| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি যখন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়ি তখন একবার নাফ নদীর তীরে যাবার সৌভাগ্য হয়েছিল। খুব সুন্দর শান্ত স্থীর নদী।
এবার এই নদীতে চলার সুযোগ হলো।
নদীর পানি যে এতো পরিস্কার, এতো লবনাক্ত, এতো গভীর, এতো চওড়া কোন চর ছাড়া হতে পারে সেটা না দেখলে সাধারন বাংগালীর পক্ষে ধারনা করা কঠিন।
টেকনাফ থেকে নদীর ঘাটে যাওয়ার পথে পরে অসংখ্য ক্ষেত দেখলাম, যেখানে এই নদীর পানি দিয়ে লবনের চাষ হচ্ছে।
নদীর পানি হালকা সবুজ, বেশ স্বচ্ছ।
নদীর তীরে রয়েছে ম্যাগ্রোভ গাছ। মানে জোয়ারের পানিতে এদের মাটি ডুবে যায়, ভাটার সময় আবার মাটি জেগে ওঠে।
নাফ নদী দিয়ে আমরা গিয়েছিলাম সাগরের ছোট্ট দ্বীপ সেন্ট মার্টিনস। জাহাজ থেকে দেখলাম, নদীর একটা জায়গায় এক ঘাট, যেখানে সব জাহাজই মায়ানমারের। জাহাজ থেকে মায়ানমার মাঝিরা হাত তুলে আমাদের অভিনন্দন জানালো। না জানি রোজ কত জাহাজ যায়... সবাইকেই কি ওরা ওভাবে স্বাগত জানায়?
আসতে আসতে টেকনাফের সীমানা শেষ হলো। পড়লাম সাগরে। কিন্তু হঠাৎ কোন পার্থক্যই পেলাম না। এখানেও পানি হালকা সবুজ। শান্ত এক সাগর (হয়তো আমরা শান্ত আবহাওয়ায় গিয়েছিলাম তাই)। কক্সবাজার দেখে ধারনা হয়েছিল। বাংলাদেশের সব সাগরেই বোধ হয় প্রচন্ড ঢেউ। আমার ধারনা সম্পূর্ন বদলে গেল। সেন্ট মার্টিন্সেও দেখলাম শান্ত সাগর। আর পানির রং হালকা সবুজ। সৌদি আরবের লোহিত সাগর, মালয়েশিয়ায়ও শান্ত সাগর দেখেছি, কিন্তু ওখানে পানির রং হালকা নীল।
নাফ নদীতে জাহাজ ছাড়াও চলছে ছোট ছোট ট্রলার যারা স্থানীয় (হয়তো) যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে আর আছে হাতে বৈঠা বাওয়া মাছ ধরার নৌকা। হাতে বৈঠা বেয়ে কিভাবে এই বিশাল নদী আর সাগরে চলাচল করে সেটাও বেশ আশ্চর্যের কথা। বিকালে যখন নাফ নদী দিয়ে আবার ফিরছিলাম, তখন দেখলাম ডুবন্ত সূর্যের আলো পড়ে নদীর পানি চিকমিক করছে।
আর সকালে দেখেছি অনেক সাদা রংয়ের পাখি (নাম এখন মনে পড়ছেনা), যেগুলো মাছ ধরছিল। পানিতে আবার অনেকগুলো একসাথে জড়ো হয়ে বসে ছিল।
নদীর অপর পাশে মায়ানমার। দূর থেকে মায়ানমারের খুব বেশি কিছু দেখতে পারিনি।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
শাহানা বলেছেন: হা হা হা... নাহ। আমি আছি এসিনিক বাংলাদেশ এ। এটা সামহোয়্যার এর একটি সিসটার কোম্পানি।
২|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
মুহিব বলেছেন: দেশ দেখার আর কতটুকু বাকী
৩|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
মুকুট বলেছেন: সেন্টমার্টিন এ যাবার পথে নাফ নদী পার হয়েছিলাম, তখন ভালোই লাগছইল যে, এই নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভাজন করে রেখেছে! দূরে দেখা যাচ্ছিল সব মায়ানমারের প্যাগোডা! ধন্যবাদ!
৪|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
ভাল লাগলো পড়ে। ধন্যবাদ।
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০২
শাহানা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৫|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
আনিকা বলেছেন: সীগাল ছিলো ওগুলা... পানিতে ডাইভ দিচ্ছিলো যখন ... ওদের পাখার জাদু দেখে আমরা মুগ্ধ!
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০১
শাহানা বলেছেন: ও হ্যা, সীগাল।
৬|
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: আপনি তো জোস ভ্রমনের বর্ননা দিতে পারেন।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
শাহানা বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
৭|
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
ময়ুরবাহন বলেছেন: দিদি সম্ভব হলে নাফ নদীর ছবি কিছু দেবেন। শুনেছি চট্টগ্রাম আর পার্বত্য চট্টগ্রাম খুব সুন্দর জায়গা। যাব একদিন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৩
িলমন বলেছেন: একটা প্রশ্ন ছিল....আপনি কি somewhere...এর মডারেটর বা এরকম কিছু?