![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব
হারু খা নৌকার গলুইয়ে চিন্তিত মনে বসে আছেন। তার এক হাতে বিড়ি আরেক হাতে বৈঠার হাল। তিনি এই জেলে নৌকার একই সাথে বেপারী এবং মালিক। এখন উজানে গিয়ে জাল ফেলবেন। নৌকার অন্যন্য মাঝিরা বিভিন্ন অংশে বসে নানান বিষয়ে আলাপ-সালাপ করছেন, তাদের আলোচ্য বিষয় মাছ উঠা না নিয়ে। তারা খুব চিন্তিত। তার নৌকায় মোট বারোজন কর্মচারী। এর মধ্যে চারজন 19 থেকে 23 বছর বয়সের মধ্যে, তারা বসে বসে তাস খেলছে। সংসার রাজ্যের চিন্তা তাদের কাছে থোরাই কেয়ার। একমাস হতে চলল নদীতে মাছ শূণ্য। জালে যা মাছ ধরা পড়ে তা দিয়ে খরচ উঠানো দায় হয়ে গেছে। তার উপর মহাজন দাদনের টাকার জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন।
এখন মেঘনার বুকে শো শো করে বাতাস বইছে। বাতাসে হারু খার চুলগুলো এলোমেলো করে দিচ্ছে। ফলে তার ভাবনায় শিল্পের ছোঁয়া লেগেছে। নৌকা চলছে স্রেতের বিপরীতে কিন্তু বাতাসের অনুকূলে। নৌকাতে ষোল হর্স পাওয়ারের দুটি ইঞ্জিন লাগানো। মেঘনার বুকে তারচেয়ে দ্রুত চলতে পারে এমন জেলে ট্রলার দ্বিতীয়টি নেই। অসংখ্য পালতোলা ও ইঞ্জিন লাগানো নৌকাকে পিছনে ফেলে তার নৌকা সা- সা- করে এগিয়ে যাচ্ছে। নদী তার কাছে খুবই আপন এবং পরিচিত মনে হয়। মাঝেমধ্যে তার ইচ্ছে হয় মেঘনা নদীকে মা বলে ডাকি। নদীর দুই পাড়ে জেলে পাড়ার ছেলে মেয়েরা ঝোলাপাতি খেলছে। ঘাটে বাড়ির বউ ঝি'রা গোসল করছেন। অনেকে ভেজা কাপড়ে কলসি কাখে নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। এদৃশ্যটা তার কাছে খুব ভালো লাগে। মাঝে মাঝে তার মন চায় গলা ছেড়ে গান গাইতে। কিন্তু মালিক বলে কথা, তাই সিনিয়রিটি ম্যানেজ করে চলতে হয়। অবশ্য তিনি এক সময় প্রচুর গান গাইতেন, বিশেষ করে নদীতে খেপ না থাকলে।
হারু খা বসে আছেন। তার বয়স এ্রখন ত্রিশ ছুইছুই। তিনি আস্ত একটা গুলডি জাল নৌকার (এক প্রকার বড় আকৃতি মাছ ধরার নৌকা) মালিক। তার সাহস, ভাগ্য, কর্ম দক্ষতা তাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। এখন তিন নৌকার হাল আক্কাস মাঝির নিকট ছেড়ে দিয়েছেন। এই নৌকাতে তার পরেই আক্কাস মাঝির স্থান। মাস শেষে হিসাবের পর আক্কাস মাঝিকে অতিরিক্ত দুইশো টাকা দেয়া হয় ভালো কর্ম দক্ষতার জন্য। আক্কাস মাঝিকে কোন কাজ দিলে নিশ্চিন্তে থাকা যায়।
নৌকায় চলছে। হারু খা চিন্তার রাজ্যে ডুবে গেছেন। বাড়িতে পোয়াতি বউ রেখে এসেছেন। তার এখন আতুর ঘরে যাবার সময় হয়েছে। আসার সময় কাচুনি, গামছা, সরিষার তৈল, মধু, ম্যাচ, বাতি ইত্যাদি কিনে দিয়ে এসেছেন। পাশের বাড়ির হানিফ কে বলে এসেছেন সন্তান হওয়ার সাথে সাথেই যেন আযান দেয়। অভিজ্ঞ দাইমা হনুফার মাকে একশো টাকা অগ্রিম বখশিস দিয়ে এসেছেন। সব কিছু স্বাভাবিক থাকলে তাকে গঞ্জ থেকে কাপড় কিনে দিবেন বলে অগ্রিম ঘোষণা দিয়েছেন। বউ এবং অনাগত সন্তান নিয়ে হারু খা’র মন চঞ্জল হয়ে উঠেছে। এতক্ষণে ঘর আলো করে রাজপুত কিংবা রাজ কন্যার আগমন ঘটেছে কিনা কে জানে।
হারু খা ঝিমাচ্ছেন। আক্কাস মাঝি তাকে ডাক দিয়ে বলল, ভাই জাল কোথায় থেকে ফেলা শুরু করবেন। ঈশান বালা থেকে শুরু করব কিন্তু তার আগে চরজালালপুর আসলে আমাকে ডেকে দিস, -এই বলে হারু খা আবার ঝিমানো শুরু করলেন। এবার তিনি অতীতে ফিরে গেলেন। এই নৌকার এক সময় মালিক ছিলেন তার স্বশুর বিনু মাঝি। বিনু মাঝির নৌকাতে কাজ করত তার বাবা নয়ন খা। নয়ন খা কর্মচারী হলেও বিনু মাঝির খুব প্রিয় লোক ছিলেন এবং তারা ছিলেন পরস্পর বন্ধুর মতন। তাই বিনু মাঝি এক সময় তার বাবার উপর সম্পূর্ণ নৌকার ভার ছেড়ে দিয়ে ছিলেন। এটা সেই সময়ের কথা যখন মেঘনার বুকে বিভিন্ন ডাকাত দল আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তার বাবা একদিন নৌকাসহ ডাকাত দলের কবলে পড়েন। সে সময় ডাকাত দলের বৈশিষ্ট্য ছিল প্রথমেই নৌকার মাঝিদের এলোতোপাতাড়ি কুপাত। তারপর আহত মাঝিদের নদীতে ফেলে জাল সহ নৌকা ছিনিয়ে নিয়ে যেত। তার বাবা বিষয়টি আঁচ করতে পেরে মাঝিদের সবাইকে নদীতে ঝাপ দিতে বললেন, শুধু তিনি একা নৌকার হাল ধরে ডাকাত থেকে বাচার জন্য ইঞ্জিন জোড়ে চালিয়ে ক্রমাগত চেষ্টা করতে লাগলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলোনা। ডাকাত দলের নৌকার গতি তার বাবার নৌকার থেকে বেশি হওয়ার কারণে অল্প কিছু ক্ষণের মধ্যে ডাকাত দল তাকে পাকড়াও করে ফেলে। তার বাবা নদীতে ঝাপ দিয়েও বাঁচতে পারেনি, তাকে নদী থেকে তুলে প্রথমে কুপিয়েছেন এবং তারপর পেটের মাঝখান দিয়ে সমান দুই ভাগে ফেরে পুনরায় নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। তখন হারু খার বয়স ছিলো মাত্র ষোল বছর।
ডাকাত কর্তৃক তার বাবা নিহত হওয়ার দুই বছর পর তার মা কালো জ্বরে মারা যান। ফলে বিনু মাঝি তাকে নৌকায় মাঝি হিসেবে নিয়োগ দেন। হারু খা নিয়োগ পাওয়ার কয়েক বছর পরের ঘটনা। নদীতে সবে জাল ফেলেছেন। এমন সময় ডাকাত দল জোড়ে হাক ছেড়ে ও হাতে লাল পতাকা দেখিয়ে তাদের নৌকার দিকে এগিয়ে আসছে। সবাই ভয়ে অস্থির। ইতিমধ্যে বিনু মাঝির আদেশের অপেক্ষা না করে দু’একজন নদীতে ঝাপ দিয়েছে। কিন্তু একজন খুব অবিচল ছিলেন, তিনি হলে সফিক মোল্লা। সফিক মোল্লা হলেন এই নৌকার পুরাতন মাঝি এবং হারু খার বাবার বন্ধু। সফি মোল্লা ডাকাতদের উপর চোখ রাখছেন, ডাকাত দল ভালোভাবে দৃষ্টি গোচর হলে এক সময় মুখ দিয়ে বলে উঠলেন, হারু…. এরা তোর বাবাকে কুপিয়েছে!
সফি মোল্লার ডাকে হারুর রক্ত টববগিয়ে উঠে, তিনি তখন বাইশ বছরের তাগড়া যুবক। বাবার হন্তা কারকদের প্রাপ্য না মিটিয়ে তিনি কিছুতেই পালাবেন না। সবাই কে বললেন যার ইচ্ছে হয় নদীতে ঝাপ দিতে পারেন আর যার ইচ্ছে হয় তারা আমার সাথে ডাকাত দলে মোকাবেলা করবেন। তার কথায় মাত্র পাঁচ ছয় জন সাড়া দিয়েছিলো। সেই দলে মালিক বিনু মাঝিও ছিলেন। ডাকাত দলের হাতে ছিলো রামদা, চাপাতি আর বড় বড় দা। কিন্তু হারু খার দলে ছিলে বড় বড় কয়েকটি বাঁশের খন্ড। সবাই বাঁশ প্রস্তুত করে পাটাতনের নিচে নিঁচু হয়ে থাকলেন। ডাকাত দল ভেবেছিলো সবাই নদীতে ঝাপিয়ে পড়েছে, তাই তারা গা ছাড়া ভাব নিয়ে বিনু মাঝির নৌকার কাছে আসতেই হারু খা জেলেদের নিয়ে একযোগে ডাকাত দলের উপর আতর্কিত আক্রমণ করলেন। যা তাদের কল্পনাতে ছিলোনা। ইতিমধ্যে তারা বাশ দিয়ে পিটিয়ে সাত থেকে আটজন ডাকাত কে কুপোকাত করে ফেলেছেন। বাকী তিন জন পাল্টা আক্রমণ করার সুযোগ পেয়েছিলো। তাদের দাড়ালো চাপাতির আক্রমণে হারু খার দলের দুইজন মারাত্মক আহত হয়েছেন। আহতের মধ্যে বিনু মাঝি ও তার বাবার প্রিয় বন্ধূ সফিক মোল্লা ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ডাকাত দল পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়। তাদের মর মর অবস্থা। হারু খা সবগুলোকে হাত পা বেধে ফেলেছেন। ইতিমধ্যে নদীতে শোরগোল পড়ে গেছে। জেলেদের অগণিত নৌকা ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়েছে। তার মধ্যে একটি নৌকায় করে ডাকাত দল ও আহত দুই মাঝিকে চাঁদপুর পাঠানো হলো এবং সাথে পাঠানো হলো বাছাই করা পনের জন জোয়ান শক্তিশালী মাঝিকে, যাতে ডাকাত দল পুনরায় কোন রকম ঝামেলা করার সুযোগ না পায়। চাঁদপুরে গিয়ে ডাকাত দল কে পুলিশে দেয়া হলো এবং আহত মাঝিদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর সারা মেঘনা জুড়ে তিন পর্যন্ত আনন্দ উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ এবং মাইক বাজানো হয়েছে। হারু খা মেঘনার জেলেদের মাঝে মহা-নায়কে পরিণত হন। সেই থেকে আজোও মেঘনা নদীর জেলেরা হারু খা কে আলাদা সন্মান ও ইজ্জত করে। কারণ ডাকাত দলের মধ্যে এই গ্রুপটি ছিলো সব চাইতে ভয়ংকর। অতীতে তারা অগণিত নৌকাতে ডাকাতি ও প্রাণহানি ঘটিয়েছে। পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও তাদের নাগাল পেত না। তারা পুলিশ আসার খবর আগেই পেয়ে যেত মেঘনার চরের মধ্যে ঝাটি বনে আশ্রয় নিত।
বিনু মাঝি তিনদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। মড়নের আগে তার একমাত্র মেয়ে লায়লা কে হারু খার নিকট সোর্পাদ করার জন্য অছিয়ত করে গেছেন। সেই থেকে বিনু মাঝির সমস্ত সম্পত্তি এবং একমাত্র মেয়ে হারু খার দখলে আছে।
ইতিমধ্যে নৌকা চরজালালপুর এসেছে। আক্কাস মাঝি হারু খা কে ডাক দিয়ে বলল, হারু ভাই নৌকা জালালপুরের টেক ছুঁই ছুঁই। আক্কাসের ডাক শুনে হারু খার সম্বিত ফিরে আসে। এখন সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে জাল নদীতে ফেলার জন্য। নৌকার আর্ধেক মাঝি জালের চাকা এবং বাকি অর্ধেক বাশের চুঙ্গা ধরে দাড়িয়ে আছেন। হারু খা সবাই কে আল্লাহ্ রসূলের নাম নিয়ে নদীতে জাল ফেলার নির্দেশ দিলেন । সবাই নদীতে জাল ফেলে বসে আছেন খেও (খেপ) উঠানোর অপেক্ষায়।
জাল ফেলার পর নৌকা স্রোতের অনুকূলে সাত পাড়া নামক যায়গায় চলে এসেছে। হারু খা নদীতে জাল ফেলে কখনো সাত পাড়ার বেশি যায়নি। কেননা সাত পাড়া থেকে অনতী দূরেই তার বাবা ডাকাত কর্তৃক নিহত হয়েছেন। সেখানে গেলেই বাবার কথা মনে পড়ে এবং কলিজায় পাড় মারে। তাই সাত পাড়ার আগে থেকেই জাল তোলা শুরু করে দেন। জালের উপরের এবং নিচের মাথা ধরে জেলেরা পাশাপাশি সাড়ি বদ্ধ হয়ে দাড়িয়েছেন টেনে তোলার জন্য। এই জাল টেনে তোলার জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়, তাই তুলণামূলক শক্তিশালী জোয়ানরা নিচের অংশ টেনে তুলেন এবং অপেক্ষাকৃত বৃদ্ধরা উপরের অংশ টানেন। এটি জেলে নৌকায় অলিখিত নিয়ম। আজ জাল টানা শুরু থেকেই প্রচুর মাছ উঠতে থাকে। এত পরিমাণ মাছ জালে আটকা পড়েছে তাতে মনে হচ্ছে নাইলন সূতা গুলো ছিড়ে যাবে। গোটা ইলিশের ঝাক হারু খার জালে আটকা পড়েছে। ইলিশ মাছের উপর সূর্যের আলো পড়ে চকচক করছে। প্রত্যেকটি মাছকে এক একটি রুপার থালা মনে হয়। হারু খা নির্দেশ দিলেন জাল এক সাথে টেনে উঠিয়ে তারপর মাছ ছাড়ানো শুরু হবে।
জাল থেকে মাছ ছাড়ানো শেষ। হারু খা ভাবছেন মাছ কি মহাজনের আড়ৎে উঠাবেন নাকি চাঁদপুরে নিয়ে যাবেন। মহাজনের আড়ৎে উঠালে ঠিকমত দাম পাবেন না এবং দাম যা পাবেন তা থেকে দাদনের সব টাকা কেটে রাখবেন। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন চাঁদপুরে নিয়ে যাবেন, নগদ টাকা বিক্রি করে তার থেকে এই মহাজনের দাদনের টাকা পরিশোধ করবেন। চাঁদপুরে মাছ উঠালে সেখানকার আড়ৎে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়, কারণ তখন প্রচুর ইলিশ খড়া চলছিল। মাছ বিক্রি শেষ হলে সবাই হোটেলে গেলেন ভাত খেতে। তারা সবাই খাসির মাথা এবং গরুর মাংস দিয়ে ভাত খেলেন। হোটেল থেকে বের হওয়ার পর হারু খা'র সাথে প্রতিবেশী গণি মাঝির দেখা হয়। গণি মাঝি ধানের বস্তার খ্যাপ নিয়ে এসেছেন। তার সাথে দেখা হওয়ার সাথে সাথে বলে উঠলেন, হারু ভাই মিষ্টি খাওয়ান, আপনার মাইয়া হইছে, দেখতে পরীর লাহান। বাব হওয়ার খবর শুনে হারু খার বুকে সব অনুভূতি, দুনিয়ার সব সুখ ভর করেছে। বাবা হওয়ার আনন্দে নিজ থেকেই ইয়া বলে হাত মুষ্ঠি করে খুশিতে টগবগিয়ে উঠেন। তার এই মহুর্তে মৃত বাবার কথা মনে পড়ে গেলে, তিনি প্রায়ই বলতেন, ঘরে মেয়ে শিশু জন্মানো মানে সুভাগ্যের চাবি হাতে পাওয়া। ঠিক তো তাই, খোদা হয়ত তার ঘরের লক্ষীর সাথে নদীতে অতিরিক্ত মাছও পাঠিয়েছেন। বাবা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন।
সবশেষে বাজার থেকে দাইমার জন্য ভালো দেখে কাপড়, জেলে পাড়ায় বিতরণের জন্য মিষ্টি কিনলেন এবং জেলেদের তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে বাড়ির পথে নৌকা ভাসালেন।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।
২| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০
নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: পড়ে যাবো ভাই পুরোটা, এখন অল্প পড়ে গেলাম। ভালো লাগবে পড়তে পারলে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
আপনার মন্তব্যে বুঝতে পারলাম গল্পে কিছুটা হলেও আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পেরেছি।
৩| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: শিরোনামে ধর্মপুত্র না বলে ভূমিপুত্র বলা যেতে পারে??
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: পরিবর্তন করে দিয়েছি।
ধন্যবাদ।।
৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫০
জনৈক অচম ভুত বলেছেন: জেলে জীবনের সুখ-দুঃখের গল্প।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জি, ভূত সাহেব।
৫| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৩
চাঁদগাজী বলেছেন:
সমাজ, নদী ও মানুষের জীবনের গল্প, ভালো লেগেছে
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৭
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে সত্যিই আনন্দিত হলাম।
৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: আমি প্রচন্ড অবাক হয়েছি।
আপনি আমার কথা রাখবেন সেটা বুঝিনি।
অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার শিরোনামটি সত্যি আমার ভালো লেগেছে এবং তা গল্পের সাথে মানান সই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
৭| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২১
অবনি মণি বলেছেন: অনেক সুন্দর গল্প।ভালো লেগেছে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
শুভ কামনা জানবেন।
৮| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অসাধারণ, মুগ্ধ হয়ে গেলাম ভাইয়া, পুরো ছবিটা চোখের সামনে ভাসছিল। পদ্মার বুকে রুপালী ইলিশ মাছ বোঝাই নৌকা, রুপালী ইলিশগুলো সুর্যের আলোয় চকচক করছে। এমন দৃশ্য কল্পনা করেও শান্তি ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: চেষ্টা করেছি জেলেদের জীবন তুলে ধরতে।
আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।।
ধন্যবাদ।।
৯| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩০
ওমেরা বলেছেন: জেলে জীবনের গল্প খুব ভাল লাগল ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ আপুনি।
ভালো থাকবেন নিরন্তর।।।
১০| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক সুন্দর গল্প লিখেছেন ভাই, পাঠক ধরে রাখার আলাদা গুণ আছে আপনার লেখনিতে। হারু খা'র বীরত্বপূর্ণ কাহিনী খুব উপভোগ করলাম। গল্পে হারু খা'কে খুব বিশ্বস্ত মনে হল আমার কাছে।
সব মিলিয়ে খুব ভালো লাগলো জেলেদের জীবনযাত্রা নিয়ে লিখা গল্পটি। অনেক কণ্টকময় জীবন জেলেদের। এখন মনে হয় জলদস্যুর উৎপাত অনেকটা কমে গেছে, খবরে তেমন ডাকাতির সংবাদ দেখা যায় না আর।
ভালো লাগা জানবেন,
শুভকামনা আপনার জন্য সবসময়।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ফিরে এসে মন্তব্য রাখার জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশংসায় সত্যি অবাক হইছি এবং ভালো লেগেছে।
না এখন আর ডাকাতদের উপদ্রব নাই বল্লেই চলে।
শুভ কামনা জানবেন।।।
১১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৬
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: সুন্দর গল্প । দারুন হয়েছে ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপুনি।
আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত বোধ করলাম।।
১২| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০৩
শায়মা বলেছেন: সুন্দর গল্প ভাইয়া।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ আপুনি।।
১৩| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০৫
আহমেদ জী এস বলেছেন: শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) ,
ভালো হয়েছে লেখা । ভিনটেজ স্বাদ পাওয়া গেলো ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: অনুপ্রেরণা মূলক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।।
১৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৩
প্রতিভাবান অলস বলেছেন: পড়ার সময় একটা সম্মোহন কাজ করছিল। বর্ননা গুলো খুবই জীবন্তভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। ধন্য আপনার লেখনি!
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার মন্তব্য সত্যি আমাকে আরেকটি গল্প লিখতে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।।।
১৫| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫১
প্রামানিক বলেছেন: সুন্দর গল্প খুব ভালো লাগল। ধন্যবাদ
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য আপ্নাকেও অশেষ ধন্যবাদ।।
শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জানবেন।।।
১৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৬
শামচুল হক বলেছেন: চমৎকার গল্প, খুব ভালো লাগল।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:০৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।।।
১৭| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫
আখেনাটেন বলেছেন: ধারাবাহিকভাবে লেখা হলেও পড়ে সুখানুভূতি হল। নদীবাহিত জীবনের অনেক কিছুই উঠে এসেছে এখানে।
এখনও কি দাদন ব্যবসা চলে?
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:০৭
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, দোয়া করবেন।।
না এখন আর আগের মত দাদন ব্যবসায়ী নেই। তবে পাড়ায় পাড়ায় সুদ ভিত্তিক এজেন্সি গড়ে উঠেছে।
১৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৪৫
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: গল্পটি শেষ করতে থামতে হয় নি কোথাও।। এখানেই সব কৃতিত্ব।। ভাল লগলো।।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:০৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: পাঠ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
আপনাকে ধন্যবাদ।।।
১৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৫৩
আটলান্টিক বলেছেন: অসাধারণ গল্প ভাইয়া।রাজীব ভাইয়ের সাথে সহমত।আমিও শর্ট ফিল্ম বানাতাম।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। প্রতিনিয়ত মন্তব্য করে উৎসাহ প্রদান করছেন।
২০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১৭
রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম একটি কথা বলতে- এই রকম গল্প আজকাল কেউ লিখে না।
আজকাল শুধু প্রেম-প্রেম।
আশা করি, এই রকম লেখা আপনার কাছ থেকে আরও পাবো।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ। সয় করে আরেকটি লিখব।।
২১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৬
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। পড়ার সময় দৃশ্য গুলি যেন চোখের উপর ভাসছিল।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
শ্রদ্ধা রইল।।
২২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৬
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: লেখাটা পড়ার সময় পদ্মা নদীর মাঝির কথা মনে পড়ে গেল।
ভাল লাগলো। দু' এক জায়গায় বানান ভুল আছে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
টাইপো নজরের আনার জন্য আবারো ধন্যবাদ।।
২৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
বেয়াদপ কাক বলেছেন: দারুন লেগেছে। এই লেখার আরো কি পর্ব আসবে?
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপাতত এটা শেষ। সামনে নতুন একটা আনার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ।।
২৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১১
তারেক ফাহিম বলেছেন: গল্পের নায়ক হারুখা।
হারু খা’র বীরত্ব সুন্দর করে তুলে ধরলেন।
পাঠে মুগ্ধতা জানবেন।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: হারুখা এদেশের জেলেদের একজন। যে যুদ্ধ করে বাঁচতে জানে।
ধন্যবাদ।।
২৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২০
মলাসইলমুইনা বলেছেন: খুবই সত্যিকারের একটা ছবি পাওয়া গেলো জেলে জীবনের | ভালো লাগলো | গল্পের শিরোনামটাও খুব সুন্দর হয়েছে | খুবই সুন্দর শিরোনাম আর গল্প |
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ apnake,
পড়ে মন্তব্য জানিয়েছেন।
দোয়া করবেন।।।
২৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১০
মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার !!!
ছোট ছোট খুঁটিনাটি বর্ণনা এসছে ; খুব ভালো লেগেছে ।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৮
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপা, আপনাদের সাথে আড্ডা দেওয়ার জন্য কিছু একটা লিখার চেষ্টা করি। লেখার পর আপনাদের মন্তব্য পেয়ে সত্যি অভিভূত হই।
২৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪২
সুমন কর বলেছেন: দারুণ বর্ণনা এবং গল্প। ভালো লাগা রইলো। প্লাস।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জি ধন্যবাদ।।।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প। একটুও কাল্পনিক মনে হয়নি।
আমি যদি নাট্য নির্মাতা হতাম- তাহলে আপনার এই গল্প দিয়ে একটা টেলিফিল্ম বানাতাম।