নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পথের দাবী

পথের দাবী

পথের দাবী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ট্রাইব্যুনালের ত্রুটি বিচ্যুতির সমালোচনা পরামর্শ আমলে নেয়া হয়নি

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২৪

সৌদি আরবের জনপ্রিয় ইংরেজী পত্রিকা ‘সৌদি গেজেট' বলা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, ইসলামিক সংগঠন অথবা স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমালোচনা ও দাবি আমলে নিচ্ছে না সরকার। তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করে রক্ষা পেতে চাইছে। সরকার শুরু থেকে অভিযুক্তদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করে আসছে। এটা পরিষ্কার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যার আগে ন্যায় বিচারকে হত্যা করতে চায় সরকার। গত বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ‘ট্রাইব্যুনালের রায় : রাজনৈতিক প্রতিহিংসা' শিরোনামে সৌদি আরবের বিশিষ্ট সাবেক কূটনৈতিক ড. আলী আল গামদী একটি নিবন্ধে এই সব মন্তব্য করেন। নিবন্ধকার দক্ষিণপূর্ব এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ। নিবন্ধটি দৈনিক সংগ্রামে পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো



নিবন্ধে বলা হয় এর আগে একটি প্রবন্ধে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রথম রায়ে আবুল কালাম আজাদকে তার অনুপস্থিতিতে অভিযুক্ত করে ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ড দেয়।



যে নিবন্ধে আমি বাংলাদেশের ‘ডেইলি স্টার' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনামের সমালোচনা করেছিলাম রায়ের প্রেক্ষিতে তা উদযাপন এবং এতে আনন্দিত হওয়ার কারণে। তার পত্রিকাটিতে একটি নিবন্ধে তিনি লেখেন যে রায় উদযাপনের মিলিয়ন কারণ রয়েছে। কিন্তু আমি সুনির্দিষ্টভাবে বলেছি যে রায় উদযাপনের কোন যুক্তি নেই কারণ রায়টি ছিল বিরোধীদের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক গৃহবিবাদের ফল।



আজকে আমি ট্রাইব্যুনালের আরেকটি রায় নিয়ে লিখছি যা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে দেয়া হয়েছে। তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে। রায়ের প্রেক্ষিতে জনগণের একটি অংশ শাহবাগ চত্বরে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে তার মৃত্যুদন্ড দাবি করেছে।



এ ধরনের সমাবেশের প্রকৃত উদ্দেশ্যের পেছনে আয়োজকদের যে আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তা দেখে আমি বিস্মিত ও অবাক হয়েছি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিহিংসার নিন্দা জানাই। শুধু আমি একাই এটার বিরোধিতা করছি না। বাংলাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং আইনজ্ঞ মওদুদ আহমেদও এর বিরোধিতা করেছেন। মি. আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানের সচিব হিসেবে কাজ করেন, পরে ধারাবাহিকভাবে সরকারের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:৪১

আমার আমি নাই বলেছেন: কোত্থেকে পাইলেন এই নিউজটা? লিংক্টা একটু দেন দেখি ভাইসাব। নাকি হুইন্না হুইন্নাই মুসলমান?

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:৫০

পথের দাবী বলেছেন: দৈনিক সংগ্রাম দেখতে পারেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.