![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সকল মানুষের মধ্যে কিছু কিছু ভুলত্রুটি আছে যা মানুষ নিজে বুঝতে পারে না, সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এই অধমের দায়িত্ব
ধর্ম গুরুরা (সব ধর্মের) কোন রক্তপাত, বিশৃঙ্খলা, যুদ্ধ, প্রাকৃতিক হানাহানি ঘটার আগে বা ঘটার সময় খুব আগ্রহ সহকারে অপেক্ষা করেন ফল লাভের আশায়। ফলা ফলের উপর নির্ভর করে তাদের পবর্তী কার্যক্রম। মানব বিপর্যয়ের সময় ধর্ম গুরুরা মানুষের পাশে থেকে লজিস্টিক সার্পোট দিয়েছে এমন নজির খুব একটা নেই। তারা মানবতা বা মানব সভ্যতা ধ্বংসের পর সেখানে গিয়ে মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ত্রাণ কর্তার ভূমিকায় হাজির হন। উদ্দেশ্য নিজ ধর্মের অনুসারী বৃদ্ধি করা। যেন মানুষ কে সাহায্য করতে হলে নিজেদের ঈশ্বরের অনুসারী বৃদ্ধি করতে হবে! তা নহলে করা যাবেনা!
আবার কিছু ক্ষেত্রে নিজ ঈশ্বরের অনুসারী বৃদ্ধি করতে গিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের নজির আছে। এ প্রসঙ্গে জিম্বাবুয়ের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট একটি উক্তি করেছেন; ইউরোপিয়ানরা যখন আমাদের দেশে প্রবেশ করেছে তখন তাদের হাতে ছিল বাইবেল, আমাদের হাতে রাজ্য। এখন আমাদের হাতে বাইবেল তাদের হাতে রাজ্য! এই সমস্ত বেনিয়া ধর্মখোড়দের বা ধর্ম ভিত্তিক সংগঠনের কার্যক্রমের আসল রুপ জানতে হলে আপনাকে নজরুলের 'মৃত্যু ক্ষুদা' পড়তে হবে।
এই বঙ্গ এবং ভারতীয় উপমহাদেশ এক সময় বৌদ্ধ ধর্মের খুব প্রভাব ছিল। অনেক রাজাও ছিল বৌদ্ধ। এই বৌদ্ধদের অত্যাচারে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মের মানুষের অবস্হা ছিল ত্রাহি ত্রাহি। অনেক হিন্দু ঐতিহাসিক লিখেছেন; বৌদ্ধদের এহেন অবস্হা থেকে রক্ষা করতে ঈশ্বর ভারতবর্ষে মুসলমানদের পাঠিয়েছেন। এই উপ- মহাদেশে বৌদ্ধদের প্রভাব এবং সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ নিশ্চয় আপনাদের জানা আছে।
কোন রাজ্য দখল করতে হলে আগেরকার দিনে এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতো। বর্তমানে তুরুপের তাসের ঘর ((জাতিসংঘ) থাকার কারণে সেটি অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি সম্ভব হয়না। তাই তারা বিকল্প পথের আশ্রয় নিয়ে থাকে। এই বিকল্প পথের অন্যতম পথ হলো-
১। নিজেদের অনুগত সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা।
২। নিজ জাতিভুক্ত জন সংখ্যাকে সংশ্লিষ্ট দেশে স্হায়ী বা অস্হায়ী ভিত্তিতে মাইগ্রেশন করা।
৩। উক্ত দেশে নিজ গোয়েন্দা এজেন্সিকে তৎপর রাখা।
৪। কিছু সুচীল (কথিত সুশীল) কে অর্থ পেইডের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় সমূহের বগলবাজার দায়িত্ব দেয়া।
৫। নিজেদের ধর্ম, কৃষ্টি কালচারের প্রচার ঘটানো।
৬। এই লক্ষে মিডিয়া কে ব্যবহার করা, এবং তার উপযোগী সিরিয়াল, নাটক এবং সিনেমা তৈরী করে প্রচারের ব্যবস্হা করা।
৭। দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির নাম করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিজেদের অনুকূলে নেয়া।
৮। টার্গেটকৃত দেশ সমূহে নানা ভাবে প্রভাব বিস্তার করে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাতে উক্ত দেশের ভিত দুর্বল করে রাখা যায় এবং তারা নিজেরাই এসে ধরা দেয়।
ইহা ছাড়াও আরো বিভিন্ন তরিকার আশ্রয় নিয়ে থাকেন সেগুলো দেশ ও বর্হি বিশ্বে নজর দিলে বুজতে পারবেন। পরাশক্তি বা আঞ্চলিক শক্তিগুলো পার্শ্ববতী ছোট, দুর্বল রাষ্ট সমূহ কয়রাত্ত্ব বা অনুগত করার জন্য দীর্ঘ মেয়াদি মাষ্টার প্লান তৈরি করে থাকে এবং সে লক্ষে তারা কাজ চালিয়ে যায়। কিন্তু ছোট রাষ্ট্র সমূহ বিষয়টি তাৎক্ষণিক বুঝতে অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়। কারণ বিষয়টি দীর্ঘ মেয়াদি, তাই কুফল ফুটে উঠে ধীরেধীরে। কিন্তু চূড়ান্ত অবস্হায় এসে মারাত্মক আঘাত হানে।
অতএব কাণ্ডারি হুশিয়ার।।।
ছবি: গুগল মামা থেকে নিয়েছি।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৪
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: তালিকা দিলে অনেক দেয়া যায় কিন্তু বুঝার ক্ষেত্রে অল্প উদাহরণ যথেষ্ট।
উদাহরণ:
যে যে দেশ সমূহ করছে-
১। আমেরিকা
২। রাশিয়া
৩। চীন
৪। ইস্রাইল
৫। ইরান
৫। ভারত ইত্যাদি
যে যে দেশের উপর মাতাব্বরি করা হচ্ছে-
তৃতীয় বিশ্বের প্রায় সকল রাষ্ট্রকে সমূহ। এর বেশিরভাগ আবার এশিয়া এবং আফ্রিকায় অবস্হিত। আমাদের বাংলাদেশ এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্হায় আছে।
২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৩
সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: আমি নোয়াম চমস্কি,
আমার "গণমাধ্যমের চরিত্র" ও "সম্মতি উৎপাদন" বইগুলো পড়ে দেখতে পার।
তবে তোমার লেখা যথেষ্ট হয়েছে বৎস
শুভকামনা শাহাদাৎ ভাই।
কেমন আছেন?
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৬
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গণ মাধ্যমের চরিত্র এখন নাজুক অবসস্হায় আছে। তারা কোন না কোনভাবে দলের, ব্যক্তির, বিদেশী মাফিয়াদের দালালি করে।
আমি ভালো আছে ভাই। আপনি ভালো আছেন?
৩| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৬
মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: ইন্টারেস্টিং ! ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। আমাদের দেশের উপর কয় দেশের নজর আছে কে জানে!!! ভারত, চীনের থাকতে পারে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আমাদের দেশ এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্হায় আছে। ভারত, চীন ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকা, রাশিয়া প্রবল ভাবে সক্রিয় আছে। পাকিস্তান চেষ্টা করতে ক্রিয়া করতে তবে তারা অনেকটা পিছে পড়ে গেছে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে হীন কাজ করার কারণে।
৪| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২১
সৈয়দ ইসলাম বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ ভাই চমৎকার আছি
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২২
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে ভালো রাখেন। আর আমার জন্য দোয়া করবেন।
৫| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪২
আবু তালেব শেখ বলেছেন: আমাদের দেশ তেমন একটা ঝুকিতে নেই মনে হচ্ছে। মানুষ এখন সচেতন আগের থেকে
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫০
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন:
আমাদের দেশের মানুষ আগেও সচেতন ছিল এবং এখনো আছে, বেহুশ আছে রাজনৈতিক ব্যক্তি/দল, আমলা এবং চেতনাজীবীরা।
৬| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৮
হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:
ঝুকিতে অনেক আগ থেকেই। একমাত্র দক্ষিণ দিকটা খোলা আছে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনি সাধারণ জনগণের একটি পথ বাতলে দিলেন। সেখানে (বঙ্গপো সাগরে) ঝাঁপ দিলে সবাই বাঁঁচবে তো? নাকি আত্মাহুতি দিবে। আর আপনি কি নিজে সাতার জানেন?
৭| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৭
কানিজ রিনা বলেছেন: তাহলে আমেরিকা উত্তর কোরিয়া এটম দাবার
চাল মেড়ে পৃথিবী প্রকম্পিত করছে কোন
কোন ধর্ম প্রতিষ্ঠা করবে বলে। পারমানবীক
যুদ্ধ শুরু হলে পৃথিবী নামক সভ্যতা ধ্বংশ
হবে। তা কি কোনও ধর্মকে কেন্দ্র করে।
তবে হ্যা অত্যাধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের ফসল
আজ পারমানিক অস্ত্র। তারাই আজ ধর্মের
নামে একে ওপরের উস্কানি দিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ
রব তুলে অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
সেই সব দেশই আজ অত্যাধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানে শিক্ষিত। তারাই পৃথিবীর মোড়ল।
আবার তারাই ধর্মীয় পোপ পূরোহীত দিয়ে
নিজের ধর্মে টেনে নিয়ে সাহায্য সহযোগীতার
হাত মেলে দেয়। যুক্তিত আছে আপনার
লেখায়,তবে কোন ধর্ম কে পছন্দ করবে
এটা মানুষীক মানবীকতার উপর নির্ভর করে
কারন বিদ্ধস্ত যুদ্ধ এলাকায় মানবতাই একমাত্র
ধর্ম বলে জানি। ধন্যবাদ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: শুধু ধর্মের কারণে পরাশক্তিগুলো তাদের গুটির চাল চালে না, তাদের নানামুখী স্বার্থ আছে। তবে
আধিপত্য বিস্তার করার জন্য ক্ষমতাধর রাষ্টগুলো ধর্ম কে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে। কেননা গরীব রাষ্ট্রে ধর্ম এবং রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে জনগণের মধ্যে শত বিভক্তি থাকে।
৮| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৭
আহমেদ জী এস বলেছেন: শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) ,
অসত্য কিছু বলেন নি ।
২ নম্বর প্রতি মন্তব্য খাসা হয়েছে ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৪
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আমাদের রাষ্ট্রমুখী চিন্তা চেতনা করতে হবে, সবার আগের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ প্রাধান্য দিতে হবে। বিশ্বে জাতি হিসেবে আমাদের উঁচু হয়ে টিকতে হবে।
৯| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৪:৩৩
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: যে দেশ এসব করতে চাইছে সে দেশের নেতারা যদি বুঝত যে, তাদের বেকুবিতেই তাদের দেশ এখন ৩ টা। তাদের অনেক প্রদেশও যে অদূর ভবিষ্যতে স্বাধীন দেশ হবে না সেটাও বলা যায় না। আর তেনার যে বাংলাদেশকে নিয়ে খেলতে চাইছে সেই বাংলাদেশীরা যে কি জিনিস সেটা নতুন করে বলা লাগবে না। তাদেরকে ইতোমধ্যে নেপাল যে বাঁশ দিয়েছে সেটা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে...
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১৩
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মানুষ আগের থেকে এখন বেশি সচেতন। নিজেদের রক্ত দিয়ে অর্জিত পতাকা, মানচিত্র বিদেশি বেনিয়ারা নাড়াচাড়া করুক এটা কখনো তারা মেনে নিবেনা। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড সমূহ গভীরভাবে পর্যাবেক্ষ ণ করছে এবং তাদের নিজস্ব মতামত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করছে। সামনের দিনে তাদের চালানো কূটকৌশল সমুহ আরো স-বিস্তরে ধরা পড়বে আশা করা যায়।
১০| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৭:১৪
মলাসইলমুইনা বলেছেন: শুধু সত্যের ছায়াই না কায়াও আছে আপনার লেখায় আর বিশ্লেষণে | পর্যবেক্ষণ ঠিকই আছে | শুধু সমাধান নিয়ে ভাবতে হবে |
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আজকাল মানুষ কারো পা-চাটা দালালি পছন্দ করেনা। নিজেদের ভাবনা, চেতনা এবং নিজেদের সক্ষম তা নিজেরা প্রকাশ করতে চায়। এদেশের মানুষ নিজেরা স-গৌরবে বেঁচে থাকতে চায়।
আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।
ধন্যবাদ।।।
১১| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৪
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কি জানেন আগামী মাসের ২২ তারিখে বাংলাদেশে বিশাল উৎসব পালন করা হবে?
এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: কিসের উৎসব তা আপনি পরিস্কার করেননি। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কোন অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের বিন্দুমাত্র আগ্রহ থাকবেনা।।
১২| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬
বিলিয়ার রহমান বলেছেন: আমাদের হাতে ছিল রাজ্য আর তাদের রাজ্য
আর এখন আমাদের হাতে বাইবেল তাদের হাতে রাজ্য!!!
কেবল এই একটা উক্তি থেকে অনেক কিছু বুঝলুম, জানলুম!!
০১ লা মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:৪৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আমাদের সত্য জানা উচিৎ।। তারা (য়ূরোপিয়ানরা) প্রথমে বাইবেল হাতে নিয়ে আসে। এসে ঈশ্বরের বাণী দান করে। তারপর আস্তে আস্তে মসনদের দিকে পা বাড়ায়।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।।।
১৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৯
কালীদাস বলেছেন: কোন ধর্মই মানুষকে নৈতিকতার বাইরে পাঠায়নি, খারাপ কিছু বলেনি। সুবিধাবাদী শ্রেণীর লোকেরা ধর্মকে নিজের স্বার্থে যুগে যুঘে ব্যাবহার করেছে যার সবচেয়ে বেকুবি ভার্সন হচ্ছে ফ্যানাটিকরা।
লেখার সব পয়েন্টে একমত না।
ক্যারি অন
০১ লা মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:৪৭
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধর্ম মানুষের কল্যাণের কথা বলে, কিন্তু ধর্ম ভীরুরে কথা বলে নিজের পেট ও দলের।
ধন্যবাদ।।
১৪| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪
নীলপরি বলেছেন: বিশ্লেষণ ভালো লাগলো ।
০১ লা মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:৪৭
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ধন্যবাদ আপুনি।।
১৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:৪৬
এম আর তালুকদার বলেছেন: বাহ! চমৎকার লিখেছেন। ভাল লাগলো, অনেক কিছু তুলে ধরেছেন।
১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:৩৫
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জি ধন্যবাদ।।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০১
চাঁদগাজী বলেছেন:
আপনি, ১ ঠেকে ৮ অবধি যে পয়েন্টগুলো দিয়েছেন, কোন কোন দেশ এগুলো করছে, কোন কোন দেশের উপর?