্খ মুরীদদের জন্য মুসলমান জাতিকে পিছিয়ে পড়া বলা যায় না...
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৭:২৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
অনেক মুসলমান দেশ/ তরুনরা প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সরকারের ব্যবস্হাপনায় কিংবা স্ব উদ্যোগে টেকনোলজি জ্ঞান সম্পর্কে দক্ষ হচ্ছে। নিজেরা মৌলিকত্বের ছাপ রাখছে বা চেষ্টা করছে। কিন্তু বৃহৎ অংশ এখনো পিছে রয়ে গেছে।
১৮| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:১৮
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মুসলমানদের টেকনোলজির জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
আহবানের ধরনটাই ভুল।
বরং বলতে পারতেন (নিজ নিজ ধর্ম অক্ষুন্ন রেখে) "আমাদের কে কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা পরিত্যাগ করে শিক্ষাদিক্ষা ও জ্ঞ্যান বিজ্ঞানে এগিয়ে যেতে হবে"
মুসলমান জাতী বলতে বাস্তবে কিছু নেই। সৌদি অভিজাত সালাফি-ওহাবিরা বাংলাদেশী সুন্নিদের মুসলমান তো দুরের কথা, মানুষই মনে করে না। ধর্মান্ধ মুসলিমরা প্রথম থেকেই শত ভাগে বিভক্ত। ভিন্নমতের মুসলিমদের কাফেরদের চেয়েও বেশী ঘৃনা করে।
বাংলাদেশে সুধু সুন্নি মুসলিমদেরই ৪০-৪৫টি ভিন্নমতাবলম্বি রাজনৈতিক দল আছে, কেয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করলেও এদেরকে একমতে আনতে পারবেন না।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আওয়ামী, বিম্পি, জাতীয় পার্টি- সব কিছু মিলেই বাংলাদেশি।
১৯| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:২৩
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ১ নং মন্তব্যের উত্তরে যা বলেছেন- তাতে সহমত।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
২০| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:২২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: মুসলমানদের যখন সোনালী সময় তখন রোম ছিল জ্ঞান বিজ্ঞান সামরিক দিক থেকে এগিয়ে। রোমানদের সাথে মুসলমানদের বিক্ষিপ্ত কিছু সংঘর্স হয়েছে কিন্তু তারা রোমানদের উপর জয়ী হতে পাড়ে নী। রোমান সভ্যতা পতনের পড় তুরস্ক ও স্পেনের কিছু ভাগ দখল কড়ে নেয়। খিস্টানরা ইহুদিরা সামরিক দিক থেকে সব সময় এগিয়ে ছিল।
২১| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:১৯
চাঁদগাজী বলেছেন:
পীর ইত্যাদিরা ধর্মের মাঝে নিজেদের ভাবনাকে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছেন।
২২| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:২৭
নীরদ অর্ণব বলেছেন: মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে তো আর টেকনোলজি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে পারবে না। মুসলিমরা প্রযুক্তিকে যতই দূরে ঠেলেছে তত বেশি মার খেয়েছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
নতুন বলেছেন: উপায় বিজ্ঞান চচা`....
এই যে কেরামতির কাহিনি শুনেন সেই গুলি ভন্ডামী... নয়তো কিছু সুডুসায়ান্সের ব্যবহার... যাতে করে বাবার ব্যবসা ভালো হয়।
আমাদের দেশের অন্ধবিশ্বাসী ধামি`কদের টাকা মাজারে দানের জন্যই কেরামতির কাহিনি বানাতো মাজারের লোকজন।